শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৩০ পি.এম
হত্যা মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিম উল্লাহকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. দিদারুল আলমের আদালত শুনানি শেষে এই নির্দেশনা প্রদান করেন।
ঢাকা মহানগর আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, কাফরুল থানায় দায়ের হওয়া একটি হত্যা মামলায় ড. নাজমুল আহসান কলিম উল্লাহকে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবেদন করেন। ২০২৫ সালের ৫ মার্চ মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে কোটা সংস্কার এবং তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শুরু হলে আন্দোলনকারীদের দমনে বিভিন্ন পর্যায়ে হামলা ও গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে।
মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, ১৬ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা এবং পরবর্তী সময়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা ও গুলিবর্ষণ করা হয়। কাফরুল থানার ইব্রাহিমপুর এলাকায় বিভিন্ন ফ্ল্যাটে বসে আন্দোলন দমনে সর্বাত্মক শক্তি প্রয়োগের পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলেও আবেদনে দাবি করা হয়।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৮ জুলাই রাত ৮টা থেকে ১২টার মধ্যে কাফরুলের ইব্রাহিমপুর এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মো. তরিকুল ইসলাম রুবেলসহ কয়েকজন নিহত এবং অনেকে আহত হন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
তদন্তে ড. নাজমুল আহসান কলিম উল্লাহর সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে দাবি করে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেন।
অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিম উল্লাহ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ উপাচার্য ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ২০২৫ সালের জুনে তার বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ওই মামলায় ২০২৫ সালের ৭ আগস্ট ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
২০২৬ সালের জুনে ওই দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পান তিনি। তবে জুলাই আন্দোলনের সময় উত্তরা এলাকায় ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় করা একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় চলতি বছরের ৩০ জুলাই তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
এদিকে কাফরুল থানায় দায়ের করা আন্দোলনে হতাহতের হত্যা মামলায়ও তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিলেন আদালত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রে ধর্মান্তরের মাধ্যমে ইসলাম ধর্মের প্রসার অব্যাহত রয়েছে। পিউ রিসার্চ সেন্টারের একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর আনুমানিক ২০ থেকে ৩০ হাজার আমেরিকান আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলাম গ্রহণ করছেন।
গবেষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিমদের মধ্যে অন্তত ২০ শতাংশ বা প্রতি পাঁচজনের একজন শৈশবে অন্য ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন অথবা কোনো ধর্মীয় পরিচয়ে বড় হননি। তাদের মধ্যে ১৭ শতাংশ খ্রিষ্টানসহ অন্যান্য ধর্মীয় পটভূমি থেকে এসেছেন, এবং বাকি ৩ শতাংশ ধর্মীয় অনুশাসন ছাড়াই বেড়ে উঠেছেন।
ওয়াশিংটনভিত্তিক এই গবেষণা প্রতিষ্ঠানটির বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, ইসলাম গ্রহণের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে বিশ্বের ১৩টি দেশের মধ্যে শীর্ষস্থানে রয়েছে। ২০১৭ সালে পিউ রিসার্চের জরিপেও একই ধরনের তথ্য পাওয়া গিয়েছিল। তখন ধর্মান্তরিত হওয়া মার্কিন মুসলিমদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই পূর্বে প্রোটেস্ট্যান্ট এবং ২০ শতাংশ ক্যাথলিক খ্রিষ্টান ছিলেন।
গবেষকদের মতে, প্রযুক্তির উন্নয়ন, মুক্ত তথ্যপ্রবাহ এবং ইসলাম ধর্মের প্রতি মানুষের কৌতূহল বৃদ্ধির ফলে প্রতিবছর হাজার হাজার আমেরিকান প্রথাগত জীবনধারা ছেড়ে ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে আশ্রয় নিচ্ছেন। ধর্ম বিশেষজ্ঞরা আমেরিকার সামাজিক মানচিত্রে ধর্মান্তরের এই বৈপ্লবিক পরিবর্তনকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার কালিগঞ্জ বাজারে নরসুন্দা নদীর ওপর ৯৬ মিটার দীর্ঘ পিএসসি গার্ডার ব্রিজের অ্যাপ্রোচ সড়ক নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি।
শুক্রবার, নান্দাইলের কালিগঞ্জ বাজার ব্রিজের অ্যাপ্রোচ সড়ক শুভ উদ্বোধনের উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার দেশের গ্রামীণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, অ্যাপ্রোচ সড়ক নির্মাণ সম্পন্ন হলে স্থানীয় জনগণের যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ হবে এবং এ অঞ্চলের কৃষি ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতির সঞ্চার হবে।
এর আগে, তিন দিনের সরকারি সফরের অংশ হিসেবে শুক্রবার সকালে ঢাকা থেকে নান্দাইলে পৌঁছান প্রতিমন্ত্রী। পরে তিনি নান্দাইলের মোয়াজ্জেমপুর সাহেব বাড়ি জামে মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় করেন। বিকেলে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে সন্ধ্যায় নান্দাইল উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন তিনি।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এবং এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সাপ্তাহিক ছুটির দিন উপলক্ষে কক্সবাজারের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন সমুদ্র সৈকতের কলাতলী, সুগন্ধা ও লাবণী পয়েন্টে শুক্রবার বিকেল থেকে পর্যটকদের পদচারণা বৃদ্ধি পায়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকরা সমুদ্রের উত্তাল ঢেউকে উপেক্ষা করে আনন্দে মেতে উঠেছেন।
শুক্রবার বিকেল বেলা সৈকতের কলাতলী, সুগন্ধা ও লাবণী পয়েন্টে পর্যটকদের ভিড় দেখা যায়। কেউ সমুদ্রের পানিতে নেমে ঢেউয়ের সঙ্গে আনন্দ করছেন, আবার কেউ সৈকতে বসে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করছেন। পরিবার, বন্ধু ও স্বজনদের সঙ্গে অনেকেই ছুটির দিনটি সৈকতে কাটাচ্ছেন। আবহাওয়ার পরিবর্তন, কখনও রোদ আবার কখনও মেঘ, এই রূপ পাল্টানোর মধ্যে পর্যটকরা বাড়তি আনন্দ উপভোগ করেছেন। সৈকতের বালিতে বাচ্চাদের খেলাধুলা চলছে এবং অনেক পর্যটক ঘোড়ার পিঠে চড়ে আনন্দ নিচ্ছেন। কক্সবাজার সৈকতে যেন এক মিলনমেলা বসেছে।
বর্ষা মৌসুমে পর্যটক সংখ্যা কম থাকলেও বর্তমানে আবহাওয়ার উন্নতির ফলে সেই চিরচেনা গতি আবার ফিরে আসছে। পর্যটন ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, সামনে পর্যটকের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে।
ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে আসা পর্যটক সিফাত মজুমদার বলেন, ‘কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই বন্ধুর সঙ্গে হুট করে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে চলে এলাম। আবহাওয়ার সতর্কবার্তা দেখে একটু ভয় পেয়েছিলাম। তবে শেষ পর্যন্ত খুবই সুন্দর একটা দিন পার করলাম।’
আরেক পর্যটক উম্মে হাবিবা মন্তব্য করেন, ‘চমৎকার সমুদ্র, চমৎকার পরিবেশ। হোটেল-মোটেলেও ভালো সেবা পেয়েছি। সমুদ্রও দারুণ।’
পর্যটক জেনিফা মারজান বলেন, ‘সমুদ্র আর আকাশ, এই যে সৌন্দর্য কোথাও পাওয়া যাবে না। সমুদ্রের ঢেউ আর নির্মল বাতাস ক্লান্তি দূর করার জন্য স্বর্গীয় সুখের মতো। সাগরকে ঠিক এভাবেই উপভোগ করি।’
সি সেফ লাইফ গার্ড সংস্থার সিনিয়র লাইফ গার্ড কর্মী সাইফুল্লাহ সিফাত বাসস’কে জানান, ‘আমরা লাইফ গার্ড সদস্যরা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছি। ভ্রমণপিপাসুদের নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে গোসল করার পরামর্শ দিচ্ছি। সাগরের ঢেউ উত্তাল থাকায় এখনও লাল পতাকা উড়িয়ে সমুদ্রস্নানে সতর্ক করা হচ্ছে পর্যটকদের। তবে অনেকে মানছেন, আবার অনেকেই মানছেন না। তারপরও সৈকতের সুগন্ধা, কলাতলী ও লাবণী পয়েন্টে লাইফ গার্ড কর্মীরা সজাগ রয়েছেন।’
পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সেবার মান নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নজরদারি চলছে। কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুর রহমান সায়েম বাসস’কে বলেন, ‘পর্যটকদের নিরাপত্তা এবং পর্যটন শিল্পের ভালো ব্যবস্থাপনা সবসময় আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আমরা নজরদারি করছি, যাতে কেউ অতিরিক্ত দাম নিতে না পারে এবং পর্যটকদের কোনো ধরনের হয়রানি করতে না পারে।’
দিন শেষে সূর্য যখন পশ্চিমে হেলে পড়ে, তখনও কক্সবাজারের সৈকতে রয়ে যায় আনন্দের রেশ। ভ্রমণ পিপাসুরা সুখ স্মৃতি নিয়ে ফিরছেন এবং পরবর্তী ছুটির দিনের অপেক্ষা শুরু হচ্ছে। সাগরের টানে কক্সবাজারের পথে পথে যেমন বাড়ছে পর্যটকের আনাগোনা, তেমনি নিরাপত্তা ও পরিবেশ রক্ষায় সবার সচেতনতাও প্রয়োজন বলে মনে করছেন কক্সবাজার সিভিল সোসাইটির সভাপতি আবু মোরশেদ চৌধুরী খোকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে অসহায় ও সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত আল-হিকমাহ জেনারেল হাসপাতাল, উত্তর বালিয়াকান্দি, তালপট্টি এলাকার দুর্গাবদ্ধিতে এ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
আল-হিকমাহ ট্রাস্টের উদ্যোগে, ড্রিমার্স কনসালটেশন অ্যান্ড রিসার্চ (DCR)-এর সার্বিক সহযোগিতায় এবং আল-হিকমাহ জেনারেল হাসপাতালের আয়োজনে দিনব্যাপী এ মেডিকেল ক্যাম্পে বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসাসেবা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
উক্ত ক্যাম্পে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, থাইরয়েড ও হরমোনজনিত রোগ, চক্ষু, নাক-কান-গলা, ডেন্টাল সার্জারি, মেডিসিন, হৃদরোগ, কিডনি, বাত-ব্যথা, মস্তিষ্ক ও স্নায়ু, ফিজিওথেরাপি, শিশু ও কিশোর এবং প্রসূতি, স্ত্রীরোগ ও ধাত্রীবিদ্যা বিভাগের চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হচ্ছে।
এছাড়াও চক্ষু পরীক্ষা, রক্তের হিমোগ্লোবিন, ইউরিন ও কিডনি পরীক্ষা, থাইরয়েড হরমোন, সিআরপি, ইসিজি, আল্ট্রাসনোগ্রাম, ডায়াবেটিস ও লিপিড প্রোফাইলসহ বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ রয়েছে ও অর্থের অভাবে কেউ চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হবেন না’
মেডিকেল ক্যাম্পের চেয়ারম্যান মীর শহিদুর রফিক বলেন, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের দোরগোড়ায় বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়াই এ মেডিকেল ক্যাম্পের মূল উদ্দেশ্য। অর্থের অভাবে যেন কোনো মানুষ চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত না হন, সেজন্য আমাদের এই উদ্যোগ। ভবিষ্যতেও সাধারণ মানুষের কল্যাণে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
তিনি বালিয়াকান্দি ও আশপাশের এলাকার অসহায় এবং চিকিৎসাসেবা প্রত্যাশী মানুষকে ক্যাম্পে এসে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।
এসময় মেডিকেল ক্যাম্পটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, চেয়ারম্যান মীর শহিদুর রফিক, ভাইস চেয়ারম্যান ইমরান মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুল হাসান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সালাম হোসেন, কোষাধ্যক্ষ এস. এম. বাকী বিল্লাহ ও উপদেষ্টা মোঃ আবুল কালাম আজাদ।
এছাড়া পরিচালনা কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন মো. সাইফুল ইসলাম, মো. সুমন ইসলাম, নাকিয়া মেহজাবীন সেতু, মহিন উদ্দিন, কামাল হোসাইন, মোঃ কাউছার মিয়া ও মীর রামজিয়া রফিক।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংকটাপন্ন রোগীদের জন্য সন্ধ্যার পর মেডিকেল বোর্ড গঠন করে চিকিৎসা পরামর্শ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। বিনামূল্যে চিকিৎসা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ থাকায় ক্যাম্পটি এলাকার সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন আয়োজকরা।
উল্লেখ্য, আগামী ১৫ই নভেম্বর ২০২৬ ইং
তারিখে আল-হিকমাহ জেনারেল হাসপাতালের উদ্বোধন হবে হাসপাতালটির কর্তৃপক্ষরা জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ