প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মিসরের রাজধানী কায়রোর পশ্চিমে একটি পর্যটকবাহী বাসের সঙ্গে ভারী ট্রাকের সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩৪ জন। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) কায়রো-আসিউত পশ্চিম মরুভূমি মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আল-আহরাম।
আল-আহরামের সূত্রে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, দুর্ঘটনার পর বাসটির সামনের অংশ সম্পূর্ণরূপে দুমড়েমুচড়ে যায়। সংঘর্ষের তীব্রতায় বাসের সামনের অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে ধাতব কাঠামো ও ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে পড়ে। সড়কের পাশে যাত্রীদের আসন পড়ে থাকতে দেখা যায়। ট্রাকের পেছনের অংশেও বাসের ধ্বংসাবশেষ দেখা যায়।
দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকর্মীরা মহাসড়ক থেকে ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহন সরানোর কাজ শুরু করেন। একটি ক্রেনের সাহায্যে বাসটি সরিয়ে নেওয়া হয়। আহত ব্যক্তিদের গিজা এলাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে আল-আহরাম। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে।
এ ঘটনায় হতাহতদের জাতীয়তা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে নিহত ও আহতদের মধ্যে কেউ দেশি বা বিদেশি পর্যটক ছিলেন কি না, তা স্পষ্ট নয়।
মিসরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা প্রায়ই ঘটে থাকে। বেপরোয়া গাড়ি চালানো, যানবাহনের দুর্বল রক্ষণাবেক্ষণ এবং সড়ক আইন কার্যকরে দুর্বলতাকে এসব দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। দেশটির রাষ্ট্রীয় পরিসংখ্যান সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গত বছর সড়ক দুর্ঘটনায় প্রায় ছয় হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
এর আগে গত সেপ্টেম্বরে সিনাই অঞ্চলে একটি বাস দুর্ঘটনায় ২২ জন নিহত হন। তাঁদের মধ্যে ১০ জন ছিলেন জর্ডানের নাগরিক। এ ছাড়া গত আগস্টে উত্তর মিসরে কৃষিশ্রমিক বহনকারী দুটি পিকআপ ট্রাকের সংঘর্ষে অন্তত ১৮ জন নিহত হন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন শিশুও ছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন