মুহাম্মদ কাইসার হামিদ, কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ)
০৮:৩৭ পি.এম
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬’ উদযাপিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে উপজেলা ও পৌর বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. কিতাব আলী মাস্টারের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মশিউর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম.এ. হান্নান, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. শাহাদাৎ হোসেন শাহ্ আলম, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মুহাম্মদ শাহ্ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ফারুকুল ইসলাম ফারুক ও মো. রফিকুল ইসলাম আলী, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম (মুছা), উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা সালাহ উদ্দিন নান্টু, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আজহার উদ্দিন লিটন, পৌর যুবদলের আহবায়ক মো. মাসুদ রানা, সদস্য সচিব মো. মোখলেছুর রহমান মঞ্জু, যুগ্ম আহবায়ক মো. দেলোয়ার হোসেন ও উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নাজিম উদ্দিন নাজিম সহ বিএনপি ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীবৃন্দ।
আলোচনা সভায় ১৯৭৫ সালের ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে দিনটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। ওই সময়ের সিপাহি ও জনতার ভূমিকা দেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত। এ দিনের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তন ও জাতীয় সংহতির নানা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট।
বক্তারা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা উল্লেখ করে বলেন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রাখা এবং গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে ৭ নভেম্বরের চেতনা গুরুত্বপূর্ণ। দেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণে অতীতের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়ার পাশাপাশি জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে প্রাধান্য দিতে হবে।
তাঁরা আরও বলেন, একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও জাতীয় ঐক্য অপরিহার্য। নতুন প্রজন্মকে দেশের ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন করে দেশপ্রেম ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ গড়ে তোলার দায়িত্বও রাজনৈতিক নেতৃত্বকে নিতে হবে।
সভায় স্থানীয় রাজনীতির সাংগঠনিক বিষয়গুলোও গুরুত্ব পায়। বক্তারা বলেন, দলের সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করতে হলে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন, পারস্পরিক সৌহার্দ্য এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ বাড়াতে হবে। ব্যক্তিগত মতপার্থক্য ভুলে দলের বৃহত্তর স্বার্থে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তাঁরা।
এ সময় উপজেলা ও পৌর বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম শক্তিশালী করা, নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য বজায় রাখা এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে শৃঙ্খলা অনুসরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
উপজেলা ও পৌর বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ দলটির অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের চেতনা ধারণ করে গণতান্ত্রিক অধিকার ও জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।
পরে দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করে উপজেলা পরিষদের সামনে গিয়ে শেষ করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের কোচ টমাস ডুলি শুরুর একাদশ সাজাতে ভুটানকে হারানোর পরও সমস্যায় পড়েছেন। খেলোয়াড়দের চোট নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা হামজা চৌধুরী প্রথম ম্যাচে ছিলেন না। ফারহান আলী ওয়াহিদও ওই ম্যাচে অনুপস্থিত ছিলেন। তবে বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার আমিরুল ইসলাম আজ ফুটবলপ্রেমীদের জন্য একটি সুখবর দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, ইংল্যান্ডে বসবাসকারী হামজা ও ফারহান আগামী সোমবার (৯ নভেম্বর) ঢাকায় আসবেন সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে।
আজ শনিবার বিকেলে বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় বাংলাদেশ দলের অনুশীলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন দলের ম্যানেজার আমিরুল ইসলাম।
এক প্রশ্নের জবাবে আমিরুল ইসলাম বলেন, “ফিফা উইন্ডো বা অন্যান্য কারণে স্কোয়াডের যেসব খেলোয়াড় এখনও দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারেননি, তাদের মধ্যে হামজা চৌধুরী এবং ফারহান আলী আগামী ৯ নভেম্বর ঢাকায় এসে পৌঁছাবেন এবং সেদিনই তাদের অনুশীলনে দেখা যাবে বলে আমরা আশাবাদী।”
ভুটানের বিরুদ্ধে অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার তপু বর্মণকে শুরুর একাদশে রাখা হলেও ম্যাচ শুরুর আগে তিনি চোটে পড়ে মাঠের বাইরে চলে যান। তপুর বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে আমিরুল বলেন, “বিদেশি ফিটনেস ট্রেনারের নিবিড় পর্যবেক্ষণে তপু বর্মণ ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। আগামী ১১ তারিখে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচে কোচ যদি প্রয়োজন মনে করেন, তাকে খেলাতে পারেন।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান মন্তব্য করেছেন যে, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টার্নিং পয়েন্ট। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, সিপাহি, ছাত্র, শ্রমিক ও জনতার সম্মিলিত ভূমিকা একদলীয় শাসনব্যবস্থা, দুর্নীতি, লুটপাট ও কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছিল, যা দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক শক্তির উত্থানের সূচনা করেছিল।
শনিবার বিকেলে শহীদ আউয়াল-নাঈম মিলনায়তনে বাংলাদেশ লেবার পার্টি ঢাকা মহানগর শাখা আয়োজিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ডা. ইরান আরও বলেন, "আধিপত্যবাদী শক্তির প্রভাবমুক্ত স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার তীব্র আকাঙ্ক্ষাই এই বিপ্লবকে ঐতিহাসিক তাৎপর্য দিয়েছে।" মুক্তিযুদ্ধপরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের ওপর বহিরাগত আধিপত্য বিস্তারের প্রচেষ্টা ছিল আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। তিনি পানি আগ্রাসন, সীমান্ত হত্যা ও সাংস্কৃতিক আধিপত্যের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর লেবার পার্টির আহ্বায়ক এস এম ইউসুফ আলী এবং পরিচালনা করেন সদস্য সচিব মো. জাহিদুল ইসলাম। সভায় আরও বক্তব্য দেন লেবার পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জোহরা খাতুন জুঁই, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব খন্দকার মিরাজুল ইসলাম, বিশিষ্ট গবেষক সাদেক আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ফেরদাউস আলম, মহিলা সম্পাদিকা নাসিমা নাজনীন সরকার, ঢাকা মহানগর যুগ্ম আহ্বায়ক আহমেদ হাসান হাফিজ, লেবার পার্টির আহ্বায়ক সৈয়দ মো. মিলন, যুবমিশন যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হক সজিব, নারীনেত্রী জুমা চৌধুরী, পল্টন থানা সভাপতি দেলোয়ার হোসেন রিপন, কামরাঙ্গীরচর থানা যুগ্ম আহ্বায়ক মিসেস সাবলিল ইসলাম স্বপ্না এবং সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মো. মিঠুনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বায়ুদূষণ একটি ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক সংস্থা আইকিউএয়ার-এর লাইভ র্যাঙ্কিং অনুযায়ী, শনিবার সকালে বিশ্বের বৃহত্তম শহরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় দিল্লি প্রথম স্থানে উঠে এসেছে।
শনিবার সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে আইকিউএয়ারের তালিকায় দিল্লির বায়ুমান সূচক (একিউআই) ছিল ৫৮১। একই সময়ে প্রতিবেশী পাকিস্তানের লাহোরের সূচক ছিল ২৮৫। এর মানে হলো, দিল্লির দূষণের মাত্রা লাহোরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।
এদিকে, ভারতের কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের (সিপিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকাল ১০টায় দিল্লির বায়ুমান সূচক ছিল ৩৬৩, যা ‘খুব খারাপ’ শ্রেণিতে পড়ে।
দীপাবলিতে আতশবাজি ও পটকা ফোটানোর কারণে বায়ুদূষণ আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, দিল্লি ও আশপাশের এলাকার স্কুলগুলোকে অনলাইন ক্লাস চালানোর নির্দেশ দিয়েছে ভারত সরকার। পাশাপাশি নাগরিকদের বাড়ি থেকে কাজ করার জন্য উৎসাহিত করা হয়েছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দীপাবলির আগের আট বছরের মধ্যে দিল্লির বায়ুমান সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় ছিল।
উত্তর ভারতের বিভিন্ন এলাকায় শীতের শুরু থেকেই বায়ুদূষণ একটি নিয়মিত সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। এই সময় ঠান্ডা ও ভারী বাতাসের কারণে যানবাহনের ধোঁয়া, নির্মাণকাজের ধুলা এবং ফসলের অবশিষ্টাংশ পোড়ানোর ধোঁয়া বাতাসে আটকে থাকে। ফলে দূষণের মাত্রা আরও বৃদ্ধি পায়।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, আইকিউএয়ারের সূচক এবং ভারতের সরকারি বায়ুমান সূচকের পরিমাপ পদ্ধতি এক নয়। তাই এই দুটি সূচকের মান সরাসরি তুলনা করা সম্ভব নয়।
সূত: রয়টার্স
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের মধুপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দেশাত্মবোধক সংগীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিবসটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ সাইফুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল স্থানীয় সংসদ সদস্য ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন এমপি'র। তবে রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যস্ত থাকায় তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মধুপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাকির হোসেন সরকার। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম ফজলুল হক, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি এম. রতন হায়দার, মধুপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মোতালিব হোসেন এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর লতিফ পান্না।
আলোচনা সভায় বক্তারা জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক পটভূমি, তাৎপর্য এবং জাতীয় জীবনে এ দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও জাতীয় ঐক্য সুসংহত করার ক্ষেত্রে দিবসটির প্রাসঙ্গিকতা নিয়েও আলোচনা করেন।
এ সময় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় সুধীজনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে দেশাত্মবোধক সংগীত পরিবেশন করা হয়। সংগীতানুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ