শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:০৫ পি.এম
সুনামগঞ্জের মাটি বরাবরই বাউল, মরমি ও লোকসংগীতের উর্বর ভূমি। এই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় সাম্প্রতিক সময়ে যে তরুণ শিল্পী, গীতিকার ও সুরকার নিজের স্বতন্ত্র গায়কী ও মরমি গানের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন, তিনি পাগল হাসান। তাঁর প্রকৃত নাম মো. মতিউর রহমান হাসান।
জন্ম ও শৈশব
পাগল হাসান জন্মগ্রহণ করেন ১৯৮৫ সালের ১ জুন, সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার শিমুলতলা গ্রামে। তাঁর বাবা ছিলেন কৃষক দিলোয়ার হোসেন, যিনি দিলশাদ নামেও পরিচিত ছিলেন। মা আমিনা বেগম। তিন বোনের একমাত্র ভাই ছিলেন হাসান।
মাত্র পাঁচ বছর বয়সে বাবাকে হারান তিনি। এরপর মা আমিনা বেগমকে সন্তানদের নিয়ে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়। দারিদ্র্যের সঙ্গে সংগ্রাম করেই বড় হতে হয় হাসানকে। শৈশবের সেই অভাব, কষ্ট, বঞ্চনা ও জীবনসংগ্রাম পরবর্তী সময়ে তাঁর গান ও দর্শনের অন্যতম প্রধান উপাদান হয়ে ওঠে।
নিজের জীবন সম্পর্কে পাগল হাসান বলতেন, তাঁর জীবন যেন ভাঙন দিয়েই শুরু হয়েছিল। তাঁর গানেও বারবার ফিরে এসেছে মানুষের দুঃখ, বিচ্ছেদ, মায়া, মৃত্যু ও আধ্যাত্মিকতার কথা।
সংগীতের পথে যাত্রা
ছোটবেলা থেকেই গানের
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল মহানগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও অপরাধ দমনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি)। গত ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ তারিখে নগরীর চারটি থানা ও গোয়েন্দা শাখা পৃথকভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে।
বিএমপি মিডিয়া সেলের তথ্যমতে, অভিযানে নগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে ৭১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় একজন, নিয়মিত মামলায় তিনজন এবং বরিশাল মহানগর অধ্যাদেশে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সব মিলিয়ে পৃথক অভিযানে মোট ১৬ জন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর পুলিশ।
বিএমপি জানায়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার এবং অপরাধ দমনে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে বিএমপি।
তথ্যসূত্র: বিএমপি মিডিয়া সেল
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের ডাসার এলাকায় স্বর্ণালংকারসহ আনুমানিক ৭ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে রুপা আক্তার (১৯) নামের এক গৃহবধূ নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ তার সৌদি প্রবাসী স্বামী করেছেন।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে নিখোঁজ হওয়ার পাঁচ দিন পরেও ওই গৃহবধূর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় তার পরিবার ডাসার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে।
নিখোঁজ রুপা আক্তার ডাসার উপজেলার পশ্চিম কোমলাপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসী আশিক মাতুব্বরের স্ত্রী এবং বরিশালের গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের মাগুরা গ্রামের ফেরদাউস মোল্লার মেয়ে।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, রুপা আক্তার মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকালে স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। এরপর আত্মীয়-স্বজনসহ বিভিন্ন স্থানে তার খোঁজ করা হলেও কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
রুপার বাবা ফেরদাউস মোল্লা পরে তাকে না পেয়ে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে ডাসার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
আশিক মাতুব্বর জানান, রুপা আক্তার স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ৭ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে বাবার বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে বের হয়ে গেছেন এবং তিনি তার সন্ধান চেয়ে থানায় জিডি করেছেন।
ডাসার থানার ওসি মো. সোলায়মান মাহমুদ এ বিষয়ে জানিয়েছেন, গৃহবধূ নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় থানায় জিডি করা হয়েছে এবং তাকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ