০৪:৪৪ এম
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সার্বিয়ায় প্রথমবারের মতো সরকারি সফরে গেছেন, যেটি রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। ইউক্রেনে রাশিয়া যে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরু করেছে, তার পরে এটিই জেলেনস্কির প্রথম সার্বিয়া সফর।
এই সফরের উদ্দেশ্য হলো দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে জোরদার করা, এছাড়া নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করা। ইউরোপে মস্কোর ঘনিষ্ঠ মিত্র সার্বিয়ার অবস্থানকে বিবেচনায় নিয়ে এই সফরটিকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টের অফিস মন্ত্রী জানিয়েছে, প্রেসিডেন্সিয়াল প্রাসাদে জেলেনস্কি ও সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেকসান্ডার ভুচিচের মধ্যে আনুষ্ঠানিক বৈঠক হবে। বৈঠকের শেষে দুই নেতা যৌথ সংবাদ সম্মেলন করবেন এবং সেখানে তারা বক্তব্য দেবেন।
আরও পড়ুন: মালদ্বীপের স্পিকারের সঙ্গে বাংলাদেশের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ, আলোচনা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে
ইউক্রেনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার প্রকাশিত মন্তব্য অনুযায়ী, জেলেনস্কির এই সফরের একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হচ্ছে সার্বিয়াকে রাশিয়ার প্রভাববলয় থেকে মুক্ত করা। এতে বেলগ্রেডের সঙ্গে কিয়েভের সম্পর্ককে আরও ঘনিষ্ঠ করে তোলা হবে।
তবে, ভুচিচ আবারও স্পষ্ট করেছেন যে, পশ্চিমা দেশগুলোর পক্ষ থেকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরোপ করা নিষেধাজ্ঞায় যোগ দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই। তাঁর মতে, সার্বিয়ার অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি এবং বর্তমানে যে নীতি রয়েছে সেটিই চালিয়ে যাবে।
রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের প্রতি নিন্দা জানালেও সার্বিয়া মস্কোর বিরুদ্ধে কোন অর্থনৈতিক বা কূটনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেনি। বেলগ্রেডের এই অবস্থান ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) যোগদানের প্রক্রিয়াকে জটিল এবং দীর্ঘায়িত করছে। একই সঙ্গে পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যেও এ নিয়ে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দশম স্থলবাহিনী সংলাপ ঢাকা সেনানিবাসে সফলভাবে সম্পন্ন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন