বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:২২ পি.এম
ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কম্পানি লিমিটেডে (ডিপিডিসি) নির্বাহী পরিচালক (টেকনিক্যাল), ইঞ্জিনিয়ারিং পদের জন্য জনবল নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই চুক্তিভিত্তিক পদে একজন প্রার্থী নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ৩ নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
শিক্ষাগত যোগ্যতা
এই পদের জন্য আবেদনকারীকে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রতিষ্ঠান থেকে মেকানিক্যাল, ইলেকট্রিক্যাল অথবা ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে কমপক্ষে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ বা শ্রেণি গ্রহণযোগ্য হবে না।
অভিজ্ঞতা
সরকারি খাতের প্রার্থীদের জন্য বিদ্যুৎ খাতে কমপক্ষে ১৮ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এর মধ্যে জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপনা পর্যায়ে অন্তত তিন বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।
বিদ্যুৎ খাতের রাষ্ট্রায়ত্ত কম্পানিতে কর্মরত প্রার্থীদেরও ১৮ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। পাশাপাশি উপমহাব্যবস্থাপক বা সমমানের পদে কিংবা তদূর্ধ্ব পদে তিন বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
বেসরকারি খাতের প্রার্থীদের বিদ্যুৎ খাতের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে ১৮ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এর মধ্যে জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপনা বা নেতৃত্বের পদে তিন বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন। এছাড়া বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন বা বিতরণ প্রতিষ্ঠানে পরিকল্পনা, প্রকল্প ব্যবস্থাপনা বা সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কমপক্ষে পাঁচ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
বয়সসীমা ও নিয়োগের ধরন
২০২৬ সালের ৭ অক্টোবর তারিখে প্রার্থীর বয়স ৪৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে। প্রাথমিকভাবে সর্বোচ্চ তিন বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হবে। সর্বোচ্চ ৬৫ বছর বয়সসীমা সাপেক্ষে চুক্তির মেয়াদ আরো দুই দফায় তিন বছর করে বাড়ানো যেতে পারে।
বেতন-ভাতা
নির্বাহী পরিচালক পদে মাসিক মূল বেতন ১ লাখ ৪৯ হাজার টাকা নির্ধারিত হয়েছে। এর সঙ্গে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ বাড়িভাড়া, বছরে দুটি উৎসব ভাতা এবং বাংলা নববর্ষ ভাতা হিসেবে মূল বেতনের ২০ শতাংশ প্রদান করা হবে।
আবেদন যেভাবে
আগ্রহী প্রার্থীদের ডিপিডিসির ওয়েবসাইটে দেওয়া অনলাইন আবেদনব্যবস্থার মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আবেদন ফি ৩ হাজার টাকা। ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা রকেট অথবা ডাক বিভাগের ডিজিটাল আর্থিক সেবা নগদের মাধ্যমে এ ফি জমা দিতে হবে।
আবেদনের শেষ তারিখ ৩ নভেম্বর ২০২৬।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটির সাজেকের উজোবাজারে অবরোধকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে সেনাবাহিনীর তিন থেকে চারজন সদস্য এবং পুলিশের দুই সদস্য রয়েছেন। এই তথ্য বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে রাঙামাটি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রাঙামাটির পুলিশ সুপার আব্দুর রকিব প্রকাশ করেন।
আব্দুর রকিব জানান, ‘আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী উজোবাজারে অবস্থানরত পর্যটকদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য অবরোধকারীদের সড়ক ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানায়। এ সময় অবরোধকারীরা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে শুরু করে। এর ফলে সেনাবাহিনীর তিন থেকে চারজন এবং পুলিশের দুই সদস্য আহত হন।’
পরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হলে বাহিনীর সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালান। তিনি আরো জানান, ‘সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত থেমে থেমে প্রায় দুই ঘণ্টা গুলিবিনিময় হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং উজোবাজারের নিয়ন্ত্রণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে রয়েছে। এছাড়া, সব পর্যটক নিরাপদে সাজেক ছেড়েছেন। পুরো ঘটনার তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে উজোবাজারে সাজেক সড়কে অবরোধ চলাকালে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ব্যারিকেড সরিয়ে পর্যটকদের খাগড়াছড়ি নেওয়ার চেষ্টা করলে সংঘর্ষ শুরু হয়। অবরোধকারীরা প্রথমে ইটপাটকেল ছুড়লেও এক পর্যায়ে গোলাগুলি শুরু হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পর্যটকরা নিরাপদে দিঘিনালার কাছাকাছি পৌঁছেছেন।
পুলিশ সুপার আব্দুর রকিব আরও জানান, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী অবরোধকারীদের সড়ক ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানালে তারা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন। এতে সেনাবাহিনীর তিন থেকে চারজন এবং পুলিশের দুই সদস্য আহত হন। পরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হলে বাহিনীর সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালান। সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত থেমে থেমে প্রায় দুই ঘণ্টা গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।
তিনি আরো জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং উজোবাজারের নিয়ন্ত্রণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর হাতে রয়েছে। এছাড়া, সব পর্যটক নিরাপদে সাজেক ছেড়েছেন। তিনি বলেন, পুরো ঘটনা তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিদ্যমান অবকাঠামো ও সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন, বন্ধ ও উৎপাদন কার্যক্রমে পিছিয়ে থাকা শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের বস্ত্র ও পাটশিল্পের দীর্ঘ ঐতিহ্য এবং বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামো, জনবল এবং উৎপাদন সক্ষমতার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা আবশ্যক। শিল্প খাতের বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে বাস্তবসম্মত উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করতে হবে।
আজ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের আমিন জুট মিলস ও এশিয়াটিক কটন মিলস পরিদর্শনকালে তিনি উক্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর সার্বিক কার্যক্রম, বিদ্যমান অবকাঠামো, উৎপাদন সক্ষমতা এবং উন্নয়নের সম্ভাবনা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি চট্টগ্রামের নো ভিউ গেস্ট হাউসও পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মিল দু’টির বর্তমান অবস্থা, কার্যক্রম এবং বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করেন। এ সময় বস্ত্র ও পাট খাতের উন্নয়ন, শিল্পসম্পদের কার্যকর ব্যবহার এবং উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
তিনি বলেন, পাট বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী অর্থকরী ফসল এবং পরিবেশবান্ধব প্রাকৃতিক তন্তু হিসেবে বিশ্ববাজারে এর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। অন্যদিকে, বস্ত্র ও টেক্সটাইল খাত দেশের শিল্পায়ন, রপ্তানি আয় এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এ দুটি খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দেশীয় শিল্পের সক্ষমতা বাড়ানো এবং প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকে থাকার উপযোগী পরিবেশ গড়ে তোলা প্রয়োজন।
শরীফুল আলম আরো বলেন, শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, উৎপাদন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বিদ্যমান সম্পদের কার্যকর ব্যবস্থাপনা গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বাস্তব অবস্থা পর্যালোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা গেলে শিল্প খাতের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা সম্ভব হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রীয় শিল্পসম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা, উৎপাদনমুখী অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট করপোরেশন ও কর্মকর্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশন (বিজেএমসি)-এর চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কবির উদ্দিন সিকদার, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস কর্পোরেশন (বিটিএমসি)-এর চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম জাহিদ হাসান সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুর, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : চলতি বছরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে ২ হাজার ৯৮৩ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি লাভ করেছেন, যা জেলা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার, দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. বোরহান উদ্দিনের কাছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বাসসকে এর সত্যতা নিশ্চিত করেন।
তিনি আরও জানান, রংপুর বিভাগের ৮টি জেলার এসএসসি পরীক্ষায় বৃত্তি প্রাপ্তদের তালিকা আজ বৃহস্পতিবার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট-এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে সরকারি নিয়ম ও নীতিমালা অনুযায়ী শর্ত-সাপেক্ষে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে তালিকাভুক্ত নিয়মিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২ হাজার ৯৮৩ জনকে বৃত্তি প্রদান করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৮৫ জন মেধাবৃত্তি এবং ২ হাজার ৫৯৮ জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছেন।
বৃত্তি প্রাপ্তরা বোর্ডের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী তাদের শর্ত পূরণ সাপেক্ষে বৃত্তি লাভ করবেন।
দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ইলিয়াস আহমেদ বাসসকে জানিয়েছেন, এসএসসি পরীক্ষায় বৃত্তি প্রাপ্তদের তালিকা তাদের মেধার ভিত্তিতে প্রকাশ করা হয়েছে। তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে, বৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে পড়াশোনায় আরও উৎসাহিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার জন্য একটি অনন্য গৌরব ও আনন্দের মুহূর্ত নিয়ে এসেছেন বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন আল্লামা যাইনুল আবেদিন (দামাত বারাকাতুহুম)। তিনি পবিত্র মক্কার কাবা শরিফের গিলাফের (কিসওয়া) একটি অংশ হাদিয়া হিসেবে গ্রহণ করেছেন।
আল্লামা যাইনুল আবেদিন মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের পুরাতন চর চাষী গ্রামের বাসিন্দা। পবিত্র কাবা শরিফের গিলাফের একটি অংশ হাদিয়া হিসেবে পাওয়ার এই ঘটনা গজারিয়া এবং পুরো মুন্সিগঞ্জ জেলায় আনন্দের আবহ সৃষ্টি করেছে।
ইসলাম ধর্মের সবচেয়ে পবিত্র স্থান পবিত্র কাবা শরিফের গিলাফের অংশ হাদিয়া হিসেবে পাওয়াকে স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মানুষ গজারিয়ার জন্য অত্যন্ত বরকতময় ও গর্বের বিষয় হিসেবে দেখছেন।
এদিকে, আল্লামা যাইনুল আবেদিনের এই অর্জনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় সুধীসমাজে অভিনন্দন ও শুভকামনা জানানো হচ্ছে। এলাকাবাসী তাঁর এই সম্মাননা প্রাপ্তিতে আনন্দ প্রকাশের পাশাপাশি তাঁর দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করেছেন।
বিশিষ্ট এই আলেমে দ্বীনের এমন প্রাপ্তিতে গজারিয়ার মানুষের মধ্যে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি ছড়িয়ে পড়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ