কাঠালিয়া সংবাদদাতা ফাতিমা আক্তার মিম
০৮:৪৬ পি.এম
ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত এই আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন কাঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মকবুল হোসেন।
সভায় প্রধান ও বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কাঠালিয়া উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জালালুর রহমান জালাল আকন এবং সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেন নিজাম মিরবহর। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কাঠালিয়া তদন্ত ওসি এবং কাঠালিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ বাদল হাওলাদার।
আলোচনা সভায় বক্তারা ৭ই নভেম্বরের ঐতিহাসিক পটভূমি ও তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় একটি অন্যতম মাইলফলক। বক্তারা দেশের ঐতিহাসিক ও গৌরবময় স্মৃতি নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
সভায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের টেকনাফের রঙ্গিখালী পাহাড়ি এলাকায় মানবপাচারকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্য সৈনিক মো. তিতাস শেখের (২৭) মৃত্যুর ঘটনায় বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার পরিষদ গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে।
সংগঠনটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ এস এম মোস্তফা কামাল এবং মহাসচিব অ্যাডভোকেট মো. গোলাম কিবরিয়া এক যৌথ শোকবার্তায় বলেন, ‘দেশের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মানবপাচারের মতো জঘন্য সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে দায়িত্ব পালনকালে একজন সেনাসদস্যের এমন মর্মান্তিক মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। দেশ ও জাতির জন্য তাঁর এই আত্মত্যাগ জাতি সবসময় গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।’
তারা মরহুম সৈনিক মো. তিতাস শেখের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, সহকর্মী ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সকল সদস্যের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
শোকবার্তায় মানবাধিকার পরিষদের নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, ‘মানবপাচার একটি গুরুতর মানবাধিকারবিরোধী অপরাধ। এ ধরনের অপরাধ চিরতরে নির্মূল করতে সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্রকে দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা এবং অপরাধ দমনে অভিযান পরিচালনাকারী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।’
নিহত সেনাসদস্যের পরিবারের পুনর্বাসনের দাবি জানিয়ে তারা আরও বলেন, ‘শহীদ সেনাসদস্যের পরিবারের যথাযথ আর্থিক সহায়তা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।’
শেষে তারা মহান আল্লাহর দরবারে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার মতো ধৈর্য ও শক্তি দানের প্রার্থনা জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর ত্রিশাল সফরের প্রেক্ষাপটে ভিভিআইপি প্রটোকলের দায়িত্ব পালনে অনুপস্থিত থাকা এবং দেড় বছর ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিতির অভিযোগে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ত্রিশাল উপজেলা কার্যালয়ের মেকানিক মো. আকরামুল ইসলামকে তিন দফা কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
প্রাপ্ত দাপ্তরিক নথি অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জুলাই ময়মনসিংহ সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে আকরামুল ইসলামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ২০২৬ সালের ২৩ মে ত্রিশাল উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময় ভিভিআইপি প্রটোকল এবং উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিস পরিদর্শনের সময় তাঁর দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার বিষয়টি তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ রওশন আলমের নজরে আসে।
নোটিশে অফিসের হাজিরা খাতার উল্লেখ করে বলা হয়, আকরামুল ইসলাম ২০২৫ সালের ৯ এপ্রিল থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময় নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থাসংক্রান্ত দায়িত্ব পালনে তাঁর অনুপস্থিতির বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে তাকে নোটিশ পাওয়ার সাত কার্যদিবসের মধ্যে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
প্রাপ্ত নথিতে দেখা যায়, ২০২৬ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে তৃতীয় দফায় কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়। সর্বশেষ নোটিশে সাত কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয় এবং অন্যথায় একতরফা সিদ্ধান্ত গ্রহণের সতর্কতা দেওয়া হয়। তবে তিন দফা নোটিশের পরও আকরামুল ইসলাম কোনো ব্যাখ্যা প্রদান করেননি এবং অফিসেও আসেননি।
আকরামুল ইসলামের বিরুদ্ধে সরকারি চাকরিতে কর্মরত অবস্থায় ঠিকাদারি কার্যক্রমে যুক্ত থাকার অভিযোগও উঠেছে। অভিযোগকারীর দাবি, তিনি ঘনিষ্ঠজনদের মাধ্যমে বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাজের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। এ ছাড়া মেসার্স দোয়েল হেলথ ওয়াটার অ্যান্ড স্যানিটেশন-এর মালিক এবিএম সামছুন্নবী তুলিপের মাধ্যমে তাঁর ঠিকাদারি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। তার আপন শ্যালক নজরুল ইসলাম কাজলের নামে লাইসেন্স দিয়ে ২০২৩-২৪ অর্থ-বছরের আংশিক কাজ করেই টু পিন ল্যাট্রিন নির্মাণে ত্রিশাল উপজেলায় ১২টি ইউনিয়নের ৯ কোটি ৮২ লক্ষ টাকার বিল উত্তোলন করেছে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগসাজশে। তবে এখন পর্যন্ত এসব কাজের ৫০% কাজও সম্পন্ন হয়নি।
আকরামুল ইসলামের বিরুদ্ধে গবাদিপশু পালন, মাছ চাষ, জমি ক্রয় ও লিজ গ্রহণসহ বিভিন্নভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগও উঠেছে। অভিযোগকারী এসব সম্পদের অর্থের উৎস অনুসন্ধানের দাবি জানিয়েছেন। এছাড়াও একটি মাদ্রাসার নামে তাঁর বাড়িতে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অর্থে টাইলসসহ বাথরুম নির্মাণের অভিযোগ রয়েছে।
তবে অভিযুক্ত জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ত্রিশাল উপজেলা কার্যালয়ের মেকানিক মো. আকরামুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
প্রতিবেদন তৈরির সময় পর্যন্ত জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, ময়মনসিংহ সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ রওশন আলম বলেন, "তৃতীয় চিঠির ব্যাপারে আমার জানা নেই। দেখতে হবে।"
অথচ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, ময়মনসিংহ সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ রওশন আলমের সাক্ষরিত তৃতীয় দফার চিঠি দৈনিক ইনকিলাবের প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।
উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ত্রিশালের সাবেক সংসদ সদস্য হাফেজ রুহুল আমিন মাদানীর ঘনিষ্ঠ পরিচয় এবং তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন সরকারের ভাতিজা পরিচয় ব্যবহার করে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করতেন আকরামুল ইসলাম। স্থানীয়ভাবে তিনি ‘নানা-নাতি’ পরিচয়েও পরিচিত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, ৫ আগস্ট ২০২৪-এর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত ও আত্মগোপনে রয়েছেন। তবে ৫ই আগস্টের পর থেকে তিনি পলাতক থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কেন তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না, এই প্রশ্ন টক অব দা ত্রিশাল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নব্বইয়ের দশকে বাংলা চলচ্চিত্রে নিজস্ব নির্মাণশৈলী ও গল্প বলার ভিন্নধর্মী দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে পরিচিতি অর্জন করেছিলেন পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার অমল রায় ঘটক। তার নির্মিত বেশ কিছু সিনেমা সে সময় দর্শকদের প্রশংসা অর্জন করেছিল। সেই নির্মাতা আর আমাদের মধ্যে নেই। ক্যান্সারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই শেষে শনিবার দুপুরে তিনি মারা গেছেন। তার মৃত্যুর খবর জানিয়েছেন ভাই ও বাচিকশিল্পী অলোক রায় ঘটক।
অমল রায় ঘটক দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। সম্প্রতি তার কেমোথেরাপি প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। চিকিৎসায় সাড়া দিয়ে কিছুটা সুস্থও হয়ে উঠছিলেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর কাছে হার মানতে হলো এই নির্মাতাকে।
নব্বইয়ের দশকে বাংলা বাণিজ্যিক সিনেমায় যখন অ্যাকশনধর্মী ছবির আধিপত্য ছিল, তখন ভিন্নধর্মী বিষয়বস্তু ও মননশীল গল্প নিয়ে কাজ করেছেন অমল রায় ঘটক। তার সিনেমায় পরিচিত তারকাদের পাশাপাশি টেলিভিশনের অভিনেতারাও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছেন।
তার পরিচালিত উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে রয়েছে ‘উজান’। এই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন সুপ্রিয়া দেবী, রূপা গাঙ্গুলি ও দোলন রায়। লাবণী সরকার ও ইন্দ্রাণী হালদার অভিনীত ‘কাঁচের পৃথিবী’ও তার অন্যতম জনপ্রিয় কাজ। এছাড়া তাপস পাল ও ইন্দ্রাণী হালদার অভিনীত ‘দেবর’ এবং রঞ্জিত মল্লিক, রিনা চৌধুরী ও চুমকি চৌধুরী অভিনীত ‘শ্রীমান ভূতনাথ’ তার পরিচালিত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে পড়ে।
শুধু পরিচালক হিসেবেই নয়, চিত্রনাট্যকার হিসেবেও বাংলা চলচ্চিত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন অমল রায় ঘটক। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ও রূপা গাঙ্গুলি অভিনীত ‘মানসী’ ছবির চিত্রনাট্যের সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন। মুনমুন সেন, ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্যায়, তাপস পাল, সুমিত্রা মুখোপাধ্যায়, স্মিতা ও কালী বন্দ্যোপাধ্যায় অভিনীত ‘ব্যবধান’ ছবির চিত্রনাট্যও তার লেখা। ছবিটির ‘কত না ভাগ্যে আমার এ জীবন পুণ্য হল’ গানটি আশা ভোঁসলের কণ্ঠে শ্রোতাদের কাছে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল।
নব্বইয়ের দশকে পশ্চিমবঙ্গের বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রে নিজস্ব ধারার নির্মাতা হিসেবে অমল রায় ঘটক জায়গা করে নিয়েছিলেন। পরিচালনা ও চিত্রনাট্যের মাধ্যমে বাংলা সিনেমায় তিনি রেখে গেছেন স্বতন্ত্র কাজের স্বাক্ষর। তার মৃত্যুতে পশ্চিমবঙ্গের চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের দশদোনা এলাকা থেকে নিখোঁজ হয়েছে রোহান (১৩) নামের সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্র। তার ভাই মো. রাকিব সোনারগাঁ থানায় এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
রোহান ৩ নভেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার পর অভিমান করে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। এরপর থেকে তার whereabouts সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। এ ঘটনায় তার পরিবার উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।
রোহান শম্ভুপুরা ইউনিয়নের সাত গ্রামের দশদোনা নয়াগাঁও এলাকার বাসিন্দা রমজান আলীর ছেলে। সে হোসেনপুর এস.পি. ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
পরিবারের সূত্রে জানা যায়, ৩ নভেম্বর সন্ধ্যা ৬টার দিকে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর রোহান আর ফিরে আসেনি। এরপর তার পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে এবং আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে খোঁজাখুঁজি করেছেন, কিন্তু তার কোনো সন্ধান পাননি। নিখোঁজ হওয়ার সময় রোহানের পরনে ছিল আকাশি নীল রঙের টি-শার্ট ও কালো প্যান্ট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ