প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মিয়ানমারের দ্বিতীয় ব্যস্ততম বিমানবন্দরের বিমান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ড্রোন হামলার চেষ্টার অভিযোগে। জান্তা সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো বিমানবন্দরটিতে ড্রোন হামলার চেষ্টা করেছে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মিয়ানমার এয়ারওয়েজ ইন্টারন্যাশনাল বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে ফেসবুকে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে, যেখানে বলা হয়েছে, মান্দালয়ের তাদা-উ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ১১ ও ১২ সেপ্টেম্বরের সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটগুলোকে কাছের একটি বিমানবন্দরে স্থানান্তর করা হচ্ছে।
রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমার জানিয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনী পিপলস ডিফেন্স ফোর্সের একটি হামলার চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে। ওই গণতন্ত্রপন্থি বিদ্রোহী গোষ্ঠী বিমানবন্দরটিতে ছয়টি ‘আত্মঘাতী ড্রোন’ ছুড়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে।
সংবাদপত্রটি জানাচ্ছে, হামলার কারণে সাময়িকভাবে কিছু অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা বা যানবাহন কিংবা বিমান রানওয়ের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
এদিকে, স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিমানবন্দরে থাকা সামরিক যুদ্ধবিমানগুলোকে লক্ষ্য করে প্রতিরোধ যোদ্ধারা হামলা চালাচ্ছিল। তবে এই তথ্য আল জাজিরা বা অন্য কোনো সংবাদ সংস্থা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমারে সংঘাত চলছে। এরপর দেশজুড়ে প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে ওঠে, যা পরে সেনাবাহিনী ও বিভিন্ন সশস্ত্র জাতিগত ও গণতন্ত্রপন্থি গোষ্ঠীর মধ্যে গৃহযুদ্ধে রূপ নেয়।
মিয়ানমারের সাবেক সামরিক সরকারের প্রধান মিন অং হ্লাইংকে পাঁচ বছর সেনাশাসনের পর এপ্রিল মাসে সামরিক-সমর্থিত পার্লামেন্ট প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করে। এর মাধ্যমে ক্ষমতার ওপর তার নিয়ন্ত্রণ আরও সুদৃঢ় হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন