ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হত্যা মামলার আসামিদের বাড়িতে বিক্ষুব্ধ মুসল্লিদের ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ


হত্যা মামলার আসামিদের বাড়িতে বিক্ষুব্ধ মুসল্লিদের ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

নওগাঁর মান্দা উপজেলার হাটোইর গ্রামে তৈয়বুর রহমান (৫৫) হত্যা কান্ডের পরিপ্রেক্ষিতে মামলার আসামিদের বসতবাড়িতে ব্যাপক হামলা, ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগ করেছে একদল বিক্ষুব্ধ মুসল্লি। এতে প্রধান আসামিসহ বেশ কয়েকটি বাড়ি সম্পূর্ণরূপে ভস্মীভূত হয়ে গেছে। এই ঘটনার ফলে পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

শুক্রবার (১২ জুন) দিনটির জুমার নামাজের পরপরই এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জুমার নামাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ৫০ থেকে ৬০ জন মুসল্লি একত্রিত হয়ে তৈয়বুর রহমান হত্যা মামলার প্রধান আসামি সৈয়ব আলী এবং তার ছয় ছেলে সাজেদুর রহমান, কামরান হোসেন, স্বাধীন, সুমন, সুজাত, সজিব এবং সহযোগী হামিদুল ইসলাম আকুর বসতবাড়িতে একযোগে আগুন ধরিয়ে দেয়। এই আগুনে বাড়িগুলো সম্পূর্ণরূপে ভস্মীভূত হয়ে যায়। অন্যদিকে, ইমরান হোসেন ও আমিনুর রহমানের বাড়িতেও ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন: (ছবি আছে) জিয়ানগরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে মানববন্ধন

খবর পেয়ে, মান্দা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য হত্যা মামলার বাদী সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও, তাকে পাওয়া যায়নি।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (৮ জুন) পরানপুর ইউনিয়নের হাটোইর গ্রামে বাচ্চাদের আম পাড়াকে কেন্দ্র করে আব্দুল মোমিন ও প্রতিবেশী ইমরান হোসেনের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর পরিণতি হিসেবে ওইদিন সকালে ইমরান ও তার লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে আব্দুল মোমিনের বাড়িতে হামলা চালায়। ফলে ৪ জন আহত হন। আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার পথে, প্রতিপক্ষের লোকজন দ্বিতীয় দফায় আবারও তাদের ওপর হামলা চালায়। এই সময় তাদের বাঁচাতে স্থানীয় বাসিন্দা তৈয়বুর রহমান এগিয়ে এলে, তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের ছেলে সাখাওয়াত হোসেন বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৭-৮ জনের বিরুদ্ধে মান্দা থানায় একটি মামলা করেছেন। পুলিশ ইতোমধ্যে প্রধান আসামি সৈয়ব আলী, কামরান, স্বাধীন এবং সুরভী বেগমকে গ্রেপ্তার করে নওগাঁ কারাগারে পাঠিয়েছে।

আরও পড়ুন: ‎রাঙামাটিতে স্কুলছাত্র নিখোঁজ, থানায় জিডি করলেন বাবা

মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোরশেদ আলম জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আমরা ইতোমধ্যেই চারজনকে গ্রেপ্তার করেছি। বাকি আসামিদের ধরার জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে, জুমার নামাজের পর হঠাৎ করে এভাবে সংঘবদ্ধ হয়ে আসামিদের বাড়িঘরে আগুন দেওয়া কোনোরকমেই সঠিক নয়। এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্ঘটনায় ভারতীয় বিমান বিধ্বস্ত: সীমান্ত এলাকায় ৫ সেনা সদস্যের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৫৫ পি.এম


দুর্ঘটনায় ভারতীয় বিমান বিধ্বস্ত: সীমান্ত এলাকায় ৫ সেনা সদস্যের মৃত্যু

আসামের জোরহাটে ভারতীয় বিমান বাহিনীর (আইএএফ) একটি এএন-৩২ পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত হয়ে পাঁচজন সামরিক সদস্য নিহত হয়েছেন।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার (১৩ জুন) সকালে নিয়মিত প্রশিক্ষণ উড্ডয়নের সময় এই বিমানটি দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে।

ভারতীয় বিমান বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সকাল প্রায় ১০টার দিকে জোরহাট বিমান বাহিনী ঘাঁটিতে নিয়মিত উড্ডয়নের সময় এএন-৩২ বিমানটি দুর্ঘটনায় পড়ে। দুর্ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে উদ্ধার ও তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন স্কোয়াড্রন লিডার প্রশান্ত সিং, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট শুভম কুমার, সার্জেন্ট জিতেন্দ্র শর্মা, অগ্নিবীরবায়ু খেমারাম কুমাওয়াত এবং অগ্নিবীরবায়ু দানিশ আলম।

ভারতীয় বিমান বাহিনী গভীর শোক প্রকাশ করে জানিয়েছে, দায়িত্ব পালনকালে প্রাণ হারানো এই সদস্যদের আত্মত্যাগ জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। বাহিনী শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, অবতরণের সময় বিমানটি বাহিনীর স্টেশনের ভেতরেই বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনার পর সেখানে আগুন ধরে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণ ও পরিস্থিতি মূল্যায়নে দ্রুত জরুরি সেবা ও উদ্ধারকারী দল মোতায়েন করা হয়।

দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি। এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে ভারতীয় বিমান বাহিনী।

ঘটনার পর আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, ‘জোরহাটে বিমান বাহিনীর পরিবহন বিমান দুর্ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত আছি। বিস্তারিত তথ্যের জন্য অপেক্ষা করছি।’

উল্লেখ্য, এএন-৩২ একটি দ্বি-ইঞ্জিনবিশিষ্ট সামরিক পরিবহন বিমান, যা ভারতীয় বিমানবাহিনীর অন্যতম প্রধান পরিবহন উড়োজাহাজ হিসেবে পরিচিত। সোভিয়েত ইউনিয়নে ভারতের প্রয়োজন অনুযায়ী নির্মিত এই বিমানগুলো দুর্গম ও উচ্চ পার্বত্য এলাকায় পরিবহন ও সরবরাহ কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে ভারতীয় বিমান বাহিনীর বহরে প্রায় ১০০টি এএন-৩২ বিমান রয়েছে।

কয়েক মাস আগে আসামের কার্বি আংলং জেলায় ভারতীয় বিমান বাহিনীর একটি সুখোই সু-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হলে দুই পাইলট নিহত হন। ওই বিমানটিও জোরহাট বিমান বাহিনী ঘাঁটি থেকে নিয়মিত উড্ডয়নে অংশ নিয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৯৮২ বিশ্বকাপে মাঠে নেমে গোল বাতিল করান কুয়েতের যুবরাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৫৭ পি.এম


১৯৮২ বিশ্বকাপে মাঠে নেমে গোল বাতিল করান কুয়েতের যুবরাজ

 

১৯৮২ বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল স্পেন। মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কুয়েত বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো সুযোগ পেয়েছিল চুয়াল্লিশ বছর আগে।

কুয়েত বিশ্বকাপে সুযোগ পেয়ে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করেছিল। তাদের প্রথম ম্যাচে শক্তিশালী চেকস্লোভাকিয়ার সাথে ১-১ গোলে ড্র হয়েছিল। এর পর তারা ম্যাচ খেলে ফ্রান্সের বিপক্ষে।

ফ্রান্সের সাথে ম্যাচে গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন কুয়েতের যুবরাজ এবং দেশটির ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শেখ ফাহাদ আল আহমেদ আল জাবের আল সাবাহ।

খেলা দেখতে এসে এই যুবরাজ একটি অদ্ভুত ঘটনা ঘটান। ম্যাচে কুয়েতের বিপক্ষে ফ্রান্স গোল করলে তিনি সরাসরি মাঠে ঢুকে এসে গোলটি বাতিল করিয়ে দেন।

ম্যাচের শুরুতে কুয়েত এবং ফ্রান্স লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিল। আক্রমণ এবং পাল্টা আক্রমণে জমে উঠেছিল খেলা। তবে এই ধারাবাহিকতা বেশিদিন ধরে রাখতে পারেনি কুয়েত।

প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগে ফ্রান্স ৩-০ গোলে এগিয়ে যায়। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আবদুল্লাহ আল বুলৌশির গোলে কুয়েত ব্যবধান কমায়। মনে হচ্ছিল, কুয়েতের দল ফিরে আসছে।

এরপর খেলার ৭৯ মিনিটে ঘটে একটি অদ্ভুত ঘটনা। আক্রমণে থাকা ফ্রান্সের খেলোয়াড়রা আচমকা দাঁড়িয়ে যায়। একটি ‘ভৌতিক’ বাঁশির শব্দ বেজে উঠেছিল। কুয়েতের ফুটবলাররা ভেবেছিলেন, এটি খেলা থামানোর সংকেত।

এ কারণে তারা দাঁড়িয়ে পড়েন এবং সেই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে গোল করেন ফরাসি মিডফিল্ডার আলাইন গিরেস। রেফারিও ঘোষণা করেন গোল।

এর ফলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কুয়েতের ফুটবলাররা রেফারির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হয়ে ওঠেন। তাদের যুক্তি ছিল, বাঁশির শব্দ শুনে তারা খেলা থামানোর নির্দেশ ভেবেছিলেন।

তবে রেফারি তার সিদ্ধান্তে অনড় ছিলেন। এই পরিস্থিতি দেখে গ্যালারি থেকে যুবরাজ ফাহাদ মাঠে চলে আসেন। মাঠে নেমেই রেফারির কাছে কৈফিয়ত চান।

এই সময় শুরু হয় উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়। যুবরাজ রেফারিকে বলেছিলেন, গোল বাতিল না করলে ম্যাচ বাতিলের হুমকি দেন। এতে চাপের মুখে গোলটি বাতিল করেন সোভিয়েত ইউনিয়নের রেফারি মিরোস্লাভ স্টুপার।

যদিও সেই ম্যাচ শেষ পর্যন্ত ৪-১ গোলে জিতে যায় ফ্রান্স। ম্যাচ শেষে ফ্রান্সের মানুয়েল আমোরোস বলেছিলেন, ‘আমরা দেখলাম কুয়েতের যুবরাজ মাঠে নামছেন। তাঁর সঙ্গে ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীরা ছিলেন। তিনি এমন আচরণ করেছিলেন, মনে হচ্ছিল যেন তিনিই ফিফার প্রেসিডেন্ট!’

এই ঘটনার জন্য সোভিয়েত রেফারিকে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করে ফিফা। তাঁকে জরিমানা দেওয়া হয়। শেষে কুয়েত ইংল্যান্ডের কাছে ১-০ গোলে হেরে বিশ্বকাপ অভিযান শেষ করে। কুয়েত এরপর থেকে আজও বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরতে পারেনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সম্ভাব্য মার্কিন হামলা রুখতে পারমাণবিক স্থাপনায় মাইন বসিয়েছে ইরান: আন্তর্জাতিক উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৫৯ পি.এম


সম্ভাব্য মার্কিন হামলা রুখতে পারমাণবিক স্থাপনায় মাইন বসিয়েছে ইরান: আন্তর্জাতিক উদ্বেগ

মার্কিন সামরিক অভিযান বা ইউরেনিয়াম জব্দের আশঙ্কায় নিজেদের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করেছে ইরান। গত কয়েক সপ্তাহে, পারমাণবিক বোমা তৈরির প্রায়-উপযোগী উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের গোপন ভান্ডারগুলো আরও সুরক্ষিত করতে ব্যাপক পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটি বলে জানা গেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এর প্রতিবেদনে।

মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য সম্পর্কে অবগত পাঁচটি সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরেনিয়াম সংরক্ষণাগারের সঙ্গে যুক্ত কয়েকটি সুড়ঙ্গ পরিকল্পিতভাবে ধসিয়ে দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রবেশপথগুলোতে বিস্ফোরক মাইন পুঁতে রাখা হয়েছে, যাতে বাইরের কোনো বাহিনীর জন্য সেখানে প্রবেশ করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে।

এই সূত্রগুলোর দাবি অনুযায়ী, এসব পদক্ষেপের ফলে প্রায় আধা টন উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম উদ্ধার বা জব্দ করা এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি জটিল, ঝুঁকিপূর্ণ এবং সময়সাপেক্ষ হয়ে গেছে। যদিও মাত্র এক মাস আগেই পরিস্থিতি এমন ছিল না। ওই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, প্রয়োজনে তিনি মার্কিন সামরিক বাহিনীকে ইরানের ইউরেনিয়াম মজুত জব্দের নির্দেশ দিতে পারেন।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই নতুন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাবিত শান্তি ও পারমাণবিক চুক্তিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। কারণ আলোচনায় থাকা চুক্তির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণ ও ধ্বংস করা। কিন্তু সুড়ঙ্গ ধস এবং মাইন পুঁতে রাখার কারণে এখন প্রশ্ন উঠেছে—এই বিপজ্জনক পরিবেশে ইউরেনিয়াম উদ্ধার অভিযানের দায়িত্ব কে নেবে এবং কীভাবে তা বাস্তবায়ন করা হবে।

এ বিষয়ে জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের কূটনৈতিক মিশন তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি। একইভাবে সিএনএনের প্রশ্নের জবাব দেয়নি হোয়াইট হাউসও।

চলমান সংঘাতের অবসান এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করার লক্ষ্যে যে আলোচনা চলছে, সেখানে ইউরেনিয়াম উদ্ধারকে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। বর্তমানে ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালিতে চলাচল সীমিত করে রেখেছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, দুই পক্ষই একটি সম্ভাব্য চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। প্রস্তাবিত চুক্তি অনুযায়ী, ইরানকে তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর করতে হবে। পরে ওই ইউরেনিয়াম নিরাপদভাবে ধ্বংস করে ইরানের বাইরে সরিয়ে নেয়া হবে।

পারমাণবিক খাতের একজন সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেছেন, ইরানের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ নতুন ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি করেছে। ভবিষ্যতে তেহরান দাবি করতে পারে যে, ধসে পড়া সুড়ঙ্গের ভেতরে আটকে থাকা কিছু পারমাণবিক উপাদান তাদের পক্ষে উদ্ধার করা সম্ভব নয়। এমন পরিস্থিতি চুক্তি বাস্তবায়ন এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে নতুন বিতর্ক ও অনিশ্চয়তার জন্ম দিতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘শিগগির ইরানের বিজয়ের প্রতিধ্বনি শুনবে বিশ্ব’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০০ পি.এম


‘শিগগির ইরানের বিজয়ের প্রতিধ্বনি শুনবে বিশ্ব’

ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের মেজর জেনারেল আলি আবদুল্লাহি বলেছেন, বিশ্ব শিগগিরই কামনা করছে আগ্রাসী শত্রুকে পরাজিত করে তেহরানের বিজয়ের প্রতিধ্বনি শুনতে পাবে। তিনি এই মন্তব্যটি শুক্রবার দেজফুলে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে বিস্তারিতভাবে করেছেন।

শুক্রবার সন্ধ্যায়, দেজফুলে মেজর জেনারেল গোলামালি রশিদ এবং তার ছেলে আমিন আব্বাস রশিদের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে একটি স্মরণসভার আয়োজন করা হয়।

ইরান ইস্যুতে নিজের সঙ্গেও প্রতারণা করছে ট্রাম্প, বলার পাশাপাশি, জেনারেল আবদুল্লাহি তার বার্তায় বলেন, ‘দুর্বল ও লুণ্ঠনকারী শত্রু ভেবেছিল, ইরানের সামরিক দিকপালদের হত্যা করে তারা ইরানের প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় ফাটল ধরাতে পারবে। কিন্তু তারা জানত না যে, শহীদ রশিদ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে পথ দেখানোর জন্য জ্ঞান, অভিজ্ঞতা এবং কৌশলগত চিন্তার এক উত্তরাধিকার রেখে গেছেন।’

এছাড়াও বার্তায় আরো উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমানে সশস্ত্র বাহিনীর গর্বিত কমান্ডাররা একই পথনির্দেশনার ওপর নির্ভর করে দক্ষতার সঙ্গে শত্রুর জটিল ‘হাইব্রিড’ যুদ্ধ পরিচালনা করছে।

হরমুজে ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের, তিনি আরো বলেন, ‘দেশের সামুদ্রিক, স্থল ও আকাশসীমাজুড়ে মাতৃভূমির সাহসী রক্ষীরা সক্রিয় প্রতিরোধ ও জাতীয় মর্যাদার প্রতীক হয়ে উঠছে।’

আব্দুল্লাহি বলেন, ‘আল্লাহর রহমতে, বিশ্ব শিগগিরই বিশ্বজুড়ে আগ্রাসী ও সন্ত্রাসী শত্রুর বিরুদ্ধে ইরানের বিজয়ের প্রতিধ্বনি শুনতে পাবে।’

সূত্র: প্রেস টিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%