সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:২১ পি.এম
ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্রমবর্ধমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ভারতের প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার সিং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সোমবার বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
এই প্রতিনিধিদলটি, যা মার্কিন হাউস ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির চেয়ারম্যান ব্রায়ান মাস্ট-এর নেতৃত্বে ভারত সফর করছে, বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে ‘ভারত-মার্কিন ব্যাপক বৈশ্বিক কৌশলগত অংশীদারি’কে আরো এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা করেছে।
বৈঠকে উভয় দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা শিল্প খাতে পারস্পরিক অংশীদারি এবং উন্নত প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
রাজস্থানে ভারত ও মার্কিন সেনাবাহিনীর যৌথ সামরিক মহড়া ‘যুদ্ধ অভ্যাস ২০২৬’ সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর এই দ্বিপক্ষীয় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হলো। এই মহড়া দুই দেশের সামরিক বাহিনীর কৌশলগত সক্ষমতা এবং ইন্টারঅপারেবিলিটি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
বৈঠকে দুই দেশের কৌশলগত অভিন্ন লক্ষ্যগুলো পুনর্ব্যক্ত করা হয়, যা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি, স্থায়িত্ব এবং নিরাপত্তা বজায় রাখতে যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকারকে আরো শক্তিশালী করবে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ধরনের উচ্চপর্যায়ের সফর ও দ্বিপক্ষীয় আলোচনা দুই দেশের সামরিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী লতা মঙ্গেশকর পুনর্জন্ম হলে পুরুষ হিসেবে জন্মাতে চেয়েছিলেন। জাভেদ আখতারের সঙ্গে এক পুরোনো সাক্ষাৎকারে তিনি এই ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেছিলেন। শুধু পুরুষ হয়ে জন্মানোর ইচ্ছা নয়, পরবর্তী জীবনে লতা মঙ্গেশকর হয়ে ফিরে আসার ইচ্ছাও তার ছিল না বলে জানান তিনি।
পুনর্জন্মের প্রসঙ্গে লতা মন্তব্য করেন, "আবার জন্ম না হলেই তার ভালো।" যদি পুনর্জন্ম ঘটে, তাহলে তিনি আর লতা মঙ্গেশকর হতে চান না। এর পেছনে তার জীবনের কঠিন অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, "লতা মঙ্গেশকরের জীবনে যে কষ্ট ছিল, তা সবচেয়ে ভালো জানেন লতা নিজেই।"
লতা শুধু নিজের পরিচয় পরিবর্তনের কথা বলেননি, বরং পরবর্তী জীবনে তুলনামূলক সাধারণ ও ছোট একটি পরিবারে জন্মানোর ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন। তিনি নারী নয়, পুরুষ হিসেবে জন্মাতে চান।
লতার এই বক্তব্যটি তার একটি পুরোনো সাক্ষাৎকার থেকে নেওয়া হয়েছে, যেখানে তিনি অকপটে নিজের জীবন ও পুনর্জন্ম নিয়ে ভাবনার কথা জানিয়েছেন।
লতার জীবন ছিল দায়িত্ব ও সংগ্রামে ভরা। মাত্র ১৩ বছর বয়সে কাজ শুরু করেন তিনি। ১৯৪২ সালে তার বাবা পণ্ডিত দীননাথ মঙ্গেশকরের মৃত্যুর পর পরিবারের আর্থিক দায়িত্ব তার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠে। এক সাক্ষাৎকারে তিনি উল্লেখ করেছিলেন, "তাদের পরিবারের নয়জন সদস্য একসময় একটি ঘরে থাকতেন।" অর্থ সাশ্রয়ের জন্য অনেক সময় তিনি বাসে না উঠে হেঁটেও যাতায়াত করতেন।
সংগীতের জগতে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পথটিও সহজ ছিল না। শুরুর দিকে চলচ্চিত্রে গান গাওয়া ও অভিনয়ের মাধ্যমে পরিবারের পাশে দাঁড়াতে হয় তাকে। ১৯৪৮ সালে ‘মজবুর’ সিনেমার ‘দিল মেরা তোড়া’ গান দিয়ে বড় সুযোগ পান। পরবর্তী বছর ‘মহল’ সিনেমার ‘আয়েগা আনেওয়ালা’ গানটি তাকে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়। এরপর কয়েক দশক ধরে হিন্দি, বাংলা, মারাঠিসহ বিভিন্ন ভাষায় গান গেয়ে ভারতীয় সংগীতের অন্যতম প্রভাবশালী কণ্ঠ হয়ে ওঠেন লতা।
ব্যক্তিজীবনে তিনি নিজের মতো করে পথ চলেছেন। ১৯৯৯ সালের এক সাক্ষাৎকারে লতা জানান, ১৩ বছর বয়সে কাজ শুরু করার পর পরিবারের নয়জন সদস্যের জীবিকার দায়িত্ব তার ওপর ছিল। বিয়ের কথা ভাবার মতো সময়ও তিনি পাননি। একই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, "নিজের জীবন নিয়ে কোনো আক্ষেপ নেই।"
২০২২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ৯২ বছর বয়সে লতা মঙ্গেশকর মারা যান। মৃত্যুর পরও তার পুরোনো সাক্ষাৎকার, জীবন ও সংগীতজীবনের নানা অজানা দিক নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ কমেনি। পুনর্জন্ম নিয়ে তার এই পুরোনো কথোপকথনও সেই আগ্রহের একটি উদাহরণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৈয়দপুর সেনানিবাসে অবস্থিত ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার্স (ইএমই) সেন্টার অ্যান্ড স্কুলে (ইএমইসি অ্যান্ড এস) অনুষ্ঠিত হয়েছে ২০২৬ সালের জন্য বার্ষিক অধিনায়ক সম্মেলন এবং ৬ষ্ঠ কোর পুনর্মিলনী।
এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ২৭ ও ২৮ সেপ্টেম্বর দুই দিনব্যাপী আয়োজিত এই সম্মেলনে ইএমই কোরের সব ইউনিটের অধিনায়ক ও কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন সেনাপ্রধান।
তিনি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী ইএমই কোরের বীর সেনানীসহ সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। সেনাপ্রধান যুদ্ধ ও শান্তিকালীন সময়ে সেনাবাহিনীর অস্ত্র, যানবাহন এবং সামরিক যন্ত্রপাতির সুরক্ষায় মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণে ইএমই কোরের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা ও পেশাদারির প্রশংসা করেন।
কোরের সার্বিক উন্নয়ন, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একবিংশ শতাব্দীর সামরিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ইএমই কোরের প্রত্যেক সদস্যকে সদা প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
৬ষ্ঠ কোর পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান প্রধান অতিথি হিসেবে মনোমুগ্ধকর পুনর্মিলনী কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন। সেনা সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, এ ধরনের আয়োজন কোরের সদস্যদের মাঝে পারস্পরিক ঐক্য, সৌহার্দ্য এবং পেশাগত মমত্ববোধকে আরো সুদৃঢ় করে। তিনি সবাইকে উদাত্ত আহ্বান জানান যে, আগামীতে দেশ ও জাতির সার্বিক সেবায় আত্মনিবেদিত থাকতে হবে।
উক্ত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে ইএমই কোরের কর্নেল কমান্ড্যান্ট ও বাংলাদেশ রুরাল ইলেক্ট্রিফিকেশন বোর্ডের (বিআরইবি) চেয়ারম্যান, সেনাবাহিনীর মাস্টার জেনারেল অব দি অর্ডন্যান্স, ভারপ্রাপ্ত জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড), সেনাবাহিনীর অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল, ৬৬ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও রংপুর এলাকা কমান্ডারসহ সেনাসদর ও রংপুর এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া ইএমই কোরের বিভিন্ন ইউনিটের অধিনায়কগণ, কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং সেনা সদস্যরা এতে অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘের অধিবেশনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের বহুপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, এমন মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি উল্লেখ করেছেন, জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে।
আজ সোমবার, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এসব মন্তব্য করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এবারের অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্বিকভাবে সার্থক হয়েছে। এই সফর নতুন সরকারের অঙ্গীকার ও প্রত্যাশাকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করেছে।
প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ অধিবেশন উপলক্ষে চার দিনের সফরে মোট ৩০টি আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন, এমন তথ্য জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন। তিনি বলেন, এর মধ্যে সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে একটি ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছেন, ৭টি উচ্চ-পর্যায়ের সভায় বক্তব্য রেখেছেন, ১১টি দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন এবং জাতিসংঘসহ ১০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
বিভিন্ন সভা ও দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশগ্রহণকারী অতিথিরা বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন জানিয়েছেন, দাবি করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন পর জনগণের নিরঙ্কুশ ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী এই সফরে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস, সম্মান এবং আত্মমর্যাদা নতুন উচ্চতায় উন্নীত করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বোয়িং কেনার চুক্তি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বোয়িং কেনার চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে এবং এটি একটি উন্মুক্ত পরিবেশে স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে হয়েছে, যেখানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং আমাদের দেশের চারজন মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন।
‘আমাদের চাহিদা অনুযায়ী আমরা বোয়িং কিনছি। ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশ বোয়িংয়ের ভারী বিমান ব্যবহার করে আসছে। তবে আমাদের মিশ্র বহরের প্রয়োজন রয়েছে। একবিংশ শতাব্দীতে রুট বাড়াতে হলে এবং এভিয়েশন হাব হতে হলে আমাদের মিশ্র বহর প্রয়োজন,’ বলেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, এখানে কোনো লুক্কায়িত এজেন্ডা নেই। এটি সম্পূর্ণ আমাদের প্রয়োজনের ভিত্তিতে করা হয়েছে এবং খোলামেলাভাবেই আপনাদের জানানো হয়েছে। প্রয়োজন হলে আমরা আরো কিনব। যাত্রীসেবার মান বাড়ানো এবং একটি ক্রমবর্ধমান এভিয়েশন হাব হওয়ার জন্য আমাদের বহর সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য দীর্ঘকাল ধরে চলা প্রশাসনিক জটিলতা, সেশনজট, ফলাফল প্রকাশে দেরি, শিক্ষক সংকট এবং মানসম্মত উচ্চশিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি (ডিসিইউ) শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সমস্যার সমাধান এবং শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি বাস্তবায়নের জন্য সোমবার দুপুর ১টায় ঢাকা কলেজ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সাধারণ শিক্ষার্থীরা সংবাদ সম্মেলন করেছে। সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা দ্রুততম সময়ে পরীক্ষার আয়োজনসহ ৭ দফা দাবি উত্থাপন করেছে।
শিক্ষার্থীরা সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি অধ্যাপক লুৎফর রহমানকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়েছেন। সম্প্রতি তাকে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভিসি হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার পর, সংকট সমাধানে তার নেতৃত্বে কার্যকর ভূমিকা রাখার বিষয়ে তারা আশাবাদী। শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের সমস্যা ও প্রত্যাশার প্রতি সম্মান জানিয়ে প্রশাসন দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে তাদের প্রত্যাশা।
শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে উত্থাপিত ৭ দফা দাবি হলো—
১. সেশনজট নিরসন
২০২১-২২ থেকে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করতে হবে।
২. ফি কমানো: সেশন ফি ও পরীক্ষার ফরম পূরণের ফি যৌক্তিক পর্যায়ে কমাতে হবে।
৩. পূর্ণাঙ্গ প্রশাসন ও একাডেমিক কাঠামো: দ্রুততম সময়ে একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেট গঠন করে পূর্ণাঙ্গ প্রশাসনিক কাঠামো নিশ্চিত করতে হবে এবং আধুনিক পাঠ্যক্রম প্রণয়ন করতে হবে।
৪. একাডেমিক অবকাঠামোর উন্নয়ন: প্রতিটি ক্যাম্পাসে মানসম্মত একাডেমিক ও পাঠদানের পরিবেশ, সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার এবং গবেষণার উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও নির্মাণকাজ সম্পন্ন করতে হবে।
৫. স্থায়ী প্রশাসনিক ভবন ও টিএসসি: ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির জন্য স্থায়ী প্রশাসনিক ভবন এবং ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) নির্মাণ ও নিশ্চিত করতে হবে।
৬. আবাসন সংকট নিরসন: শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসনে প্রতিটি ক্যাম্পাসে প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন আবাসিক হল নির্মাণ করতে হবে।
৭. পরিবহন সংকট নিরসন: শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে প্রতিটি ক্যাম্পাসে পর্যাপ্তসংখ্যক পরিবহন বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ