ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

হ্যাকের পর বাইন্যান্স থেকে ৩৬০ কোটি ডলার তুলে নিলেন গ্রাহকরা


হ্যাকের পর বাইন্যান্স থেকে ৩৬০ কোটি ডলার তুলে নিলেন গ্রাহকরা

ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ বাইন্যান্স থেকে গ্রাহকরা ৩৬০ কোটি ডলারের বেশি অর্থ তুলে নিয়েছেন। ৬৩০ কোটি ডলারের ডিজিটাল সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর রোববার (১ নভেম্বর) লেনদেন পুনরায় চালু হলে তারা এই অর্থ উত্তোলন করেন।

সাইবার হামলার পর নিরাপত্তার স্বার্থে বাইন্যান্স সব ধরনের লেনদেন বন্ধ করে দিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআইসহ একাধিক সংস্থা এই সাইবার হামলার জন্য উত্তর কোরিয়াকে দায়ী করেছে।

বাইন্যান্স জানিয়েছে, চুরি হওয়া সম্পদের প্রায় ৯৫ শতাংশের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে বাকি অর্থের সংস্থান করতে আরও সময় লাগতে পারে। হামলায় গ্রাহকদের যে পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হয়েছে, তার পুরোটাই বহনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

আরও পড়ুন: জেলেনস্কির জন্য মস্কোর দরজা খোলা: ক্রেমলিন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বাইন্যান্স জানায়, ১ নভেম্বর সকাল ৬টা থেকে বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট (জিএমটি) পর্যন্ত গ্রাহকরা ৪৬৪ কোটি ৯০ লাখ ডলারের সম্পদ তুলে নিয়েছেন। একই সময়ে জমা পড়েছে ১০১ কোটি ডলার। ফলে নিট অর্থ উত্তোলনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৬৪ কোটি ডলার।

প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, লেনদেন চালুর পরপরই অর্থ উত্তোলনের পরিমাণ বেড়ে যায়। তবে পরে তা কমে আসে এবং পরিস্থিতি প্রত্যাশা অনুযায়ী স্থিতিশীল হচ্ছে। বাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনায় থাকা মোট ১৭ হাজার ১০০ কোটি ডলারের সম্পদের তুলনায় এই নিট উত্তোলনের পরিমাণ ২ শতাংশের কিছু বেশি।

এর আগে গত সপ্তাহে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছিল, হামলার ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় তাদের কাছে ৬৩০ কোটি ডলারের বেশি তহবিল সংরক্ষিত রয়েছে।

বাইন্যান্স আরও জানিয়েছে, বিটকয়েন ও ইথেরিয়ামসহ দুই ডজনের বেশি প্রধান ক্রিপ্টোকারেন্সির উত্তোলন আবার চালু হয়েছে। নিরাপত্তা যাচাই শেষ হলে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য সেবাও চালু করা হবে।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের সুরে পরিবর্তন ভালো লক্ষণ: ইরান

হামলার জন্য উত্তর কোরিয়ার সাইবার অপরাধী গোষ্ঠী ট্রেডারট্রেইটরকে দায়ী করা হচ্ছে। গোষ্ঠীটি লাজারাস গ্রুপ নামেও পরিচিত। ২০২৫ সালে ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ বাইবিট থেকে রেকর্ড ১৫০ কোটি ডলারের সম্পদ চুরির অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

গত শনিবার এফবিআই ওই গোষ্ঠীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকটি ক্রিপ্টোকারেন্সি ওয়ালেটের ঠিকানা প্রকাশ করে। এসব ঠিকানার সঙ্গে যুক্ত লেনদেন বন্ধ করতে ক্রিপ্টো খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতাও চেয়েছে সংস্থাটি।

বাইন্যান্সের প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, একজন প্রকৌশলীর ল্যাপটপ হ্যাক হওয়ার মধ্য দিয়ে ঘটনার সূত্রপাত। ওই ল্যাপটপের নিয়ন্ত্রণ পাওয়ার পর হ্যাকাররা অননুমোদিত লেনদেনের সুযোগ তৈরি করে।

এই হামলায় বিন্যান্সের বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম Binance.com ক্ষতিগ্রস্ত হলেও যুক্তরাষ্ট্রের গ্রাহকদের জন্য পরিচালিত প্ল্যাটফর্মটি আক্রান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

আরও পড়ুন: ইউনেসকো: সাংবাদিক হত্যার ৮৬% ঘটনার বিচার হয়নি

চুরি হওয়া সম্পদের ক্ষতিপূরণ দিতে বাইন্যান্স তাদের করপোরেট তহবিল, ফিউচার্স ইন্স্যুরেন্স এবং জরুরি রিজার্ভ ব্যবহার করেছে। প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, হামলার কারণে গ্রাহকদের আর্থিক ক্ষতির পুরো দায় তারা বহন করবে।

চীনে প্রতিষ্ঠিত বাইন্যান্স বর্তমানে বিশ্বজুড়ে কয়েকশ মিলিয়ন নিবন্ধিত ব্যবহারকারী নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভর্তুকি ৫০০ থেকে ৬০০ কোটি টাকা কমানোর উদ্যোগ: টিসিবির নতুন পরিকল্পনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:০৪ পি.এম


ভর্তুকি ৫০০ থেকে ৬০০ কোটি টাকা কমানোর উদ্যোগ: টিসিবির নতুন পরিকল্পনা

সরকারি বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) চলতি অর্থবছরে ভর্তুকি ৫০০ থেকে ৬০০ কোটি টাকা কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, যা ব্যাংক ঋণের সুদ ও পরিচালন ব্যয় কমানোর পাশাপাশি বাণিজ্যিক কার্যক্রম থেকে আয় বাড়ানোর মাধ্যমে অর্জন করা হবে।

সংস্থাটি আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে সরকারি ভর্তুকির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তবে, বিদ্যমান ভর্তুকির পণ্যের দাম বৃদ্ধির কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।

টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ফয়সল আজাদ জানান, সংস্থাটির আর্থিক স্বনির্ভরতার জন্য পণ্য কেনার খরচ, ব্যাংক ঋণের সুদ ও পরিচালন ব্যয় কমানোর পাশাপাশি বাণিজ্যিক কার্যক্রম থেকে আয় বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, "চলতি অর্থবছরে আমরা ভর্তুকির ব্যয় ৫০০ থেকে ৬০০ কোটি টাকা কমানোর লক্ষ্য নিয়েছি।" তবে, উপকারভোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে ভর্তুকির প্রয়োজনও বাড়তে পারে।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে টিসিবির ভর্তুকি ব্যয় ছিল ২ হাজার ৫১৪ কোটি ২২ লাখ টাকা, যেখানে বাজেটে বরাদ্দ ছিল প্রায় ৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। পণ্য কেনা ও বিক্রির দামের পার্থক্য এবং ব্যাংক ঋণের সুদ ভর্তুকির প্রধান দুটি উৎস।

ফয়সল আজাদ আরও জানান, টিসিবির মূল সমস্যা হলো, পণ্য কেনার দামের তুলনায় অনেক কম দামে বিক্রি করতে হয়। কিছু পণ্য ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশ কম দামে বিক্রি করা হয়, যার মধ্যে ভোজ্যতেলে ভর্তুকির প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি।

২০২২ সাল থেকে টিসিবি প্রতি লিটার ভোজ্যতেল ১০০ টাকায় বিক্রি করছে, যদিও বর্তমানে প্রতি লিটার তেল কিনতে খরচ হচ্ছে প্রায় ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকা। ব্যাংক ঋণের সুদ যোগ করলে এ খরচ প্রায় ২০০ টাকায় দাঁড়ায়।

ব্যাংক ঋণের সুদ কমানোর লক্ষ্যে টিসিবি এখন নগদ অর্থে চিনি ও মসুর ডাল কেনার উদ্যোগ নিয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে ব্যাংক ঋণের সুদ বাবদ প্রায় ১৪ কোটি ১৯ লাখ টাকা সাশ্রয় হয়েছে। একই সময়ে স্থানীয় বাজার থেকে নগদ অর্থে চিনি ও মসুর ডাল কেনায় এলসি চার্জ ও সংশ্লিষ্ট ব্যয় কমেছে প্রায় ৪২ লাখ ২৫ হাজার টাকা।

বর্তমানে টিসিবির বার্ষিক ব্যাংক ঋণের সুদ ব্যয় প্রায় ৪০০ থেকে ৪৫০ কোটি টাকা, যা থেকে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা কমানোর লক্ষ্য রয়েছে। ফয়সল আজাদ বলেন, "আমরা ঋণপত্র (এলসি) এবং ব্যাংক ও সরকারের কাছ থেকে ঋণ নেওয়ার নির্ভরতা কমাচ্ছি।"

টিসিবি বিক্রির অর্থ দ্রুত ব্যাংক হিসাবে জমা নিশ্চিত করতে একটি অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস (এপিআই) চালু করেছে। আগে বিক্রির অর্থ জেলা প্রশাসকদের হিসাবের মাধ্যমে আসত, কিন্তু নতুন ব্যবস্থায় ডিলারদের কাছ থেকে বিক্রির অর্থ দ্রুত টিসিবির হিসাবে জমা হবে।

ভর্তুকির বাইরেও আয় বাড়াতে সাবান, ডিটারজেন্ট ও লবণকে বাণিজ্যিক পণ্য হিসেবে বাজারে এনেছে টিসিবি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাণিজ্যিক কার্যক্রম থেকে ২৪ কোটি ৩৭ লাখ টাকা মুনাফা করেছে সংস্থাটি। ফয়সল আজাদ বলেন, "শুধু ব্যয় কমিয়ে ভর্তুকির চাপ কমানো সম্ভব নয়। আমাদের আয়ও বাড়াতে হবে।"

পরিবহন, পণ্য ওঠানো-নামানোসহ সংশ্লিষ্ট ব্যয় কমাতে বিতরণব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন আঞ্চলিক গুদাম থেকেই সরাসরি পণ্য সরবরাহ করা হচ্ছে।

এ ছাড়া জরিপের কাজে পুনরাবৃত্তি ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। টিসিবির চেয়ারম্যান জানান, জরিপ ও এ-সংক্রান্ত কাজে বছরে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকা ব্যয় হয়। একই ধরনের জরিপের পুনরাবৃত্তি বন্ধ করা গেলে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ কোটি টাকা সাশ্রয় সম্ভব।

তবে, উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়লে ভর্তুকির মোট পরিমাণও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন টিসিবির চেয়ারম্যান। বর্তমানে প্রতি মাসে প্রায় ৫০ লাখ মানুষ টিসিবির কার্যক্রমের আওতায় পণ্য কিনছেন। চলতি অর্থবছরে এ সংখ্যা ৭০ থেকে ৮০ লাখে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে।

ফয়সল আজাদ বলেন, "চলতি বছর ৮০ লাখ মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারলে আগামী অর্থবছরে এক কোটি মানুষের কাছে পৌঁছানোর আশা করছি।"

বিদ্যমান ভর্তুকির পণ্যের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই জানিয়ে টিসিবির চেয়ারম্যান বলেন, এসব পণ্য আগের দামেই বিক্রি হবে। নতুন বাণিজ্যিক পণ্যও যুক্ত করা হচ্ছে, তবে সেগুলো কেনা উপকারভোগীদের জন্য বাধ্যতামূলক নয়। ফয়সল আজাদ বলেন, "উপকারভোগীরা চাইলে নতুন পণ্য কিনতে পারবেন।"

টিসিবি চেয়ারম্যানের আশা, বাণিজ্যিক কার্যক্রম থেকে আয় বৃদ্ধি, ঋণের সুদ ও পরিচালন ব্যয় কমানো এবং দক্ষতা বাড়ানোর মাধ্যমে আগামী চার থেকে পাঁচ বছরে ধীরে ধীরে সরকারি ভর্তুকির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। সূত্র: বাসস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্রমিক আন্দোলনে একাত্তর ও চব্বিশের পরাজিত শক্তির ষড়যন্ত্র: রাশেদ খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:০৪ পি.এম


শ্রমিক আন্দোলনে একাত্তর ও চব্বিশের পরাজিত শক্তির ষড়যন্ত্র: রাশেদ খান

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খান মন্তব্য করেছেন যে, শ্রমিক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে একাত্তর ও চব্বিশের পরাজিত শক্তিগুলি সম্মিলিতভাবে ষড়যন্ত্রের কার্যক্রম চালাচ্ছে।

তিনি সোমবার (২ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে পিরোজপুরে মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা দেয়ার প্রতিবাদে আয়োজিত সমাবেশে এই মন্তব্য করেন।

মো. রাশেদ খান বলেন, আশুলিয়া ও মিরপুরে গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলনে শ্রমিক লীগের সন্ত্রাসীরা প্রবেশ করছে। সরকার শ্রমিকদের দাবির প্রতি আন্তরিক এবং ন্যায্যতার ভিত্তিতে তাদের দাবি পূরণ করা হবে। কিন্তু পতিত শক্তি এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে গাড়িতে আগুন দিচ্ছে এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাচ্ছে। ডিসেম্বরের দিকে ’৭১-এর পতিত শক্তি এবং ’২৪-এর পতিত শক্তি একত্রে দেশের অগ্রগতিকে ব্যাহত করার জন্য ষড়যন্ত্র করছে।

তিনি আরও বলেন, আশুলিয়া ও মিরপুরে ঘটে যাওয়া অগ্নিসন্ত্রাসের দায় জামায়াতের আমির এড়াতে পারেন না। তারা বলেছে, সব কিছু তছনছ করে দেয়া হবে। এটি তাদের কার্যক্রমের একটি অংশ।

এ সময় পিরোজপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা দেয়ার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত বিচারের দাবি জানান প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা।

তিনি উল্লেখ করেন, পিরোজপুরের এই ঘটনা আমাদের জন্য কলঙ্কের। ’৭১-এর স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি রাজনৈতিক কারণে এখনো টিকে আছে এবং তাদের ষড়যন্ত্র বন্ধ হয়নি।

মো. রাশেদ খান বলেন, জামায়াত শিবির পিরোজপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনের বাধা সৃষ্টি করেছে। তারা এ নিয়ে বিবৃতি দিয়েছে এবং তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, কিন্তু সেই তদন্তের বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায়নি।

তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সাম্য ও মানবিক মর্যাদা পূর্ণাঙ্গভাবে প্রতিষ্ঠার আগ পর্যন্ত তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাঙ্গামাটিতে বজ্রপাত রোধে মাসব্যাপী তালবীজ রোপণ শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:০৫ পি.এম


রাঙ্গামাটিতে বজ্রপাত রোধে মাসব্যাপী তালবীজ রোপণ শুরু

রাঙ্গামাটি, ২ নভেম্বর, ২০২৬ : জেলায় অতিরিক্ত বজ্রপাত প্রতিরোধ এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার উদ্দেশ্যে আজ মাসব্যাপী তালবীজ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

সোমবার সকালে, শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘হিল সার্ভিস’ কর্তৃক আয়োজিত এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন রাঙ্গামাটি সদর সেনাবাহিনীর জোন কমান্ডার লে. কর্নেল মো.একরামুল রাহাত।

সভায় সভাপতিত্ব করেন হিল সার্ভিসের সভাপতি মিনারা বেগম। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা ও প্রেসক্লাবের সভাপতি আনোয়ার আল হক, জেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম শাকিল, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. আবু সাদাৎ মো. সায়েম, উপদেষ্টা শাহিদা আকতার, প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনসুর আহম্মেদ এবং জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য মো. হাবীব আজম প্রমুখ।

প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে, লে. কর্নেল মো.একরামুল রাহাত বলেন, "প্রাকৃতিক পরিবেশের সুরক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তাই সকলকে যার যার অবস্থান থেকে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম বাড়াতে কাজ করতে হবে।"

তিনি আরও বলেন, "প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং বজ্রপাত রোধে তাল বীজ লাগানোর যে কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এই কার্যক্রম সফল করতে সদর জোনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহায়তা অব্যাহত থাকবে।"

আলোচনা সভার পর, জোন কমান্ডার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে তাল বীজ রোপণের মাধ্যমে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

আয়োজকরা বাসস’কে জানিয়েছেন, রাঙ্গামাটি শহরের পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন দুর্গম এলাকায়ও তাল বীজ রোপণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে প্যাট্রিয়ট দিলে রাশিয়ার তেল শোধনাগারে হামলা বন্ধের প্রস্তাব জেলেনস্কির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫৫ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে প্যাট্রিয়ট দিলে রাশিয়ার তেল শোধনাগারে হামলা বন্ধের প্রস্তাব জেলেনস্কির

ঢাকা, ২ নভেম্বর, ২০২৬ : যুক্তরাষ্ট্র যদি ইউক্রেনকে শক্তিশালী প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ক্ষেপণাস্ত্র প্রদান করে, তাহলে কিয়েভ রাশিয়ার তেল শোধনাগারগুলোতে হামলা বন্ধ রাখবে। এ প্রস্তাবটি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অন্যতম প্রধান দাবি পূরণের শর্ত হিসেবে দিয়েছেন।

রোববার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কি উল্লেখ করেন, এ বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং তার প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে।

এএফপি সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী, তিনি বলেন, ‘যদি রাশিয়া আমাদের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা চালায়, আমাদের মানুষ হত্যা করে এবং বিদ্যুৎ, গ্যাস ও তেল শোধনাগারে আঘাত হানে, তাহলে আমরা নিশ্চুপ থাকতে পারি না।’

ফক্স নিউজের উপস্থাপক ট্রে ইয়ংস্টের সঙ্গে আলাপকালে জেলেনস্কি আরও বলেন, ‘আমরা বলেছি, আপনারা যদি চান আমরা রাশিয়ার তেল শোধনাগারে হামলা না করি, তাহলে রাশিয়াকেও আমাদের জ্বালানি ব্যবস্থায় হামলা বন্ধ করতে হবে। বিকল্প হিসেবে আমাদের প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র দিন। এর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ আমরা নিজেরাই জোগাড় করব, শুধু সহায়তার ওপর নির্ভর করব না।’

জেলেনস্কি জানান, যুক্তরাষ্ট্র যদি এক মাসের জন্য ইউক্রেনকে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করে, তাহলে তার দেশ একই সময়ের জন্য রাশিয়ার তেল শোধনাগারে হামলা বন্ধ রাখবে।

রাশিয়ার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার জন্য ইউক্রেনের কাছে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা।

এ প্রস্তাবের মাধ্যমে ট্রাম্পের ওপর চাপ সৃষ্টি বা তাকে কোনো বিষয়ে বাধ্য করার চেষ্টা করছেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে জেলেনস্কি বলেন, এ নিয়ে তার কোনো উদ্বেগ নেই।

তিনি বলেন, ‘অংশীদারদের সঙ্গে সত্য কথা বলতে আমার কোনো দ্বিধা নেই।’

গত শুক্রবার ইউক্রেনের কাছে ৫০০টি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দেয় ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এ তথ্য জানায়। তবে জেলেনস্কি সতর্ক করে বলেছেন, এসব ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করতে কয়েক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা সতর্ক করে আসছেন যে, রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করার জন্য তাদের হাতে থাকা প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত দ্রুত কমে আসছে।

এর আগে গত সপ্তাহে জেলেনস্কি প্রস্তাব দিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় মিত্ররা নিজেদের মজুত থেকে ইউক্রেনকে ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করতে পারে। পরে শুক্রবার অনুমোদিত নতুন ক্রয়ের মাধ্যমে মিত্রদের সেই মজুত পুনরায় পূরণ করা যাবে।

এদিকে, ইউক্রেন যুদ্ধের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধবিরতিটির অবসান ঘটেছে রোববার। তবে এ যুদ্ধবিরতি কেবল পূর্বাঞ্চলীয় খেরসন অঞ্চলে কার্যকর ছিল। ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের দাবি, রাশিয়া এর মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় যুদ্ধবিরতির অবসান ঘটে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় চলতি মাসেই রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে পুনরায় আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে যৌথ হামলা শুরু করার পর থেকে দুই দেশের মধ্যকার আলোচনা কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%