ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

আ.লীগের প্রভাব খাটিয়ে জমি দখল, এখন বিএনপিতে ভেড়ার চেষ্টা


আ.লীগের প্রভাব খাটিয়ে জমি দখল, এখন বিএনপিতে ভেড়ার চেষ্টা

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে বাবার বিক্রি করা জমি ক্রেতাদের নামে রেজিস্ট্রি না করে দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ছেলেদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দেলোয়ার হোসেন রুবেলসহ চারজনের বিরুদ্ধে চরজব্বর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অতীতে জমি দখলের অভিযোগও করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বর্তমানে রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তন করে বিএনপিতে অনুপ্রবেশের চেষ্টার অভিযোগও উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাতে চরজব্বর থানায় এ অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য একরামুল হক (৫০)।

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য একরামুল হক অভিযোগ করে বলেন, উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের খাসেরহাট রাস্তার মাথা এলাকার মৃত সাইদুল হক ও তার স্ত্রী ময়ুরা খাতুনের কাছ থেকে ২০১০ সালে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে তাদের নামে সরকারি বন্দোবস্তীয় ২৪ শতক জমি কেনেন তার চাচা সিরাজ মিয়া। জমি কেনার পর সেখানে দোকানপাট নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন তিনি। নোটারি চুক্তিতে উল্লেখ ছিল, সরকারি জরিপে বিএস খতিয়ানে জমিটি বিক্রেতাদের নামে সঠিকভাবে রেকর্ডভুক্ত হলে তারা ক্রেতার নামে জমি রেজিস্ট্রি করে দেবেন। একইভাবে সাইদুল হকের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে আলী আক্কাস, শাহাদাত হোসেন, জাহানারা বেগম ও বেলাল হোসেনসহ আরও কয়েকজন জমি কেনেন।

তিনি বলেন, ২০২৩ সালের ১ মে সাইদুল হকের মৃত্যুর পর সরকারি জরিপে জমিটি তার ও স্ত্রী ময়ুরা খাতুনের নামে বিএস খতিয়ানে রেকর্ডভুক্ত হয়। এরপর ওয়ারিশ হিসেবে তাদের ছেলেরা জমি ক্রেতাদের নামে রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার কথা থাকলেও তা না করে উল্টো তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সিরাজ মিয়া ও অপরাপর ক্রেতাদের ভোগদখলীয় জমি দখলের চেষ্টা করা হয়। এরই মধ্যে কিছু জমি দখলও করা হয়েছে ।

 একরামুল হক অভিযোগ করে আরও বলেন, গত ২০ অক্টোবর সকালে দেলোয়ার হোসেন রুবেল (২৮), মো. শিপন (৪৫), মো. খোকন (৩৮) ও মো. সাদ্দাম হোসেন (৩৪) পুনরায় তার চাচা সিরাজ মিয়ার সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি ও স্থানীয় কয়েকজন বাধা দিলে অভিযুক্তরা তাদের ভয়ভীতি দেখান। একপর্যায়ে দোকানঘর ও বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর চালিয়ে জমি দখলের চেষ্টা করেন।

এদিকে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা দাবি করেন, সাইদুল হকের ছেলেরা অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থেকে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় জমি দখল ও সাধারণ মানুষের ওপর নির্যাতন চালিয়েছেন। বর্তমানে রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তন করে বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মীর সঙ্গে ছবি তুলে নিজেদের নতুন রাজনৈতিক পরিচয়ে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ তাদের। দেলোয়ার হোসেন রুবেলের বিরুদ্ধে এর আগেও জমি দখলসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত একটি মামলায় তিনি কারাগারে রয়েছেন।

ভুক্তভোগী একরামুল হক বলেন, জমির প্রকৃত ক্রেতাদের নামে রেজিস্ট্রি করে না দিয়ে উল্টো তাদের সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে দেলোয়ার হোসেন রুবেলের স্ত্রী মিলি আক্তার বলেন, তার স্বামীসহ পরিবারের সবাই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। জমির বৈধ কাগজপত্র তাদের পরিবারের নামে রয়েছে। জমি নিয়ে বিরোধের জেরে তার স্বামীকে আওয়ামী লীগের তকমা দিয়ে গ্রেপ্তার করানো হয়েছে।

চরবাটা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গোলাম মাওলা বলেন, সাইদুল হক জীবিত থাকাকালে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে সিরাজ মিয়াসহ কয়েকজনের কাছে ওই জমি বিক্রি করেন। পরে ক্রেতারা সেখানে দোকানপাট নির্মাণসহ বিভিন্নভাবে ভোগদখল করে আসছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ সময়ে সাইদুল হকের ছেলেরা একাধিকবার জমি দখলের চেষ্টা করেন এবং দুটি কক্ষ দখলও করে নেন। এ ঘটনায় ইউনিয়ন পরিষদে মামলা হলে শুনানি শেষে ক্রেতাদের পক্ষে রায় দেওয়া হয়। বর্তমানে আবারও তারা দোকানপাটসহ ওই জমি দখলের চেষ্টা করছেন।

চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল হাসান বলেন, সিরাজ মিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

 
তিনি আরও বলেন, রুবেলের বিরুদ্ধে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল-মিটিং ও অপতৎপরতায় পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় লোকজন তাকে চার-পাঁচ দিন আগে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেঙ্গালুরুর পাঁচ তারকা হোটেলের সুইমিং পুলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই বিদেশির মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৩২ পি.এম


বেঙ্গালুরুর পাঁচ তারকা হোটেলের সুইমিং পুলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই বিদেশির মৃত্যু

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে একটি পাঁচ তারকা হোটেলের সুইমিং পুলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই বিদেশি নাগরিকের মৃত্যু ঘটেছে।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বেঙ্গালুরুর উলসুরের কনরাড হোটেলের তৃতীয় তলায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত দুইজন নাগরিক জার্মান ও স্লোভাকিয়ার ছিলেন বলে জানা গেছে। সুইমিং পুলে ওই দুই বিদেশি নাগরিককে উদ্ধার করার চেষ্টা করতে গিয়ে হোটেলের দুই কর্মচারী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক এবং অন্যজন ভারতীয় নাগরিক।

নিহত জার্মান নাগরিকের নাম আলেকজান্ডার ম্যাক্সিমিলিয়ান থেইস (৫৭), যিনি লুফথানসা এয়ারলাইনসের কর্মী ছিলেন। অপরদিকে, প্রাণ হারানো স্লোভাক নাগরিকের নাম জুরাজ হরভাট (৪৫), যিনি প্রযুক্তি জায়ান্ট আইবিএম-এর একজন প্রজেক্ট ম্যানেজার হিসেবে কাজ করতেন বলে জানা গেছে।

এনডিটিভির তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যায় হোটেলের তৃতীয় তলায় অবস্থিত সুইমিং পুলে সাঁতার কাটার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তাদের মৃত্যু ঘটে।

এ ঘটনায় নিহত জার্মান নাগরিকের সিলভিয়া অটোয়া পুলিশের কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, ভুক্তভোগীরা সুইমিং পুল থেকে বের হওয়ার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন এবং পরে ডুবে যান।

সুইমিং পুলের যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রে হোটেল কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে এই মৃত্যু ঘটেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

বেঙ্গালুরু পুলিশ জানায়, এই ঘটনায় মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। কীভাবে এই ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখার জন্য হোটেল কর্তৃপক্ষ ও অন্যান্য কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আলিয়ঁস ফ্রঁসেজে শিল্পী মণি মাঝির একক প্রদর্শনী ‘নন-ডুয়ালিটি’ উদ্বোধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৩২ পি.এম


আলিয়ঁস ফ্রঁসেজে শিল্পী মণি মাঝির একক প্রদর্শনী ‘নন-ডুয়ালিটি’ উদ্বোধন

শিল্পী মণি মাঝির একক শিল্পকর্ম প্রদর্শনী ‘নন-ডুয়ালিটি (অদ্বৈত)’ শুরু হয়েছে আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকার লা গ্যালারিতে। প্রদর্শনীটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ৩০ অক্টোবর, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় অনুষ্ঠিত হয়। দর্শকদের জন্য প্রদর্শনীটি আগামী ১০ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত উন্মুক্ত থাকবে।

এই প্রদর্শনীটি সুন্দরবনের নদীবিধৌত ভূপ্রকৃতি, লোকসংস্কৃতি এবং মানুষ ও প্রকৃতির মধ্যকার গভীর পারস্পরিক নির্ভরশীলতার উপর ভিত্তি করে সাজানো হয়েছে। শিল্পী প্রকৃতি ও জীবনের অবিচ্ছেদ্য রূপ তুলে ধরেছেন সুন্দরবনের নদী, বন, জোয়ার-ভাটা, মাটির লবণাক্ততা, প্রাণী এবং ঐতিহ্যবাহী পৌরাণিক আখ্যানের মাধ্যমে।

অদ্বৈত ধারণার আলোকে প্রদর্শনীতে দেখানো হয়েছে কীভাবে সুন্দরবন অঞ্চলে ধর্মীয় সীমানা অতিক্রম করে এক অভিন্ন সাংস্কৃতিক দর্শন গড়ে উঠেছে। বনদুর্গা ও বনবিবিকে একই মায়ের রূপ হিসেবে দেখা হয়, পবন ঠাকুর ও পবন পিরও একই লোকবিশ্বাসের পরিমণ্ডলে স্থান পেয়েছেন। আতিথেয়তার প্রতীক হিসেবে নিচু কাঠের ‘পিঁড়ি’ এবং ঝড়-বৃষ্টির সময় পবনকে শিন্নি-পায়েস নিবেদনের লোকাচারগুলোর মাধ্যমে মানুষের শ্রদ্ধা ও নির্ভরতার চিত্র উঠে এসেছে।

তবে জলবায়ু সংকট, ক্ষমতার দ্বন্দ্ব এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের চাপে রূপসী সুন্দরবনের পরিবেশগত ও সাংস্কৃতিক বাস্তুতন্ত্র আজ বিপন্ন। নদী গতিপথ হারাচ্ছে, লবণাক্ততা বাড়ছে এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠী তাদের স্মৃতি ও পরিচয় ক্ষয়ের মুখোমুখি হচ্ছে।

এই বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে শিল্পী মণি মাঝি প্রদর্শনীতে এক নতুন বার্তা নিয়ে এসেছেন—আজ আমরা সবাই যেন ‘সবুজের শরণার্থী’। নদী, বীজ, বৃক্ষ ও বন্যপ্রাণী সকলেই আজ তাদের নিজ বাসভূম থেকে বাস্তুচ্যুত। মানুষের সঙ্গে প্রকৃতির সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে কী হারিয়ে যায় এবং কীভাবে তা পুনরুদ্ধার সম্ভব—এই গভীর প্রশ্নই শিল্পকর্মগুলোর মাধ্যমে উত্থাপন করা হয়েছে।

শিল্পী মণি মাঝির ‘নন-ডুয়ালিটি’ প্রদর্শনীটি দর্শকদের মানুষ, প্রকৃতি ও জীবজগতের পারস্পরিক সম্পর্ককে সমকালীন সংকট ও ভাবনার আলোকেও নতুন করে অনুধাবন করার আহ্বান জানায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মক্কায় মুসলিম কারাভান ফেস্টে ঐতিহাসিক কাহিনী ও কবিতার আয়োজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৩২ পি.এম


মক্কায় মুসলিম কারাভান ফেস্টে ঐতিহাসিক কাহিনী ও কবিতার আয়োজন

মক্কার হেরা কালচারাল ডিস্ট্রিক্টে ইসলামি কাফেলার ঐতিহ্য থেকে অনুপ্রাণিত একটি হেরিটেজ ট্রেইলে বিশেষ ইন্টার‌্যাকটিভ আয়োজন শুরু হয়েছে। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য হলো কাফেলার দীর্ঘ যাত্রা এবং সেই যাত্রাপথে জ্ঞান, মূল্যবোধ ও গল্পের আদান-প্রদানের ইতিহাসকে জীবন্ত করে তোলা। সৌদি প্রেস এজেন্সির (এসপিএ) বরাতে এ খবর জানিয়েছে আশশারক আল-আওসাত।

আয়োজকদের বক্তব্য অনুযায়ী, ঐতিহাসিক ঐতিহ্যকে শিক্ষা, বিনোদন ও কেনাকাটার সমন্বয়ে ইন্টার‌্যাকটিভ আঙ্গিকে উপস্থাপন করা হয়েছে। এতে দর্শনার্থীদের অভিজ্ঞতা আরো সমৃদ্ধ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এ আয়োজনটি চলবে ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের শেষ পর্যন্ত। এই সময়ে দর্শনার্থীরা যুগে যুগে কাফেলাগুলোর বহন করা মানবিক মূল্যবোধ, বৈচিত্র্যময় জ্ঞান ও বংশপরম্পরায় চলে আসা গল্পের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবেন। পুরো আয়োজনটি গল্প বলা, ইন্টার‌্যাকটিভ দৃশ্যায়ন এবং ঐতিহ্যবাহী বাজার থেকে অনুপ্রাণিত বাণিজ্যিক কার্যক্রমের সমন্বয়ে সাজানো হয়েছে।

কাফেলার সামাজিক ও বাণিজ্যিক জীবনের সঙ্গে দর্শনার্থীদের সম্পৃক্ত করতে এতে রাখা হয়েছে একাধিক অনুষঙ্গ।

আয়োজনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ‘গল্পকথকের মজলিশ’। এখানে ঐতিহাসিক কাহিনি ও কবিতা পরিবেশন করা হয়। দর্শকদেরও এতে অংশ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ঐতিহ্যবাহী আরব মজলিশের পরিবেশ নতুন করে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এখানে। একসময় এসব মজলিশ ছিল খবর, গল্প ও কবিতা এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মে পৌঁছে দেওয়ার অন্যতম প্রধান মাধ্যম। সেই ভূমিকার কথাই স্মরণ করিয়ে দেয় এ আয়োজন।

এতে আরো রয়েছে ঐতিহ্যবাহী ইসলামি কাফেলা-বাজারের আদলে তৈরি স্টল। সেখানে দর্শনার্থীরা হাতে-কলমে পণ্য ওজন করা, বিনিময়প্রথায় লেনদেন এবং কেনাকাটার অভিজ্ঞতা নিতে পারেন। শুধু কেনাবেচাই নয়, পুরোনো বাজারের দৈনন্দিন জীবন এবং ব্যবসায়ী, পর্যটক ও কারিগরদের পারস্পরিক যোগাযোগের নানা চিত্রও ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বিভিন্ন পরিবেশনা ও দৃশ্যায়নে। দর্শনার্থীরা সেসব উপভোগ করতে পারছেন।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, বিচিত্র কর্মসূচি ও অনুষ্ঠানের মাধ্যমে হেরা কালচারাল ডিস্ট্রিক্ট সাংস্কৃতিক ও পর্যটন গন্তব্য হিসেবে নিজের অবস্থান ক্রমেই শক্তিশালী করছে। মক্কায় আসা দর্শনার্থীদের ভ্রমণকে সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি এলাকাটির ইতিহাস ও সভ্যতাগত ঐতিহ্যের সঙ্গে তাদের সংযোগ গভীর করাই এর লক্ষ্য। প্রামাণ্যতা ও আধুনিকতার সমন্বয়ে সাজানো বিষয়বস্তুর মাধ্যমে এ লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা চলছে।

গ্রন্থনা : সিয়াম আন নুফাইস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদিতে নিহত ৭ বাংলাদেশির লাশ দেশে পৌঁছেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৩ পি.এম


সৌদিতে নিহত ৭ বাংলাদেশির লাশ দেশে পৌঁছেছে

সৌদি আরবের রিয়াদে সোফা তৈরির একটি কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত সাত বাংলাদেশির লাশ দেশে পৌঁছেছে।

আজ শনিবার সকাল ৮টায়, লাশ বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনন্সের একটি ফ্লাইট ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এ সময় নিহতদের স্বজনেরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।

বিমানবন্দরে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা লাশগুলো নিহতদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেন। এরপর স্বজনেরা লাশগুলো নিয়ে গ্রামের বাড়ি নওগাঁ ও নাটোরের দিকে রওয়ানা হন। এ সময় সৌদি প্রবাসীদের স্বজনেরা সরকারের কাছে সহযোগিতার দাবি জানান।

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় জানায়, প্রাথমিকভাবে নিহতদের দাফনের জন্য প্রত্যেককে ৩৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। এছাড়া তিন মাস পরে প্রতিটি পরিবারকে ৩ লাখ টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করা হবে।

এর আগে ৯ আগস্ট, সৌদি আরবের রিয়াদে একটি সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ফলে ১৬ বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু ঘটে। এই ঘটনায় নিহতদের মধ্যে প্রথম দফায় ৯ জনের লাশ গত ২৭ আগস্ট দেশে আনা হয়েছিল। বাকি সাতজনের লাশ আগুনে মারাত্মকভাবে পুড়ে যাওয়ার কারণে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

ডিএনএ পরীক্ষায় শনাক্ত হওয়া সাত বাংলাদেশি হলেন—নওগাঁ সদর উপজেলার মো. শাহিন, আত্রাই উপজেলার মো. হাসিবুল হাসান শুভ, মিনহাজ প্রামাণিক, মো. মাসিদুল সরদার সজীব ও মো. সাগর আলী এবং নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার মোহাম্মদ শামীম ও মো. সাব্বির হোসেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%