সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:১৪ এম
০৬-০৯-২০২৬ তারিখ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের নির্দেশে জেলা গোয়েন্দা শাখা নওগাঁ এর একটা টীম নওগাঁ সদর থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান পরিচালনা কালে অভিযানিক টীম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, পয়না বাজারে একজন ব্যাক্তি তার নিজের মল্লিক ডিজিটাল স্টুডিও ল্যাব প্রিন্ট এন্ড ফটোকপি টেলিকমের দোকানে কম্পিউটার এর মাধ্যমে জাল টাকা তৈরি করছে।
উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানিক টীম বেলা ০৩.১৫ ঘটিকায় পয়না বাজারর আসামি তারিকুল ইসলাম মল্লিক ( ৩৮) পিতা আশরাফ আলী সাং পয়না বাজার থানা জেলা নওগাঁ এর মল্লিক ডিজিটাল স্টুডিও ল্যাব প্রিন্ট এন্ড ফটোকপি টেলিকম এর দোকানে অভিযান পরিচালনা করে। বাজারে উপস্থিত লোকজনের সামনে তার দেহ তল্লাশী করা হয়। তল্লাশী কালে আসামি তারিকুল ইসলাম মল্লিক এর হেফাজত হতে এক হাজার টাকার নোটের সাতচল্লিশ টা জাল (৪৭ হাজার জাল নোট) টাকার নোট উদ্ধার করা হয়।
এ সময় তার কম্পিউটারের মনিটর একটা দুই টা সিপিইউ, একটা কালার প্রিন্টার, একটা স্ক্যানার জব্দ করা হয়। তার কম্পিউটারের মধ্যে জাল নোট তৈরির তথ্য পাওয়া যায়। এবিষয়ে আসামির বিরুদ্ধে নওগাঁ সদর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের নেছারাবাদে ছয়টি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি এবং আস্থা ঋণদান ও সমবায় সমিতি লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী বিশ্বজিৎ হালদার খোকনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি আস্থা সমবায় সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বরিশাল বিমানবন্দর থানা এলাকার কলারটিমা-কাশিপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে জানিয়েছেন নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান।
গ্রেপ্তার বিশ্বজিৎ হালদার খোকন নেছারাবাদ উপজেলার গণপতিকাঠি গ্রামের বিমল চন্দ্র হালদারের ছেলে। তিনি আস্থা ঋণদান ও সমবায় সমিতি লিমিটেড নামে একটি সমিতির মালিক বলে জানা গেছে। সমিতিটিতে প্রায় দুই হাজার সদস্যের প্রায় ৩০ কোটি টাকা আমানত হিসেবে জমা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
পুলিশ জানায়, বিশ্বজিৎ হালদার খোকনের বিরুদ্ধে সিআর মামলাসহ মোট ছয়টি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি মামলায় তিনি সাজাপ্রাপ্ত এবং একটি মামলায় সাধারণ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন খোকন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নেছারাবাদ থানা পুলিশের একটি দল বরিশাল বিমানবন্দর থানা এলাকায় অভিযান চালায়। এএসআই মো. রিয়াদ হাসান ও এএসআই মো. শাওনের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যদের সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নেছারাবাদ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মেহেদী হাসান বলেন, বিশ্বজিৎ হালদার খোকনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল। পরোয়ানা জারির পর তিনি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আইনগত প্রক্রিয়া শেষে সোমবার সকালে (৭ সেপ্টেম্বর) তাকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর যৌথ নৌ মহড়া শুরু হওয়ার প্রেক্ষাপটে, উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন তাঁর দেশের নৌবাহিনীকে পারমাণবিক অস্ত্রসজ্জিত বাহিনীতে রূপান্তরের অঙ্গীকার করেছেন। সোমবার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশিত হয়।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণে চলতি সপ্তাহে অনুষ্ঠিত এই নৌ মহড়া ২০২৩ সালে শুরু হয়। কর্মকর্তারা তখন উল্লেখ করেছিলেন যে, উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক হুমকি মোকাবেলা এবং দেশটিকে নিবৃত্ত করার উদ্দেশ্যে এই মহড়ার আয়োজন করা হয়েছে।
রোববার, বন্দরনগরী ওয়ানসানে ‘ক্যাং কন’ নামক একটি যুদ্ধজাহাজের আনুষ্ঠানিক নৌবহরে অন্তর্ভুক্তির অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কিম। ২০২৫ সালের মে মাসে পানিতে নামানোর সময় জাহাজটি আংশিকভাবে কাত হয়ে পড়েছিল। উত্তর কোরিয়ার সরকারি সংবাদ সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
কিম বলেন, “আমাদের নৌবাহিনীকে পারমাণবিক অস্ত্রসজ্জিত বাহিনীতে পরিণত করার মাধ্যমে পারমাণবিক যুদ্ধব্যবস্থাগুলোর বৈচিত্র্যময় ও কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে, যাতে প্রকৃত যুদ্ধের পরিস্থিতিতে এগুলো পরিচালনা করা যায়।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, “যেকোনো সময় নির্দেশ পেলেই নতুন প্রজন্মের এই ডেস্ট্রয়ার শত্রুর বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী পাল্টা আঘাত হানবে। কারণ, এটি রাষ্ট্রের পারমাণবিক পাল্টা আঘাত ব্যবস্থার একটি অংশ।”
প্রকাশিত ছবিতে কিম জং উনকে তাঁর মেয়ে জু আয়ের সঙ্গে দেখা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, বাবার পর উত্তর কোরিয়ার নেতৃত্বের দায়িত্ব তাঁর হাতেই যেতে পারে।
গত জুলাইয়ে কিম ‘কাং কন’-এর একটি পরীক্ষামূলক কার্যক্রম তদারক করেন। গত বছর পানিতে নামানো ৫ হাজার টন শ্রেণির দুটি যুদ্ধজাহাজের একটি হলো ‘কাং কন’। জাহাজটি পানিতে নামানোর সময় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার এক বছরের কিছু বেশি সময় পর এর পরীক্ষা করা হয়।
দক্ষিণ কোরিয়ার কিয়ংনাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লিম উল-চুল মন্তব্য করেন, কিমের ‘পারমাণবিক অস্ত্রসজ্জিত নৌবাহিনী’ গড়ার বক্তব্য থেকে ধারণা পাওয়া যায় যে, এসব যুদ্ধজাহাজ কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
কিম আরও জানান, উত্তর কোরিয়া নৌবাহিনীকে শক্তিশালী করার জন্য একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা’ বাস্তবায়ন করছে, যার ফলাফল আগামী আট মাসের মধ্যে বিশ্ববাসীর সামনে উপস্থাপন করা হবে।
অধ্যাপক লিমের মতে, এর মাধ্যমে উত্তর কোরিয়া সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (এসএলবিএম) বহনে সক্ষম নতুন কোনো সাবমেরিনের মতো বড় ধরনের কৌশলগত অস্ত্র বা সামরিক সক্ষমতা প্রকাশের প্রস্তুতি নিচ্ছে— এমন ইঙ্গিত পাওয়া যেতে পারে।
লিম আরও বলেন, ‘কাং কন’কে পূর্ব সাগরে মোতায়েনের মাধ্যমে পিয়ংইয়ং যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের যৌথ নৌ মহড়া এবং পারমাণবিক অস্ত্রবাহী সামরিক সম্পদের সরাসরি আঘাতের আওতায় রাখার চেষ্টা করছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার এবারের যৌথ নৌ মহড়ার নাম ‘ফ্রিডম এজ’। দক্ষিণ কোরিয়ার জেজু দ্বীপের পূর্ব ও দক্ষিণে আন্তর্জাতিক জলসীমায় চলা এই মহড়া শুক্রবার পর্যন্ত চলবে।
উত্তর কোরিয়াকে ঘিরে উত্তেজনার মধ্যে এই মহড়া অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আবারও কূটনৈতিক আলোচনা শুরুর চেষ্টা করছেন। এর অংশ হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে আরেকটি সামরিক মহড়ার পরিসর কমিয়ে দিয়েছেন তিনি।
তবে ট্রাম্পের কূটনৈতিক উদ্যোগে উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে এখনও তেমন সাড়া মেলেনি। বরং পিয়ংইয়ং ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ অব্যাহত রেখেছে এবং যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার কমিয়ে আনা সামরিক মহড়ার সমালোচনা করেছে।
এছাড়া, দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন এবং উত্তর কোরিয়ায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের তথ্য নথিভুক্ত করার কর্মসূচিতে অর্থায়নের পরিকল্পনারও নিন্দা জানিয়েছে পিয়ংইয়ং।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ইরানের অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করার প্রেক্ষাপটে, দেশটির সরকার রোববার বেশি জ্বালানি ব্যবহারকারীদের জন্য পেট্রোলের দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে।
ইরানে পেট্রোলের দাম নির্ধারণের প্রক্রিয়া তিনটি ধাপে সম্পন্ন হয়। একজন ভোক্তা প্রতি মাসে প্রথম ৬০ লিটার পেট্রোলের জন্য প্রতি লিটারে ১,৫০০ তোমান, পরবর্তী ৫০ লিটারের জন্য ৩,০০০ তোমান এবং অতিরিক্ত ব্যবহারের জন্য প্রতি লিটারে ৫,০০০ তোমান পরিশোধ করেন। উল্লেখ্য, তোমান ইরানে ব্যবহৃত একটি অনানুষ্ঠানিক মুদ্রা, যা ১০ ইরানি রিয়ালের সমান।
এএফপি সংবাদ সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, সরকারের মুখপাত্র ফাতেমেহ মোহাজেরানি রোববার জানান, তৃতীয় ধাপের পেট্রোলের দাম দ্বিগুণ করে প্রতি লিটার ১০ হাজার তোমান নির্ধারণ করা হবে। নতুন দাম ইরানের স্থানীয় সময় ৮ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে কার্যকর হবে।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত বক্তব্যে মোহাজেরানি বলেন, বিশেষজ্ঞদের বৈঠকে বিভিন্ন দামের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রেসিডেন্টের জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতির কারণে শেষ পর্যন্ত প্রতি লিটারে ১০ হাজার তোমান দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি আরও স্পষ্ট করেন, প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের পেট্রোলের দাম অপরিবর্তিত থাকবে।
ইরান বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল উৎপাদনকারী দেশ এবং দেশটিতে জ্বালানির দামও বিশ্বের মধ্যে অন্যতম কম। সরকার বহু বছর ধরে পেট্রোলে ব্যাপক ভর্তুকি দিয়ে আসছে, ফলে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি দেশটিতে একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল রাজনৈতিক বিষয়।
পেট্রোলের দাম বাড়ানোর এই ঘোষণা এমন সময় এসেছে, যখন রোববার কালোবাজারে ইরানি মুদ্রা রিয়ালের দাম প্রতি মার্কিন ডলারের বিপরীতে ২২ লাখেরও বেশি রিয়ালে লেনদেন হচ্ছিল। বিনিময় হার পর্যবেক্ষণকারী বিভিন্ন ওয়েবসাইটের তথ্য থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ শুরুর আগে এক মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইরানি রিয়ালের বিনিময় হার ছিল প্রায় ১৭ লাখ রিয়াল। এরপর এপ্রিলের শেষ দিকে রিয়ালের দর আরও কমে প্রতি ডলারে ১৮ লাখ রিয়ালে নেমে যায়, যা ছিল রিয়ালের সর্বনিম্ন রেকর্ড।
গত মাসের শেষ দিকে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ইরানের ওপর ‘অর্থনৈতিক শ্বাসরোধ’ নীতি প্রয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেন।
তিনি জানান, যুদ্ধ দ্রুত শেষ করতে ইরানের ওপর আর্থিক চাপ বৃদ্ধি করাই এই পরিকল্পনার লক্ষ্য।
নতুন পদক্ষেপগুলো ২০১৮ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের দ্বারা আরোপিত নিষেধাজ্ঞার ভিত্তিতে নেওয়া হচ্ছে। ওই বছর তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে তেহরানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত আন্তর্জাতিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করেন।
এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধও আরোপ করেছে, যার মাধ্যমে ইরানের তেল রপ্তানি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাজধানী ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫১৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সময়ে ৬১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের বিভিন্ন আলামত ও মাদকদ্রব্যসহ আটক করা হয়েছে, যা রাজধানীর বিভিন্ন থানার এলাকায় পরিচালিত অভিযানের ফলস্বরূপ।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এই তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগ থেকে ৪৩, লালবাগ বিভাগ থেকে ৩৬, ওয়ারী বিভাগ থেকে ৫৫, মতিঝিল বিভাগ থেকে ৬১, তেজগাঁও বিভাগ থেকে ৫৬, মিরপুর বিভাগ থেকে ১৪০, গুলশান বিভাগ থেকে ৫৯, উত্তরা বিভাগ থেকে ৫৭ এবং গোয়েন্দা বিভাগ থেকে ৭ জনকে আটক করা হয়েছে।
অভিযানের সময় উদ্ধার করা হয়েছে দুইটি বিদেশি পিস্তল, একটি বিদেশি রিভলভার, দুটি ম্যাগাজিন, ১১ রাউন্ড গুলি, তিনটি গুলির খোসা, একটি হাত বোমা, ৮৫ কেজি ৩৫ গ্রাম গাঁজা, ২ হাজার ৬৪১ পিস ইয়াবা, ২৫ পুরিয়া হেরোইন, একটি পিকআপ, একটি প্রাইভেটকার, পাঁচটি মোটরসাইকেল, একটি ধারালো ক্ষুর, পাঁচটি ডামি পিস্তল, চারটি ডামি পিস্তলের ম্যাগাজিন, তিনটি পিস্তলের কাভার, একটি রান চাকু, দুইটি স্টিলের ব্যাটন, দুইটি চাকু, একটি ওয়ালেট, একটি ইলেকট্রিক শক মেশিন, একটি কালো কটি, ১৩টি মোবাইল, নগদ ১৪ হাজার টাকা, একটি ইয়াবা সেবনের পাইপ, ফয়েল পেপার এবং দুইজন ভিকটিম।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ