ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাছ ধরার জালে ধরা পড়ল রাসেল ভাইপার


মাছ ধরার জালে ধরা পড়ল রাসেল ভাইপার

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার পদ্মা নদীর চরাঞ্চলে একটি বিষধর রাসেল ভাইপার সাপ মাছ ধরার জালে ধরা পড়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) ভোরে উপজেলার হারুকান্দি এলাকার পদ্মা নদীর চরসংলগ্ন স্থান থেকে সাপটিকে উদ্ধার করা হয়। পরে বন বিভাগ এবং 'স্নেক রেসকিউ টিম বাংলাদেশ'-এর সহযোগিতায় জীবিত সাপটি বন বিভাগের কাছে হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আন্ধারমানিক এলাকার জেলে সুজন সোমবার (২৯ জুন) রাতে পদ্মা নদীতে মাছ ধরার জন্য জাল পেতে রেখেছিলেন। মঙ্গলবার ভোরে জাল তুলতে গিয়ে তিনি একটি জীবিত রাসেল ভাইপার দেখতে পান। তবে তিনি সাপটিকে হত্যা না করে এটি একটি নেটের মধ্যে নিরাপদে আটকে আন্ধারমানিক খেয়াঘাটে নিয়ে যান।

আরও পড়ুন: নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য স্বজনদের দীর্ঘ অপেক্ষা

জেলে সুজন গণমাধ্যমকে বলেন, "সাপটি না মেরে ধরে এনেছি।" রাসেল ভাইপার উদ্ধারের খবর মুহূর্তেই আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

একনজর সাপটি দেখতে আন্ধারমানিক খেয়াঘাটে ভিড় করেন উৎসুক মানুষ। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানান।

হরিরামপুর উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, স্নেক রেসকিউ টিম বাংলাদেশের সহযোগিতায় সাপটি উদ্ধার করা হয়েছে। জীবিত অবস্থায় পাওয়ায় সেটিকে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাসেলস ভাইপার সম্পর্কে বাংলাদেশ বন বিভাগের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা জোহরা মিলা জানান, রাসেলস ভাইপার (Russell's Viper) সাপটি ‘চন্দ্রবোড়া’ বা ‘উলুবোড়া’ নামেও পরিচিত। এটি ইঁদুর ও টিকিটিকি খায়। বসতবাড়ির আশেপাশে এদের প্রাচুর্যতা বেশি থাকায় খাবারের খোঁজে রাসেলস ভাইপার অনেক সময় লোকালয়ে চলে আসে এবং মানুষকে দেখে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে কখনও কখনও আক্রমণও করে বসে।

আরও পড়ুন: মুন্সীগঞ্জ ডিসি অফিসে সোলার প্যানেলে উৎপাদন হবে ৮০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ

তিনি বলেন, সাধারণত পদ্মার চরাঞ্চল, নদী অববাহিকা ও বরেন্দ্র এলাকায় উঁচু-নিচু জমিতে এই সাপটি বেশি দেখা যায়। সাধারণত জুন-জুলাই মাসে এটি প্রজননকাল কাটায়। এটি ডিম দেওয়ার বদলে সরাসরি ৬-৬৩টি বাচ্চা প্রসব করে। দেখতে মোটাতির, লম্বায় ২ থেকে ৩ ফুট দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট এই সাপের গায়ে ছোপ-ছোপ গোলাকার কালা দাগ থাকে। ঘন ঘন জিহ্বা বের করে হিসহিস শব্দ করে। সাপটি সম্পর্কে যার ধারণা নেই তিনি এটিকে অজগর ভেবেই ভুল করবেন।

জোহরা মিলা বলেন, আইইউসিএনের ২০১৫ সালের লাল তালিকা অনুযায়ী রাসেলস ভাইপার বাংলাদেশে সংকটাপন্ন প্রাণীর তালিকায় রয়েছে। এই সাপের বিষ ‘হেমোটক্সিন’ হওয়ায় মাংস পচেই আক্রান্ত ব্যক্তি মারা যায়। তাই সাপটির কবল থেকে বাঁচতে সচেতনতাই কার্যকর পথ। বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন-২০১২ অনুযায়ী সাপটি সংরক্ষিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভুলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন আমির হামজা ‘মন থেকে’ জানিয়েছি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪৮ পি.এম


ভুলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন আমির হামজা ‘মন থেকে’ জানিয়েছি

‘সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ বিলটি জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়েছে। এই বিলটির আলোচনা চলাকালীন কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. আমির হামজা ভুল করে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রীর পরিবর্তে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

এই ঘটনা ঘটেছে মঙ্গলবার (৩০ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় বাজেট অধিবেশনের ১৯তম দিনের বৈঠকের শেষ পর্যায়ে।

আমির হামজার বক্তব্যের মাঝেই স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম) তাকে তাৎক্ষণিকভাবে ভুল ধরিয়ে দিয়ে বলেন, ‘সাইবার সুরক্ষা আইন তো ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের বিল। আপনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কেন ধন্যবাদ জানাচ্ছেন?’

এরপর, যখন তিনি নিজের ভুল বুঝতে পারেন, তখন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

বক্তব্যের সময় আমির হামজা বলেন, ‘সরকারের চার মাস হতে চলল। আজ পর্যন্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কোনো বিষয়ে ধন্যবাদ জানাইনি। আজ আমি মন থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি, এই বিলটি মন্ত্রী নিয়ে আসার কারণে। বিলের উদ্দেশ্য ও কারণের সঙ্গে নীতিগতভাবে আমি একমত।’

এসব কথোপকথনের পরে আবারও স্পিকার বলেন, ‘সদস্য, বিলটি তো এনেছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী। আপনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিচ্ছেন?’

পরে আমির হামজা তার বক্তব্যটি সংশোধন করে বলেন, ‘শুনলাম সাইবার আক্রমণের ঘটনায় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের নামই সবচেয়ে বেশি আসে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

নেদারল্যান্ডসের বিদায়ের দায় কোচের ওপর চাপালেন ইব্রাহিমোভিচ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫০ পি.এম


নেদারল্যান্ডসের বিদায়ের দায় কোচের ওপর চাপালেন ইব্রাহিমোভিচ

নেদারল্যান্ডসের বিদায়ের পরে কোচ রোনাল্ড কুমানের কৌশল সম্পর্কে সুইডেনের সাবেক তারকা জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ তীব্র সমালোচনা করেছেন। মরক্কোর বিপক্ষে নাটকীয় টাইব্রেকারে হেরে বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের বিদায়ের ঘটনা ঘটেছে। তার মতে, অতি রক্ষণাত্মক পরিকল্পনার কারণে ডাচরা এই টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়েছে।

ম্যাচের নির্ধারিত সময় ও অতিরিক্ত সময় শেষে ১-১ সমতায় থাকার পর পেনাল্টি শুটআউটে ৩-২ ব্যবধানে হেরে গিয়ে নেদারল্যান্ডস বিদায় নেয়। দ্বিতীয়ার্ধে কোডি গাকপোর গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর যোগ করা সময়ে মরক্কো সমতা ফেরায়।

ম্যাচে কুমান স্বাভাবিক কৌশল থেকে সরে গিয়ে পাঁচজনের রক্ষণভাগ ব্যবহার করেন। এই পরিবর্তনের কারণে ম্যাচ শেষে ইব্রাহিমোভিচ তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

ফক্স স্পোর্টসের বিশ্লেষক হিসেবে তিনি মন্তব্য করেন, 'এই পরাজয়ের দায় কুমানের। আমি এই ডাচ দলকে চিনতেই পারিনি। তারা এমন কৌশলে খেলেছে, যা ডাচদের স্বাভাবিক পরিচয়ের সঙ্গে মেলে না।'

তিনি আরও বলেছেন, 'আমাকে সবসময় শেখানো হয়েছে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে, আক্রমণ, আক্রমণ, আক্রমণ। কিন্তু আজকের নেদারল্যান্ডস তা করেনি। এটা ডাচ স্টাইল নয়।'

ইব্রাহিমোভিচ বলেছেন, 'এটা সেই নেদারল্যান্ডস নয়, যেটা আমরা চিনি। তারা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছিল না। বলের দখলও ছিল না, আক্রমণাত্মক ফুটবলও ছিল না। পুরো পারফরম্যান্সটাই হতাশাজনক এবং এর দায় কোচের।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টুঙ্গিপাড়া পৌরসভার প্রায় ৭৭ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫২ পি.এম


টুঙ্গিপাড়া পৌরসভার প্রায় ৭৭ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া পৌরসভার জন্য ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৭৬ কোটি ৯৬ লাখ ৪৭ হাজার ৪২৬ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকালে পৌরসভার সোনার বাংলা হলরুমে উন্মুক্তভাবে এই বাজেট ঘোষণা করেন টুঙ্গিপাড়া পৌর প্রশাসক জহিরুল আলম।

ঘোষিত বাজেটে ব্যয়ের পরিমাণের চাইতে আয়ের পরিমাণ ৬ লাখ ১৭ হাজার ৪১৬ টাকা বেশি দেখানো হয়েছে। বাজেটে নিরাপদ পানি সরবরাহ, মশক নিধন, সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, আলোকসজ্জা, শিক্ষা, পৌর এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সংস্কার, নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

উন্মুক্ত বাজেট অনুষ্ঠানে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা প্রকৌশলী জালাল উদ্দিন খান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তানভীর আহমেদ, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আইয়ুব আলী, সমাজসেবা কর্মকর্তা প্রকাশ চক্রবর্তী, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা জহির উদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত সহকারী প্রকৌশলী ইমরান হোসেন, টুঙ্গিপাড়া পৌর বিএনপির সভাপতি এমদাদ হোসেন মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক জিহাদুল ইসলাম বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু জাফর খান, আজকের পত্রিকার প্রতিনিধি সজল সরকারসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখেন।

জহিরুল আলম বলেন, ঘোষিত বাজেটে জনগণের ওপর কোনো বাড়তি কর বসানো হয়নি। আগে থেকে যা ধার্য রয়েছে, সেটিই বলবৎ থাকবে। আর পুরো বাজেটটি জনগণের জন্যই। কারণ বিশুদ্ধ পানি, মশা নিধন, নাগরিক সেবা, আলোকসজ্জাসহ বাকি সব উদ্যোগ পৌর এলাকার জনগণকে ভালো রাখার জন্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভুয়া দাতার মাধ্যমে জমি জালিয়াতি মামলার রেশ: বাদীপক্ষের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাদারীপুর প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৪ পি.এম


ভুয়া দাতার মাধ্যমে জমি জালিয়াতি মামলার রেশ: বাদীপক্ষের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ

মাদারীপুরে ভুয়া দাতাকে হাজির করে ৪৭ শতাংশ জমি জালিয়াতির মাধ্যমে লিখে নেওয়ার ঘটনায়, আদালতের রায়ে পাঁচজনকে পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হলেও, বর্তমানে মামলাটি আপিল ও লিভ টু আপিল পর্যায়ে বিচারাধীন রয়েছে।

এদিকে, ওই মামলাটি থেকে বাঁচতে বাদীপক্ষের স্বজনদের বিরুদ্ধে একের পর এক হয়রানিমূলক মামলা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

মামলার নথি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, যে জমির মালিক নুর জাহান বেগম ১৯৯০ সালের ১৬ অক্টোবর মারা যান। এরপর তার বৈধ ওয়ারিশদের কাছ থেকে ইতালিপ্রবাসী জসিম মোল্লা মাদারীপুর সদর উপজেলার পেয়ারপুর মৌজার এসএ ৯০৬ নম্বর খতিয়ানের ৩৮৮৬ নম্বর দাগের ২৩ শতাংশ এবং একই খতিয়ানের ৩৮৯৩ নম্বর দাগের ২৪ শতাংশসহ মোট ৪৭ শতাংশ জমি ক্রয় করেন।

অভিযোগ রয়েছে যে, নুর জাহান বেগমের মৃত্যুর প্রায় চার বছর পর ১৯৯৪ সালের ২ নভেম্বর সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অন্য এক নারীকে নুর জাহান বেগম পরিচয়ে হাজির করে ৪১৬৪ নম্বর দলিলের মাধ্যমে ওই জমি জালিয়াতির মাধ্যমে বিক্রি দেখানো হয়।

এই ঘটনার পর জসিম মোল্লার শ্বশুর, শহরের বাগেরপাড় এলাকার মৃত রুইজউদ্দিন হাওলাদারের ছেলে দিদার হাওলাদার সাতজনের বিরুদ্ধে বাদী হয়ে অভিযোগ দায়ের করলে, ২০১৭ সালের ৪ আগস্ট মাদারীপুর সদর মডেল থানায় প্রতারণার মামলা রেকর্ড করা হয়।

দীর্ঘ তদন্ত, সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণ ও বিচারিক কার্যক্রম শেষে ২০২৩ সালের ১৮ জুলাই তৎকালীন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশিদ আব্দুল জলিল ওরফে দুলাল শেখসহ পাঁচজনকে পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। পরে দণ্ডপ্রাপ্তরা আপিল করেন। তখন বাদীপক্ষ লিভ টু আপিল করলে মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।

এদিকে বাদীর আত্মীয় এবং জসিম মোল্লার বড় ভাই ইদ্রিস মোল্লার অভিযোগ, ওই মামলায় সাজা হওয়ার ক্ষোভ থেকে আব্দুল জলিল ওরফে দুলাল শেখ তাদের পরিবারকে ফাঁসাতে ধারাবাহিকভাবে হয়রানিমূলক মামলা করে আসছেন।

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, অভিযুক্ত আব্দুল জলিল ওরফে দুলাল শেখ একসময় মাদারীপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শাজাহান খানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করতেন। বর্তমানে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি নিজের অবস্থান পরিবর্তনের চেষ্টা করছেন বলেও স্থানীয়ভাবে অভিযোগ রয়েছে।

সম্প্রতি আব্দুল জলিলের একটি পরিত্যক্ত টিনশেড ঘরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে ফায়ার সার্ভিস শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করলেও ওই ঘটনায় জসিম মোল্লার পরিবারের সদস্যদের আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়।

অভিযোগের বিষয়ে আব্দুল জলিল ওরফে দুলাল শেখ বলেন, “আমিসহ আমার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছিল। আমার অনুপস্থিতিতে রায় হয়েছিল। পরে আপিল করলে আদালত আমাকে খালাস দেন। বর্তমানে লিভ টু আপিলের পর মামলাটি আবার বিচারাধীন রয়েছে। আমি কোনো অপরাধ করিনি। আমিও কারও বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করিনি। ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছি।”

ভুক্তভোগী ইদ্রিস মোল্লা জানান, “একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি কীভাবে এত প্রভাব খাটান, সেটাই প্রশ্ন। আমাদের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা দেওয়া হয়েছে, যেগুলো মিথ্যা হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। সম্প্রতি শর্ট সার্কিটে তার একটি পরিত্যক্ত টিনশেড ঘর পুড়ে যায়। এতে পাশের আমার ভবনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অথচ পূর্বের মামলার ক্ষোভ থেকে আমাদের বিরুদ্ধে ঘর পোড়ানোর অভিযোগ এনে নতুন মামলায় যুক্ত করা হয়েছে। আমরা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও সুষ্ঠু বিচার চাই।”

এ বিষয়ে মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু কালাম আজাদ জানান, “পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও মামলার বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। কাউকে অন্যায়ভাবে হয়রানি করতে দেওয়া হবে না। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%