ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

করের আওতায় আসছে মুদি দোকান, বিউটি পার্লারসহ ১৬টি খাত


করের আওতায় আসছে মুদি দোকান, বিউটি পার্লারসহ ১৬টি খাত

২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকার মুদি দোকান ও বিউটি পার্লারসহ ১৬টি ব্যবসায়ী খাতকে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ব্যবস্থার আওতায় আনার একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বুধবার বিকালে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য সেলিনা সুলতানার টেবিলে উত্থাপিত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

সেলিনা সুলতানা প্রশ্ন রেখে বলেন, বিগত অর্থবছরে মূল্য সংযোজন কর ও ভ্যাট বাবদ প্রাপ্ত রাজস্ব আয়ের পরিমাণ কত? এছাড়া নতুন কোনো প্রতিষ্ঠান বা উৎসকে ভ্যাটের আওতায় আনবার পরিকল্পনা আছে কি না এবং থাকলে, সম্ভাব্য প্রতিষ্ঠান বা উৎসের তালিকা কী?

আরও পড়ুন: রূপপুরের বিদ্যুৎ ৫-৬ সপ্তাহের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে যাবে: বিজ্ঞানমন্ত্রী

জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, নতুন কোনো প্রতিষ্ঠান বা উৎসকে ভ্যাটের আওতায় আনার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। ব্যবসা খাতকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ভ্যাটের সুর্নিদিষ্ট করের আওতায় আনা হচ্ছে। সেগুলো হলো: মুদি দোকান, তৈরি পোশাক বা কাপড় বিক্রেতা, কনফেকশনারি, কসমেটিকসের দোকান, প্লাস্টিক ও সিরামিকের গৃহস্থালি পণ্যের দোকান, জুতার দোকান, হার্ডওয়্যার পণ্যবিক্রেতা, ডেকোরেটর; মোবাইল ফোন, এসি, ফ্রিজ, ওভেন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিকস পণ্যের বিক্রেতা; পেইন্ট, স্যানিটারি ফিটিংস ও টাইলসের দোকান; ঢেউটিনের দোকান, রড ও সিমেন্টের দোকান, ফার্নিচার, বিউটি পার্লার, মিষ্টান্ন ভাণ্ডার ও রেস্তোরাঁ।

করের আওতা সম্প্রসারণ এবং অভ্যন্তরীণ রাজস্ব সংগ্রহ বাড়ানোর বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

বিগত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট বাবদ রাজস্ব আয়ের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৪১ হাজর ৫৮৬ কোটি টাকা বলেও সংসদকে জানান অর্থমন্ত্রী।

আরও পড়ুন: মেলান্দহে কাঁঠালপাতা পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারালেন গোলাম রাব্বানী শেখ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সুইডেনের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০৯ পি.এম


রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সুইডেনের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ সাথে সৌজন্য সফর করেছেন সুইডেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এশিয়া, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল ও লাতিন আমেরিকা বিভাগের পরিচালক ও প্রধান ড্যানিয়েল উলভেন।

বুধবার বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত বৈঠকে, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ উপলক্ষে তিনি শামা ওবায়েদকে অভিনন্দন জানান এবং বাংলাদেশ-সুইডেন দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

এসময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের সামাজিক-অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীলতা এবং নারী ক্ষমতায়নে সুইডেনের দীর্ঘদিনের সহযোগিতার প্রশংসা করেন। তিনি সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ, বিশেষ করে নারী উন্নয়ন ও সৃজনশীল অর্থনীতি বিষয়ক পদক্ষেপগুলো তুলে ধরেন।

উভয়পক্ষ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, টেলিযোগাযোগ, প্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা, দক্ষতা উন্নয়ন, মানবাধিকার, জলবায়ু পরিবর্তন, শান্তি ও নিরাপত্তা এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির বিষয়ে সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা করেন। এছাড়া, বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) এগিয়ে নেওয়ার গুরুত্বও তুলে ধরা হয়।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নবায়নযোগ্য জ্বালানি, সবুজ প্রযুক্তি, ওষুধ শিল্প এবং প্রকৌশল খাতে সুইডিশ বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান জানান। তিনি রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান এবং নিরাপদ প্রত্যাবাসনে সুইডেনের আরও সহযোগিতা কামনা করেন।

বৈঠকে আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয়েও মতবিনিময় হয় এবং শান্তি, স্থিতিশীলতা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে উভয়পক্ষ গুরুত্বারোপ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘বহু জাতি ও বহুসংস্কৃতিকে সাথে নিয়ে সংস্কৃতিচর্চা এগিয়ে নিতে সরকার বদ্ধপরিকর’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১০ পি.এম


‘বহু জাতি ও বহুসংস্কৃতিকে সাথে নিয়ে সংস্কৃতিচর্চা এগিয়ে নিতে সরকার বদ্ধপরিকর’

সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, বহু জাতি ও বহুসংস্কৃতিকে সাথে নিয়ে এদেশের সংস্কৃতিচর্চা এগিয়ে নিতে সরকার বদ্ধপরিকর। তিনি বলেন, রবীন্দ্র-নজরুলকে ধারণ করে বাংলাদেশ বাউল শিল্পী সাধকদের দেশ হয়ে উঠবে।

বুধবার দুপুরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গীত বিভাগের আয়োজনে দুই দিনব্যাপী রবীন্দ্র-নজরুল উৎসবের উদ্বোধন: সাহিত্য, সঙ্গীত ও সংস্কৃতির মিলনমেলার উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, বর্তমান সরকার এমন এক সময়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে, যখন দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা, আইন-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠান, সাহিত্য-সংস্কৃতি এবং অর্থনৈতিক খাত নানা সংকট ও অব্যবস্থাপনার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় ছিল।

নিতাই রায় আরও বলেন, ফ্যাসিবাদি সরকার রাষ্ট্রের বিভিন্ন সাংবিধানিক ও স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করেছে, যার ফলে গণতান্ত্রিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছিল।

মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলীর বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিকৃতি ঘটানো হয়েছিল। ইতিহাসের সঠিক উপস্থাপন এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের মাধ্যমে জাতির আত্মপরিচয়কে সুদৃঢ় করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

কাজী নজরুল ইসলাম সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, সাধারণ ও দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে এসেও নজরুল তাঁর অসাধারণ প্রতিভা, বিদ্রোহী চেতনা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থানের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অনন্য স্থান অর্জন করেছেন। তাঁর সংগ্রামী জীবন, আত্মমর্যাদাবোধ এবং শোষণবিরোধী দর্শন আজও সমাজকে অনুপ্রাণিত করে। নজরুলের ব্যক্তিত্ব ও সাহসিকতার জন্য কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও তাঁর প্রতি বিশেষ স্নেহ ও শ্রদ্ধা পোষণ করতেন।

তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথ ছিলেন গভীর মানবতাবোধসম্পন্ন একজন বিশ্বকবি, যিনি মানুষের কল্যাণ, মানবিক মূল্যবোধ এবং সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতি আন্তরিক সহমর্মিতা প্রদর্শন করেছেন। তাঁর সাহিত্য, দর্শন ও চিন্তাধারা আজও বাঙালি জাতির সাংস্কৃতিক ও মানবিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়ের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এর বৈচিত্র্য। সমতল, পাহাড়, বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী, নৃগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সহাবস্থান দেশের সাংস্কৃতিক ঐশ্বর্যকে সমৃদ্ধ করেছে। এই বৈচিত্র্যের সৌন্দর্য ও মানবিক মূল্যবোধকে ধারণ করে রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের সমঅধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রইছ উদ্‌দীন, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক তাহমিনা আখতার, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম এবং জবি কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সাবিনা শরমীন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সঙ্গীত বিভাগের চেয়ারম্যান অণিমা রায় ও অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সহকারী অধ্যাপক মো. মাহমুদুর রহমান।

প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় এ বছরও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী ইফ্ফাত আরা দেওয়ান-কে গুণীজন সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

উদ্বোধনী পর্বের পরে অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক আয়োজনে রবীন্দ্র সঙ্গীত, কবিতা আবৃত্তি ও নৃত্য পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশগ্রহণ করেন দেশের খ্যাতিমান শিল্পী বুলবুল ইসলাম, শামা রহমান এবং জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়। এছাড়া ‘শ্যামল সুন্দর’ পরিবেশন করে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গীত বিভাগ। ‘নৃত্যনাট্য চিত্রাঙ্গদা’ পরিবেশন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃত্যকলা বিভাগ, ধৃতি নর্তনালয় এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গীত বিভাগ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের ব্যাংক খাত শক্তিশালী করতে ৪৫০ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে বিশ্ব ব্যাংক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১০ পি.এম


দেশের ব্যাংক খাত শক্তিশালী করতে ৪৫০ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে বিশ্ব ব্যাংক

বাংলাদেশের ব্যাংক খাতের ভিত্তি শক্তিশালী করার জন্য বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক বোর্ড ৪৫০ মিলিয়ন (৪৫ কোটি) ইউএস ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে। এই অর্থায়ন দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি তরান্বিত করা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির পূর্বশর্ত হিসেবে প্রদান করা হচ্ছে।

বুধবার (২৪ জুন) একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস। এর আগে গত বুধবার (২৩ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংকের সদর দপ্তর থেকে এই অর্থায়ন অনুমোদিত হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ‘ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টর সাপোর্ট প্রজেক্ট-২’ এর আওতায় এই অর্থ ব্যবহার করা হবে। প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হচ্ছে ছোট আমানতকারীদের সুরক্ষায় ‘আমানত সুরক্ষা ব্যবস্থা’ জোরদার করা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি সক্ষমতা ও পদ্ধতি গড়ে তোলা।

এছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর সংস্কার এবং ব্যাংক রেজোলিউশনের ভিত্তি তৈরিতে এই প্রকল্প সহায়ক হবে। এটি আমানত সুরক্ষা তহবিলের মূলধন বাড়িয়ে এর সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে। পাশাপাশি জরুরি তারল্য সহায়তা কাঠামো প্রতিষ্ঠা, ব্যাংক পুনর্গঠন কৌশল তৈরি এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর সংস্কারে সহায়তা করবে।

বিশ্বব্যাংক জানায়, দেশের ব্যাংকিং খাত বর্তমানে দুর্বল করপোরেট গভর্নেন্স, নিয়ন্ত্রক সংস্থার দুর্বলতা এবং বেআইনি ঋণ প্রদানের কারণে বড় সমস্যা মোকাবিলা করছে।

২০২৬ সালের মার্চ মাসের শেষ নাগাদ দেশে খেলাপি ঋণের হার ৩২ দশমিক ৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য ব্যাংকের গড় হারের (৭ দশমিক ৯ শতাংশ) তুলনায় অনেক বেশি। এছাড়া ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ পুরো ব্যাংক খাতে ঝুঁকি-ভিত্তিক সম্পদের বিপরীতে মূলধনের অনুপাত ঋণাত্মক ২ দশমিক ৬ শতাংশ ছিল।

বাংলাদেশ ও ভুটানের জন্য নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের ডিভিশন ডিরেক্টর জঁ পেসমে বলেন, ‘বাংলাদেশ যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, তার জন্য একটি স্থিতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক আর্থিক খাত প্রয়োজন। তবে ব্যাংক খাত—যা মোট আর্থিক খাতের সম্পদের প্রায় ৯০ শতাংশ—বর্তমানে তীব্র চাপের মুখোমুখি।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই প্রকল্পটি ছোট আমানতকারীদের রক্ষা করতে এবং গ্রাহকদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, ব্যবস্থা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।

এটি ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনবে, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বড় ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৮ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ টোটালি পলিটিক্যাল স্টান্টবাজি: ব্যারিস্টার বাদল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১২ পি.এম


১৮ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ টোটালি পলিটিক্যাল স্টান্টবাজি: ব্যারিস্টার বাদল

অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের আইন কর্মকর্তাদের হঠাৎ ১৮ জনের পদত্যাগকে বিএনপির আইন সম্পাদক ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী বদরুদ্দোজা বাদল ‘পলিটিক্যাল স্টান্টবাজি’ বলে মন্তব্য করেছেন। বুধবার (২৪ জুন) তিনি সুপ্রিম কোর্টের অ্যানেক্স ভবনের সামনে এক ব্রিফিংয়ে এই মন্তব্যটি করেন। এর আগে মঙ্গলবার, সুপ্রিম কোর্টের ১৮ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদত্যাগ করেন। তারা সবাই জামায়তপন্থি হিসেবে পরিচিত। চব্বিশের অভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা সরকারের পতনের সময় অন্তর্বর্তী সরকারের মাধ্যমে তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। পদত্যাগকারী ৭ জন ডেপুটি ও ১১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল। পদত্যাগপত্রে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করা, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ ও সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ বাতিলের উল্লেখ করা হয়েছে। তবে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে বলেছেন, ‘যারা পদত্যাগ করেছেন, তাদের নিয়োগ এমনিতেই বাতিল করা হতো বা তাদের অপসারণ করা হতো। যে কারণে আগেভাগেই তারা পদত্যাগ করেছেন।’ সুপ্রিম কোর্টে রাষ্ট্র বা সরকারে পক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ আইন কর্মকর্তা আদেশের অধীনে আইন কর্মকর্তা নিয়োগের বিষয়টি সরকার দ্বারা করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ এই নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করে। ব্রিফিংয়ে বিএনপির আইন সম্পাদক বলেন, ‘যখনই সরকার পরিবর্তন হয়, তখনই এসব আইন কর্মকর্তারা স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করে চলে যান। এটাই নিয়ম। এমনও দেখেছি নির্বাচন (সংসদ নির্বাচন) হওয়ার পর যখন দেখা গেছে অন্য দল ক্ষমতায় আসছে, তখন সরকারদলীয় যারা অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের কর্মকর্তা ছিলেন, অ্যাটর্নি জেনারেলসহ তারা পদত্যাগ করেছেন। ইন্টারেস্টিং বিষয় হলো, আমাদের যে বন্ধুরা পদত্যাগ করেছেন তারা এই সরকারের অধীনে আইন কর্মকর্তা হিসেবে চার মাস কাজ করেছেন। বেতন নিয়েছেন, সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন, পদ-পদবি ব্যবহার করেছেন।’ পদত্যাগ না করলে তাদের অপসারণ করা হতো জানিয়ে ব্যারিস্টার বাদল বলেন, ‘গতকাল (মঙ্গলবার) তাদের মনে হলো, এখন আসলে পদত্যাগ করা দরকার অথবা রিমুভ (অপসারণ) হবেন। এ জন্য তারা রাজনৈতিক কিছু বিষয় সামনে নিয়ে এসেছেন, যেটি খুবই অনাকাঙ্ক্ষিত। আমার কথা হচ্ছে, তাদের এই বক্তব্যটা (পদত্যাগপত্রে পদত্যাগের যে কারণ উল্লেখ করা হয়েছে) টোটালি পলিটিক্যাল স্টান্টবাজি। রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত, যেটা আমরা তাদের কাছ থেকে প্রত্যাশা করিনি।’ বিএনপি সরকার গঠনের পর পদত্যাগের আগ পর্যন্ত পদত্যাগকারীরা সরকারের আইন কর্মকর্তা হিসেবে যেসব কাজ করেছেন, সে বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলকে খোঁজখবর নেওয়ার আহ্বান জানান বদরুদ্দোজা বাদল। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘সরকারের কাছ থেকে বেতন-ভাতা, সুযোগ-সুবিধা সব নিয়ে পদত্যাগ করে আবার সরকারের বিরুদ্ধেই অবস্থান নিলেন। অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিসে সরকারের স্বার্থ রক্ষার জন্য তারা কাজ করেছেন বলে মনে হয়নি। সরকারের বিরুদ্ধে কাজ করেছেন বলেই মনে হয়। এ জন্য রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত হয়ে এই সমস্ত ভিত্তিহীন অভিযোগ তারা এনেছেন, যেটা অনাকাঙ্ক্ষিত এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%