ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নীল অর্থনীতির সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সরকার নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করছে


নীল অর্থনীতির সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সরকার নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করছে

বঙ্গোপসাগরের বিপুল সামুদ্রিক সম্পদকে কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য নীল অর্থনীতির সম্ভাবনা কাজে লাগানোর উদ্যোগকে সরকার আরও জোরদার করছে।

নতুন নীতিমালা ও নির্দেশিকা প্রণয়নের মাধ্যমে সামুদ্রিক মৎস্য চাষ, কাঁকড়া উৎপাদন, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরা এবং সামুদ্রিক গবেষণার ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, সমুদ্রের তলদেশে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের বিষয়েও মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে।

ভৌগোলিক অবস্থান ও সামুদ্রিক সম্পদের প্রাচুর্য থাকা সত্ত্বেও, গভীর সমুদ্রে বাণিজ্যিকভাবে মাছ ধরা এবং সমুদ্রের তলদেশে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে বাংলাদেশ এখনও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করতে পারেনি। প্রতিবেশী ভারত ও মিয়ানমারের তুলনায় বাংলাদেশ এই ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে।

আরও পড়ুন: রপ্তানি বাণিজ্যে নতুন দিগন্ত, দক্ষিণ আমেরিকায় ৩ মাসে বিপুল আয়

বিশেষজ্ঞদের মতে, নীতিমালার কার্যকর বাস্তবায়ন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং তদারকি জোরদার করা গেলে দেশের সামুদ্রিক সম্পদ অর্থনৈতিক উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে পারে।

এ লক্ষ্যে, সামুদ্রিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি এবং সমুদ্রভিত্তিক শিল্পে বিনিয়োগ সম্প্রসারণের জন্য একাধিক খসড়া নীতিমালা ও নির্দেশিকা তৈরি করেছে সরকার। এসব উদ্যোগের লক্ষ্য হলো বাণিজ্যিকভাবে সামুদ্রিক সম্পদ আহরণের পাশাপাশি জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও সমুদ্রসম্পদের দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা।

বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান জানান, উল্লেখযোগ্যভাবে শিথিল শর্তে সমুদ্রের ২৬টি ব্লকে অনুসন্ধানের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, উপকূলীয় ভোলা ও ফেনী অঞ্চলে গ্যাসের মজুত পাওয়া যাওয়ায়, সরকার সমুদ্রেও গ্যাসের সন্ধান পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী।

আরও পড়ুন: কৃষিঋণের খেলাপির হার ৪২%

২০২৬ সালের বাংলাদেশ অফশোর বিডিং রাউন্ডের আওতায় সমুদ্রের তলদেশে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য নতুন কাঠামো প্রণয়ন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে ২০২৪ সালের মডেল প্রোডাকশন শেয়ারিং কন্ট্রাক্ট (পিএসসি) প্রতিস্থাপন করা হবে। নতুন কাঠামোয় গ্যাসের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি সংশোধন, পাইপলাইন নির্মাণে সহায়তা এবং অনুসন্ধান চালিয়ে বাণিজ্যিকভাবে সফল না হলে সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীদের জন্য অতিরিক্ত আর্থিক প্রণোদনার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান ড. মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, নীল অর্থনীতির বিপুল সম্ভাবনা কাজে লাগাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করছে। তিনি উল্লেখ করেন, সমুদ্রের গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধান করে নতুন মজুত পাওয়া গেলে তা দেশের জন্য অত্যন্ত লাভজনক হবে।

তিনি আরও বলেন, নীল অর্থনীতির উদ্যোগের আওতায় জ্বালানি খাতে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।

মৎস্য খাতে টেকসই উৎপাদনের উদ্যোগ

আরও পড়ুন: দেশের ডিসি ও বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৫.০৭ মেগাওয়াট

সামুদ্রিক সম্পদের টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকার সামুদ্রিক জলজ চাষ বা মেরিকালচার নীতিমালার খসড়া তৈরি করেছে। এতে খাদ্য নিরাপত্তা, রপ্তানি আয় ও কর্মসংস্থান বাড়াতে সামুদ্রিক জলজ চাষকে সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) ২০২৬ সালের জুনের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, নদী, হ্রদ ও জলাভূমি থেকে মাছ আহরণে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয় এবং চাষের মাধ্যমে মাছ উৎপাদনে পঞ্চম।

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে মোট মাছ উৎপাদন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫২ লাখ ৫৫ হাজার টন। এ উৎপাদন দেশের বার্ষিক প্রায় ৫০ লাখ টন চাহিদার চেয়েও বেশি।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, প্রস্তাবিত নীতিমালায় সামুদ্রিক জলজ চাষ সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং উৎপাদন প্রযুক্তির উন্নয়নের পাশাপাশি সামুদ্রিক প্রতিবেশব্যবস্থা সুরক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: সৌদি আরব থেকেই আসতে পারে জ্বালানি তেলের পরবর্তী বড় ধাক্কা

এ নীতিমালা বাস্তবায়িত হলে প্রচলিত উপকূলীয় মৎস্য আহরণের বাইরে সামুদ্রিক শৈবাল চাষ, সামুদ্রিক জলজ প্রাণী উৎপাদন এবং সমুদ্রভিত্তিক অন্যান্য শিল্পের বিকাশের সুযোগ তৈরি হবে।

এদিকে, কাঁকড়ার উৎপাদন, আহরণ, ব্যবস্থাপনা ও রপ্তানি আরও সুশৃঙ্খল করতে ‘টেকসই কাঁকড়া উৎপাদন, আহরণ, ব্যবস্থাপনা ও রপ্তানি নির্দেশিকা-২০২৬’-এর খসড়া তৈরি করেছে সরকার। এর লক্ষ্য হলো কাঁকড়ার জীববৈচিত্র্য রক্ষা, উৎপাদনপদ্ধতির উন্নয়ন এবং রপ্তানি আয় বাড়ানো।

প্রস্তাবিত নির্দেশিকায় বিনিয়োগ আকর্ষণ, আহরণ-পরবর্তী ক্ষতি কমানো, হিমাগার ও শীতল সরবরাহ ব্যবস্থা উন্নত করা, মূল্য সংযোজিত পণ্য উৎপাদন এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের কথা বলা হয়েছে। উন্নত চাষ ও আহরণপদ্ধতি অনুসরণ করা গেলে পণ্যের মান বাড়বে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

একইসঙ্গে, দেশের একান্ত অর্থনৈতিক অঞ্চলের (ইইজেড) বাইরে আন্তর্জাতিক জলসীমায় বাংলাদেশের পতাকাবাহী মাছ ধরার জাহাজ পরিচালনা নিয়ন্ত্রণে ‘গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ নির্দেশিকা-২০২৬’-এর খসড়া তৈরি করেছে মৎস্য অধিদপ্তর।

আরও পড়ুন: আরএসজিটি বাংলাদেশের নতুন রেকর্ড: পতেঙ্গা টার্মিনালে ঘণ্টায় ৭২ মুভ ও ১২২ টিইইউ'স

এতে জাহাজের লাইসেন্স, মাছ ধরার কার্যক্রম, আহরণ করা মাছের হিসাব সংরক্ষণ, এক জাহাজ থেকে অন্য জাহাজে মাছ স্থানান্তর, মাছের উৎস শনাক্তকরণ, নজরদারি, নাবিকদের নিরাপত্তা ও আইন প্রয়োগের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি, অবৈধ, অনিবন্ধিত ও অনিয়ন্ত্রিত মৎস্য আহরণ বন্ধ এবং দেশীয় আইন ও আন্তর্জাতিক বিধিবিধান মেনে চলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব নির্দেশিকা আন্তর্জাতিক জলসীমায় বাংলাদেশের মৎস্য আহরণ সম্প্রসারণের ভিত্তি তৈরি করতে পারে। তবে কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য জাহাজ পর্যবেক্ষণব্যবস্থা, মাছের মজুত সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন, আহরণ সক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ এবং পর্যাপ্ত নজরদারি নিশ্চিত করা জরুরি।

সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও রপ্তানি লক্ষ্য

সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায়ও উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে কুয়াকাটা ও সালিমপুরে দুটি নতুন সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে দেশে ঘোষিত সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকা ও সামুদ্রিক রিজার্ভের সংখ্যা বেড়ে সাতটিতে দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুন: নগদ লেনদেনে ব্যয় ডিজিটালের চেয়ে ২৮ গুণ বেশি

এসব এলাকা ঘোষণার উদ্দেশ্য হলো সামুদ্রিক আবাসস্থল রক্ষা এবং মৎস্যসম্পদের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্যের রপ্তানি আয় ১০০ কোটি মার্কিন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এ খাতে রপ্তানি আয় ছিল প্রায় ৪৫ কোটি ডলার।

সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকা মাছের মজুত পুনরুদ্ধার ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এ উদ্যোগের সুফল পেতে কার্যকর নজরদারি, বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ, টেকসই অর্থায়ন এবং উপকূলীয় জেলেদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

চলতি অর্থবছরের বাজেটে নীল অর্থনীতি নিয়ে গবেষণা ও উন্নয়নের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে নীল অর্থনীতি গবেষণার জন্য পৃথক তহবিলে রাখা হয়েছে ১০০ কোটি টাকা।

জ্বালানি ও সমুদ্রভিত্তিক শিল্পে সম্ভাবনা

নীল অর্থনীতির আরেকটি বড় সম্ভাবনার ক্ষেত্র সমুদ্রের তলদেশে জ্বালানি অনুসন্ধান। সরকার সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে নতুন উৎপাদন-অংশীদারত্ব চুক্তি করেছে এবং পরিকল্পিত খনন কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে।

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন, রেলপথ এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এসব খাতের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, মাতারবাড়ীতে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ এবং পায়রা বন্দরের কার্যক্রমের দক্ষতা বাড়ানোর উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি সম্প্রতি জানিয়েছেন, সরকার স্থলভাগে ১৫০টি গ্যাসকূপ খননের পরিকল্পনা নিয়েছে। এর মধ্যে চলতি অর্থবছরে ৩০টি কূপ খননের উদ্যোগ রয়েছে। ইতোমধ্যে তিনটি কূপের কার্যক্রম চালু হয়েছে।

মৎস্য ও জ্বালানি খাতের বাইরে জাহাজ নির্মাণ, জাহাজ মেরামত ও পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ, বন্দর ব্যবস্থাপনা, সামুদ্রিক পরিবহন, পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থা এবং সমুদ্রভিত্তিক সেবাশিল্পেও বাংলাদেশের সম্ভাবনা রয়েছে।

এসব শিল্পের বিকাশে বন্দর ও উৎপাদনকেন্দ্রের মধ্যে সংযোগ জোরদার, অবকাঠামো উন্নয়ন, দক্ষ জনবল তৈরি এবং বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন।

নীতিমালা থেকে বাস্তবায়নে গুরুত্ব

বিশাল সামুদ্রিক সম্পদকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তিতে পরিণত করতে হলে নীতিমালা প্রণয়নের পাশাপাশি সেগুলোর কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারি সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় জরুরি।

সামুদ্রিক সম্পদের নির্ভরযোগ্য তথ্য সংগ্রহ, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তৈরির ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে।

মেরিকালচার, কাঁকড়া উৎপাদন ও গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ নিয়ে খসড়া নীতিমালা প্রণয়ন, সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকা সম্প্রসারণ এবং গবেষণায় অর্থ বরাদ্দের মাধ্যমে নীল অর্থনীতি বিকাশের একটি নীতিগত ভিত্তি তৈরি করছে সরকার।

এখন এসব উদ্যোগ বাস্তবে রূপ দিতে নজরদারি ও আইন প্রয়োগ জোরদার, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোই বড় চ্যালেঞ্জ। এসব ক্ষেত্রে অগ্রগতি অর্জন করা গেলে দেশের সামুদ্রিক সম্পদ রপ্তানি আয়, জ্বালানিনিরাপত্তা, কর্মসংস্থান ও টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নে আরও বড় ভূমিকা রাখতে পারবে। সূত্র: বাসস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিসরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে ১৩ জন নিহত, ৩৪ জন আহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৩ এম


মিসরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে ১৩ জন নিহত, ৩৪ জন আহত

মিসরের রাজধানী কায়রোর পশ্চিমে একটি পর্যটকবাহী বাসের সঙ্গে ভারী ট্রাকের সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩৪ জন। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) কায়রো-আসিউত পশ্চিম মরুভূমি মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আল-আহরাম।

আল-আহরামের সূত্রে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, দুর্ঘটনার পর বাসটির সামনের অংশ সম্পূর্ণরূপে দুমড়েমুচড়ে যায়। সংঘর্ষের তীব্রতায় বাসের সামনের অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে ধাতব কাঠামো ও ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে পড়ে। সড়কের পাশে যাত্রীদের আসন পড়ে থাকতে দেখা যায়। ট্রাকের পেছনের অংশেও বাসের ধ্বংসাবশেষ দেখা যায়।

দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকর্মীরা মহাসড়ক থেকে ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহন সরানোর কাজ শুরু করেন। একটি ক্রেনের সাহায্যে বাসটি সরিয়ে নেওয়া হয়। আহত ব্যক্তিদের গিজা এলাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে আল-আহরাম। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে।

এ ঘটনায় হতাহতদের জাতীয়তা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে নিহত ও আহতদের মধ্যে কেউ দেশি বা বিদেশি পর্যটক ছিলেন কি না, তা স্পষ্ট নয়।

মিসরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা প্রায়ই ঘটে থাকে। বেপরোয়া গাড়ি চালানো, যানবাহনের দুর্বল রক্ষণাবেক্ষণ এবং সড়ক আইন কার্যকরে দুর্বলতাকে এসব দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। দেশটির রাষ্ট্রীয় পরিসংখ্যান সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গত বছর সড়ক দুর্ঘটনায় প্রায় ছয় হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

এর আগে গত সেপ্টেম্বরে সিনাই অঞ্চলে একটি বাস দুর্ঘটনায় ২২ জন নিহত হন। তাঁদের মধ্যে ১০ জন ছিলেন জর্ডানের নাগরিক। এ ছাড়া গত আগস্টে উত্তর মিসরে কৃষিশ্রমিক বহনকারী দুটি পিকআপ ট্রাকের সংঘর্ষে অন্তত ১৮ জন নিহত হন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন শিশুও ছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোরেলগঞ্জে অবৈধ ড্রেজার মেশিন বন্ধ করলেন সহকারী কমিশনার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৪ এম


মোরেলগঞ্জে অবৈধ ড্রেজার মেশিন বন্ধ করলেন সহকারী কমিশনার

মোরেলগঞ্জ উপজেলার পুটিখালী ইউনিয়নে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করার উদ্দেশ্যে অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। শনিবার সন্ধ্যায়, উপজেলার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পুটিখালী গ্রামে অভিযান চালিয়ে একটি ড্রিল ড্রেজার মেশিনের কার্যক্রম বন্ধ করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আকতারুজ্জামান।

অভিযানের সময়, অবৈধ বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত ড্রেজারের পাইপগুলো ভেঙে ফেলা হয় এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে পুরো সরঞ্জাম সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, পুটিখালী গ্রামের বাসিন্দা মো. ইলিয়াস খানের নিজ জমিতে গত প্রায় দুই মাস ধরে ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছিল। দৈবজ্ঞহাটী ইউনিয়নের বাসিন্দা ও ড্রেজার মালিক বেদার শেখ জমির মালিকের সহায়তায় এই অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন। এভাবে অপরিকল্পিতভাবে বালু তোলার ফলে স্থানীয় পরিবেশ মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হয়, পাশাপাশি সরকারি রাস্তা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার বসতবাড়ি চরম হুমকির মুখে পড়ে। সাধারণত কৃষিজমি বা নদী থেকে অবৈধ উপায়ে বালু উত্তোলনের কারণে নদীভাঙন, ফসলি জমির ক্ষতি এবং বসতবাড়ির সার্বিক স্থায়িত্ব বিনষ্ট হয়।

শনিবার স্থানীয় বাসিন্দারা এই বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আকতারুজ্জামান তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং ড্রেজারের কার্যক্রম বন্ধ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি মোরেলগঞ্জ শাখার সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক মো. জাকির হোসেন মল্লিকসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আকতারুজ্জামান জানান, অভিযানের সময় ড্রেজার মালিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকায় জমির মালিক ইলিয়াস খানকে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে এবং পাইপগুলো ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া দ্রুত সময়ের মধ্যে ড্রেজারটি পূর্ণাঙ্গভাবে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুনরায় এই ড্রেজার চালু করার চেষ্টা করা হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্লোরিডায় ৭৭ বছর বয়সী উইলিয়াম রিভসের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৫ এম


ফ্লোরিডায় ৭৭ বছর বয়সী উইলিয়াম রিভসের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যা করার অভিযোগে ৭৭ বছর বয়সী উইলিয়াম রিভসের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ১২ মিনিটে প্রাণঘাতী ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়। চলতি বছরে এটি ফ্লোরিডায় ১৮তম মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা।

বার্তা সংস্থা এপির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৮৬ সালের সেপ্টেম্বরে ইন্ডিয়ান রিভার কাউন্টির শেরিফ কার্যালয়ের কর্মকর্তা রিচার্ড র‍্যাকজোস্কিকে গুলি করে হত্যা করার অপরাধে উইলিয়াম রিভসকে প্রথম-ডিগ্রির হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল। তার মৃত্যুদণ্ড ফ্লোরিডার স্টার্ক শহরের কাছে অবস্থিত রাজ্য কারাগারে কার্যকর করা হয়।

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় রিভসকে একটি শয্যায় বেঁধে রাখা হয়েছিল এবং তার হাতে ওষুধ প্রয়োগের জন্য শিরায় নল লাগানো ছিল। শেষ কথা বলতে চান কি না, জানতে চাইলে তিনি "না" বলে উত্তর দেন। এরপরেই ওষুধ প্রয়োগ শুরু হয়। প্রায় ৩০ সেকেন্ড পর তিনি কয়েকবার গভীরভাবে শ্বাস নেন এবং নড়াচড়া বন্ধ করে দেন। পরে কারা কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসাকর্মীরা তার শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা করেন এবং তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, চলতি বছর ফ্লোরিডায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রিভস ছিলেন অষ্টম ব্যক্তি, যিনি ৭০ বছরের বেশি বয়সী। দীর্ঘ সময় মৃত্যুদণ্ডের অপেক্ষায় কারাগারে থাকার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে বয়স্ক দণ্ডপ্রাপ্ত বন্দির সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

অঙ্গরাজ্যটির রিপাবলিকান গভর্নর রন ডিস্যান্টিসের মেয়াদে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। গত বছর ফ্লোরিডায় এক বছরে ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে অঙ্গরাজ্যটি নিজেদের রেকর্ড গড়েছিল। আগামী মাসে নির্ধারিত আরেকটি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে সেই রেকর্ডে আবারও ভাগ বসাতে পারে অঙ্গরাজ্যটি।

দুই মেয়াদ শেষে আগামী জানুয়ারিতে গভর্নরের দায়িত্ব ছাড়তে যাচ্ছেন ডিস্যান্টিস। তিনি বলেছেন, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অপেক্ষায় দীর্ঘ কয়েক দশক পার করা ভুক্তভোগীদের পরিবারের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চান।

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর নিহত কর্মকর্তা রিচার্ড র‍্যাকজোস্কির ভাই মার্ক র‍্যাকজোস্কি সাংবাদিকদের সংক্ষেপে বলেন, "তার ভাই অবশেষে ন্যায়বিচার পেয়েছেন।"

সূত্র: এপি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ বিসর্জনে শেষ হবে দুর্গাপূজা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৫ এম


আজ বিসর্জনে শেষ হবে দুর্গাপূজা

আজ বুধবার বিজয়া দশমী। এবারের দুর্গাপূজা প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে শেষ হবে। এর আগে সকালে বিভিন্ন মন্দিরে দশমীর পূজা ও দর্পণ বিসর্জনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস অনুযায়ী, দুর্গা ঘোড়ায় চড়ে আসেন এবং নৌকায় চড়ে চলে যান।

গতকাল মঙ্গলবার মহানবমী পালন করা হয়েছে হিন্দু ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী ঢাকের বাদ্য, মন্ত্রপাঠ এবং ভক্তদের প্রার্থনার মাধ্যমে। রাজধানী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির—সর্বত্র দেবীর পূজা, অঞ্জলি ও নানা ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠিত হয়েছে। আনন্দের মাঝে বিদায়ের সুরও ভক্তদের মনে দেখা গেছে।

ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে গতকাল থেকেই ভক্তদের ভিড় বাড়তে শুরু করে। মন্দির প্রাঙ্গণ মন্ত্রপাঠ, শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি ও ঢাকের তালে মুখর হয়ে ওঠে। সকাল সোয়া ১০টায় মহানবমীর কল্পারম্ভ ও বিহিত পূজা শুরু হয়। পরে ভক্তরা ফুল ও বেলপাতা দিয়ে দেবীর চরণে অঞ্জলি দেন। পুরোনো মন্দিরে হোমযজ্ঞ ও বলিদানের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

পূজা শেষে অনেক ভক্ত মন্দিরের মেলায় ঘুরে বেড়ান। বিভিন্ন দোকানে ঘর সাজানোর সামগ্রী, চুড়ি, গহনা, পোশাক ও শিশুদের খেলনা বিক্রি হচ্ছিল। পরিবার নিয়ে আসা দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে মন্দির প্রাঙ্গণে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে। ভক্তদের প্রার্থনায় ছিল অশুভ শক্তির বিনাশ, মানুষের মঙ্গল এবং দেশে শান্তি ও সম্প্রীতি কামনা।

রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দিরেও মহানবমীর বিশেষ আয়োজন ছিল। সকালে শালগ্রামশিলা ও দেবী দুর্গার মহাস্নানের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এরপর ষোড়শ উপচারে বিহিত পূজা অনুষ্ঠিত হয়। ভক্তরা উপবাস রেখে পুষ্পাঞ্জলি দেন। সকাল ১০টা থেকে দুপুর পর্যন্ত নবমীর মহাপূজা চলতে থাকে। দুপুর ১২টার মধ্যে মহাহোম বা যজ্ঞ সম্পন্ন হয়। ভোগ নিবেদন শেষে ভক্তদের মধ্যে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। সন্ধ্যায় দেবীর আরতির পাশাপাশি ধুনুচি নাচের আয়োজন করা হয়। ঢাক ও কাঁসার তালে ধুনুচি নাচে বিভিন্ন বয়সের ভক্তরা অংশ নেন।

মন্দিরের আয়োজকরা জানান, বুধবার দুপুরে প্রতিমা নিয়ে ওয়াইজঘাটের উদ্দেশে রওনা হবেন তারা। সেখানে বিসর্জনের মাধ্যমে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে।

আজ বিদায়ের পালা

গতকাল মহানবমী ছিল দুর্গাপূজার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন। এদিন দেবী দুর্গার নবম রূপ সিদ্ধিদাত্রীর আরাধনা করা হয়। পূজা, অঞ্জলি, ভোগ নিবেদন ও যজ্ঞের মাধ্যমে দেবীর কাছে মঙ্গল কামনা করেন ভক্তরা। সন্ধ্যায় অনেক মণ্ডপে আরতি অনুষ্ঠিত হয়। কোথাও কোথাও বিশেষ ধর্মীয় আয়োজনও ছিল।

আজ বুধবার বিজয়া দশমী। সকালে বিভিন্ন মন্দিরে দশমীর পূজা ও দর্পণ বিসর্জনের আনুষ্ঠানিকতা হবে। এরপর প্রতিমা নিয়ে বিসর্জনস্থলে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু হবে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার প্রতিমা নির্ধারিত আয়োজন অনুযায়ী নদীঘাটে নিয়ে যাওয়া হবে। প্রতিমাগুলো পানিতে বিসর্জনের মাধ্যমে কয়েকদিনের পূজা, আনন্দ ও মিলনমেলা শেষ হবে।

এবার সপ্তমীর তিথি দুই দিন বিস্তৃত থাকায় রোববার ও সোমবার সপ্তমীর পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার মহাষ্টমী ও কুমারী পূজা হয়েছে। গতকাল মহানবমীর আনুষ্ঠানিকতার পর এখন বিজয়া দশমীর অপেক্ষা। শেষ সময়ে ভক্তদের আনন্দের সঙ্গে বিচ্ছেদের অনুভূতি মিশে গেছে। দেবীকে বিদায় জানানোর আগে তাদের প্রার্থনা—মানুষের জীবনে শান্তি আসুক, অশুভ শক্তির বিনাশ হোক, এবং সমাজে বজায় থাকুক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য।

পূজা ও যজ্ঞের তাৎপর্য তুলে ধরে সিদ্ধেশ্বরী মন্দিরের ঠাকুর চন্দন চক্রবর্তী বলেন, ‘যজ্ঞ ও হোমের মধ্য দিয়ে আমাদের কল্প অনুসারে পূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা সমাপ্তির পথে। আজ সন্ধ্যায় (মঙ্গলবার) শুধু মায়ের আরতি এবং আগামীকাল (বুধবার) দর্পণ বিসর্জনের মাধ্যমে বিজয়া দশমী পালিত হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%