ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যুব ও নাগরিক সমাজের ১৫ দফা দাবি বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে


যুব ও নাগরিক সমাজের ১৫ দফা দাবি বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে

বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে বিদ্যমান আইন ও নীতির কার্যকর বাস্তবায়ন, নিয়মিত পরিবীক্ষণ, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা এবং নাগরিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৫ দফা দাবি উত্থাপন করেছেন যুব ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তারা উল্লেখ করেছেন, বায়ুদূষণ বর্তমানে জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ এবং পরিবেশগত ন্যায়বিচারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিষ্কার বায়ু কোন বিলাসিতা নয়; এটি মানুষের সুস্থ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনের মৌলিক অধিকার।

আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ব্রিদ কোলিশন আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানানো হয়। ‘ব্রিদিং ইন দ্য গ্রে: ফ্রম পলিসি গ্যাপস টু পাবলিক অ্যাকশন ফর ক্লিন এয়ার’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সূর্যোদয় ইয়ুথ সোসাইটির পরিচালক রায়হান নোমান নূরনবী। সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য উত্থাপন করেন সেন্টার ফর অ্যাটমোসফেরিক পলিউশন স্টাডিজ (ক্যাপস)-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. আহমেদ কামরুজ্জামান মজুমদার, যিনি নিখিল চন্দ্র ভদ্রের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন।

আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন একশনএইড বাংলাদেশের প্রোগ্রাম অফিসার মো. মাসুদ পারভেজ অভি, স্মার্ট এয়ার বাংলাদেশের অপারেশন ম্যানেজার মো. আশরাফুল ইসলাম প্রমূখ।

আরও পড়ুন: সিপিবি অফিসে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি সাইফুল হকের

অধ্যাপক ড. আহমেদ কামরুজ্জামান মজুমদার মূল বক্তব্যে বলেন, বায়ুদূষণ একটি অদৃশ্য সংক্রামক ও জীবনঘাতী সংকট। তিনি উল্লেখ করেন, বায়ুদূষণের কারণে বাংলাদেশিদের গড় আয়ু প্রায় ৫ দশমিক ৫ বছর কমে যাচ্ছে। প্রতিবছর বায়ুদূষণজনিত রোগে এক লাখ ২ হাজার ৪৫৬ জন মারা যান। তাই, এই দুষণ নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তিনি আইন প্রয়োগের কঠোরতা, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা এবং নাগরিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সবার জন্য নিরাপদ ও পরিষ্কার বায়ু নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

ড. আহমেদ কামরুজ্জামান বায়ু গবেষণা সেল গঠনের সুপারিশ তুলে ধরে বলেন, বায়ু ছাড়া আমরা এক মিনিটও বাঁচতে পারি না। অথচ, সেই বায়ু নিয়ে গবেষণা খুবই কম। তিনি বলেন, গবেষণা ছাড়া সঠিক নীতিনির্ধারণ সম্ভব নয়। সমস্যা তুলে ধরার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে টেকসই সমাধানে যুবসমাজকে সক্রিয় অংশীদার করতে হবে। তথ্যভিত্তিক গবেষণা ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে নীতি বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে নিয়মিত গঠনমূলক আলোচনা অব্যাহত রাখতে হবে।

একশনএইডের মাসুদ পারভেজ অভি বলেন, বায়ুদূষণ বর্তমানে জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ ও পরিবেশগত ন্যায়বিচারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিষ্কার বায়ু মানুষের সুস্থ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনের মৌলিক অধিকার। বায়ুদূষণের কারণে শিশু, প্রবীণ, অসুস্থ ব্যক্তি ও কর্মজীবী মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। সেই ঝুঁকি মোকাবেলায় ১৫ দফা দাবি বাস্তবায়ন জরুরি।

সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত ১৫ দফায় বলা হয়েছে, বায়ুদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২২’সহ বিদ্যমান সব নীতি ও কর্মপরিকল্পনার দ্রুত বাস্তবায়ন; পরিবেশ অধিদপ্তর, বিআরটিএ, সিটি করপোরেশন ও পুলিশের সমন্বয়ে কার্যকর যৌথ টাস্কফোর্স গঠন; বায়ুদূষণের অভিযোগ জানাতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বা হটলাইন চালু এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অভিযোগ নিষ্পত্তি।

আরও পড়ুন: টুপটুপ রিসোর্টের কার্নিশ থেকে ১০ দিন পর আরও একটি লাশ উদ্ধার

এছাড়া, ‘পলিউটার পেইজ প্রিন্সিপল’ অনুযায়ী দূষণকারী শিল্প ও স্থাপনার বিরুদ্ধে আর্থিক জরিমানা ও ক্ষতিপূরণ আদায়, প্রয়োজন অনুযায়ী লাইসেন্স স্থগিত; ঢাকা ও সব বিভাগীয় শহরে পর্যাপ্ত বায়ুমান পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র বা ক্যাম্প স্থাপন ও কার্যকর রাখতে হবে। জনবহুল স্থানে ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ডে রিয়েল-টাইম এ কিউ আই প্রদর্শন এবং দৈনিক বায়ুমান বুলেটিন প্রকাশেরও দাবি জানানো হয়েছে।

দাবিনামায় নির্মাণ এলাকায় ধুলা নিয়ন্ত্রণ, নির্মাণসামগ্রী ঢেকে রাখা, নিয়মিত পানি ছিটানো এবং ফিটনেসবিহীন ও কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। খোলা জায়গায় বর্জ্য ও প্লাস্টিক পোড়ানো বন্ধে কার্যকর নজরদারি, চরম দূষণের সময়ে জনস্বাস্থ্য সতর্কতা জারি এবং ট্রাফিক পুলিশ ও শ্রমজীবী মানুষের জন্য উপযুক্ত মাস্ক সরবরাহের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, স্থানীয় পর্যায়ে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে বাজেট ও সরঞ্জাম বৃদ্ধি, গণমাধ্যম ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বছরব্যাপী জনসচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা, সরকারি নীতি প্রণয়ন ও মূল্যায়নে তরুণ গবেষক ও ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং সরকারি তদারকি ও বাস্তবায়ন কমিটিতে ব্রিদ কোয়ালিশনসহ যুব প্ল্যাটফর্মগুলোকে স্বাধীন পরিবীক্ষক অংশীদার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: সৌদি বিমানবন্দরে বিধিনিষেধের প্রভাব, ১৪৬ ফ্লাইটে ভোগান্তিতে ২২ হাজারের বেশি যাত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপ জিতে মেসিকে ইয়ামাল কী বলেছিলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২৮ পি.এম


বিশ্বকাপ জিতে মেসিকে ইয়ামাল কী বলেছিলেন

বিশ্বকাপ ফাইনালের শেষ বাঁশি বাজানোর সঙ্গে সঙ্গে একদিকে উন্মাদনা এবং অন্যদিকে বিষাদের ছায়া দেখা যায়। অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের লক্ষ্যভেদে ১-০ ব্যবধানে জয়লাভ করে স্পেন, আর্জেন্টিনা ডিফেন্সের বাধা ভেঙে। ২০১০ সালের পর আবারও বিশ্বকাপের ট্রফি উঁচিয়ে ধরে স্পেন বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট মাথায় পরে। মাত্র ১৯ বছর বয়সে বিশ্বজয়ের ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতা অর্জন করেন স্প্যানিশ তারকা লামিনে ইয়ামাল।

অন্যদিকে, ৩৯ বছর বয়সে নিজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচে পরাজিত হয়ে মাঠ ছাড়েন সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসি। তবে ম্যাচ শেষে স্প্যানিশদের বাঁধভাঙা উদযাপনের মাঝে এক হৃদয়স্পর্শী দৃশ্যের সৃষ্টি করেন ইয়ামাল। কান্নাভেজা চোখে দাঁড়িয়ে থাকা মেসির কাছে গিয়ে তাকে উষ্ণ আলিঙ্গনে আবদ্ধ করেন এই তরুণ তুর্কি।

সেই বিশেষ মুহূর্তে মেসিকে তিনি ঠিক কী বলেছিলেন, তা সম্প্রতি ‘দ্য গার্ডিয়ান’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে খোলসা করেছেন ইয়ামাল। স্প্যানিশ এই ফরোয়ার্ড জানান, ‘আমি তাকে (মেসি) জড়িয়ে ধরে বলেছিলাম—ফুটবলের জন্য আপনি যা কিছু দিয়েছেন, তার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।’

মেসি ও ইয়ামালের সম্পর্কের রসায়ন বহু বছর আগে থেকেই শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি পুরোনো ছবিতে দেখা যায়, শিশুবয়সী ইয়ামালকে গোসল করাচ্ছেন তরুণ মেসি। সেই ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই ফুটবলাঙ্গনে দুজনের তুলনা শুরু হয়।

তবে এই ছবি বা তুলনা নিয়ে নিজের অসন্তুষ্টির কথাও জানান ইয়ামাল। ছবিটি তিনি শুরুতে সবার সামনে আনতে চাননি। এমনকি বাবার পোস্ট করা সেই ছবি ফেসবুক থেকে মুছে ফেলতেও বলেছিলেন।

ইয়ামাল বলেন, ‘মানুষ আমাকে আমার নিজের পরিচয়ে না চিনে সব সময় মেসির সঙ্গে তুলনা করবে—এই ভয়টাই ছিল। আমি সবসময় কেবল লামিনে হতে চেয়েছি, মেসি নয়। ফুটবলে আমি আমার নিজের যোগ্যতা দিয়ে যতদূর সম্ভব এগিয়ে যেতে চাই।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ১৭ পরিবার পেল ৭৭ লাখ টাকার চেক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৩০ পি.এম


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ১৭ পরিবার পেল ৭৭ লাখ টাকার চেক

ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলায় বিভিন্ন সময়ের সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ১৭টি পরিবারের জন্য মোট ৭৭ লাখ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে।

গতকাল সোমবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ট্রাস্টি বোর্ডের অনুমোদিত এই ক্ষতিপূরণের চেক হস্তান্তর করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জেলা প্রশাসক মো. আবুসাঈদ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে চেক তুলে দেন।

জেলা বিআরটিএ অফিসের সহকারী পরিচালক মো. ফারুক আলমের পরিচালনায় চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এহসান মুরাদসহ প্রশাসনের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৪টি পরিবারের প্রত্যেককে ৫ লাখ টাকা করে, ২ জন গুরুতর আহত ব্যক্তিকে ৩ লাখ টাকা এবং অপর ১ জনকে ১ লাখ টাকার চেক প্রদান করা হয়।

এ সময় প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মো. আবুসাঈদ বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবার নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করতে পারেন। আবেদন যাচাই-বাছাই ও প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ডের অনুমোদনের ভিত্তিতে এ ক্ষতিপূরণের অর্থ প্রদান করা হয়ে থাকে।

এ সময় দুর্ঘটনায় স্বজন হারানো পরিবারের সদস্যরা আবেগপ্রবণ হয়ে বলেন, "প্রিয়জন হারানোর বেদনা কোনো অর্থ দিয়ে পূরণ হওয়ার নয়। তবে এ আর্থিক সহায়তা তাদের দৈনন্দিন জীবনযাপন ও চিকিৎসাসহ বিভিন্ন সংকটময় মুহূর্তে বড় ধরনের উপকারে আসবে।"

বিআরটিএ ব্রাহ্মণবাড়িয়া কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. ফারুক আলম বাসসকে জানান, সড়ক দুর্ঘটনার শিকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে বিআরটিএ ট্রাস্টের পক্ষ থেকে এ ধরনের ক্ষতিপূরণ কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে, যা ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে কিছুটা হলেও স্বস্তি দেবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের বিমান আটকে দেয়ার কারণ ব্যাখ্যা দিল পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৩০ পি.এম


বাংলাদেশের বিমান আটকে দেয়ার কারণ ব্যাখ্যা দিল পাকিস্তান

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য রাশিয়া থেকে ইউরেনিয়াম বহনকারী একটি বিমান পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি পায়নি। ইসলামাবাদ এ বিষয়ে কেন বাংলাদেশের ওই বিমানটিকে উড়তে দেওয়া হয়নি, তার ব্যাখ্যা প্রদান করেছে।

পাকিস্তান দাবি করেছে, আকাশসীমা বন্ধের বিষয়টি রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ফল নয়। বরং এটি ফ্লাইটের রুট এবং আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি সংক্রান্ত কারিগরি এবং প্রক্রিয়াগত বিষয়।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশনের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কূটনৈতিক ফ্লাইট এবং আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতির সব আবেদন দেশটির প্রচলিত নিয়ম, বেসামরিক বিমান চলাচলবিষয়ক প্রটোকল এবং নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী পর্যালোচনা করা হয়।

হাইকমিশন জানায়, রূপপুরের জ্বালানি পরিবহন নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো যে বিষয়টির কথা বলছে, সেটি মূলত ফ্লাইটের রুট নির্ধারণ ও আকাশসীমার অনুমতি সংক্রান্ত কারিগরি এবং প্রক্রিয়াগত ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সম্পর্কিত। এ ধরনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিমান চলাচল এবং অন্যান্য কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয়ের প্রয়োজন হতে পারে। এর ফলস্বরূপ কখনো কখনো ফ্লাইটের সময়সূচিতে পরিবর্তনও আসতে পারে।

পাকিস্তান উল্লেখ করেছে, বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই বিষয়টিকে যথাযথ কারিগরি প্রেক্ষাপটে দেখা উচিত এবং এমন কোনো প্রতিবেদন বা বয়ানকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া উচিত নয়, যা দুই দেশের সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

এর আগে বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানিয়েছিলেন, রূপপুরের জ্বালানি বহনকারী বিমানটি ২৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা ছিল। কিন্তু পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না পাওয়ায় সেটি নির্ধারিত সময়ে আসতে পারেনি। তখন পাকিস্তান কেন অনুমতি দেয়নি, তার সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি।

রূপপুর প্রকল্পের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট রুটে সাধারণত একাধিক দেশের আকাশসীমা ব্যবহার করতে হয়। পাকিস্তানের অনুমতি না পাওয়ায় ফ্লাইটটি স্থগিত করা হয়। পরে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটম জানায়, অক্টোবর থেকে আবার ইউরেনিয়াম সরবরাহ শুরু হবে এবং বছরের শেষ নাগাদ চালানগুলো সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিএমজেডে উত্তর কোরিয়ার মাইন উদ্ধার দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৩১ পি.এম


ডিএমজেডে উত্তর কোরিয়ার মাইন উদ্ধার দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনীর

ঢাকা, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী এবং জাতিসংঘ কমান্ড মঙ্গলবার একটি যৌথ পরিদর্শনের সময় অসামরিকীকৃত অঞ্চল (ডিএমজেডে)-এর সাম্প্রতিক বিস্ফোরণের ঘটনার নিকটবর্তী স্থানে উত্তর কোরিয়ার একটি মাইন উদ্ধার করেছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ (জেসিএস) এই তথ্য প্রকাশ করেছে। বার্তা সংস্থা এএফপি’র মাধ্যমে খবরটি জানা যায়।

জেসিএস এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, তদন্তকারী দল মঙ্গলবার বিস্ফোরণের স্থানের কাছে উত্তর কোরিয়ার তৈরি একটি প্লাস্টিকের অ্যান্টি-পার্সনেল মাইন খুঁজে পায়।

যাইহোক, জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ (জেসিএস) তাদের এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, তাদের মূল্যায়ন অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া মাইনটি বিস্ফোরণের সময় দায়িত্ব পালনকারী সেনাদের দ্বারা উল্লেখিত মাইনটির সঙ্গে ভিন্ন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%