বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:৪৪ পি.এম
উৎসবমুখর, নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উদযাপনের লক্ষ্যে ঝালকাঠিতে এক উচ্চপর্যায়ের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এই বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মমিন উদ্দিন। আসন্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সাইবার অপপ্রচার রোধ এবং মাঠপর্যায়ে সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে বহুমাত্রিক সমন্বয় নিশ্চিত করতে এই বিশেষ সভার আয়োজন করা হয়।
উৎসবে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সভায় বহুমুখী কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে:
* সমন্বিত নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা তৎপরতা: পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ ও আনসার বাহিনীর পাশাপাশি সরকারের শীর্ষ তিন গোয়েন্দা সংস্থা—এনএসআই (NSI), ডিজিএফআই (DGFI) এবং এসআরবি (SRB)-এর মাঠপর্যায়ের নজরদারি ও গোয়েন্দা সমন্বয় জোরদার করা হবে। প্রতিমা বিসর্জনের সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
* সাইবার সিকিউরিটি ও গুজব প্রতিরোধ: উৎসবের সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাম্প্রদায়িক উস্কানি, বিভ্রান্তিকর তথ্য ও সব ধরনের অপপ্রচার কঠোরভাবে প্রতিহত করতে বিশেষ সাইবার মনিটরিং সেল সক্রিয় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
* ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শব্দ নিয়ন্ত্রণ: সভায় ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। নামাজের সময় পূজামণ্ডপগুলোতে বাদ্যযন্ত্র ও উচ্চ শব্দ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
* অগ্নিনিরাপত্তা ও জরুরি সাড়াদান: প্রতিটি মণ্ডপে পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ফায়ার সেফটি বা অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে লজিস্টিকস টিম প্রস্তুত থাকবে।
* নারী ও শিশুদের সুরক্ষা: পূজার সময় দর্শনার্থী, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মণ্ডপ প্রাঙ্গণে মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে কড়া নজরদারি থাকবে।
* পরিষেবা ও যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ: পূজার দিনগুলোতে জেলাজুড়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ বিভাগকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া দর্শনার্থীদের যাতায়াত ও ট্রাফিক ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে ট্রাফিক প্ল্যান বাস্তবায়ন করা হবে।
জেলা প্রশাসন ও জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে, চলতি বছর ঝালকাঠি জেলার চার উপজেলায় সর্বমোট ১৬০টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজার আয়োজন করা হচ্ছে। উপজেলা ভিত্তিক মণ্ডপের সংখ্যা নিচে দেওয়া হলো: সদর উপজেলা: ৭২টি, কাঠালিয়া উপজেলা: ৪৭টি,
নলছিটি উপজেলা: ২২টি, রাজাপুর উপজেলা: ১৯টি।
সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ও কর্মকর্তাবৃন্দ প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার সর্বোচ্চ সমন্বয় নিশ্চিত করতে সভায় জেলার শীর্ষ কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠির পুলিশ সুপার মিজ মেরিন সুলতানা, জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট মোঃ শাহাদাৎ হোসেন, সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জনাব মোঃ কাওছার হোসেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. বশির গাজী, এসআরবি, এনএসআই, ডিজিএফআই-এর প্রতিনিধিবৃন্দ; জেলা কমান্ড্যান্ট (আনসার ও ভিডিপি); বিদ্যুৎ বিভাগের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের দপ্তরপ্রধান এবং জেলা ও উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ।
সভায় জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন তাঁর সমাপনী বক্তব্যে বলেন, "বাংলাদেশ ঐতিহ্যগতভাবেই বহুত্ববাদী সংস্কৃতি ও ধর্মীয় সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ। সকলের সম্মিলিত ও সচেতন প্রচেষ্টায় শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও শান্তির বন্ধনে একটি আনন্দময় ও উৎসবমুখর আয়োজনে পরিণত হবে।
সভায় উপস্থিত সকল অংশীজন আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, প্রশাসনের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা পরিকল্পনা ও স্থানীয় জনগণের সম্প্রীতির মেলবন্ধনে এবারের দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও সফলভাবে সম্পন্ন হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ভূমিমন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু, এমপি। এতে বক্তব্য দেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন।
সভায় রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ইউসুফ আলী, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির, বাংলাদেশ পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ আশিক সাঈদ এবং রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম।
সভায় আসন্ন দুর্গাপূজাকে ঘিরে মহানগরীর পূজামণ্ডপগুলোতে সার্বিক নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, প্রতিমা বিসর্জনসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে পূজা উদযাপন কমিটি, মণ্ডপ কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বক্তারা বলেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতা বজায় রেখে দুর্গাপূজা উদযাপন করতে হবে। পূজামণ্ডপে নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।#
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার মানিকদী গ্রামের দক্ষিণপাড়া হাজীবাড়িতে জমির সীমানা নিয়ে বিরোধের জেরে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনার পর আদালত বেগম (৬০) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি রেজেক মিয়ার স্ত্রী।
নিহতের ছেলে মো. শাহিন মিয়া জানান, দীর্ঘদিন ধরে তাদের চাচাতো ভাই শামসুল আমিন (৬০), পিতা আব্দুর রশিদ এবং সাইফুল মিয়া (৫০), পিতা আব্দুল খালেকের সঙ্গে মোট ৯ শতাংশ জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।
তার দাবি, বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তাদের বাড়িতে পুলিশ আসে। পুলিশ চলে যাওয়ার পর বিকেল ৫টার দিকে আদালত বেগমের সঙ্গে শামসুল আমিন, সাইফুল মিয়াসহ কয়েকজনের কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
শাহিন মিয়া আরও বলেন, ঘটনার পর আদালত বেগম মসজিদের সামনে গিয়ে মোনাজাত করেন। একপর্যায়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ে যান। পরে তার মৃত্যু হয়।
তবে হাতাহাতির ঘটনার সঙ্গে আদালত বেগমের মৃত্যুর সরাসরি কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, জমির সীমানা নিয়ে দ্বন্দ্বের ঘটনায় এক নারীর মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ফরেনসিক ও ময়নাতদন্তের (পোস্টমর্টেম) প্রতিবেদন পাওয়ার পর জানা যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তুরস্কের পার্লামেন্টের স্পিকার নুমান কুরতুলমুশের সঙ্গে বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, রোহিঙ্গা সংকট এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি তুরস্কের বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক-বাণিজ্যিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করার আহ্বান জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি এ বিষয়গুলো তুলে ধরেন। বৈঠকে তুরস্ক পার্লামেন্টের বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপের চেয়ারম্যান আকিফ ইলমাজ এমপি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
তুরস্কের পার্লামেন্টের স্পিকার প্রফেসর ড. নুমান কুরতুলমুশ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নতুন যাত্রার জন্য অভিনন্দন জানান এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর গণতান্ত্রিক উত্তরণে ভূমিকার প্রশংসা করেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, সংসদীয় গণতন্ত্রে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা, রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।
ডা. শফিকুর রহমান এমপি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা এবং সংসদীয় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা সম্পর্কে তুরস্কের পার্লামেন্টের স্পিকারকে অবহিত করেন। তিনি বাংলাদেশের রোহিঙ্গা সংকট এবং এ সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিও তুলে ধরেন।
রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য তুরস্কের অব্যাহত সহযোগিতা ও মানবিক ভূমিকার জন্য তিনি তুরস্কের সরকার ও জনগণের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বৈঠকের সময় তিনি তুরস্কের প্রেসিডেন্টের উদ্দেশে লেখা একটি চিঠি তুরস্কের পার্লামেন্টের স্পিকারের কাছে হস্তান্তর করেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। ডা. শফিকুর রহমান এমপি বাংলাদেশে তুরস্কের বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের জন্য তুরস্কের প্রতি আহ্বান জানান।
দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক, সংসদীয়, শিক্ষাগত, প্রযুক্তিগত, শিল্প-সাহিত্য ও মানবিক কার্যক্রমে পিপল-টু-পিপল সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা। উভয়পক্ষ পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. হাফিজুর রহমান এবং বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. এসএম খালিদুজ্জামান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুক্তি পেয়েছে আলোচিত সিনেমা ‘হনুমান অংশ’। বিশাল চতুর্বেদী পরিচালিত এই সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন শোভিনব সত্য। সিনেমাটিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রয়েছেন চন্দন আনন্দ, পূর্ণিমা তিওয়ারি, অনিল রাস্তোগি প্রমুখ। এই অবিশ্বাস্য সাফল্যের পেছনে আসল কারণ কী? তা হলো ভালো মানের সিনেমা।
তবে বলিউড অভিনেত্রী রিচা চাড্ডা এমনটি মনে করেন না। তিনি মন্তব্য করেছেন, ‘হনুমান অংশ’ সিনেমার সাফল্য আসলে ভালো কনটেন্টের বিপ্লব বা জোয়ার বোঝায় না। কারণ ভারতীয় সিনেমাহলে পুরাণ ও শাস্ত্রভিত্তিক সিনেমার চাহিদা বর্তমানে তুঙ্গে রয়েছে। ‘হনুমান অংশ’ যেন সেটারই নতুন উদাহরণ।
এই সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে ভারতের বহুল আলোচিত আধ্যাত্মিক গুরু নিম করোলি বাবার জীবনকে কেন্দ্র করে। সিনেমায় উঠে এসেছে আধ্যাত্মিকতার বিষয়বস্তু। মাত্র দুই কোটি রুপিতে নির্মিত এই সিনেমাটি বিশ্বব্যাপী আয় করেছে ৪০০ কোটি রুপিরও বেশি। অথচ এখানে নেই কোনো বড় নির্মাতা, নেই কোনো তারকা অভিনয়শিল্পী।
সম্প্রতি রিচা চাড্ডা ওই সিনেমা নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, এ বছরে আর কী কী সিনেমা ভালো চলেছে? ‘হনুমান অংশ’-এর ব্যাপারটি আলাদা। আসলে পৌরাণিক কনটেন্ট সাধারণত ভালো চলে। ধর্মীয় বা পৌরাণিক কাহিনি— যাই হোক না কেন, এগুলো দর্শকদের কাছে জনপ্রিয়। তাই এখনই বলা যাচ্ছে না যে, এই বছর খুব ভালো কনটেন্টের সিনেমা আমরা পেয়েছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ