০৩:৩০ পি.এম
বিশ্বকাপের মঞ্চে লিওনেল মেসির জন্য যেন অপেক্ষা করছিল আরেকটি বিশেষ দিন। বয়স নিয়ে যেসব প্রশ্ন মাঝে মাঝে উঠেছে, সেগুলোর জবাব তিনি দিলেন নিজস্ব ভাষায়—গোল করে।
ক্যানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামের মাঠে আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হয় মেসির নেতৃত্বে। ম্যাচের শুরুতেই তিনি নিজের উপস্থিতির জানান দেন। পঞ্চম মিনিটে দূরপাল্লার একটি শট গোলের সম্ভাবনা উঁকি দেয়, তবে ভাগ্য তখন সঙ্গ দেয়নি। এরপর ১২ মিনিটে একটি শট জালে পাঠানোর চেষ্টা করলেও অফসাইডের কারণে গোল পাওয়া যায়নি।
তবে মেসিকে অপেক্ষা করতে হয়নি খুব বেশিক্ষণ। ১৭তম মিনিটে রদ্রিগো ডি পলের পাস থেকে প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে মেসির শক্তিশালী শট আলজেরিয়ার গোলরক্ষকের হাত ছোঁয়ার পর জালে জড়িয়ে যায়। সেই গোলের মাধ্যমে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা এগিয়ে যায়। পরে ৬০ মিনিটে মেসি নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলটির জয়কে আরও নিশ্চিত করেন। আবার শেষে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করার সৌভাগ্যও তাঁর হয়।
আরও পড়ুন: পদ্মা সেতু হয়ে রূপপুরে ইউরেনিয়াম পরিবহন, শ্রমিক আন্দোলনের শঙ্কা
এই ম্যাচটি ছিল মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ২০০তম উপস্থিতি। একই সঙ্গে তিনি ফুটবল ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপে মাঠে নামার অনন্য রেকর্ডও গড়েন। বিশ্বকাপের সেই ঐতিহাসিক উপস্থিতিকে যেন আরও স্মরণীয় করে তুললেন গোল করে।
এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপে মেসির মোট গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ১৬। ফলে, বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় তিনি মিরোস্লাভ ক্লোজারের সঙ্গে যৌথভাবে প্রথম স্থানে উঠে এসেছেন।
এর আগে ২০০৬ সালে বিশ্বকাপে সার্বিয়া ও মন্টিনিগ্রোর বিরুদ্ধে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে গোল এটিই ছিল মেসির প্রথম। সে সময় তারিখ ছিল ১৬ জুন, আর তাঁর বয়স ছিল ১৮ বছর। ওই দিন তিনি বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে সবচেয়ে কম বয়সি হিসেবে একটি গোল করেছিলেন। আজকের তারিখও আবার ১৬ জুন, ২০২৬ (যদিও বাংলাদেশ সময় ১৭ জুন)।
আরও পড়ুন: ত্রিশাল ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ২০ বছরেও নিয়োগ হয়নি জনবল
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন