ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এখন পেলের রেকর্ডে ভাগ বসালেন ইয়ামাল


এখন পেলের রেকর্ডে ভাগ বসালেন ইয়ামাল

বিশ্বকাপে নিজের প্রথম গোলের দেখা পেয়েছেন স্প্যানিশ ফুটবলার লামিনে ইয়ামাল। সৌদি আরবের সঙ্গে ম্যাচের মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে বাজিমাত করেছেন তরুণ এই স্ট্রাইকার।

এর আগে কেপ ভার্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচে ৭১ মিনিট ধরে বদলি হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন ইয়ামাল। তবে সৌদি আরবের বিপক্ষে তিনি শুরুর একাদশে জায়গা পান। শুরুর একাদশে প্রথমবার সুযোগ পেয়ে ইয়ামাল বাজিমাত করলেন।

ম্যাচের ১০ মিনিটে দুর্দান্ত এক গোলে স্পেনকে শুরুতেই এগিয়ে দেন ইয়ামাল। এই গোলের মাধ্যমে ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়েছেন এই তরুণ ফুটবলার।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহ যাকে চান ক্ষমতা দেন, আবার কেড়েও নেন’ - ড. খালিদ হোসেন

এদিকে, বিশ্ব কাপে ১৮ বছর বা তার কম বয়সী খেলোয়াড় হিসেবে ম্যাচের প্রথম গোল করার কীর্তি এতদিন ব্রাজিলের কিংবদন্তি পেলের দখলে ছিল। ১৯৫৮ বিশ্বকাপে ওয়েলসের বিপক্ষে মাত্র ১৭ বছর বয়সে ব্রাজিলের হয়ে ডেডলক ভেঙেছিলেন মহানায়ক পেলে। এত বছর পর, ৬৮ বছর পর পেলের সেই অনন্য রেকর্ডে ভাগ বসালেন ১৮ বছর বয়সী ইয়ামাল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রথমবার এমপি হয়ে চমক, ইশরাকের ১০০ দিনের অর্জন ও পরিকল্পনা আলোচনায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৬ পি.এম


প্রথমবার এমপি হয়ে চমক, ইশরাকের ১০০ দিনের অর্জন ও পরিকল্পনা আলোচনায়

দীর্ঘ রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রাম শেষে বিএনপির রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর, দেশের রাজনীতিতে যেসব নতুন মুখ দ্রুত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছেন ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। তিনি ঢাকা-৬ আসন থেকে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হওয়ার পরেই মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। রাজধানীর নাগরিক সমস্যা সমাধান, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণ, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের উত্তরাধিকারকে রাষ্ট্রের মূল ধারায় যুক্ত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব লাগামহীনভাবে ইশরাকের কাঁধে এসেছে। সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম ১০০ দিনে ইশরাকের কর্মকাণ্ড বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, তিনি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পাশাপাশি একটি জাতীয় রাজনৈতিক পরিচয় গড়ে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

নাগরিক সমস্যাকে অগ্রাধিকার দিয়ে ইশরাক হোসেন দায়িত্ব গ্রহণের পর গ্যাস সংকট, মাদক নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, বাজার তদারকি এবং যানজট নিরসনকে অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মসূচি হিসেবে সামনে রেখে আছেন। স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিভিন্ন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে এলাকার সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা বলছেন, জাতীয় রাজনীতির পাশাপাশি নগরজীবনের বাস্তব সমস্যাগুলোর প্রতি গুরুত্ব দেওয়ায় তিনি একজন মাঠমুখী জনপ্রতিনিধি হিসাবে নিজেকে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন।

ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় মাদক, ছিনতাই এবং কিশোর গ্যাং কার্যক্রম নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগ রয়েছে। নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী, ঢাকা-৬ আসনের মাদক স্পট চিহ্নিতকরণ, মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জনসম্পৃক্ত নিরাপত্তা কর্মসূচিকে গুরুত্ব দিয়েছেন ইশরাক হোসেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে—নিরাপদ সমাজ গঠনে প্রশাসনের পাশাপাশি জনগণের অংশগ্রহণও জরুরি।

সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং বিভিন্ন নাগরিক কর্মসূচিতে সরাসরি অংশগ্রহণ ইশরাক হোসেনকে তরুণদের কাছে পরিচিত করে তুলেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি সমর্থক ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হিসাবে, ইশরাক জোর দিয়ে বলে আসছেন, মুক্তিযুদ্ধ কোনো দলীয় সম্পদ নয়, এটি সমগ্র জাতির অহংকার। মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং ইতিহাসকে রাজনৈতিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে রাখার বিষয়টিকে তিনি অগ্রাধিকার দিয়েছেন। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে গণতন্ত্র, নাগরিক অধিকার ও জাতীয় ঐক্যের সঙ্গে যুক্ত করে তুলে ধরেছেন তিনি।

ইশরাক হোসেনের অন্যতম আলোচিত পদক্ষেপ হলো বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা শুদ্ধিকরণ প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া। যাচাই-বাছাই শেষে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) সুপারিশের ভিত্তিতে ৬ হাজারেরও বেশি অমুক্তিযোদ্ধার নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়ের অপব্যবহার বন্ধ করতে হবে এবং প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষায় সরকার আপসহীন থাকবে। একই সঙ্গে বীরশ্রেষ্ঠদের স্মৃতি সংরক্ষণ, স্মৃতিসৌধ ও জাদুঘর উন্নয়ন এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণা ও প্রামাণ্য দলিল সংরক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ইশরাক হোসেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের অবদানকে জাতীয় ইতিহাসের অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনের আত্মত্যাগকে সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করেছেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী নীতিগতভাবে যেসব বিষয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তা হলো-

- জুলাই শহীদ ও আহতদের তথ্যভাণ্ডার সংরক্ষণ।

- তাঁদের পরিবারকে রাষ্ট্রীয় সহায়তার আওতায় আনার উদ্যোগ।

- জুলাই আন্দোলনের ইতিহাস শিক্ষার্থী ও নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা।

- স্মৃতিফলক, স্মারক ও গবেষণাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা।

- রাষ্ট্রগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে জুলাই যোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের নতুন প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের উত্তরাধিকারকে একই ধারাবাহিকতায় উপস্থাপন করার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে ইতিহাসের একটি সেতুবন্ধন তৈরির চেষ্টা করছেন তিনি।

মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বক্তব্য ও নীতিগত অবস্থান থেকে দেখা যাচ্ছে,

- বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ডিজিটাল তথ্যভাণ্ডার আরও সমৃদ্ধ করা।

- বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণ ও আধুনিকায়ন।

- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণা ও প্রকাশনা কার্যক্রম জোরদার করা।

- নতুন প্রজন্মকে ইতিহাসচর্চায় সম্পৃক্ত করতে শিক্ষামূলক উদ্যোগ গ্রহণ।

- জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের স্মৃতি সংরক্ষণে দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন।

দেশ-বিদেশের বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা এবং জাতীয় ঐক্যের বার্তা তুলে ধরেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিভিন্ন কর্মসূচিতে তাঁর অংশগ্রহণও আলোচনায় এসেছে।

এখন, বিএনপি সরকারের প্রথম ১০০ দিনে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের বড় অর্জন হচ্ছে, নিজেকে শুধু একটি নির্বাচনী এলাকার এমপি হিসেবে সীমাবদ্ধ না রেখে জাতীয় পর্যায়ে সক্রিয় নীতিনির্ধারক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা।

নাগরিক সমস্যা সমাধান, মাদকবিরোধী অবস্থান, মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা রক্ষা, ইতিহাস সংরক্ষণ এবং জুলাই যোদ্ধাদের অবদানকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির আলোচনায় নিয়ে আসার মধ্য দিয়ে একটি স্বতন্ত্র রাজনৈতিক অবস্থান সৃষ্টি করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

এটি সঠিক যে ১০০ দিন কোনও সরকারের পূর্ণাঙ্গ সফলতা মূল্যায়নের জন্য যথেষ্ট সময় নয়। তবে এই সময়ে ইশরাক হোসেন যে কর্মতৎপরতা, জনসম্পৃক্ততা এবং রাজনৈতিক বার্তা দিয়েছেন, তা জনসাধারণের প্রত্যাশা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, ঘোষিত পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে তিনি কতটা প্রতিফলন ঘটাতে পারেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিমান শুধু যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে নয়, এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি : বিমান মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৬ পি.এম


বিমান শুধু যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে নয়, এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি : বিমান মন্ত্রী

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন, বিমান পরিবহন বর্তমানে শুধু যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের মাধ্যম নয়, বরং এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির, বাণিজ্য সম্প্রসারণের, পর্যটন বিকাশের, কর্মসংস্থান সৃষ্টির এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি।

তিনি বলেন, একটি আধুনিক, দক্ষ এবং টেকসই বিমান পরিবহন ব্যবস্থা জাতীয় উন্নয়নের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। আজ রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘সিভিল এভিয়েশন মাস্টার প্ল্যানিং ওভারভিউ’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেছেন।

দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতের দীর্ঘমেয়াদি, টেকসই এবং সমন্বিত উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে একটি জাতীয় মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নের উদ্যোগে এই কর্মশালার আয়োজন করে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

বেবিচক এবং ইন্টারন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশন (আইসিএও)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দেশের বিমান চলাচল খাতের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন, অবকাঠামোগত সম্প্রসারণ, বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি সমন্বিত মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। বিমান মন্ত্রী বলেন, দেশের বিমান চলাচল খাত আগামী দিনে কোথায় অবস্থান করবে, সে সম্পর্কে সুস্পষ্ট রূপরেখা এই মহাপরিকল্পনায় প্রতিফলিত হতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, সরকার ইতোমধ্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন খাতের উন্নয়নে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। তিনি আরও বলেন, চলতি বছরের শেষ নাগাদ হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল আনুষ্ঠানিকভাবে চালুর লক্ষ্যে কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের চারটি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরকে আধুনিক এবং পূর্ণাঙ্গরূপে কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পর্যটন প্রতিমন্ত্রী বলেন, একই সঙ্গে কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে পরিচালনার প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

এই কর্মশালায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বেবিচকের চেয়ারম্যান এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, সংস্থা, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, বিমান পরিবহন খাতের বিশেষজ্ঞরা এবং আন্তর্জাতিক অংশীদার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রণীতব্য এভিয়েশন মাস্টার প্ল্যান দেশের বিমানবন্দর উন্নয়ন, আকাশপথ ব্যবস্থাপনা, যাত্রীসেবা বৃদ্ধি, কার্গো পরিবহন সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক সংযোগ জোরদারের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত নির্দেশনা হিসেবে কার্যকর হবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতকে আরো আধুনিক, প্রতিযোগিতামূলক এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্নভাবে গড়ে তোলার পথ সুগম হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রুকু থেকে উঠে যে দোয়াটি পড়লে ফেরেশতারা সওয়াব লেখার জন্য প্রতিযোগিতা করেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৭ পি.এম


রুকু থেকে উঠে যে দোয়াটি পড়লে ফেরেশতারা সওয়াব লেখার জন্য প্রতিযোগিতা করেন

দোয়া হলো ইবাদতের একটি অপরিহার্য অংশ। ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য দোয়ার থেকে ভালো কিছু নেই।

এ কারণে বিপদ-আপদ কিংবা দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য বা কল্যাণের আবেদন জানাতে সবসময় মুমিনরা সৃষ্টিকর্তার কাছে দু’হাত উঠিয়ে ধরেন। রাসুল (সা.) বলেছেন, সৎকর্ম ছাড়া অন্য কিছু আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি করতে পারে না এবং দোয়া ছাড়া অন্য কোনো মাধ্যমে তাকদীর (ভাগ্য) পরিবর্তন সম্ভব নয়। (সুনান ইবনু মাজাহ, হাদিস: ৪০২২)

নামাজ অপরিহার্য ফরজ ইবাদত। পবিত্র কুরআনে ৮২ বার নামাজের কথা উল্লেখ আছে।

ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই সালাত মুমিনদের ওপর নির্দিষ্ট সময়ে ফরজ।’ (সুরা নিসা, আয়াত: ১০৩)। হাদিসেও নামাজ আদায়ের গুরুত্ব বারবার উল্লেখ হয়েছে। পাশাপাশি ওয়াক্তমতো নামাজ আদায়েও বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। মহান আল্লাহ’র কাছে যথাসময়ে সালাত আদায় করা অধিক প্রিয় আমল। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫০২)

নামাজ আদায়ের সময় এমন কিছু বিশেষ দোয়া আছে যেগুলোর ফজিলত উল্লেখযোগ্য। এর মধ্যে রুকু শেষে পড়া বিশেষ দোয়ার কথাও এসেছে। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে বলা হয়েছে, রাসুল (সা.) বলেছেন, যখন ইমাম ‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদা’ বলেন, তখন তোমরা ‘আল্লাহুম্মা রাব্বানা লাকাল হামদ্‌’ বলবে। কেননা, যার এই উক্তি ফেরেশতাদের সঙ্গে একই সময়ে উচ্চারিত হয়, তার পূর্বের সব গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৭৬০)

অন্য একটি হাদিসে রুকু শেষে একটি বিশেষ দোয়া পড়ার কথা উল্লেখ আছে, যা পড়লে ফেরেশতারা বান্দার সওয়াব লেখার জন্য একে অপরের সঙ্গে প্রতিযোগিতা শুরু করেন।

রিফা’আ ইবনু রাফি যুরাকী (রা.) বলেন, একবার আমরা রাসুল (সা.) এর পেছনে নামাজ আদায় করছিলাম। তিনি যখন রুকু থেকে মাথা উঠিয়ে ‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদা’ বললেন, তখন এক সাহাবী ‘রাব্বানা ওয়া লাকাল হামদ্‌, হামদান কাছিরান তাইয়্যিবান মুবারাকান ফিহি’ বললেন।

পরবর্তীতে নামাজ শেষ করে রাসুল (সা.) জিজ্ঞাসা করলেন, কে এ কথা উচ্চারণ করেছিলেন। তখন ওই সাহাবী বললেন, আমি। জবাব হিসেবে রাসুল (সা.) বললেন, আমি দেখলাম ৩০ জনের বেশি ফেরেশতা এর সাওয়াব কে আগে লিখবেন, তা নিয়ে নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা করছেন। (সুনান আবু দাউদ, হাদিস: ৭৭০; সহিহ বুখারি, হাদিস: ৭৬৩)

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সারাদেশে বজ্রপাতে ১১ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৫১ পি.এম


সারাদেশে বজ্রপাতে ১১ জনের মৃত্যু

সারাদেশে বজ্রপাতে তিন মাদ্রাসাশিক্ষার্থীসহ ১১ জন মারা গেছে। মৃতের মধ্যে সাভার থেকে তিনজন, মানিকগঞ্জে দুইজন, নরসিংদীতে তিনজন, নেত্রকোনা, জামালপুর ও কিশোরগঞ্জে একজন করে মৃত্যুবরণ করেছে। মারা যাদের মধ্যে পাঁচজন কৃষক।

রোববার (২১ জুন) বিকেল থেকে সন্ধ্যা রাতের মধ্যে তীব্র ঝড়-বৃষ্টির সময় বজ্রপাতের এই ঘটনাগুলি ঘটে।

এসংক্রান্ত খবর সারাদেশ থেকে আরটিভি প্রতিনিধিরা পাঠিয়েছেন।

সাভার

সাভারে সবজি ক্ষেতের কাজ করার সময় বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২১ জুন) বিকেল ৩টার দিকে বনগাঁ ইউনিয়নের কোন্ডা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

ভবানীপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ ইমরান হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহতদের মধ্যে একজনের নাম কুটি ব্যাপারী (৭০)। অপর দুজনের নামে পরিচয় অর্জন করা যায়নি।

বনগাঁ ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা সদস্য কামরুন্নাহার জানিয়েছেন, কুটি ব্যাপারী দুই কৃষককে নিয়ে সবজি তুলছিলেন। বিকালের সময় বৃষ্টির সময় বজ্রপাতে তিনজনই প্রাণ হারান।

জামালপুর

জামালপুরের মাদারগঞ্জে গরুর জন্য ঘাস কাটতে গিয়ে মুসা ফকির (৬০) নামের একজন বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। রোববার (২১ জুন) বিকেলে উপজেলার বালিজুড়ী ইউনিয়নের উত্তর চর বওলা এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।

মুসা ফকির মৃত মহির উদ্দিনের ছেলে। তিনি পেশায় কৃষক ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে গরুর জন্য ঘাস কাটতে যান মুসা ফকির। ঘাস কাটার সময়ে বৃষ্টিপাত শুরু হয়। এক পর্যায়ে বজ্রপাত হলে তিনি গুরুতর আহত হয়ে পড়ে যান। পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

মাদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. নাহিদুজ্জামান জানিয়েছেন, হাসপাতালে আনার আগেই বজ্রপাতে আহত মুসা ফকিরের মৃত্যু হয়েছে। তাই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

নরসিংদী

নরসিংদীর মনোহরদীতে অজু করার সময়ে বজ্রপাতে তিন মাদ্রাসাছাত্র নিহত হয়েছেন। এ সময় আরও একজন ছাত্র গুরুতর আহত হয়েছেন। রবিবার মাগরিবের নামাজের সময় উপজেলার পাঁচকান্দি মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসায় ঘটনাটি ঘটে।

বজ্রপাতে মারা যাওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন জহিরুল হক (১৫), আবু রায়হান (১৪) ও আবু জাফর (১৫)। তাদের বাড়ি কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে। তারা সবাই ওই মাদ্রাসায় থেকেই লেখাপড়া করছিলেন।

শিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোসতানশির বিল্লাহ জানান, হাসপাতালে আনা চারজনের মধ্যে তিনজন মৃত অবস্থায় ছিল এবং একজনের চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে।

নেত্রকোণা

নেত্রকোণার বারহাট্টা উপজেলার বড়গাও গ্রামের মাঠ থেকে গরু আনতে গিয়ে জাহাঙ্গীর আলম (৩৫) নামের একজন যুবক বজ্রপাতে প্রাণ হারিয়েছেন। দুপুর আড়াইটার সময় এই ঘটনা ঘটে।

নিহত জাহাঙ্গীর আলমের বাবা মৃত আব্দুর রাশি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে বৃষ্টির সময় মাঠ থেকে গরু আনতে গিয়েছিলেন জাহাঙ্গীর আলম। এ সময় আকস্মিক বজ্রপাতে ঘটনাস্থলে গুরুতর আহত হন।

প্রত্যক্ষদর্শী রেনু বেগম বলেন, ‘আমি মাঠে গরু আনতে গিয়ে দেখলাম জাহাঙ্গীর আলম মাটিতে পড়ে আছেন। ডাকাডাকি করলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে চিৎকার করে আশপাশের লোকজনকে ডেকে আনলাম। পরবর্তীতে স্থানীয়রা তাকে বারহাট্টা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়, চিকিৎসক সেখানে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তাকে মারা যাওয়ার ঘটনায় পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেলিনা আক্তার জানিয়েছেন, খবর পাওয়ার পর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থলে লোক পাঠানো হয়েছে। নিহতের পরিবারকে সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে।

কিশোরগঞ্জ

সন্ধ্যা ৭টার সময় নিকলী উপজেলায় হাওরে বজ্রপাতে এক নৌকার মাঝির মৃত্যু হয়েছে। তার নাম বাবুল সরকার (৪৫)। সদর ইউনিয়নের উলাবাইরা চর হাওর এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।

নিহত বাবুল সরকার নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার নারাজ গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি একটি স্টিলবডি নৌকার মাঝি হিসেবে কাজ করতেন।

স্থানীয় সূত্র এবং উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বাবুলসহ কয়েকজন যাত্রী স্টিলবডি নৌকাযোগে আশুগঞ্জ থেকে ধান বিক্রি করে নিজের এলাকায় ফিরছিলেন। তাদের পথে বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হলে নৌকায় থাকা অন্যান্য যাত্রীরা নৌকার পাটাতনের নিচে আশ্রয় নেন। তবে নৌকা চালানোর দায়িত্বে থাকায় বাবুল সরকার নৌকার উপরে অবস্থান করছিলেন।

একপর্যায়ে বজ্রপাতের আঘাতে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। এরপর নৌকার গতিবিধি অস্বাভাবিক হয়ে অন্য যাত্রীরা ওপরে উঠে বাবুলকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। পরে নিশ্চিত করা যায় যে তিনি মারা গেছেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেহানা মজুমদার মুক্তি জানিয়েছেন, বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এসেছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

মানিকগঞ্জ

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার জামির্ত্তা ইউনিয়নের কাঞ্চননগর এলাকায় বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু ঘটেছে। রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন কাঞ্চননগর গ্রামের নেওয়াজের ছেলে কবির হোসেন (৩০) এবং রফি মিস্ত্রির ছেলে শহিদুল ইসলাম (২৫)। তারা দুজনেই কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এ দিন বিকেলে কবির ও শহিদুল মাঠে কৃষিকাজ করছিলেন। এ সময় আবহাওয়া খারাপ হওয়ার সাথে বজ্র সহ বৃষ্টি শুরু হয়। মাঠে কাজ করার সময়ে আকস্মিক বজ্রপাতে তারা গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে সাভারের হেমায়েতপুরে অবস্থিত জামাল ক্লিনিকে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

সিংগাইর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাজহারুল ইসলাম জানিয়েছেন, বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বৃষ্টির সময় খোলা মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতের ঝুঁকি থাকে। সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%