বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৪৫ পি.এম
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সানুহার বন্দরে একটি যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে উল্টে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বাসটি অটোরিকশাকে সাইড দিতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এই দুর্ঘটনায় পতিত হয়। বুধবার দুপুরে সানুহার-ধামুরা সড়কে এই ঘটনা ঘটে। এতে বাসের ১০ জন যাত্রী আহত হন। তবে পুলিশ জানায়, তাঁদের মধ্যে কারও অবস্থা গুরুতর নয়।
উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম জানান, বরিশাল নগরী থেকে ২০ জন যাত্রী নিয়ে বাসটি উজিরপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। সানুহার-ধামুরা সড়কটি সরু এবং খানাখন্দে ভরা হওয়ায় সেখানে যান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
বাসটি সানুহার বন্দরের কাছে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি অটোরিকশাকে সাইড দিতে গিয়ে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং রাস্তার পাশের খাদে পড়ে উল্টে যায়।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর জানা যায়, আহত যাত্রীরা ঘটনাস্থল থেকে চলে গেছেন। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে বাসটি উদ্ধারের চেষ্টা করেন, কিন্তু তা সম্ভব হয়নি। বাসটি এখনও রাস্তার পাশের খাদে পড়ে রয়েছে।
ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় যদি কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়, তাহলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপি ক্ষমতায় আসার আগে ও পরে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে জামায়াত ও লামাযহাবী গোষ্ঠী তুলনামূলকভাবে বেশি লাভবান হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন মুফতী মোযযাম্মিল হক মাছুমী।
তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে কওমি অঙ্গনে বিভাজন ও ভাঙনের পাশাপাশি জামায়াত ও লামাযহাবী মতাদর্শে যুক্ত হওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এর ফলে কওমি অঙ্গন সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মুফতী মোযযাম্মিল হক মাছুমী বলেন, “অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে এবার বিএনপি ক্ষমতায় আসার আগে-পরে সবচেয়ে বেশি গেইনার জামায়াত আর লামাযহাবীরা। আর কওমি অঙ্গনে ভাঙনসহ যে হারে জামায়াত ও লামাযহাবীতে যুক্ত হওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তাতে মনে হচ্ছে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মধ্যে আছে কওমিরা। বেঁচে গেলো চরমোনাই ও সুন্নীরা।”
তবে নিজের এই বাস্তব ধারণা ভুল প্রমাণিত হোক—এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
মামুনুল হককে জামায়াত জোটে নেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, “মাওলানা মামুনুল হক সাহেবের মতো একটা ফিগারকে জামায়াত জোটে নেওয়া চাট্টিখানি ব্যাপার নয়। সাথে ওসামার মতো বাকপটুকে নিয়ে জামায়াতের যে সুচিন্তিত মিশন বাস্তবায়ন হচ্ছে, তা এখন কওমি অঙ্গন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে।”
এ সময় তিনি আরও দাবি করেন, নির্বাচনের পর বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ধর্মীয় অঙ্গনের কিছু ব্যক্তির সঙ্গে রাজনৈতিক নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠতা এবং পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন পদ-পদবি দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরেও নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে দেশের সুন্নী দরবার, পীর-মাশায়েখ ও খানকাগুলোর মধ্যে আগের তুলনায় ঐক্য বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মন্তব্য করেন মুফতী মোযযাম্মিল হক মাছুমী। তাঁর ভাষ্য, আমলের ক্ষেত্রে কিছু অসঙ্গতি ও মাসলাকগত মতপার্থক্য থাকলেও দেশের অধিকাংশ সুন্নী দরবার ও পীর-মাশায়েখ প্রচলিত রাজনীতিকে তুলনামূলক কম গুরুত্ব দিয়ে ধর্মীয় ও সামাজিক বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছেন।
তিনি বলেন, উগ্রবাদ ও দ্বিচারিতার মোকাবিলায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ধর্মীয় সম্প্রীতির প্রশ্নে সুন্নী অঙ্গনের মানুষ নিজেদের শান্তিপ্রিয় হিসেবে সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে।
সর্বশেষে তিনি বলেন, আল্লাহর দ্বীনের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে সকল দল-মতের ইসলামপন্থীরা ঐক্যবদ্ধ হলে দেশের মুসলমান, আলেম-ওলামা ও পীর-মাশায়েখদের রাষ্ট্র পরিচালনায় আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া হতো।
মুফতী মোযযাম্মিল হক মাছুমীর এসব বক্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজশাহীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে রাজশাহী মহানগর বিএনপি।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে নগরীর হাজী মোহাম্মদ মহসিন হাই স্কুল (মাদ্রাসা মাঠ) সংলগ্ন মাঠে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
কর্মসূচির উদ্বোধন করেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন অর রশিদ মামুন এবং মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব মনিরুল ইসলাম জনি, যুগ্ম আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান জনি, রাজশাহী মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সালাউদ্দিন বিপ্লব, খালিদ বিন ওয়ালিদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মঈদুর রহমান মঈদ, মহানগর বিএনপির দপ্তর সম্পাদক, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের দপ্তর সম্পাদক সৈকত পরভেজসহ বিভিন্ন থানা, ওয়ার্ড এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং নগরজীবনে নির্মল ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। একটি সবুজ ও বাসযোগ্য নগরী গড়ে তুলতে বেশি করে গাছ লাগানোর পাশাপাশি রোপণ করা গাছের যথাযথ পরিচর্যা ও সংরক্ষণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তারা।
নেতৃবৃন্দ বলেন, শুধু বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না, রোপণ করা গাছগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে নিয়মিত পরিচর্যা করতে হবে। পরিবেশ সুরক্ষায় দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সর্বস্তরের মানুষকে বেশি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান তারা।
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেশব্যাপী ঘোষিত বিভিন্ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজশাহীতেও এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো নিজ নির্বাচনী এলাকা ভোলায় সফর করেছেন ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। দীর্ঘ আট বছর পর ভোলা থেকে মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়ায় জেলাজুড়ে উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয়েছে। তাকে স্বাগত জানাতে শহরের বিভিন্ন মোড়ে ফুল হাতে অপেক্ষা করেছেন দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ।
বুধবার দুপুর ১টার দিকে বরিশাল হয়ে স্পিডবোটে ভোলার খেয়াঘাট লঞ্চঘাটে পৌঁছান মন্ত্রী পার্থ। সেখানে জেলা প্রশাসক শামীম রহমান, পুলিশ সুপার শহীদুল্লাহ কাওসার, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ্ব গোলাম নবী আলমগীর, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রাইসুল আলম, জেলা বিজেপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম রতন, সাবেক মেয়র শফিউর রহমান কিরন, হুমায়ুন কবির সোপানসহ বিএনপি ও বিজেপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা তাঁকে স্বাগত জানান। পরে ফুল দিয়ে তাঁকে বরণ করে নেওয়া হয়।
পার্থের আগমনকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই ভোলা শহর ও আশপাশের এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে। বিভিন্ন মোড়ে ফুল হাতে অবস্থান নেন নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ। দীর্ঘদিন পর ভোলা থেকে মন্ত্রী হওয়ার ফলে জেলার মানুষের মধ্যে আনন্দের পাশাপাশি উন্নয়ন নিয়ে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, আন্দালিব রহমান পার্থের মন্ত্রিত্বের সময়ে জেলার যোগাযোগব্যবস্থা, অবকাঠামো ও নাগরিক সুবিধার উন্নয়ন আরও গতিশীল হবে। বিশেষ করে ভোলার দীর্ঘদিনের যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত সমস্যাগুলোর সমাধানে তাঁর ভূমিকা রাখার আশা করছেন তাঁরা।
নতুন বাজারের জেলা বিজিপির কার্যালয়ের সামনে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে পার্থ দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, তাঁর পরিবারের কেউ টেন্ডারবাজি বা চাঁদাবাজির সঙ্গে যুক্ত নন। ভোলার উন্নয়নে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, "ভোলা বরিশাল সেতু নিয়ে ভোলার সকল মানুষ আন্দোলন করেছে। এটা ভোলাবাসীর প্রাণের দাবী।" ভোলাকে দেশের মূল ভূখণ্ডের সাথে সংযুক্ত করতে সরকার বিশেষ পরিস্থিতিতে পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। ভোলা বরিশাল সেতু নিয়ে কেউ বিভ্রান্ত করবেন না। "আমরা সরকারে আছি ভোলার উন্নয়নে ভোলাবাসীকে সাথে নিয়ে ভোলার যেভাবে সুবিধা হবে, দেশের যেভাবে সুবিধা হবে সেভাবেই কাজ করতে হবে।" সরকারের একটি নিজস্ব পরিকল্পনা রয়েছে। ভোলার উন্নয়নে অনেক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। ভোলায় মেডিকেল কলেজ হবে, নদী ভাঙ্গন রোধে ৭ শ কোটি টাকা বরাদ্ধ করা হয়েছে, রাস্তা ঘাট উন্নয়নেও কাজ হবে। বিগত সরকার দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। তারেক রহমানের সরকার ক্ষমতায় আসছে মাত্র কিছুদিন হলো। "একটা কঠিন সময়ে তিনি দেশের দায়িত্ব নিয়েছেন। দেশের জনগণের কল্যাণে তার অনেক পরিকল্পনা রয়েছে।"
এক্ষেত্রে একটু সময় দিতে হবে। সরকার যা করে তা দেশ ও জনগণের কল্যাণেই করে। তাঁর সঙ্গে সবাই থাকলে এবং আল্লাহ চাইলে ভোলায় সবচেয়ে বেশি উন্নয়নমূলক কাজ করার চেষ্টা করবেন। উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে বিরোধী দল, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলনসহ সব পক্ষকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চান বলেও জানান তিনি। কাউকে বাদ না দিয়ে ভোলার উন্নয়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, "ভোলায় কোন কাটা কাটি মারা মারি, টেন্ডারবাজী, সন্ত্রাসী হতে দেয়া যাবে না। আমি একমাত্র আল্লাহর উপর ভরসা করে আপনাদের সহযোগিতা নিয়ে কাজ করতে চাই।" আপনারা আমার পাশে ছিলেন বিদায় আমি মাত্র ১২ দিন নির্বাচন করে এমপি হয়েছি। "আমি কথা দিলাম আমি কোন মন্ত্রী এমপি হিসেবে নয় আমি আপনাদের মন্জু মিয়ার ছেলে হিসেবে থাকতে চাই।" টিআর, জিআর, কাবিখা আমার বংশের কেউ খায় না। আমার কোন ভাগ্নে ভাতিজা নাই। কোন সন্ত্রাসী বাহিনী নাই। ভোলা হবে শান্ত ও উন্নয়নের জেলা। তাকে মন্ত্রী করায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তা যথাযথভাবে পালনের জন্য সবার কাছে দোয়া ও সহযোগিতা চান পার্থ। একই সঙ্গে তাঁর বাবা নাজিউর রহমান মঞ্জুর নাম ও রাজনৈতিক উত্তরাধিকার ধরে রাখার জন্যও সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
উল্লেখ্য, ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থের বাবা বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত নাজিউর রহমান মঞ্জু ভোলার রাজনীতি ও ভোলার উন্নয়নে দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। স্থানীয়ভাবে ভোলার উন্নয়নে তাঁর ভূমিকার কারণে তিনি ‘ভোলার উন্নয়নের রূপকার’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিলেন। বাবার সেই রাজনৈতিক ও উন্নয়নমূলক ভূমিকার ধারাবাহিকতা ধরে রেখে পার্থও ভোলার মানুষের পাশে থাকবেন এমন প্রত্যাশা করছেন স্থানীয় নেতা-কর্মী ও বাসিন্দাদের অনেকে। পরে মন্ত্রী হিসেবে আন্দালিব রহমান পার্থকে তার নিজ বাসভবনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। বিকেলে আন্দালিব রহমান পার্থ তচর গ্রামের বাড়ি দক্ষীন দিঘলদিতে তার বাবা প্রয়াত নাজিউর রহমান মঞ্জুর করব জিয়াতের কথা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ