শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:২৯ পি.এম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, চলতি বছর ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হবে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর বিকেলে) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে ঢাকা-১৭ আসনের অন্তর্ভুক্ত মসজিদ ও মন্দির কর্তৃপক্ষের হাতে অনুদানের চেক প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সমস্যা সমাধানে সরকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি উল্লেখ করেন, বিদ্যুত ও জ্বালানি সমস্যা বৈশ্বিক, এবং এর প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ছে। সরকার এই সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য কাজ করছে। দেশের ১৩০টি গ্যাসকূপ অনুসন্ধানের চেষ্টা করছে বলেও তিনি জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তেল ও বিদ্যুতের মতো গ্যাস নিয়েও কিছু অসাধু ব্যক্তি অবৈধ কাজ করছে। দেশকে এগিয়ে নিতে হলে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। যারা অবৈধ কাজ করবে এবং অন্যায় করবে, তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। রাষ্ট্রীয় সম্পদ অবৈধভাবে কাউকে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, বিগত সময়ে রাষ্ট্রের সম্পদ ব্যক্তি স্বার্থে ব্যবহার করা হয়েছে। সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে যাতে রাষ্ট্রীয় সম্পদ কেউ ব্যক্তি স্বার্থে ব্যবহার করতে না পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মিয়ানমারের দ্বিতীয় ব্যস্ততম বিমানবন্দরের বিমান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ড্রোন হামলার চেষ্টার অভিযোগে। জান্তা সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো বিমানবন্দরটিতে ড্রোন হামলার চেষ্টা করেছে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মিয়ানমার এয়ারওয়েজ ইন্টারন্যাশনাল বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে ফেসবুকে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে, যেখানে বলা হয়েছে, মান্দালয়ের তাদা-উ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ১১ ও ১২ সেপ্টেম্বরের সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটগুলোকে কাছের একটি বিমানবন্দরে স্থানান্তর করা হচ্ছে।
রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমার জানিয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনী পিপলস ডিফেন্স ফোর্সের একটি হামলার চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে। ওই গণতন্ত্রপন্থি বিদ্রোহী গোষ্ঠী বিমানবন্দরটিতে ছয়টি ‘আত্মঘাতী ড্রোন’ ছুড়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে।
সংবাদপত্রটি জানাচ্ছে, হামলার কারণে সাময়িকভাবে কিছু অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা বা যানবাহন কিংবা বিমান রানওয়ের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
এদিকে, স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিমানবন্দরে থাকা সামরিক যুদ্ধবিমানগুলোকে লক্ষ্য করে প্রতিরোধ যোদ্ধারা হামলা চালাচ্ছিল। তবে এই তথ্য আল জাজিরা বা অন্য কোনো সংবাদ সংস্থা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমারে সংঘাত চলছে। এরপর দেশজুড়ে প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে ওঠে, যা পরে সেনাবাহিনী ও বিভিন্ন সশস্ত্র জাতিগত ও গণতন্ত্রপন্থি গোষ্ঠীর মধ্যে গৃহযুদ্ধে রূপ নেয়।
মিয়ানমারের সাবেক সামরিক সরকারের প্রধান মিন অং হ্লাইংকে পাঁচ বছর সেনাশাসনের পর এপ্রিল মাসে সামরিক-সমর্থিত পার্লামেন্ট প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করে। এর মাধ্যমে ক্ষমতার ওপর তার নিয়ন্ত্রণ আরও সুদৃঢ় হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউকের অথরাইজড অফিসার পলাশ শিকদারকে নিয়ে একটি স্বার্থান্বেষী মহল বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অসাধু উপায়ে অনৈতিক সুবিধা পেতে ব্যর্থ হয়ে ওই মহলটি কর্মকর্তা পলাশ শিকদারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বলে জানা গেছে।
পরিকল্পিত ও নিরাপদ নগরায়ণ নিশ্চিতে দীর্ঘদিন ধরে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন রাজউকের অথরাইজড অফিসার পলাশ শিকদার। চাকরির শুরু থেকেই সেবাবাজারে অসাধু চর্চা বন্ধ এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেন তিনি।
তবে তাঁর সততার এই দেয়ালই যেন বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে এক শ্রেণীর কুচক্রী ও অসাধু মহলের সামনে। অনুসন্ধানে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পলাশ শিকদারের কাছ থেকে নিয়মবহির্ভূত সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছিল একটি প্রভাবশালী চক্র। কিন্তু কর্মকর্তা নীতিগত অবস্থানে অনড় থাকায় সব ধরনের চেষ্টা ব্যর্থ হয় তাদের।অনৈতিক সুবিধা হাসিল করতে না পেরে এবার ভিন্ন পথ ধরেছে চক্রটি।
কর্মকর্তা পলাশ শিকদারকে ওএসডি করার উদ্দেশ্যে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে জমা দেওয়া হচ্ছে ভিত্তিহীন অভিযোগ।
মূলধারার গণমাধ্যমে ঠাঁই না পেয়ে, কিছু নিবন্ধনহীন অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিভ্রান্তিকর তথ্য।
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) অথরাইজড অফিসার পলাশ শিকদারের বিরুদ্ধে একটি স্বার্থান্বেষী মহলের বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
এ বিষয়ে মূল তথ্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:
অপপ্রচারের অভিযোগ: সংশ্লিষ্টদের দাবি, একটি কুচক্রী মহল নিয়ম ও নীতির বাইরে অবৈধ সুবিধা হাসিল করতে না পেরে এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বানোয়াট তথ্য ছড়াচ্ছে।
দায়িত্ব পালন: পলাশ শিকদার সবসময় দাপ্তরিক বিধিমালা ও নিয়মের ভেতরে থেকে সততার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
ষড়যন্ত্রের উদ্দেশ্য: তাকে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে ভিত্তিহীন অভিযোগ ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে।
পলাশ শিকদার সবসময় বিধিমালার ভেতরে থেকে কাজ করেন। কোনো অনিয়ম প্রশ্রয় না দেওয়ায় একটি চিহ্নিত চক্র অসৎ উদ্দেশ্য হাসিলে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
সচেতন মহল বলছেন, একজন সৎ ও নীতিবান সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এ ধরনের ষড়যন্ত্র বন্ধে রাজউক ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। তা না হলে সততার সাথে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তারা নিরুৎসাহিত হবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হত্যা মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিম উল্লাহকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. দিদারুল আলমের আদালত শুনানি শেষে এই নির্দেশনা প্রদান করেন।
ঢাকা মহানগর আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, কাফরুল থানায় দায়ের হওয়া একটি হত্যা মামলায় ড. নাজমুল আহসান কলিম উল্লাহকে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবেদন করেন। ২০২৫ সালের ৫ মার্চ মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে কোটা সংস্কার এবং তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শুরু হলে আন্দোলনকারীদের দমনে বিভিন্ন পর্যায়ে হামলা ও গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে।
মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, ১৬ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা এবং পরবর্তী সময়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা ও গুলিবর্ষণ করা হয়। কাফরুল থানার ইব্রাহিমপুর এলাকায় বিভিন্ন ফ্ল্যাটে বসে আন্দোলন দমনে সর্বাত্মক শক্তি প্রয়োগের পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলেও আবেদনে দাবি করা হয়।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৮ জুলাই রাত ৮টা থেকে ১২টার মধ্যে কাফরুলের ইব্রাহিমপুর এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মো. তরিকুল ইসলাম রুবেলসহ কয়েকজন নিহত এবং অনেকে আহত হন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
তদন্তে ড. নাজমুল আহসান কলিম উল্লাহর সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে দাবি করে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেন।
অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিম উল্লাহ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ উপাচার্য ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ২০২৫ সালের জুনে তার বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ওই মামলায় ২০২৫ সালের ৭ আগস্ট ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
২০২৬ সালের জুনে ওই দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পান তিনি। তবে জুলাই আন্দোলনের সময় উত্তরা এলাকায় ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় করা একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় চলতি বছরের ৩০ জুলাই তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
এদিকে কাফরুল থানায় দায়ের করা আন্দোলনে হতাহতের হত্যা মামলায়ও তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিলেন আদালত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রে ধর্মান্তরের মাধ্যমে ইসলাম ধর্মের প্রসার অব্যাহত রয়েছে। পিউ রিসার্চ সেন্টারের একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর আনুমানিক ২০ থেকে ৩০ হাজার আমেরিকান আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলাম গ্রহণ করছেন।
গবেষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিমদের মধ্যে অন্তত ২০ শতাংশ বা প্রতি পাঁচজনের একজন শৈশবে অন্য ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন অথবা কোনো ধর্মীয় পরিচয়ে বড় হননি। তাদের মধ্যে ১৭ শতাংশ খ্রিষ্টানসহ অন্যান্য ধর্মীয় পটভূমি থেকে এসেছেন, এবং বাকি ৩ শতাংশ ধর্মীয় অনুশাসন ছাড়াই বেড়ে উঠেছেন।
ওয়াশিংটনভিত্তিক এই গবেষণা প্রতিষ্ঠানটির বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, ইসলাম গ্রহণের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে বিশ্বের ১৩টি দেশের মধ্যে শীর্ষস্থানে রয়েছে। ২০১৭ সালে পিউ রিসার্চের জরিপেও একই ধরনের তথ্য পাওয়া গিয়েছিল। তখন ধর্মান্তরিত হওয়া মার্কিন মুসলিমদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই পূর্বে প্রোটেস্ট্যান্ট এবং ২০ শতাংশ ক্যাথলিক খ্রিষ্টান ছিলেন।
গবেষকদের মতে, প্রযুক্তির উন্নয়ন, মুক্ত তথ্যপ্রবাহ এবং ইসলাম ধর্মের প্রতি মানুষের কৌতূহল বৃদ্ধির ফলে প্রতিবছর হাজার হাজার আমেরিকান প্রথাগত জীবনধারা ছেড়ে ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে আশ্রয় নিচ্ছেন। ধর্ম বিশেষজ্ঞরা আমেরিকার সামাজিক মানচিত্রে ধর্মান্তরের এই বৈপ্লবিক পরিবর্তনকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ