শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৫২ এম
তেজাবি স্বর্ণের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ হাজার ৬৯১ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এতে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। সেদিন সকাল ১০টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। আজ শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নির্ধারিত ওই দামেই বিক্রি হবে স্বর্ণ।
নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের হলমার্ক করা স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৯৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৭২ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, অলংকারের ডিজাইন অনুযায়ী, মজুরি প্রযোজ্য হবে। তবে স্বর্ণ ও রুপার অলংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
বাজুস আরও জানিয়েছে, পুরোনো অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে ১২ শতাংশ এবং পুরোনো অলংকার পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শীর্ষ নেতা, বিজ্ঞানী ও সামরিক কমান্ডারদের ‘হত্যার’ পরও ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান।
পেজেশকিয়ান বলেন, ‘আন্তর্জাতিক আইনের কাঠামোর মধ্যেই আলোচনা ও সমঝোতা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী যা আমাদের ন্যায্য অধিকার, আমরা সেটিই চাই।’
তিনি বলেন, ‘আমরা কখনো এর চেয়ে বেশি কিছু চাইনি। এই ভিত্তির ওপরই আমরা একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চাই, যদি অপর পক্ষও এতে সম্মত হয়।’
ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমাদের কোনো সমস্যা নেই। আমরা আপনাদের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছিলাম।’ এ সময় তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথা উল্লেখ করেন।
পেজেশকিয়ান বলেন, ‘চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল এবং তার ভিত্তিতেই আমরা এগিয়ে যেতে চেয়েছিলাম, এখনো চাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘চুক্তির কাঠামো নিয়ে সমঝোতা হয়েছিল। আমরা হরমুজ প্রণালি বন্ধ করিনি; এটি খোলা ছিল। এটি বন্ধ করার পক্ষে কোনো আইনি ভিত্তি বা কাঠামোও ছিল না।’
নিজ দেশের ওপর সামরিক হামলার সমালোচনা করে পেজেশকিয়ান বলেন, ‘তারা আমাদের ওপর হামলা করেছে। তারা আমাদের সম্মানিত সর্বোচ্চ নেতা, বিজ্ঞানী, সামরিক কমান্ডার ও সরকারি কর্মকর্তাদের হত্যা করেছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে প্রথমবারের মতো বৈঠক করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বাংলাদেশের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক আরও গভীর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। খবর আনাদোলু এজেন্সির
প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাতিসংঘ অধিবেশনের সাইডলাইনে ‘পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং দুই দেশের জনগণের কল্যাণে সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো’ নিয়ে মতবিনিময় করেন বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের দুই নেতা। একইসঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বোঝাপড়া ও সহযোগিতার ভিত্তিতে বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার গুরুত্বের ওপর জোর দেন তারা।
বৈঠক শেষে এ বিষয়ে একটি বিবৃতিও প্রকাশ করা হয়েছে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেছেন তারেক রহমান ও শেহবাজ শরিফ। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন দুই নেতা।
বিবৃতিতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সম্পর্ক আরও গভীর করার বিষয়ে পাকিস্তানের ‘দৃঢ় অঙ্গীকার’ পুনর্ব্যক্ত করেন শেহবাজ শরিফ।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানায়, শেহবাজ শরিফ দুই দেশের সম্পর্কের ইতিবাচক গতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্ক আরও জোরদারে তার সরকারের আগ্রহের কথা জানান। এ সময় বাংলাদেশের সরকারপ্রধান তারেক রহমানও একই ধরনের মনোভাব প্রকাশ করেন।
এছাড়া, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয় নিয়েও দুই নেতা মতবিনিময় করেন। বিশেষ করে জাতিসংঘসহ বহুপক্ষীয় বিভিন্ন ফোরামে দুই দেশের মধ্যে সমন্বয় অব্যাহত রাখার গুরুত্বের ওপর জোর দেন তারা।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ায় বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে বৈশ্বিক এই সংস্থাটির লক্ষ্য এগিয়ে নিতে বাংলাদেশের উদ্যোগের প্রতি পাকিস্তানের সমর্থনের কথাও জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামে শুক্রবার বা জুমার দিন অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও বরকতময়। সপ্তাহের অন্য দিনগুলোর তুলনায় এ দিনের রয়েছে বিশেষ বৈশিষ্ট্য ও ফজিলত। এ দিনে নামাজ, দোয়া ও বিভিন্ন ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের সুযোগ রয়েছে।
আরবিতে শুক্রবারকে বলা হয় ‘ইয়াওমুল জুমুআহ’। পবিত্র কোরআনেও এ দিনের নাম ‘জুমুআহ’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। হাদিসে জুমার দিনের মর্যাদা ও বিশেষ কিছু আমলের কথা তুলে ধরা হয়েছে।
উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য বিশেষ দিন
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, পূর্ববর্তী উম্মতদের জন্যও বিশেষ দিন ছিল। ইহুদিদের জন্য শনিবার এবং খ্রিস্টানদের জন্য রবিবার নির্ধারিত ছিল। আর উম্মতে মুহাম্মদীকে আল্লাহ জুমার দিনের মাধ্যমে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছেন।
— সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস: ১০৮৩
জুমার দিনে মৃত্যুর বিশেষ ফজিলত
হাদিসে জুমার দিন বা রাতে কোনো মুসলমানের মৃত্যু হলে তার জন্য বিশেষ ফজিলতের কথা বর্ণিত হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) থেকে বর্ণিত, জুমার দিন বা রাতে কোনো মুসলিম মৃত্যুবরণ করলে আল্লাহ তাকে কবরের আজাব থেকে রক্ষা করেন।
— জামে তিরমিজি, হাদিস: ১০৭৪
দুই জুমার মধ্যবর্তী গুনাহ মাফ
নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ও জুমার নামাজ আদায় এবং কবিরা গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার মাধ্যমে দুই জুমার মধ্যবর্তী সময়ের সগিরা গুনাহ মাফের ফজিলত লাভ করা যায়।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, এক জুমা থেকে পরবর্তী জুমা এবং এক রমজান থেকে পরবর্তী রমজান—মাঝের সময়ের গুনাহের কাফফারা হয়, যদি বড় গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা হয়।
— সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৩৩
জুমার দিনের পাঁচ বিশেষ বৈশিষ্ট্য
রাসুলুল্লাহ (সা.) জুমার দিনের কয়েকটি বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কথা বলেছেন। হাদিস অনুযায়ী—
১. এ দিনে আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে।
২. এ দিনেই তাঁকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছে।
৩. এ দিনেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
৪. এ দিনে এমন একটি সময় রয়েছে, যখন কোনো মুসলিম আল্লাহর কাছে বৈধ কিছু চাইলে তিনি তা দান করেন।
৫. এ দিনেই কিয়ামত সংঘটিত হবে।
— সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস: ১০৮৪
জুমার দিনে সুরা কাহফ পাঠ
জুমার দিনের অন্যতম আমল হিসেবে সুরা কাহফ তিলাওয়াতের কথা বর্ণিত হয়েছে। হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি জুমার দিন সুরা কাহফ পাঠ করবে, তার জন্য দুই জুমার মধ্যবর্তী সময় নূর দ্বারা আলোকিত থাকবে।
— শুআবুল ঈমান, হাদিস: ৫৯৯৬
বেশি বেশি দোয়া ও ইবাদত
জুমার দিনে দোয়া কবুলের একটি বিশেষ সময় রয়েছে। তাই এ দিনে বেশি বেশি দোয়া করা, আল্লাহকে স্মরণ করা এবং নফল ইবাদতে সময় দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
জুমার নামাজের পাশাপাশি সুরা কাহফ তিলাওয়াত, দোয়া ও অন্যান্য নেক আমলের মাধ্যমে একজন মুসলমান এই বরকতময় দিনকে অর্থবহ করে তুলতে পারেন।
জুমার দিনের মর্যাদা ও ফজিলত সম্পর্কে সচেতন হয়ে প্রত্যেক মুসলমানের উচিত সামর্থ্য অনুযায়ী এ দিনে বেশি বেশি ইবাদত করা এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্বশান্তি, মানবতা, গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পক্ষে কথা বলেছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ভাষণ প্রসঙ্গে মাহদী আমিন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন পরিকল্পনার পাশাপাশি বিশ্বশান্তি, ফিলিস্তিনিদের অধিকার এবং জাতিসংঘের মাধ্যমে শান্তি, সমৃদ্ধি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠার বিষয়ে কথা বলেছেন।’
তিনি বলেন, ‘জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শিশু, নারী, তরুণ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ই-হেলথ কার্ড এবং ভবিষ্যতে ইউনিভার্সাল কার্ড চালুর পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেছেন।’
মাহদী আমিন আরও বলেন, ‘স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি ও পরিবেশসহ মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে সম্পৃক্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারের পরিকল্পনার একটি রূপরেখা প্রধানমন্ত্রী বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরেছেন। একইসঙ্গে গণতন্ত্র সুসংহত করা, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।’
তিনি বলেন, ‘২০ মিনিটের বেশি সময়ের বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শুধু বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেননি; তিনি বিশ্বশান্তি, মানবাধিকার, আইনের শাসন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পক্ষে কথা বলেছেন।’
মাহদী আমিন বলেন, ‘জাতিসংঘ সফরের তৃতীয় দিনে প্রধানমন্ত্রী বহুপাক্ষিক, দ্বিপাক্ষিক ও উচ্চপর্যায়ের বিভিন্ন বৈঠকসহ একাধিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। এসব কর্মসূচিতে বাংলাদেশ আঞ্চলিক সহযোগিতা, পরিবেশ, স্বাস্থ্য, জলবায়ু পরিবর্তন, মানবাধিকার ও বিশ্বশান্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছেন।‘
তিনি বলেন, ‘পাকিস্তান ও থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, আঞ্চলিক সংযোগ, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ এবং সমতা, ন্যায্যতা ও মর্যাদার ভিত্তিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক বিভিন্ন পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ, ২০ হাজার কিলোমিটারের বেশি খাল খনন এবং পদ্মা ব্যারাজ ও তিস্তা মহাপরিকল্পনার মতো উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।’
এছাড়া বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমিত রাখার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী চারটি প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন বলেও জানান মাহদী আমিন।
স্বাস্থ্যবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মাতৃ ও শিশুমৃত্যু কমানো এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন। আগামী কয়েক বছরে এক লাখ স্বাস্থ্যসেবাকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনার কথাও তিনি উল্লেখ করেন, যার মধ্যে ৮০ হাজার নারী এবং মিডওয়াইফারি সেবায় ২৫ হাজার নতুন কর্মসংস্থানের লক্ষ্য রয়েছে।’
মাহদী আমিন বলেন, ‘জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। বৈঠকে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভূমিকা এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশি সদস্যদের অবদানের জন্য বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, জলবায়ু সহনশীলতা এবং বহুপাক্ষিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভূমিকারও প্রশংসা করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব।
মাহদী আমিন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের বহুপাক্ষিক কূটনীতির গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বিশ্বশান্তি, পারস্পরিক সহযোগিতা ও বিভিন্ন দেশের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি জোরদারে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উয়িংয়ের সদস্যরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ