শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:২৬ পি.এম
চট্টগ্রাম, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন মন্তব্য করেছেন, ‘বর্তমান সরকার দেশের পেশাজীবীদের যে কোনো ধরনের সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে আন্তরিক। চট্টগ্রামের আইনজীবীদের দীর্ঘদিন ধরে চেম্বারের যে সমস্যা রয়েছে তা সমাধানে নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’
আজ চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে নবীন আইনজীবীদের প্রশিক্ষণ সমাপনী সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আইনজীবীদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ মানুষের ভরসার জায়গা দেশের আইন প্রাঙ্গণ। তাই ভবন নির্মাণের পাশাপাশি আইনজীবীদের অন্যান্য সমস্যা সমাধানের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি তারিক আহমদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ এরশাদ উল্লাহ, এবং বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের এডহক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট নাজিম উদ্দিন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মঈনুদ্দীন।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ব্যারিস্টার মীর হেলাল নবীন আইনজীবীদের জন্য কিছু পরামর্শও প্রদান করেন, নিজের পেশাগত জীবনের স্মৃতিচারণ করে। তিনি বলেন, ‘আইনজীবী পেশা হিসেবে খুব সহজ, আবার খুব কঠিন। আপনারা আজকে যে যাত্রা শুরু করেছেন, সেটা আমি শুরু করেছিলাম ২০০৪ সালে। আমার সিনিয়র ছিলেন বাংলাদেশের অত্যন্ত প্রতিভাবান একজন আইনজীবী, যাকে ‘মাস্টার অব ফ্যাক্ট’ বলে সবাই চিনত খন্দকার মাহবুব উদ্দিন আহমেদ। আমি যখন উনার সঙ্গে জয়েন করলাম, আমাদের সময় ল-ইয়ার্সদের কোর্স তো অত ইনটেনসিভ না। মোটামুটি একটা কোর্স ছিল। চার বছর ল’ পড়ার পর বার কাউন্সিলের পরীক্ষা দিয়ে আমরা ঢুকেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘যে কয় বছর আইন পেশার সঙ্গে জড়িত ছিলাম, একটা অভিজ্ঞতা আমি আপনাদের শেয়ার করতে পারি—যত ট্রেনিং-ই হোক, যত রিসার্চের ব্যবস্থাই করা হোক, সবচেয়ে বড় ট্রেনিং এবং রিসার্চ হচ্ছে- যদি আপনি সিনিয়রের সঙ্গে থেকে তিনি কি কাজ করছেন, তা শিখতে পারেন, তাকে ফলো করতে পারেন এবং তিনি যে কেসগুলো ডিল করেন, এগুলো যদি আপনি নিজেই রিসার্চ করেন, এর বাইরে আর কোনো রিসার্চের প্রয়োজন হবে বলে আমি মনে করি না।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই প্রফেশনে ডিসিপ্লিনের কোনো বিকল্প নাই। যেহেতু আমি নিজে উকিল, আমার বাবাও এই বারেরই একজন সিনিয়র আইনজীবী। আমি দেখেছি, নিয়মানুবর্তিতা এবং সততা যদি না থাকে, এই পেশায় খুব বেশি দূর এগোনো যায় না। আর দুর্নীতিপরায়ণ হলে, এটা আসলে পেশার মধ্যেই পড়ে না। ওইটা অন্য কিছু হবে, হয়তো আর্থিকভাবে আপনি লাভবান হবেন। কিন্তু আইনজীবী হিসেবে আপনি যে জ্ঞান বা প্রজ্ঞাবান, সমাজের মানুষ আপনাকে যে ভাবে মনে করে, সেটা হয়ত আপনি অর্জন করতে পারবেন না।
অনুষ্ঠানের শেষে ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল নবীন আইনজীবীদের হাতে প্রশিক্ষণ সমাপনী সনদপত্র তুলে দেন।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল থেকে অ্যাডভোকেটশিপ সনদ অর্জন করে চলতি বছর ১১১৩ জন নবীন আইনজীবী চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যপদ লাভ করেন। তাদের পেশাগত উন্নয়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ৪ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগে বাধা সৃষ্টি করতে একটি সংস্থা আদালতের রায়কে অন্যায়ভাবে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে কক্সবাজারের উখিয়ার ২ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নির্মিত সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্প পরিদর্শনকালে তিনি এই অভিযোগ উত্থাপন করেন।
মীর শাহে আলম মন্তব্য করেন, কক্সবাজার দেশের ঐতিহ্য ও বৈশ্বিক পরিচয়ের অন্যতম প্রধান ঠিকানা। এটি আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক পর্যটনকেন্দ্রে রূপান্তরের লক্ষ্যে কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার প্রক্রিয়া চলছে। তবে কক্সবাজারের পর্যটন এবং সার্বিক উন্নয়ন যাতে থমকে না যায়, সে জন্য দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র চলছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “কক্সবাজারের আন্তর্জাতিক মানের উন্নয়ন ও পর্যটনের বিকাশ বাধাগ্রস্ত করতে একটি সংস্থা আদালতের রায়কে অন্যায়ভাবে ব্যবহার করছে।”
পরিদর্শনের সময়, প্রতিমন্ত্রী উখিয়ার ২ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নির্মিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। তিনি নিত্যদিনের পচনশীল বর্জ্য থেকে সার ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য নির্মিত কেন্দ্রটির সার্বিক অগ্রগতিও পর্যবেক্ষণ করেন।
এ সময় চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য জসিম উদ্দিন আহমদ, কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজলসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার জামশা ইউনিয়নের কালিগঙ্গা নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার(২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪ টার দিকে দক্ষিণ মাটিকাটা গ্রামবাসী ও প্রবাসীদের উদ্যোগে নটরডেম কলেজের প্রভাষক মো.ওমর আলীর সভাপতিত্বে বাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলা “দক্ষিণ মাটিকাটা নৌকা বাইচ-২০২৬” অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জি.মঈনুল ইসলাম খান শান্ত। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী অফিসার খায়রুন্নাহার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল-আমিন কবীর, সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনের প্রোগ্রাম অফিসার শেখ মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম শুভ, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট আবু সায়েম, মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি সদস্য আলাউদ্দিন ও মো.আমজাদ হোসেন, মানিকগঞ্জ জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক অ্যাডভোকেট কাজী ইয়াকুব হোসেন রাজাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
নৌকা বাইচ খেলায় ৮টি দল অংশগ্রহণ করে। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন গোবিন্দল কশাই বাড়ী(নৌকা) এবং রানার আপ হন জামশার মাসুদ রানা নৌকা বাইচ। নৌকা বাইচ চলাকালীন সময়ে নদীতে নৌযান চলাচল ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। খেলাটি পরিশেষে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আওয়ামী লীগের বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গাজীপুরের টঙ্গীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে টঙ্গী পূর্ব থানা যুবদল ।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে টঙ্গীর আশরাফ সেতু কমপ্লেক্স থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পরে মিছিলটি ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে টঙ্গী মিলগেট এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
টঙ্গী পূর্ব থানা যুবদলের সভাপতি আকবর হোসেন ফারুক এর নেতৃত্বে মিছিলে অংশ নেন টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপি যুবদল সহ অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। সমাবেশে আকবর হোসেন ফারুক বলেন , রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে কোনো ধরনের নৈরাজ্য, সহিংসতা বা জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার চেষ্টা মেনে নেওয়া হবে না।
দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ, সাধারণ মানুষের অধিকার ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে নেতাকর্মীদের শান্তিপূর্ণ ও দায়িত্বশীলভাবে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানান তারা।
তিনি আরও বলেন, জনগণের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ও ব্যবসা-বাণিজ্যে যাতে কোনো ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন। গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে তাদের রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরার কথাও জানান তারা। এ সময় তারা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মসূচির প্রতিবাদে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্তে পেশাগত দক্ষতা, সাহসিকতা ও জনসেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম)-সেবা অর্জন করেছেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) টঙ্গী পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এস এম মেহেদী হাসান। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ তাঁর হাতে এ পদক তুলে দেন।
২০২৫ সালের ১ মার্চ থেকে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দায়িত্ব পালনের সময় সাহসিকতা ও বীরত্ব, সেবায় অনন্য অবদান, গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্ত এবং উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে দেশের ৯২ জন পুলিশ সদস্যকে চারটি শ্রেণিতে পুলিশ পদক প্রদান করা হয়। গত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-২ শাখা থেকে এ–সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
বর্তমানে এস এম মেহেদী হাসান জিএমপির টঙ্গী পশ্চিম থানায় উপপরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি জিএমপির বিভিন্ন থানা ও বিভাগে দায়িত্ব পালন করেছেন।
দায়িত্ব পালনের সময় অপরাধ দমন, মাদকবিরোধী অভিযান এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। মেহেদী হাসানের উল্লেখযোগ্য সাফল্যের মধ্যে রয়েছে টঙ্গীতে বস্তাবন্দী অবস্থায় মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় করা ক্লুলেস মামলার রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার।
এছাড়া টঙ্গী থেকে নিখোঁজ ইমাম মাওলানা মহিবুল্লাহর নিখোঁজের রহস্য উদ্ঘাটনসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। মাদকবিরোধী অভিযানে তাঁর নেতৃত্বে একাধিক অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
টঙ্গীর হাজী মাদার বস্তি এলাকায় হেরোইন ও ইয়াবাসহ চিহ্নিত বেশ কয়েকজন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করে তিনি প্রশংসিত হয়েছেন। সর্বশেষ একটি মাদকবিরোধী অভিযানে ১০ হাজার পিছ ইয়াবা ও নগদ ৫৮ লাখ টাকা উদ্ধার করার পাশাপাশি ২ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেন তিনি।
তাঁর নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানের ফলে টঙ্গী পশ্চিম থানার কয়েকটি চিহ্নিত মাদকের আখড়া বর্তমানে ধ্বংস হয়ে গেছে। পিপিএম-সেবা পদক পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে এস এম মেহেদী হাসান বলেন, "গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সম্মানিত পুলিশ কমিশনার, দক্ষিণ জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার মহোদয়, সহকারী পুলিশ কমিশনার এবং টঙ্গী পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ মহোদয়ের নির্দেশনায় অতীতের ন্যায় আমার দায়িত্ব আরো সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে যাব।
জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অপরাধ দমনে আরও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করাই আমার দায়িত্ব।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ