প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সিন্ধু পানি চুক্তিকে কেন্দ্র করে ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা এবার চরম আকার ধারণ করেছে।
গত বছরের ভয়াবহ হামলায় ২৬ জন ভারতীয় নাগরিক নিহত হওয়ার পর জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগামে নয়াদিল্লি এই ঐতিহাসিক চুক্তিটি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার ঘোষণা দেয়। ভারতের এই অনড় অবস্থানের প্রতিক্রিয়ায় এখন সুর চড়িয়েছে ইসলামাবাদ।
পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মুসাদিক মালিক এক সংবাদ সম্মেলনে কার্যত সরাসরি হুমকি দিয়ে বলেছেন, পাকিস্তানের ন্যায্য পানির অংশে যদি কেউ হাত দেওয়ার চেষ্টা করে, তবে সেই হাত কেটে ফেলা হবে। ভারতের নাম উল্লেখ করে তিনি অভিযোগ করেছেন, প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রী একটি পানির কল নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং বলছেন যে তিনি পাকিস্তানে এক ফোঁটা পানিও যেতে দেবেন না। পাকিস্তানের অর্থনীতি, খাদ্য নিরাপত্তা এবং অর্ধেক জনগণের কর্মসংস্থান কৃষির ওপর নির্ভরশীল উল্লেখ করে মুসাদিক মালিক জানান, তারা এই সংকটের কথা আন্তর্জাতিক মহলে তুলে ধরবেন এবং নিম্নাঞ্চলের মানুষের অধিকার নিয়ে লড়াই করবেন।
একই সংবাদ সম্মেলনে সুর মিলিয়েছেন পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারারও। তবে তিনি হুমকির চেয়ে আইনি দিকের ওপর বেশি জোর দিয়েছেন। তারার দাবি করেছেন, সিন্ধু পানি চুক্তি একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত চুক্তি এবং কোনো পক্ষই এককভাবে এটি বাতিল, স্থগিত বা সংশোধন করতে পারে না। তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরের বক্তব্য পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, পানি পাকিস্তানের জন্য জীবনরেখা এবং একই সাথে একটি চূড়ান্ত সীমারেখা, যা অতিক্রম করা বরদাস্ত করা হবে না।
কিছুদিন আগেই ভারতের কেন্দ্রীয় পানিসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ভারত আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে সিন্ধু নদের অববাহিকায় নিজস্ব অংশের পানির পূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করবে এবং ভারতের প্রাপ্য এক ফোঁটা পানিও পাকিস্তানে যেতে দেওয়া হবে না।
সূত্র: এনডিটিভি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন