মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:১৫ পি.এম
সুনামগঞ্জ, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ : জেলা পরিষদের বিভিন্ন প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজের জন্য ৩ কোটি ১৭ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর সম্পন্ন হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুর ১ টায় জেলা পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরিষদের প্রশাসক মিজানুর রহমান চৌধুরী।
স্বাগত বক্তব্যে জেলা পরিষদ প্রশাসক উল্লেখ করেন, জেলা পরিষদ জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য নিবেদিত। তিনি বলেন, "আমি দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী উন্নয়ন কাজ করে যাচ্ছি।"
তিনি আরও জানান, এই প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে, রাস্তাঘাট, মসজিদ, মন্দির, কালভার্ড ও গার্ডওয়ালসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ। জেলায় ১৪ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। ১ম পর্যায়ের কাজের জন্য চেক হস্তান্তর করা হচ্ছে। পিআইসি ও টেন্ডারের মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে এসব উন্নয়নমূলক কাজ সম্পন্ন হবে।
পরিষদের প্রশাসক মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন, "প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, মানুষ অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছে।" তিনি বলেন, সরকারের দেয়া বরাদ্দ যাতে কোনভাবে অপচয় না হয়, সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। জেলা পরিষদ কর্মকর্তা ও জেলা পরিষদ প্রশাসক এসব কাজ পরিদর্শন করবেন বলেও তিনি জানান।
জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সমর কুমার পালের সঞ্চালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইমাম, মুহতামিম, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও রাস্তাঘাটসহ উন্নয়নমূলক কাজে ৩ কোটি ১৭ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জের মাধবপুরে সৌদি আরবে নির্যাতনের শিকার হয়ে দেশে ফিরে আসা গৃহকর্মী রেহেনা খাতুনকে ১০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ইউএনওর কার্যালয়ে রেহেনা খাতুনের হাতে এ অর্থ সহায়তা তুলে দেওয়া হয়।
এই সময় উপস্থিত ছিলেন মাধবপুর-চুনারুঘাট সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. রাফিউর রহমান এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) মৈত্রী রায়।
সহায়তা গ্রহণের সময় রেহেনা খাতুন তার নির্যাতনের অভিজ্ঞতা, আর্থিক সংকট ও ঋণগ্রস্ততার বিষয়টি কর্মকর্তাদের সামনে তুলে ধরেন। তিনি সংশ্লিষ্ট ট্রাভেল এজেন্সি ও দালালের বিরুদ্ধে মানবপাচার আইনে মামলা নেওয়ার জন্য আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
রেহেনা খাতুন বলেন, "ইউএনও স্যারের এই সহযোগিতা আমি চিরদিন মনে রাখব। আমি অনেক ঋণগ্রস্ত। এই টাকা আমার অনেক কাজে আসবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।"
ইউএনও মেহেদী হাসান জানান, রেহেনা খাতুন আমাদের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছিলেন এবং আমরা তাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে প্রস্তুত রয়েছি।
এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা বিএনপির সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক এবং সাংবাদিক নেতা এমএম গউস বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে নির্যাতিত নারীদের উদ্ধার ও পুনর্বাসনে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলো কাজ করে থাকে। রেহেনা খাতুনকে ইউএনওর এই আর্থিক সহযোগিতাকে তিনি সাধুবাদ জানান।
তিনি আরও বলেন, "সাংবাদিকেরা সত্য তুলে ধরবেন, আর সেই তথ্যের ভিত্তিতে প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে এটাই বাস্তবতা।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরগুনা, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ : আগামী ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠী পূজার মাধ্যমে বাঙালি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু হতে যাচ্ছে। দুর্গোৎসবের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মৃৎশিল্পীরা দেবী দুর্গার রূপকে সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলতে ব্যস্ত রয়েছেন।
বরগুনা জেলায় এবারের দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে ১৪৭ টি মণ্ডপে, যা গত বছরের তুলনায় ৯ টি বেশি। মৃৎশিল্পীরা শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততায় দিন কাটাচ্ছেন। রঙের প্রলেপ শেষে এখন প্রতিমাকে সর্বোচ্চ সুন্দর করে সাজানোর কাজ চলছে।
কাশফুলের উপস্থিতি জানাচ্ছে শরৎ এসেছে। হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী, এবারে দেবী দুর্গা হাতিতে চড়ে মর্ত্যে আগমন করবেন। বছর ঘুরে এই উৎসবকে কেন্দ্র করে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। নতুন পোষাক কেনা, মণ্ডপে প্রতিমা দর্শন এবং মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা করার জন্য বিভিন্ন বয়সের মানুষ উৎসব উদযাপনের অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন।
জেলার পূজা মণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জেলা পুলিশ, নৌ-বাহিনী, এসআরবি, আনসার এবং সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন, পাশাপাশি স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক টিমও উপস্থিত থাকবে।
জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সূত্রে জানা গেছে, জেলায় মোট ১৪৭ টি পূজা মণ্ডপে পূজা উদযাপন হবে। বরগুনা সদর উপজেলায় ২৬ টি, আমতলী উপজেলায় ১৬ টি, তালতলী উপজেলায় ১১ টি, বেতাগী উপজেলায় ৩৪ টি, বামনা উপজেলায় ১৫ টি এবং পাথরঘাটা উপজেলায় ৪৫ টি মণ্ডপ থাকবে।
বরগুনা সার্বজনীন আখড়াবাড়ী মন্দিরের সভাপতি দিলীপ কর্মকার বাসসকে জানিয়েছেন, ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মাধ্যমে দুর্গাপূজা শুরু হবে এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মাধ্যমে শারদীয় দুর্গোৎসব শেষ হবে। তিনি জানান, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের এই শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করার জন্য সকল ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ বরগুনা জেলা শাখার সদস্য সচিব জয়দেব রায় বাসসকে জানিয়েছেন, এ বছর গত বছরের তুলনায় মন্দিরগুলোতে সরকারের বরাদ্দ বৃদ্ধি পেয়েছে। জেলা প্রশাসন মণ্ডপগুলোতে ব্যাপক নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। সুষ্ঠ পরিবেশে ও সুশৃঙ্খলভাবে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি আশাবাদী।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুকিত হাসান খাঁন বাসসকে বলেন, ১৪৭ টি পূজামণ্ডপের প্রতিটিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজা সুষ্ঠ পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে নজরদারি ও নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মিজ তাছলিমা আক্তার বাসসকে জানিয়েছেন, শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপনে জেলা প্রশাসনের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিটি পূজামণ্ডপে সিসি ক্যামেরা ও আইপি ক্যামেরা থাকবে এবং মনিটরিং করা হবে। স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য আলাদা পোষাক ও পরিচিতি কার্ড থাকবে।
উল্লেখ্য, আগামী ১৬ অক্টোবর বোধন পূজার মাধ্যমে পাঁচ দিনব্যাপী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শুরু হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ : কর্মব্যস্ততা ও ঘুমের অভাবে ভোগা জাপানে এবার একটি ব্যতিক্রমী প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীরা কে সবচেয়ে দ্রুত ঘুমাতে পারেন এবং সবচেয়ে গভীর ও প্রশান্ত ঘুমে আচ্ছন্ন হতে পারেন, তা নিয়ে প্রতিযোগিতা করেন। এতে অংশ নেন কয়েক ডজন প্রতিযোগী।
সোমবার টোকিওতে গদি প্রস্তুতকারী একটি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে এই আয়োজনটি সম্পন্ন হয়।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
‘ম্যাট রেস’ নামের এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের ঘুমের ধরন ও মান পর্যবেক্ষণের জন্য বিশেষ যন্ত্র পরিয়ে আরামদায়ক গদিতে শুয়ে পড়তে দেওয়া হয়। সর্বোচ্চ ৯০ মিনিট ঘুমানোর এই প্রতিযোগিতায় বিজয়ীর জন্য পুরস্কার রাখা হয়েছে ২০ লাখ ইয়েনের বেশি, যা প্রায় ১৪ হাজার মার্কিন ডলারের সমান।
প্রতিযোগিতার পরিকল্পনা তত্ত্বাবধানকারী ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর রিইচিরো নাকামা জানান, ‘জাপানকে প্রায়ই ঘুমের অভাবে ভোগা একটি দেশ হিসেবে বর্ণনা করা হয়। এখানকার মানুষও অত্যন্ত কর্মঠ।’
একটি মৃদু আলোয় সাজানো কক্ষে প্রতিযোগীরা মাথায় পর্যবেক্ষণযন্ত্র লাগিয়ে ঘুমান। তাদের মধ্যে কেউ কেউ বিছানায় নরম খেলনা বুকে জড়িয়ে ঘুমিয়ে পড়েন।
নাকামা আরও বলেন, ‘ঘুমকে এ ধরনের একটি আয়োজনে পরিণত করার মাধ্যমে মানুষকে একসঙ্গে ঘুমানোর সুযোগ করে দেওয়া এবং ঘুমের বিষয়ে আগ্রহ বাড়ানো সম্ভব বলে আমি মনে করি।’
অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থার (ওইসিডি) ২০২১ সালের তথ্য অনুযায়ী, জাপানের মানুষ দিনে গড়ে ৭ ঘণ্টা ২৪ মিনিট ঘুমান। ওইসিডির সদস্য দেশগুলোর মধ্যে এ সময় ছিল সবচেয়ে কম।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা, যাতায়াতে বেশি সময় ব্যয় ও রাতের ব্যস্ত বিনোদন জীবন জাপানিদের কম ঘুমানোর অন্যতম কারণ।
প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া ৩২ বছর বয়সী চিসাতো হোন্ডা এএফপিকে জানান, ‘মুহূর্তের মধ্যেই সব শেষ হয়ে গেল। ইশ্, যদি আরেকটু বেশি সময় ঘুমাতে পারতাম!’
তিনি আরও বলেন, ‘এটি ছিল আনন্দের একটি প্রতিযোগিতা।’
কত দ্রুত ঘুমিয়ে পড়া যাচ্ছে এবং ঘুম কতটা গভীর ও প্রশান্ত হচ্ছে—এই দুই বিষয় বিবেচনা করে বিজয়ী নির্বাচন করা হয়।
প্রতিযোগিতায় বিজয়ী সুইমি বলেন, ‘আমি নিজের মতো করে থাকতে চাই। তাই পুরস্কারের অর্থ দিয়ে বাসা বদলের খরচ মেটানোর কথা ভাবছি।’
তিনি আরও জানান, ‘আমি রাজকুমারীর মতো একটি বিছানাও চাই। তাই সেই বিছানাটি কেনার পরিকল্পনা রয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় লোহারংক খাল দখল করে কাঁচা-পাকা বাড়ি-ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে কিছু প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে। প্রশাসন মাঠে নেমে দখলকৃত খাল শনাক্ত করলেও, দখলদারদের উচ্ছেদ করতে সক্ষম হয়নি। সাধারণ মানুষের মধ্যে এ নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, লোহারংক গ্রামের মনির বিশ্বাস, সেলিম বিশ্বাস, বাবুল মোল্লা, ইমারত মোল্লা, আমজাদ মোল্লা, মোহাম্মদ আলী দাড়িয়া, সেকেন্দার দাড়িয়া, আউয়াল দাড়িয়া, মানির দাড়িয়া, কাসেম দাড়িয়া, ইব্রাহিম দাড়িয়া, কিবরিয়া বিশ্বাস, রতন দাসসহ কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সরকারি খাল ভরাট করে দখল করে নিয়েছেন। দখলকৃত খালের ওপরে কাঁচা-পাকা বাড়ি-ঘর নির্মাণ করে তারা দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন।
সম্প্রতি, খালটি দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে লোকারংক গ্রামের ফরিদ দাড়িয়াসহ প্রায় শতাধিক ব্যক্তি জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে আবেদন করেছেন। আবেদনের পর জেলা ও উপজেলা প্রশাসন মাঠে নেমেছে খালটি উদ্ধারের জন্য।
গত কয়েক দিন ধরে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ সরেজমিনে গিয়ে খালটি শনাক্ত করেছেন, কিন্তু এখন পর্যন্ত খালটি দখলমুক্ত করতে পারেনি। কয়েক দিন অতিবাহিত হওয়ার পরেও খালটি দখলমুক্ত না হওয়ায় আবেদনকারীরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
এ বিষয়ে আবেদনকারী ফরিদ দাড়িয়া বলেন, ‘প্রায় ৩০ বছর ধরে লোহারংক খাল দখল করে এলাকার কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ঘরবাড়ি তুলে ভোগদখল করে আসছে। খালটি দখল হয়ে যাওয়ায় বৃষ্টি হলেই গ্রামটিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। তাই আমরা গ্রামবাসী মিলে খালটি দখলমুক্ত করার জন্য জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে আবেদন করি। আমাদের আবেদনের পর জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের লোকজন মেপে খালটি শনাক্ত করে লাল নিশান দিয়েছে। এরপর কয়েক দিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও প্রশাসন এখন পর্যন্ত খালটি দখলমুক্ত করতে পারেনি।’
দখলদার মোহাম্মদ আলী দাড়িয়া বলেন, ‘আমার দলিলের জায়গার ওপর দিয়ে গ্রামের লোকজন সরকারি রাস্তা নিয়ে আমাকে খালের জায়গা দিয়েছে। এখন রাস্তার জায়গা আমাকে ছেড়ে দিলে আমি খালের জায়গা ছেড়ে দেব।’
অপর দখলদার মনির বিশ্বাস বলেন, ‘খালের জায়গা দখল করে আমি বাড়ি-ঘর নির্মাণ করেছি। প্রশাসন থেকে আমাকে যখন বলা হবে, আমি তখন খালের জায়গা ছেড়ে দেব।’
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফ-উল-আরেফীন জানান, খালটি মেপে জায়গা নির্ধারণের কাজ এখনো চলছে। পরবর্তী সময়ে উচ্ছেদের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ