ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভুয়া দাতার মাধ্যমে জমি জালিয়াতি মামলার রেশ: বাদীপক্ষের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ


ভুয়া দাতার মাধ্যমে জমি জালিয়াতি মামলার রেশ: বাদীপক্ষের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ

মাদারীপুরে ভুয়া দাতাকে হাজির করে ৪৭ শতাংশ জমি জালিয়াতির মাধ্যমে লিখে নেওয়ার ঘটনায়, আদালতের রায়ে পাঁচজনকে পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হলেও, বর্তমানে মামলাটি আপিল ও লিভ টু আপিল পর্যায়ে বিচারাধীন রয়েছে।

এদিকে, ওই মামলাটি থেকে বাঁচতে বাদীপক্ষের স্বজনদের বিরুদ্ধে একের পর এক হয়রানিমূলক মামলা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

মামলার নথি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, যে জমির মালিক নুর জাহান বেগম ১৯৯০ সালের ১৬ অক্টোবর মারা যান। এরপর তার বৈধ ওয়ারিশদের কাছ থেকে ইতালিপ্রবাসী জসিম মোল্লা মাদারীপুর সদর উপজেলার পেয়ারপুর মৌজার এসএ ৯০৬ নম্বর খতিয়ানের ৩৮৮৬ নম্বর দাগের ২৩ শতাংশ এবং একই খতিয়ানের ৩৮৯৩ নম্বর দাগের ২৪ শতাংশসহ মোট ৪৭ শতাংশ জমি ক্রয় করেন।

আরও পড়ুন: মাদারীপুরে ইসলামী আন্দোলনের জেলা মজলিসে শুরার বৈঠক অনুষ্ঠিত

অভিযোগ রয়েছে যে, নুর জাহান বেগমের মৃত্যুর প্রায় চার বছর পর ১৯৯৪ সালের ২ নভেম্বর সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অন্য এক নারীকে নুর জাহান বেগম পরিচয়ে হাজির করে ৪১৬৪ নম্বর দলিলের মাধ্যমে ওই জমি জালিয়াতির মাধ্যমে বিক্রি দেখানো হয়।

এই ঘটনার পর জসিম মোল্লার শ্বশুর, শহরের বাগেরপাড় এলাকার মৃত রুইজউদ্দিন হাওলাদারের ছেলে দিদার হাওলাদার সাতজনের বিরুদ্ধে বাদী হয়ে অভিযোগ দায়ের করলে, ২০১৭ সালের ৪ আগস্ট মাদারীপুর সদর মডেল থানায় প্রতারণার মামলা রেকর্ড করা হয়।

দীর্ঘ তদন্ত, সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণ ও বিচারিক কার্যক্রম শেষে ২০২৩ সালের ১৮ জুলাই তৎকালীন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশিদ আব্দুল জলিল ওরফে দুলাল শেখসহ পাঁচজনকে পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। পরে দণ্ডপ্রাপ্তরা আপিল করেন। তখন বাদীপক্ষ লিভ টু আপিল করলে মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।

এদিকে বাদীর আত্মীয় এবং জসিম মোল্লার বড় ভাই ইদ্রিস মোল্লার অভিযোগ, ওই মামলায় সাজা হওয়ার ক্ষোভ থেকে আব্দুল জলিল ওরফে দুলাল শেখ তাদের পরিবারকে ফাঁসাতে ধারাবাহিকভাবে হয়রানিমূলক মামলা করে আসছেন।

আরও পড়ুন: বাড়িতে ফিরল সৌদিতে নিহত সাহেদের নিথর দেহ, স্ত্রী-সন্তানের আহাজারি

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, অভিযুক্ত আব্দুল জলিল ওরফে দুলাল শেখ একসময় মাদারীপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শাজাহান খানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করতেন। বর্তমানে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি নিজের অবস্থান পরিবর্তনের চেষ্টা করছেন বলেও স্থানীয়ভাবে অভিযোগ রয়েছে।

সম্প্রতি আব্দুল জলিলের একটি পরিত্যক্ত টিনশেড ঘরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে ফায়ার সার্ভিস শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করলেও ওই ঘটনায় জসিম মোল্লার পরিবারের সদস্যদের আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়।

অভিযোগের বিষয়ে আব্দুল জলিল ওরফে দুলাল শেখ বলেন, “আমিসহ আমার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছিল। আমার অনুপস্থিতিতে রায় হয়েছিল। পরে আপিল করলে আদালত আমাকে খালাস দেন। বর্তমানে লিভ টু আপিলের পর মামলাটি আবার বিচারাধীন রয়েছে। আমি কোনো অপরাধ করিনি। আমিও কারও বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করিনি। ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছি।”

ভুক্তভোগী ইদ্রিস মোল্লা জানান, “একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি কীভাবে এত প্রভাব খাটান, সেটাই প্রশ্ন। আমাদের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা দেওয়া হয়েছে, যেগুলো মিথ্যা হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। সম্প্রতি শর্ট সার্কিটে তার একটি পরিত্যক্ত টিনশেড ঘর পুড়ে যায়। এতে পাশের আমার ভবনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অথচ পূর্বের মামলার ক্ষোভ থেকে আমাদের বিরুদ্ধে ঘর পোড়ানোর অভিযোগ এনে নতুন মামলায় যুক্ত করা হয়েছে। আমরা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও সুষ্ঠু বিচার চাই।”

আরও পড়ুন: সিলেটে হাম উপসর্গে ৩ শিশুর মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা ২০০

এ বিষয়ে মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু কালাম আজাদ জানান, “পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও মামলার বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। কাউকে অন্যায়ভাবে হয়রানি করতে দেওয়া হবে না। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লায় বাখরাবাদ গ্যাস কোম্পানির অংশীজন সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৪ পি.এম


কুমিল্লায় বাখরাবাদ গ্যাস কোম্পানির অংশীজন সভা অনুষ্ঠিত

কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধির মাধ্যমে জানানো হয়েছে যে, কুমিল্লার হোমনা উপজেলায় সম্প্রতি বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (বিজিডিসিএল) উদ্যোগে ‘গ্যাস বিতরণ ব্যবস্থা ও গ্রাহক সেবা’ শীর্ষক অংশীজন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার উপজেলা পরিষদের হলরুমে আয়োজন করা এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিজিডিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. ইমাম উদ্দিন শেখ।

এ সভায় সভাপতিত্ব করেন মহাব্যবস্থাপক (ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিস) প্রকৌশলী মো. সোলায়মান।

সভায় গ্যাসের স্বল্পতা, গ্যাসের চাপ কম থাকা এবং গ্রাহক সেবা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সাধারণ গ্রাহক ও সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন প্রশ্ন করা হয়। এই প্রশ্নগুলোর জবাবে বিজিডিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. ইমাম উদ্দিন শেখ গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি এবং সেবার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

গ্রাহক সেবা বিষয়ক উপস্থিতদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন মহাব্যবস্থাপক (বিপণন) প্রকৌশলী মর্তুজা রহমান খান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আহাম্মেদ মোফাচ্ছের, হোমনা উপজেলায় নিরবচ্ছিন্ন ও যথাযথ গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিজিডিসিএলকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এছাড়া, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন হোমনা পৌর বিএনপির সভাপতি সানাউল্লাহ সরকার।

সভায় কোম্পানির উপ-মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী আবু মো. জাহাঙ্গীর বাদশা, উপ-মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী ছগীর আহমেদ এবং ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী অম্লান কুমার দত্তসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অ্যাডহক বার কাউন্সিল গঠন, চেয়ারম্যান অ্যাটর্নি জেনারেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৭ পি.এম


অ্যাডহক বার কাউন্সিল গঠন, চেয়ারম্যান অ্যাটর্নি জেনারেল

বাংলাদেশে অ্যাডহক বার কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে। এর চেয়ারম্যান হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলকে নিযুক্ত করা হয়েছে এবং এটি ১ বছরের জন্য ১৫ সদস্যের একটি কাউন্সিল গঠন করেছে।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে, আজ মঙ্গলবার আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা স^াক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে, যাতে অ্যাডহক বার কাউন্সিল গঠনের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার ১৯৭২ এর ৪ (২) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার এই অ্যাডহক বার কাউন্সিল গঠন করেছে।

কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন: সিনিয়র অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, সিনিয়র অ্যাডভোকেট ব্যারিস্টার মো. বদরুদ্দোজা বাদল, অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার, অ্যাডভোকেট জসীম উদ্দীন সরকার, সিনিয়র অ্যাডভোকেট এ এইচ এম মুশফিকুর রহমান তুহিন, সিনিয়র অ্যাডভোকেট ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী, ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম, অ্যাডভোকেট সরকার তাহমিনা বেগম সন্ধ্যা, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন লিপু, সিনিয়র অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির, অ্যাডভোকেট মো. নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট আলী আসগর, অ্যাডভোকেট সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং সিনিয়র অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান মিলন।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অ্যাডহক বার কাউন্সিল আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত এক বছরের জন্য দায়িত্ব পালন করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা বাঁচাতে এখনই বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই: ডিসি ফরিদা খানম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৮ পি.এম


ঢাকা বাঁচাতে এখনই বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই: ডিসি ফরিদা খানম

ঢাকাকে আরো বাসযোগ্য, পরিবেশবান্ধব ও জলবায়ু সহনশীল নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুতরভাবে বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম।

আজ তিনি রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বৃক্ষরোপণ করেন। ঢাকাকে বাঁচাতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ফরিদা খানম বলেছেন, ‘ঢাকাকে বাঁচাতে এখনই বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। একটি গাছ শুধু পরিবেশকে সবুজ করে না, এটি বিশুদ্ধ বাতাস, জীববৈচিত্র্য এবং আগামী প্রজন্মের নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করে।’

আজকের এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘সবুজ ঢাকার অঙ্গীকার: আজকের বৃক্ষ আগামীর নিঃশ্বাস’ প্রতিপাদ্য নিয়ে আয়োজনটি ছিল। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বৃদ্ধি পাওয়া তাপমাত্রা, বায়ুদূষণ ও পরিবেশগত ঝুঁকি বিষয়গুলো তুলে ধরে তিনি বলেছেন, এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শুধু সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, প্রতিটি নাগরিককে বৃক্ষরোপণকে নিজেদের সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘শুধু আনুষ্ঠানিকভাবে গাছ লাগালেই দায়িত্ব শেষ হয় না। রোপণ করা প্রতিটি গাছের পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। একটি গাছ বাঁচানো মানে একটি জীবন, একটি পরিবার এবং একটি সুস্থ পরিবেশকে বাঁচিয়ে রাখা।’ তিনি বানিজ্যিক ও আবাসিক এলাকা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি অফিস ও খালি স্থানগুলোতে পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণ করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

একটি গবেষণার ফলাফলে তিনি জানান, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ প্রতিদিন গড়ে ৫৫০ লিটার অক্সিজেন গ্রহণ করেন এবং গড় আয়ু ৭০ বছর হলে, একজন মানুষের সারা জীবনে প্রয়োজন হয় প্রায় ১৪ লাখ লিটার অক্সিজেন। অন্যদিকে, একটি পূর্ণবয়স্ক গাছ বছরে গড়ে ৮২ হাজার ৬০০ লিটার অক্সিজেন উৎপাদন করে। ফলে একজন মানুষের অক্সিজেনের চাহিদা পূরণে প্রয়োজন হয় প্রায় ১৭টি পূর্ণবয়স্ক গাছ।

তিনি বলেন, বাস্তবতা হলো, রোপণ করা সব গাছ পরিণত বয়সে পৌঁছায় না, তাই আমাদের প্রত্যেকের উচিত জীবনে অন্তত ১০০টি গাছ রোপণ করা, যাতে অন্তত ১৭টি গাছ পূর্ণবয়স্ক হয়ে মানুষ ও পরিবেশের কল্যাণে অবদান রাখতে পারে।

জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, বাংলাদেশে একটি আইসিইউ বেডে অক্সিজেন ও অন্যান্য চিকিৎসাসহ প্রতিদিনের ব্যয় প্রায় ১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা, কখনো কখনো এরও বেশি। অথচ আমরা সুস্থ অবস্থায় প্রতিদিন যে বিপুল পরিমাণ অক্সিজেন গ্রহণ করি, তার বিশাল অংশের যোগান প্রকৃতি এবং আমাদের চারপাশের গাছপালা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দিয়ে থাকে।

তিনি আরো বলেন, অর্থ দিয়ে আইসিইউর অক্সিজেন কেনা সম্ভব, কিন্তু একটি পরিণত গাছ যে অক্সিজেন, ছায়া, শীতলতা, জীববৈচিত্র্যের আশ্রয় এবং পরিবেশগত সুরক্ষা প্রদান করে, তার প্রকৃত মূল্য কোনো অর্থেই নির্ধারণ করা যায় না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিন্ধু পানি চুক্তি নিয়ে ভারতকে পাকিস্তানের নজিরবিহীন হুঁশিয়ারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০০ পি.এম


সিন্ধু পানি চুক্তি নিয়ে ভারতকে পাকিস্তানের নজিরবিহীন হুঁশিয়ারি

সিন্ধু পানি চুক্তিকে কেন্দ্র করে ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা এবার চরম আকার ধারণ করেছে।

গত বছরের ভয়াবহ হামলায় ২৬ জন ভারতীয় নাগরিক নিহত হওয়ার পর জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগামে নয়াদিল্লি এই ঐতিহাসিক চুক্তিটি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার ঘোষণা দেয়। ভারতের এই অনড় অবস্থানের প্রতিক্রিয়ায় এখন সুর চড়িয়েছে ইসলামাবাদ।

পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মুসাদিক মালিক এক সংবাদ সম্মেলনে কার্যত সরাসরি হুমকি দিয়ে বলেছেন, পাকিস্তানের ন্যায্য পানির অংশে যদি কেউ হাত দেওয়ার চেষ্টা করে, তবে সেই হাত কেটে ফেলা হবে। ভারতের নাম উল্লেখ করে তিনি অভিযোগ করেছেন, প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রী একটি পানির কল নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং বলছেন যে তিনি পাকিস্তানে এক ফোঁটা পানিও যেতে দেবেন না। পাকিস্তানের অর্থনীতি, খাদ্য নিরাপত্তা এবং অর্ধেক জনগণের কর্মসংস্থান কৃষির ওপর নির্ভরশীল উল্লেখ করে মুসাদিক মালিক জানান, তারা এই সংকটের কথা আন্তর্জাতিক মহলে তুলে ধরবেন এবং নিম্নাঞ্চলের মানুষের অধিকার নিয়ে লড়াই করবেন।

একই সংবাদ সম্মেলনে সুর মিলিয়েছেন পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারারও। তবে তিনি হুমকির চেয়ে আইনি দিকের ওপর বেশি জোর দিয়েছেন। তারার দাবি করেছেন, সিন্ধু পানি চুক্তি একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত চুক্তি এবং কোনো পক্ষই এককভাবে এটি বাতিল, স্থগিত বা সংশোধন করতে পারে না। তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরের বক্তব্য পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, পানি পাকিস্তানের জন্য জীবনরেখা এবং একই সাথে একটি চূড়ান্ত সীমারেখা, যা অতিক্রম করা বরদাস্ত করা হবে না।

কিছুদিন আগেই ভারতের কেন্দ্রীয় পানিসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ভারত আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে সিন্ধু নদের অববাহিকায় নিজস্ব অংশের পানির পূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করবে এবং ভারতের প্রাপ্য এক ফোঁটা পানিও পাকিস্তানে যেতে দেওয়া হবে না।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%