শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৩৫ এম
‘ভ্যানটা পাওয়া গেছে, ছেলের জুতা পাওয়া গেছে—কিন্তু আমার ছেলেডারে তো পাই নাই। প্রতিদিন মনে হয়, এই বুঝি দরজায় এসে দাঁড়াবে ইমরান। আবার ভয় হয়, কোনো অঘটন ঘটেনি তো!’—এমনই অনিশ্চয়তা ও উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন ফরিদপুরের সালথা উপজেলার ভাওয়াল ইউনিয়নের ইউসুফদিয়া ভদ্রপাড়া গ্রামের চুন্নু খান ও হাজেরা বেগম। ১৩ বছরের ছেলে ইমরান খান নিখোঁজ হওয়ার আড়াই মাস পার হয়ে গেলেও তার সন্ধান এখনো মেলেনি।
বাবা-মা সন্তান জীবিত থাকলে তাকে ফিরে পাওয়ার আশায় দিন গুনছেন। অন্যদিকে, যদি কোনো অঘটন ঘটে থাকে, তাহলে অন্তত ছেলের শেষ পরিণতি জানার চেষ্টা করছেন তাঁরা।
পরিবার এবং পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ জুন ধান ভাঙানোর উদ্দেশ্যে প্রতিবেশী শামীম মোল্যা (২১) চুন্নু খানের ব্যাটারিচালিত ভ্যান নিয়ে বের হন। এরপর থেকেই নিখোঁজ হয়ে যায় ইমরান। ওই দিন সকাল থেকে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন, কিন্তু কোথাও তার সন্ধান মেলেনি।
স্বজনদের অভিযোগ, শামীম মোল্যার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি ইমরানের অবস্থান সম্পর্কে বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য দেন। এতে পরিবারের সন্দেহ আরও বাড়তে থাকে। ঘটনার তিন দিন পর ১৭ জুন বিকেলে পাশের মাঝারদিয়া ইউনিয়নের কুমারপট্টি গ্রামের এলিনা বেগমের বাড়ি থেকে ইমরানের ব্যবহৃত ব্যাটারিচালিত ভ্যানটি উদ্ধার করে পুলিশ। পরে একটি পাটখেত থেকে তার ব্যবহৃত জুতা ও একটি কোদালও উদ্ধার করা হয়। কিন্তু এসব আলামত উদ্ধার হওয়ার পরও ইমরানের সন্ধান মেলেনি।
ইমরানের বাবা চুন্নু খান ওই দিনই সালথা থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার তদন্তে এ পর্যন্ত সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন জামিনে মুক্ত এবং দুজন বর্তমানে কারাগারে আছেন। তবে মামলার প্রধান অভিযুক্ত শামীম মোল্যা এখনো পলাতক রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ইমরানের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, পরিবারটি জরাজীর্ণ একটি ঝুপড়ি ঘরে বসবাস করছে। সন্তান নিখোঁজ থাকার কারণে পরিবারের সদস্যদের চোখেমুখে উদ্বেগ ও হতাশার ছাপ স্পষ্ট। ছেলের ছবি হাতে নিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন ইমরানের বাবা-মা।
চুন্নু খান বলেন, ‘আড়াই মাস ধইরা আমার ছেলের কোনো খোঁজ নাই। সে বাঁচে আছে নাকি মারা গেছে, কিছুই জানি না। আমরা গরিব মানুষ। ছেলেডারে খুঁজতে কত জায়গায় ঘুরছি। আমার ছেলেডা যদি বাঁচে থাকে, তারে ফিরাইয়া দেন। আর যদি কোনো অঘটন হইয়া থাকে, হাড্ডি-গুড্ডি হইলেও খুঁইজ্যা দ্যান।’
ইমরানের মা হাজেরা বেগম বলেন, ‘ভ্যানটা পুলিশ উদ্ধার করছে, কিন্তু আমার ছেলেডারে পাই নাই। ছেলেকে খুঁজতে ফরিদপুর হাসপাতাল, মুকসুদপুর হাসপাতালসহ বিভিন্ন জায়গায় গেছি। কোথাও তার সন্ধান পাইনি। প্রতিদিন মনে হয়, আজ বুঝি আমার ছেলে ফিরে আসবে।’
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মামলা হওয়ার দিনই মাঝারদিয়া ইউনিয়নের কুমারপট্টি গ্রাম থেকে এনায়েত শেখের স্ত্রী এলিনা বেগমকে (৩২) আটক করা হয়। তাঁর বাড়ি থেকেই ইমরানের ব্যবহৃত ভ্যানটি উদ্ধার করা হয়। একই দিন শামীম মোল্যা আত্মগোপনে চলে যান। পরে তাঁর বাবা টুকু মোল্যা (৬৫) ও স্ত্রী সাথী বেগমকে (২১) আটক করা হয়। তদন্তের ধারাবাহিকতায় মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মুরুটিয়া গ্রাম থেকে রাসেল মাতুব্বর (২১) নামের আরো এক যুবককে আটক করা হয়। পরে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবলুর রহমান খান বলেন, ইমরান নিখোঁজের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। এ মামলায় এখন পর্যন্ত সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন জামিনে রয়েছেন এবং দুজন কারাগারে আছেন। মামলার প্রধান অভিযুক্ত শামীম মোল্যা পলাতক। তাঁকে গ্রেপ্তারে পুলিশ সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
ওসি আরো বলেন, শামীম মোল্যাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হলে ইমরান নিখোঁজের রহস্য উদঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হবে বলে আশা করছে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুর জেলার নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন মো. ফজলে এলাহী। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় মাদারীপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
দায়িত্ব গ্রহণের আগে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে পৌঁছালে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নবাগত পুলিশ সুপারকে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। পরে তিনি জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময় করেন।
এ সময় বিদায়ী পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান নবাগত পুলিশ সুপার মো. ফজলে এলাহীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর কাছে দায়িত্বভার হস্তান্তর করেন।
মো. ফজলে এলাহী ২৫তম বিসিএসের মাধ্যমে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। তিনি রাজশাহী জেলার একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান।
বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে তিনি বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে সুনাম ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। মাদারীপুরে যোগদানের আগে তিনি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) সদর দপ্তরে কর্মরত ছিলেন।
দায়িত্বভার গ্রহণ অনুষ্ঠানে মাদারীপুর জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরা, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দুর্যোগের আগেই সাইক্লোন শেল্টারগুলো প্রস্তুত করা এবং ঝুঁকিপূর্ণ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ।
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ঘূর্ণিঝড় পূর্বাভাস ভিত্তিক আগাম সাড়াদান কর্মসূচি ও সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকে দুর্যোগ প্রতিক্রিয়াশীলকরণ এবং জলবায়ু ঝুঁকি বীমা কর্মসূচি বিষয়ক অবহিতকরণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সাতক্ষীরা জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি এ কর্মশালার আয়োজন করে।
জেলা প্রশাসক এসময় বলেন, ঘূর্ণিঝড় বা কোনো বড় ধরনের দুর্যোগ আঘাত হানার আগেই সাইক্লোন শেল্টারগুলো পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় মেরামত ও প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে।
দুর্যোগের সময় ক্ষয়ক্ষতি শুরু হওয়ার আগেই ঝুঁকিপূর্ণ মানুষকে নিরাপদে সাইক্লোন শেল্টারে নেওয়ার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিটি সাইক্লোন শেল্টারের পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রস্তুত রাখতে হবে। সংশ্লিষ্ট সব কমিটি, সদস্যদের দায়িত্ব ও করণীয়সহ প্রয়োজনীয় তথ্য দ্রুত হালনাগাদ করে উপস্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন তিনি।
কর্মশালায় প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়। এতে দুর্যোগের পূর্বাভাস পাওয়ার পর আগাম সাড়াদান, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকে দুর্যোগ প্রতিক্রিয়াশীল করা এবং জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় বীমা কর্মসূচির বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীনসহ জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা।
এছাড়া দাতা সংস্থার প্রতিনিধি, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি খুলনার প্রতিনিধি, বাস্তবায়নকারী সংস্থা সুশীলন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাফুফে সহ ৩৮টি ফেডারেশন এনএসসিতে হিসাব জমা দেয়নি।জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নিকট দাখিলের বাধ্যবাধকতা রয়েছে এনএসসি অ্যাক্টের ২৩ নম্বর ধারায়, যেখানে প্রত্যেক জাতীয় ক্রীড়া সংস্থার বার্ষিক আয়-ব্যয় এর হিসাব বিবরণী ও অডিট পরবর্তী বছরের সেপ্টেম্বরের মধ্যে জমা দিতে হবে। তবে, ৫২ ফেডারেশনের মধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র ১৪টি ফেডারেশন ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের এই আইন দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যমান। এনএসসি ফেডারেশনগুলোকে আর্থিক জবাবদিহিতার আওতায় আনতে সক্ষম হয়নি। সাবেক সচিব মো. আমিনুল ইসলাম ফেডারেশনগুলোর কাছে অডিট রিপোর্টের প্রতিবেদন চেয়েছিলেন।ফেডারেশনগুলো প্রতিবেদন না দেওয়ার কারণে কিছুদিনের জন্য তাদের অনুদান স্থগিত ছিল। তবে পরবর্তীতে সেই কঠোর অবস্থান তুলে নেওয়া হয়েছে।জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (অর্থ) তনময় ইসলাম সকল ফেডারেশন ও এসোসিয়েশনকে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের ব্যয় বিবরণী ও অডিট রিপোর্ট অবিলম্বে প্রদানের নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের অডিট প্রতিবেদন সেপ্টেম্বরের মধ্যে জমা দেওয়ার অনুরোধও করেছেন।জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের আয়-ব্যয় বিবরণী ও অডিট রিপোর্ট জমা দিয়েছে কাবাডি, সাঁতার, শুটিং, ভলিবল, বাস্কেটবল, কুস্তি, জিমন্যাস্টিক্স, শরীর গঠন, বিলিয়ার্ড, মহিলা ক্রীড়া সংস্থা, রাগবি, মাউন্টেরিং, প্যারা অলিম্পিক, এবং ক্রিকেট বোর্ড। তবে, ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের অডিট ও আয়-ব্যয় এখন পর্যন্ত শুধুমাত্র বাংলাদেশ মাউন্টেনিয়ারিং এসোসিয়েশন জমা দিয়েছে।দেশের অন্যতম শীর্ষ ফেডারেশন ফুটবল সরকারের কাছে বিভিন্ন সুবিধার জন্য আবেদন করে চলেছে। কিন্তু জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়নি। ফুটবল ফেডারেশন এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তিনটি হোম ম্যাচের গেট মানির অর্থও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কাছে পরিশোধ করেনি। ঐ ম্যাচগুলোর আয়-ব্যয় এখনো মিডিয়ার সামনে উপস্থাপন করেনি ফুটবল ফেডারেশন।টবলের পাশাপাশি আরচ্যারি, অ্যাথলেটিক্স, দাবা, কারাতে, ব্যাডমিন্টন, টেবিল টেনিস, সাইক্লিংসহ আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ফেডারেশন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে আয়-ব্যয় বিবরণী ও অডিট প্রতিবেদন জমা দেয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত মামলার দ্রুত ও কার্যকর বিচার নিশ্চিত করতে দেশে ১০ জেলায় ২২টি মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছে সরকার। একই সঙ্গে এসব ট্রাইব্যুনালের স্থানীয় অধিক্ষেত্রও নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
নতুন অধিক্ষেত্র অনুযায়ী বিচারাধীন মামলাগুলো ৬০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ৪৪ অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালগুলো গঠন ও তাদের বিচারিক এলাকা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকা জেলা ও ঢাকা মহানগরের জন্য পাঁচটি ট্রাইব্যুনাল রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা জেলার জন্য একটি এবং মহানগরের বিভিন্ন থানাকে ভাগ করে চারটি পৃথক ট্রাইব্যুনালের অধিক্ষেত্র নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জে দুটি, চট্টগ্রামে চারটি, কক্সবাজারে তিনটি, কুমিল্লায় দুটি এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া, রাজশাহী, বগুড়া, দিনাজপুর ও যশোরে একটি করে ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সিনিয়র সহকারী সচিব হুমায়ূন আহমেদুর রহমান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর অধীনে দায়ের হওয়া বিচারাধীন মামলাগুলো নতুনভাবে নির্ধারিত ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করতে হবে। কোনো মামলা যে ট্রাইব্যুনালের অধিক্ষেত্রভুক্ত হবে, সেই ট্রাইব্যুনালেই মামলার বিচারকার্য পরিচালিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ