মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৩০ পি.এম
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য রাশিয়া থেকে ইউরেনিয়াম বহনকারী একটি বিমান পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি পায়নি। ইসলামাবাদ এ বিষয়ে কেন বাংলাদেশের ওই বিমানটিকে উড়তে দেওয়া হয়নি, তার ব্যাখ্যা প্রদান করেছে।
পাকিস্তান দাবি করেছে, আকাশসীমা বন্ধের বিষয়টি রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ফল নয়। বরং এটি ফ্লাইটের রুট এবং আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি সংক্রান্ত কারিগরি এবং প্রক্রিয়াগত বিষয়।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশনের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কূটনৈতিক ফ্লাইট এবং আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতির সব আবেদন দেশটির প্রচলিত নিয়ম, বেসামরিক বিমান চলাচলবিষয়ক প্রটোকল এবং নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী পর্যালোচনা করা হয়।
হাইকমিশন জানায়, রূপপুরের জ্বালানি পরিবহন নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো যে বিষয়টির কথা বলছে, সেটি মূলত ফ্লাইটের রুট নির্ধারণ ও আকাশসীমার অনুমতি সংক্রান্ত কারিগরি এবং প্রক্রিয়াগত ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সম্পর্কিত। এ ধরনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিমান চলাচল এবং অন্যান্য কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয়ের প্রয়োজন হতে পারে। এর ফলস্বরূপ কখনো কখনো ফ্লাইটের সময়সূচিতে পরিবর্তনও আসতে পারে।
পাকিস্তান উল্লেখ করেছে, বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই বিষয়টিকে যথাযথ কারিগরি প্রেক্ষাপটে দেখা উচিত এবং এমন কোনো প্রতিবেদন বা বয়ানকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া উচিত নয়, যা দুই দেশের সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
এর আগে বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানিয়েছিলেন, রূপপুরের জ্বালানি বহনকারী বিমানটি ২৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা ছিল। কিন্তু পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না পাওয়ায় সেটি নির্ধারিত সময়ে আসতে পারেনি। তখন পাকিস্তান কেন অনুমতি দেয়নি, তার সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি।
রূপপুর প্রকল্পের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট রুটে সাধারণত একাধিক দেশের আকাশসীমা ব্যবহার করতে হয়। পাকিস্তানের অনুমতি না পাওয়ায় ফ্লাইটটি স্থগিত করা হয়। পরে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটম জানায়, অক্টোবর থেকে আবার ইউরেনিয়াম সরবরাহ শুরু হবে এবং বছরের শেষ নাগাদ চালানগুলো সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী এবং জাতিসংঘ কমান্ড মঙ্গলবার একটি যৌথ পরিদর্শনের সময় অসামরিকীকৃত অঞ্চল (ডিএমজেডে)-এর সাম্প্রতিক বিস্ফোরণের ঘটনার নিকটবর্তী স্থানে উত্তর কোরিয়ার একটি মাইন উদ্ধার করেছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ (জেসিএস) এই তথ্য প্রকাশ করেছে। বার্তা সংস্থা এএফপি’র মাধ্যমে খবরটি জানা যায়।
জেসিএস এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, তদন্তকারী দল মঙ্গলবার বিস্ফোরণের স্থানের কাছে উত্তর কোরিয়ার তৈরি একটি প্লাস্টিকের অ্যান্টি-পার্সনেল মাইন খুঁজে পায়।
যাইহোক, জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ (জেসিএস) তাদের এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, তাদের মূল্যায়ন অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া মাইনটি বিস্ফোরণের সময় দায়িত্ব পালনকারী সেনাদের দ্বারা উল্লেখিত মাইনটির সঙ্গে ভিন্ন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রংপুর ব্যাটালিয়ন (৫১ বিজিবি)-এর ধারাবাহিক অভিযানে সীমান্তে চোরাচালান প্রতিরোধে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জিত হয়েছে। লালমনিরহাটের পাটগ্রাম এবং নীলফামারীর ডিমলা সীমান্তে পৃথক অভিযানে ভারতীয় গোল কাঠ এবং ২ হাজার ৩৯০ কেজি চুইঝালসহ মোট ২০ লাখ ৮৩ হাজার টাকা মূল্যের পণ্য জব্দ করেছে বিজিবি। তবে টহল দলের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা পণ্য ফেলে পালিয়ে যায়।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে কালিগঞ্জ বিওপির একটি টহল দল নায়েব সুবেদার মো. রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে সীমান্ত পিলার ৭৯৪/৬-এস থেকে প্রায় এক হাজার গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঝাড়সিংহেশ্বর কাঁচা রাস্তা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
টহল দলের গতিবিধি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা ভারতীয় গোল কাঠ ফেলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিজিবি সদস্যরা অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় কাঠগুলো উদ্ধার করে।
এরপর মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ২টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত কুচলিবাড়ী বিওপির টহল দল সুবেদার মো. সলেমান আলীর নেতৃত্বে সীমান্ত পিলার ৮০২/১৭-আর থেকে প্রায় ১০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে জুম্মারপাড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
এ সময়ও বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা বিপুল পরিমাণ পণ্য ফেলে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে ২ হাজার ৩৯০ কেজি ভারতীয় চুইঝাল উদ্ধার করা হয়। বিজিবির হিসাব অনুযায়ী, এসব চুইঝালের আনুমানিক সিজার মূল্য ১৬ লাখ ৭৩ হাজার টাকা।
দুই অভিযানে উদ্ধার হওয়া ভারতীয় গোল কাঠ এবং চুইঝালের মোট সিজার মূল্য ২০ লাখ ৮৩ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।
রংপুর ব্যাটালিয়ন (৫১ বিজিবি)-এর ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর এ এফ এম জুলকার নাঈন পৃথক অভিযানে এসব ভারতীয় পণ্য উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্তে চোরাচালান এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে গোয়েন্দা নজরদারি এবং টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। উদ্ধার করা পণ্যের বিষয়ে আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।
সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে পণ্য প্রবেশ ঠেকাতে এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রংপুর ব্যাটালিয়ন (৫১ বিজিবি)-এর অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসের পাঁচটি পদের মধ্যে চারটিই দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। ফলে ব্যাহত হচ্ছে অফিসের স্বাভাবিক কাজকর্ম এবং সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ জনগণ। জরিপের কাজে একমাত্র কর্মকর্তা বাইরে গেলে প্রায় সময়ই অফিস তালাবদ্ধ রাখতে হয়।
উপজেলা পরিসংখ্যান অফিস সূত্রে জানা গেছে, অফিসে উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা, জুনিয়র পরিসংখ্যান অফিসার ও চেইনম্যানসহ মোট চারটি পদ শূন্য রয়েছে। বর্তমানে মাত্র একজন ‘পরিসংখ্যান তদন্তকারী’ হিসেবে কর্মরত মোঃ আসাদুজ্জামানই পুরো অফিসের যাবতীয় দায়িত্ব পালন করছেন। কর্মকর্তা থেকে শুরু করে দাপ্তরিক কাজ এবং পরিচ্ছন্নতা সব দায়িত্বই একা সামলাতে হচ্ছে তাঁকে।
মাঠপর্যায়ের জরিপ ও দাপ্তরিক কাজের জন্য কর্মকর্তা বাইরে গেলে অফিস বন্ধ রাখা ছাড়া কোনো উপায় থাকে না। ফলে সেবা নিতে এসে বারবার ঘুরে যেতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
উপজেলার গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা ভুক্তভোগী ফিরোজ হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জরুরি কাজে উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসে গিয়ে দেখি তালা ঝুলছে। বাধ্য হয়ে সেবা না নিয়েই বাড়িতে ফিরে আসতে হয়েছে। প্রায় সময়ই এই অফিসটি তালাবদ্ধ থাকে বলে শুনছি।
এ বিষয়ে বর্তমানে একমাত্র দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (পরিসংখ্যান তদন্তকারী) মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, চরম জনবল সংকট রয়েছে। পুরো অফিসের সব দায়িত্ব একাই পালন করতে হচ্ছে। দাপ্তরিক কাজ ছাড়াও জরিপের কাজে আমাকে প্রায়ই উপজেলার বিভিন্ন স্থান ও জেলায় যেতে হয়। অফিসে কোনো অফিস সহকারী বা এমএলএসএস না থাকায় আমি বাইরে গেলে বাধ্য হয়ে অফিসে তালা ঝুলিয়ে যেতে হয়। অন্তত একজন পিয়ন বা এমএলএস থাকলেও অফিসটা খোলা রাখা যেত।
জনবল সংকটের বিষয়টি স্বীকার করে জেলা পরিসংখ্যান অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ জানান, কাউখালী উপজেলা অফিসের জনবল সংকটের কথা আমরা অবগত আছি। বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। আশা করছি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে জনবল নিয়োগের মাধ্যমে এই সংকটের সমাধান হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভোজপুরি সিনেমার অভিনেতা এবং গায়ক মনোজ তিওয়ারীর কন্যা রীতি তিওয়ারী। এই পরিচয়টি তার জন্য প্রধান ছিল। তবে ‘বিগ বস ২০’-এ অংশগ্রহণের পর, নিজের কথাবার্তা, আচরণ এবং ব্যক্তিগত জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তিনি আলোচনায় আসেন। ২৫ বছর বয়সী রীতির পরিচয় এখন আর শুধুমাত্র ‘মনোজ তিওয়ারীর মেয়ে’ নয়। বিতর্কের কারণে তিনি বারবার খবরের শিরোনামে উঠে আসছেন, যদিও তা ইতিবাচক নয়।
কখনো সহপ্রতিযোগীর সঙ্গে তর্কে জড়ানো, কখনো বিতর্কিত মন্তব্য করা, আবার কখনো নিজের আর্থিক সমস্যার কথা শেয়ার করা— এসব বিষয় নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে রীতিমতো হইচই ফেলে দিয়েছেন রীতি তিওয়ারী।
রীতির জন্ম ২০০১ সালের ২৩ জুন। তিনি মুম্বাইয়ের জমনাবাই নরসি স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। গীতিকার, সুরকার এবং সংগীত প্রযোজক হিসেবে কাজ করছেন তিনি। ছোটবেলা থেকেই গান শেখার পাশাপাশি গিটার বাজানোও তার শখ।
গান ছাড়াও, ব্যবসার ক্ষেত্রেও যুক্ত রয়েছেন রীতি তিওয়ারী। তিনি একটি ক্রীড়াসামগ্রী সংস্থার মালিক। সেই সময় তিনি জানিয়েছিলেন, গান এবং অভিনয়ের পাশাপাশি সমাজসেবার প্রতি তার আগ্রহ রয়েছে।
রীতির সাম্প্রতিক কথাবার্তায় তার বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের বিষয়টি সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয়েছে। ‘বিগ বস’-এর ঘরে তিনি জানিয়েছেন, বাবা-মায়ের সম্পর্কের টানাপোড়েনের সময় তার বয়স ছিল মাত্র আট বছর। সেই সময় বাবার ফোন আসলে তার সঙ্গে কথা বলা কঠিন হয়ে পড়ত। বছরে একবার বাবার সঙ্গে দেখা হতো বলেও তিনি দাবি করেন।
রীতি তিওয়ারী বলেন, মাসে ‘মাত্র’ ২০-২৫ হাজার টাকা হাতখরচ পেতেন তিনি। এই টাকা দিয়ে তার জীবনযাপন করা বেশ কঠিন ছিল। কখনো দিনে দুবার মাত্র ১০ টাকার বড়া খেয়ে কাটাতে হয়েছে তাকে। এমনকি প্রয়োজন হলে গাড়িতে ‘মাত্র’ ৫০০ টাকার তেল ভরাতেন বলেও জানান তিনি।
নিজের ক্যারিয়ার গঠনের সময় বাবার কাছ থেকে আর্থিক সাহায্য না পাওয়ার কথাও জানিয়েছেন মনোজকন্যা। রীতি বলেন, তার বাবা তাকে স্পষ্টভাবে বলেছিলেন— নিজের প্রতিভা থাকলে নিজের যোগ্যতায় ক্যারিয়ার তৈরি করতে হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, বাবার পরিচয় তাকে সামাজিক সম্মান দিয়েছে, তবে বাবার অর্থ বা সুযোগ-সুবিধা তিনি তার ক্যারিয়ার তৈরিতে ব্যবহার করেননি।
অন্যদিকে, রীতির হাতখরচ সংক্রান্ত বক্তব্যের পর নতুন করে বিতর্ক শুরু করেন পাঞ্জাবি গায়ক একম বাওয়া। তিনি নিজেকে রীতির মায়ের সাবেক সঙ্গী হিসেবে পরিচয় দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও শেয়ার করেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, ২০২০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি রীতির মা রানি তিওয়ারীর সঙ্গে একই বাড়িতে ছিলেন। পরে ২০২২ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি তাদের বিয়ে হয় এবং ২০২৫ সাল পর্যন্ত সেই দাম্পত্য বজায় ছিল বলে জানান একম বাওয়া।
একম বাওয়া আরও জানান, রীতির কাছে চার-পাঁচ লাখ টাকার ব্যাগ রয়েছে, দামি গাড়ি, মুম্বাইয়ে সম্পত্তি রয়েছে এবং একটি ক্রীড়াসামগ্রী সংস্থার কথাও বলেন তিনি। তবে এই দাবি মেনে নেননি রীতির টিম সদস্যরা। পাল্টা জবাব দিতে তারা আইনি পথে হাঁটছেন বলে জানা গেছে।
‘বিগ বস’-এর ঘরে রীতির আচরণ নিয়েও বিতর্ক হয়েছে। কাজী তৌকীরের সঙ্গে তর্কের সময় ব্যক্তিগত মন্তব্য, কটু ভাষা এবং পরে বাবার নাম করে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। কাজীর সঙ্গে বিবাদের কারণে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে রীতির বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
শেষ পর্যন্ত ‘উইকঅ্যান্ড কা ওয়ার’-এ রীতিকে সরাসরি বকুনি দেন সালমান খান। তিনি রীতির ভাষা ও আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। রীতির বিরুদ্ধে কাজী ও উদিতি সিংকে নিয়ে করা ব্যক্তিগত মন্তব্যের প্রসঙ্গও তোলেন তিনি। এমনকি মনোজ তিওয়ারীর কন্যা হিসেবে বাবার সম্মানের কথাও মনে করিয়ে দেন সালমান খান। সালমান স্পষ্টভাবে বলেন যে, কাজী তৌকীরকে হিংসে করেন রীতি।
বিতর্ক শুধু কথাবার্তা বা আচরণে সীমাবদ্ধ থাকেনি। ঘরের মধ্যে রীতি তিওয়ারীর গান গাওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে নিয়ে নানা মশকরা শুরু হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ