১২:১৬ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যে সিনেট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী মাইক রজার্সকে পরাজিত করে ইতিহাস গড়েছেন আবদুল রহমান মোহাম্মদ আল-সাইয়েদ। দেশটির মুসলিম আমেরিকানরা তার এই জয়কে শুধুমাত্র নির্বাচনি সাফল্য হিসেবে দেখছেন না।
তাদের দৃষ্টিতে, এটি মুসলিমবিদ্বেষ ও ঘৃণার রাজনীতির বিরুদ্ধে একটি বড় ধরনের প্রতিবাদ। যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে প্রথম মুসলিম সদস্য হিসেবে তার নির্বাচিত হওয়া মুসলিম জনগণের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে।
মিশিগানের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচনি প্রচারণা চালিয়েছেন আল-সাইয়েদ। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে প্রথম মুসলিম সদস্য হওয়ার সম্ভাবনাকে তিনি প্রচারণার প্রধান বিষয় হিসেবে তুলে ধরেননি। বরং তিনি নিজের রাজনৈতিক কর্মসূচি ও নীতির ওপর জোর দিয়েছেন। জয় নিশ্চিত হওয়ার পর মুসলিম পরিচয়ের কারণে তাকে এবং অন্য মুসলিম আমেরিকানদের যেভাবে আক্রমণ করা হয়েছে, তার জবাব দিতে পেরে তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
আরও পড়ুন: স্ত্রীকে ‘বাঁচানোর চেষ্টা’ করে ব্যর্থ হয়ে লাশ টুকরো করেন নরেশ
বুধবার বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) দেওয়া সাক্ষাৎকারে আল-সাইয়েদ বলেন, ‘মানুষ কীভাবে প্রার্থনা করে, সেই কারণে তাদের শয়তান হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু পুরো মিশিগান এর জবাব দিয়েছে। মানুষ এসব চায় না। তারা এসব নিয়ে ক্লান্ত।’
বিজয়ী ভাষণেও তিনি নিজের পরিচয় নিয়ে গর্ব প্রকাশ করেন। বলেন, ‘আমার নাম আবদুল রহমান মোহাম্মদ আল-সাইয়েদ।’ ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে সন্ত্রাসী হামলার পর দেশটিতে মুসলিমবিদ্বেষ ও সন্দেহের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। সেই ঘটনার ২৫ বছর পরও মিশিগানসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের মুসলিম আমেরিকানরা এ ধরনের মনোভাবের মুখোমুখি হচ্ছেন।
এক বছর আগে নিউইয়র্ক সিটির মেয়র নির্বাচনে জোহরান মামদানির জয়ের পর মুসলিমবিদ্বেষী বক্তব্যের প্রবণতা বেড়েছিল। পরে আল-সাইয়েদ নির্বাচনি লড়াইয়ে নামলে তাকে ঘিরে আক্রমণ আরো তীব্র হয়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে ‘জিহাদি’ আখ্যা দিয়ে বলেন, তিনি ‘সন্ত্রাসীদের পক্ষে’ রয়েছেন। এ ছাড়া ট্রাম্পের দলের অসংখ্য কংগ্রেস সদস্য ‘শরিয়ামুক্ত আমেরিকা ককাস’ গঠন করেন। তারা ইসলামের ধর্মীয় বিধান শরিয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের জন্য হুমকি হিসেবে তুলে ধরেন।
তবে বুধবার ভোরে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সের বিরুদ্ধে আল-সাইয়েদের জয় নিশ্চিত হওয়ার পর মুসলিম আমেরিকানদের মধ্যে বৃহত্তর রাজনৈতিক বিজয়ের অনুভূতি তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনসের (কেয়ার) জাতীয় নির্বাহী পরিচালক নিহাদ আওয়াদ বলেন, আল-সাইয়েদের জয় আমেরিকান মুসলিমদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক মোড়। একই সঙ্গে এটি ঘৃণার রাজনীতির বড় পরাজয়।
আরও পড়ুন: গৃহবন্দির শর্ত পূরণে জরিমানা পরিশোধ করলেন মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক
তিনি বলেন, ‘মুসলিমবিদ্বেষী উগ্রপন্থি, ইসরাইলপন্থি লবি গোষ্ঠী, এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টও ড. আল-সাইয়েদকে মুসলিম আতঙ্কের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরতে নানা ধরনের অপপ্রচার চালিয়েছেন। এসব অভিযোগের কোনোটিই সত্য ছিল না। আর কোনো প্রচারণাই কাজে আসেনি। নির্বাচনে মুসলিমবিদ্বেষের বিষয়টি সামনে আনা হয়েছিল, কিন্তু সেই প্রচারণা ব্যর্থ হয়েছে।’
ডিয়ারবর্নে ‘সুন্দর এক আমেরিকান গল্প’
মিশিগানের ডেট্রয়েটের কাছের শহর ডিয়ারবর্নে আল-সাইয়েদের জয়ের আনন্দ ছিল চোখে পড়ার মতো। শহরটিতে বিপুলসংখ্যক আরব বংশোদ্ভূত আমেরিকান বসবাস করেন। শহরটির মেয়র আবদুল্লাহ হামুদ বলেন, নির্বাচনে ভোট দিতে বিপুলসংখ্যক মানুষ কেন্দ্রে গিয়েছিলেন। আল-সাইয়েদের বিজয়কে ‘সুন্দর এক আমেরিকান গল্প’ হিসেবে বর্ণনা করেন তিনি। হামুদ বলেন, ‘আমাদের অন্যতম মেধাবী ও যোগ্য একজন মানুষ গতকালের নির্বাচনে অংশ নেওয়া মিশিগানের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটারের সমর্থন পেয়েছেন। তিনি যে দিকেই ফিরে প্রার্থনা করুন না কেন, মানুষ তাকে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে পাঠাচ্ছেন।’
এক দশকের বেশি সময় ধরে আল-সাইয়েদকে চেনেন হামুদ। তার মতে, আল-সাইয়েদের জয় অনেক আরব আমেরিকানের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হলেও মানুষ তাকে শুধু জাতিগত পরিচয়ের কারণে ভোট দেননি। বরং তার নির্বাচনি কর্মসূচি ও নীতিই ভোটারদের আকৃষ্ট করেছে। এ প্রসঙ্গে ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডিয়ারবর্নের বাসিন্দাদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী বার্নি স্যান্ডার্সের জনপ্রিয়তার কথা উল্লেখ করেন হামুদ। ইহুদি পরিচয়ের স্যান্ডার্স ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে যুক্ত থেকে প্রগতিশীল রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
আরও পড়ুন: কিউবায় সাংবাদিক ইয়োয়ানি সানচেজ ও দুই মানবাধিকারকর্মী মুক্তি পেলেন
হামুদ বলেন, আল-সাইয়েদের মধ্যে ডিয়ারবর্নের মানুষ নিজেদের প্রতিনিধিত্ব দেখতে পেয়েছেন। তার ভাষায়, ‘তার জাতিগত পরিচয় বা ধর্মের বাইরেও অনেক কিছু ছিল। মূল বিষয় ছিল তার নীতি এবং এই জনগোষ্ঠীর সঙ্গে আন্তরিকভাবে একটি জোট গড়ে তোলা।’
ডিয়ারবর্নে আল-সাইয়েদের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছেন ২৬ বছর বয়সি জয়নাব জাদাল্লাহ। তিনি জানান, বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচারণার সময় অধিকাংশ মানুষ তাকে বলতেন, তারা আগেই আল-সাইয়েদকে ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এরপর তাকে পানি বা খাবার খাওয়ার আমন্ত্রণ জানাতেন। জাদাল্লাহর মতে, তৃণমূল পর্যায়ে আল-সাইয়েদের ধারাবাহিক প্রচারণা এবং মিসরীয় বংশোদ্ভূত পরিচয় নিয়ে তার গর্ব ভোটারদের কাছে তাকে পরিচিত করে তুলেছে।
তিনি বলেন, ‘তিনি সব সময় নিজের পরিচয় নিয়ে গর্ব করেছেন। নিজের পরিচয় কিংবা নাম বলতে কখনো দ্বিধা করেননি।’ আল-সাইয়েদের সঙ্গে কোনো আত্মীয়তা নেই ইয়াসমিন আল-সাইয়েদের। তিনি নিউইয়র্ক থেকে নিজের দুই মেয়েকে নিয়ে ডেট্রয়েটে নির্বাচনি ফলাফল দেখার অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। বিজয়ী ভাষণ শোনার পর আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি।
ইয়াসমিন বলেন, ‘১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পরের সময়ে বড় হয়েছি। নিজে মুসলিম ও আরব হওয়ায় কখনো কল্পনাও করিনি, এমন একটি দিন দেখতে পাব।’
আরও পড়ুন: ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তির কাছাকাছি যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প
প্রতিনিধিত্বের রাজনীতিতে নতুন বার্তা
আল-সাইয়েদ তার জয়কে শুধু মুসলিমদের বিজয় হিসেবে দেখছেন না। তার মতে, যারা নিজেদের সরকারে প্রতিনিধিত্বশীল মনে করেন না কিংবা কোনো না কোনো কারণে নিজেদের এই দেশের অংশ নন বলে শুনেছেন, এই জয় তাদের সবার। তিনি বলেন, ‘যারা আমাদের সরকারের মধ্যে নিজেদের প্রতিফলন দেখতে পান না, কিংবা কোনো কারণে তাদের বলা হয়েছে যে তারা এখানে অন্তর্ভুক্ত নন—এ জয় তাদের সবার। বিষয়টি শুধু কে কীভাবে প্রার্থনা করেন, তা নিয়ে নয়। বরং কে কাকে ভালোবাসেন, নিজের পরিচয় কীভাবে প্রকাশ করেন, গায়ের রং কেমন কিংবা কোথায় বড় হয়েছেন—সবকিছুর সঙ্গেই এটি সম্পর্কিত।’
নিজের নির্বাচনি লড়াইয়ের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে আল-সাইয়েদ বলেন, ‘আমি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম সিনেটর হওয়ার জন্য নির্বাচন করিনি। আমি নির্বাচন করেছি মিশিগান অঙ্গরাজ্যের পরবর্তী সিনেটর হওয়ার জন্য, যিনি ঘটনাচক্রে একজন মুসলিম।’ তবে গণতন্ত্রে মানুষের পরিচয় ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা সব সময় চলতে থাকে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আল-সাইয়েদ আরো বলেন, ‘মিশিগান প্রমাণ করেছে, আমরা কতটা বড় ও বৈচিত্র্যময়। তারা এমন একটি বিদ্বেষপূর্ণ ও প্রতিহিংসাপরায়ণ প্রচারণা প্রত্যাখ্যান করেছে, যেখানে বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে কথা বলার বদলে শুধু আমার নাম ও চেহারাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল।’ যাদের বলা হয়েছে, আমেরিকায় তাদের জায়গা নেই, তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমেরিকা আসলেই আমাদের সবার জন্য যথেষ্ট বড়।’
আরও পড়ুন: প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান হিসেবে জর্জিয়া সিনেটে রুওয়া রোমানের ইতিহাস
মুসলিম আমেরিকানদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন এমগেজ অ্যাকশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ গুলাও আল-সাইয়েদের জয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তার মতে, গত এক বছর ধরে নির্বাচনি কৌশল হিসেবে অত্যন্ত ইসলামবিদ্বেষী ও ঘৃণ্য বক্তব্য ব্যবহার করা হয়েছে। গুলা বলেন, ‘আমি এটিকে শুধু মুসলিমদের আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি শক্তভাবে ইসলামবিদ্বেষের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো হিসেবে দেখিনি। আমি দেখেছি, আমেরিকানরা বলছেন, নির্বাচনি ইস্যু হিসেবে ঘৃণাকে ব্যবহার করা যাবে না। আমরা ঘৃণা মেনে নেব না।’
শরিয়াবিরোধী প্রচারণার জবাব
যুক্তরাষ্ট্রে শরিয়াবিরোধী প্রচারণা নতুন নয়। ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে দেশটির বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে। আল-সাইয়েদের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সেই বিতর্ক আবারও সামনে আসে। টেক্সাসসহ বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের মুসলিম আমেরিকান নাগরিক অধিকারকর্মী ও শিক্ষাবিদেরা এ প্রচারণার জবাব দিয়েছেন। তারা যুক্তরাষ্ট্রে প্রচলিত ইসলামের শরিয়াভিত্তিক ধর্মীয় অনুশীলনকে ইতিবাচক দিকনির্দেশনা হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।
তাদের মতে, অন্যান্য ধর্মের বিধিবিধানের মতো শরিয়াতেও নৈতিক ও ধর্মীয় নির্দেশনা রয়েছে। এর সঙ্গে খ্রিষ্টধর্মের টেন কমান্ডমেন্টস এবং তাওরাত থেকে উদ্ভূত ইহুদি ধর্মীয় আইনের বিভিন্ন বিষয়ের মিল রয়েছে। রিপাবলিকান সমালোচকদের অভিযোগ ছিল, শরিয়া একটি জবরদস্তিমূলক বিধান, যা যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান ও বিচারব্যবস্থার জন্য হুমকি। মুসলিম অধিকারকর্মী ও শিক্ষাবিদেরা এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন।
আরও পড়ুন: ইন্দোনেশিয়ায় দাবানল নিয়ন্ত্রণে সামরিক বিমান পাঠালো অস্ট্রেলিয়া
মোহাম্মদ গুলা বলেন, টেক্সাসের রিপাবলিকান গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট ও অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটন শরিয়াবিরোধী প্রচারণার অন্যতম নেতা ছিলেন। মঙ্গলবারের নির্বাচনে অ্যাবট পুনর্নির্বাচিত হওয়ার প্রচেষ্টায় হেরে গেছেন। আর যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জেমস তালারিকোর কাছে বড় ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন প্যাক্সটন।
এদিকে মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটির কলেজ অব ল-এর অধ্যাপক আসমা উদ্দিন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অনেক রাজনীতিক মুসলিমদের সাধারণ ধর্মীয় চর্চাকেও রাজনৈতিক বিপদের লক্ষণ হিসেবে তুলে ধরছেন। এর মধ্যে রয়েছে নামাজ পড়া, পোশাক নির্বাচন, পারিবারিক বিষয়ে পরামর্শ নেওয়া এবং মসজিদে যাতায়াতের মতো বিষয়।
আল-সাইয়েদের জয়কে বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ মনে করেন তিনি। কারণ, এমন এক রাজনৈতিক পরিবেশেও আল-সাইয়েদ জয়ী হয়েছেন, যেখানে প্রকাশ্যে মুসলিম পরিচয় তুলে ধরা এখনো রাজনৈতিক অসুবিধার কারণ হতে পারে। আসমা উদ্দিন বলেন, ‘এই জয় আমাদের আশাবাদী হওয়ার বাস্তব কারণ দিচ্ছে। এটি দেখাচ্ছে, মুসলিমবিদ্বেষী আক্রমণ চালিয়ে যারা রাজনৈতিক সুবিধা পাওয়ার আশা করেন, তাদের ধারণামতো এসব আক্রমণ সব সময় ভোটের মাঠে প্রভাব ফেলতে পারে না।’
এএম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন