রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৩৩ পি.এম
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে পুলিশ একটি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলিসহ ওসমান প্রামাণিক (৩০) নামের এক যুবককে আটক করেছে। তাঁর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের খোর্দ্দবনগ্রাম এলাকা থেকে তাঁকে আটক করে পুলিশ। ওই রাতেই থানায় মামলা নথিভুক্ত করা হয়। রবিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি করাতকান্দি গ্রামের ইছহাক প্রামাণিকের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আসামি ওসমান প্রামাণিক একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। সেখানে চুরির অভিযোগে ২০২৪ সালে তাঁকে চাকরিচ্যুত করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে থানায় একটি চুরির মামলা রয়েছে।
শনিবার রাত ১১টার দিকে ৭.৬৫ মডেলের একটি বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলি নিয়ে পাওনা টাকা আদায় করতে উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের খোর্দ্দবনগ্রামের দুলাভাই ইসমাইল শেখের বাড়িতে যান ওসমান। টাকা না পেয়ে তিনি পিস্তল দিয়ে দুলাভাইকে হুমকি দেন। এ সময় খবর পেয়ে স্থানীয় জনতা ও কুমারখালী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অস্ত্রসহ তাঁকে আটক করে।
রবিবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, থানার চত্বরে স্বজনদের আনাগোনা। আসামি ওসমানকে আদালতে নেয়ার প্রস্তুতি চলছে। এ সময় নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওসমানের এক স্বজন জানান, কোম্পানির টাকা চুরি নিয়ে শ্যালকের সঙ্গে দুলাভাইয়ের বিরোধ ছিল। শনিবার রাতে অস্ত্র হাতে দুলাভাইকে ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করতে গিয়েছিলেন ওসমান। তবে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি দুলাভাই ইসমাইল শেখ।
কুমারখালী থানার ওসি জামাল উদ্দিন এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, টাকা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একটি বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলিসহ ওসমান তাঁর দুলাভাইকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছিলেন। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পৌঁছে অস্ত্রসহ তাঁকে আটক করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। রবিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার ডাইআর বিল থেকে ঠাকুর দাস (৪৫) নামে এক বাকপ্রতিবন্ধী শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিখোঁজের একদিন পর রোববার সকালে বিলের পানিতে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঠাকুর দাস দীর্ঘদিন ধরে বাকপ্রতিবন্ধী ছিলেন। দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালাতেন তিনি। শনিবার সকালে প্রতিদিনের মতো কাজের সন্ধানে বাড়ি থেকে বের হন ঠাকুর দাস। পরে ডাইআর বিলে আব্দুর রাজ্জাক নামে এক ব্যক্তির জমিতে কৃষিশ্রমিক হিসেবে কাজে যোগ দেন।
কাজের একপর্যায়ে তিনি বিলের গভীর পানিতে তলিয়ে যান বলে ধারণা করা হচ্ছে। দিন শেষে বাড়িতে না ফেরায় স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। তবে রাত পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
রোববার সকালে স্থানীয়রা ডাইআর বিলের পানিতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে ডাসার থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
ঠাকুর দাসের আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। তার মৃত্যুতে স্থানীয়দের মধ্যেও শোকের সৃষ্টি হয়েছে।
ডাসার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান মাহমুদ বলেন, খবর পেয়ে ডাইআর বিল থেকে নিখোঁজ ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের মধ্যপ্রদেশের সাগর জেলার একটি ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে যেখানে কথিত ভেজাল ও বিষাক্ত মদ পান করার ফলে অন্তত ৯ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় প্রশাসনের সূত্র অনুযায়ী, শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে বেশ কয়েকজন গ্রামবাসী ওই মদ পান করার পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। খবরটি ইন্ডিয়া টুডে প্রকাশ করেছে।
প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্র জানাচ্ছে, ঘুঘর, নওরাজ ও বারাজসহ আশপাশের এলাকায় শনিবার রাতে একাধিক ব্যক্তি মদ পান করেন। কিছুক্ষণের মধ্যে তাদের শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটতে থাকে এবং তাদের স্বজনেরা দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯ জনের মৃত্যু ঘটে।
পুলিশ এবং স্বাস্থ্য বিভাগ সন্দেহ করছে যে বিষাক্ত বা ভেজাল মদের কারণে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং রাসায়নিক পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল আসার পরই মৃত্যুর সঠিক কারণ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। ইতোমধ্যে ব্যবহৃত মদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে এবং এটি কোথায় তৈরি বা সরবরাহ করা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত শুরু করেছে।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পুরো এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে যে কোনো অবৈধ বিষাক্ত মদ সরবরাহকারী চক্র এর পেছনে সক্রিয় কি না এবং এই মৃত্যুর পেছনে কোনো সুনির্দিষ্ট মেলবন্ধন রয়েছে কি না। পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন আশঙ্কা করছে যে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
এদিকে, এই মর্মান্তিক ঘটনার খবর পাওয়ার পর মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের দুর্ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছানোর নির্দেশ দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত পরিচালনা করা হবে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকার কোনোভাবেই এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা সহ্য করবে না।
রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী জগদীশ দেবড়াও ঘটনাটিকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছ থেকে সার্বক্ষণিক তথ্য নেওয়া হচ্ছে এবং আবগারি বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও সরেজমিনে তদন্তের জন্য ইতোমধ্যে ঘটনাস্থলে রওনা হয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সকলকে তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দূষণমুক্ত নদী এবং পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে দেওয়া সম্ভব হয়।
তিনি রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একটি পর্যালোচনা সভায় এ আহ্বান জানান।
এই পর্যালোচনা সভায় রাজধানী ঢাকার চারপাশের নদ-নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য অপসারণ, সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা, নাব্যতা নিশ্চিতকরণ এবং বৃত্তাকার নৌপথের উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সভায় বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, ধলেশ্বরী, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদী এবং সংশ্লিষ্ট খাল ও ড্রেনের দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য অপসারণ, নদ-নদীর নাব্যতা ও পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিতকরণ এবং ঢাকার চারপাশে বিদ্যমান বৃত্তাকার নৌপথের উন্নয়ন সংক্রান্ত কার্যক্রমের সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী গৃহীত পরিকল্পনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশ দেন। তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাগুলোর মধ্যে যথাযথ সমন্বয় নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, "নিজেদের পাশাপাশি পরবর্তী প্রজন্মের জন্যও দূষণমুক্ত নদী ও একটি বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। এজন্য শুধু সরকারি নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করলে হবে না, ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধ থেকেও কাজ করতে হবে।"
সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজ, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কমান্ডার ঢাকা নৌ অঞ্চল রিয়ার অ্যাডমিরাল আব্দুল্লাহ-আল-মাকসুসসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম সেরা পেসার হিসেবে পরিচিত মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে যে কোনো পারফরম্যাটে নিজেকে অটোচয়েজ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। আজ তার ৩১তম জন্মদিন। ১৯৯৫ সালের এইদিনে সাতক্ষীরায় তার জন্ম হয়।
বামহাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমান ২০১২ সালে ফাস্ট-বোলারদের ক্যাম্পে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে ঢাকায় আসেন। সাতক্ষীরায় অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৭ প্রতিযোগিতায় তিনি চমকপ্রদ ক্রীড়ানৈপুণ্য প্রদর্শন করেন। এরপর তাকে বিসিবি’র পেস ফাউন্ডেশনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
২০১৩-১৪ মৌসুমে খুলনার পক্ষে প্রথম-শ্রেণির ক্রিকেটে তার অভিষেক ঘটে। এরপর সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপে আট উইকেট লাভ করেন। এর ফলে তিনি ওয়েস্ট ইন্ডিজে বাংলাদেশ এ দলের সফরের অন্যতম সদস্য মনোনীত হন।
ঘরোয়া ক্রিকেটে দুর্দান্ত ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনের কারণে ২০১৫ সালের ২৪ এপ্রিল সফরকারী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একমাত্র টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে দলে ডাক পান তিনি।
মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে দুর্দান্ত বোলিং করে শহীদ আফ্রিদি ও মোহাম্মদ হাফিজের উইকেট তুলে নেন। বাংলাদেশ দল প্রথমবারের মতো পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে ৭ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করে।
এর দুই মাস পর ১৯ জুন সফরকারী ভারতের বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিকে মোস্তাফিজের অভিষেক ঘটে। অভিষেক ম্যাচেই তিনি ৫ উইকেট লাভ করেন এবং ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন। এরপর ২১ জুনও ভারতের বিপক্ষে ৪৩ রানের বিনিময়ে ৬ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হন।
জীবনের প্রথম দুই ম্যাচে ১১ উইকেট নিয়ে তিনি বিশ্বরেকর্ড গড়েন। ব্রায়ান ভিটোরি’র পর দ্বিতীয় বোলার হিসেবে প্রথম দুইটি ওডিআইয়ে পাঁচ-উইকেট লাভের বিরল কীর্তি রচনা করেন মোস্তাফিজুর।
প্রথম দুইটি ওডিআইয়ে মোস্তাফিজের বোলিং ফিগার ছিল ৫/৫০ ও ৬/৪৩। ২০১১ সালে জিম্বাবুয়ের ব্রায়ান ভিটোরি’র বাংলাদেশের বিপক্ষে ৫/৩০ ও ৫/২০ ম্লান করে দেন তিনি। ভারতকে তিনি তৃতীয়বার ২০০ বা তার নিচে রান তুলতে বাধ্য করেন। এরফলে বাংলাদেশ পঞ্চমবারের মতো ভারতের বিপক্ষে জয় পায়। এ জয়ে বাংলাদেশ আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে ৯৩ পয়েন্ট নিয়ে ৭ম স্থানে উত্তরণ ঘটায়।
দ্বিতীয় ওডিআইয়ে মুস্তাফিজুরের ৬/৪৩ বোলিং পরিসংখ্যান বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে তৃতীয় সেরা। তার পূর্বে মাশরাফি বিন মর্তুজা ৬/২৬ (ব কেনিয়া, ২০০৬) ও রুবেল হোসেন ৬/২৬ (ব নিউজিল্যান্ড, ২০১৩) রয়েছেন।
২০১৯ সালের এপ্রিলে তিনি ২০১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশ দলে অন্তর্ভুক্ত হন। বাংলাদেশের সপ্তম ম্যাচে তিনি ভারতের বিপক্ষে পাঁচ উইকেট শিকার করেন। এর ফলে সাকিব আল হাসানের পর তিনি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বোলার হিসেবে বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে পাঁচ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব গড়েন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশের হয়ে বিশ্বকাপের এক আসরে সবচেয়ে বেশি উইকেট নেওয়ার রেকর্ড গড়েন।
৫ জুলাই তিনি পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে বিশ্বের চতুর্থ দ্রুততম এবং বাংলাদেশের দ্রুততম বোলার হিসেবে (৫৪ ম্যাচে) ১০০ উইকেট শিকার করেন। এছাড়া তিনি বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয় পাঁচ উইকেট শিকার করেন। তিনি আট ম্যাচে ২০ উইকেট নিয়ে মিচেল স্টার্কের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী হিসেবে বিশ্বকাপ সমাপ্ত করেন।
বয়স ৩১ হলেও এখনও দেশের জার্সিতে দাপট দেখাচ্ছেন মোস্তাফিজ। এ ছাড়াও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে তার চাহিদা রয়েছে ব্যাপক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ