ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

খায়রুল আলম সুমন তদন্তের আওতায়, তেল সিন্ডিকেটের অভিযোগে আলোচিত আওয়ামী লীগ নেতা, আলাউদ্দিন আলো কি তদন্তের বাইরে?


খায়রুল আলম সুমন তদন্তের আওতায়, তেল সিন্ডিকেটের অভিযোগে আলোচিত আওয়ামী লীগ নেতা, আলাউদ্দিন আলো কি তদন্তের বাইরে?

বরিশালের বিদায়ী জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড নিয়ে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তদন্তে নেমেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। তদন্তের জন্য গঠিত কমিটি নির্বাচন-সংক্রান্ত অর্থ বরাদ্দ ও ব্যয়, দুর্গম কেন্দ্রের অতিরিক্ত বরাদ্দ, দুর্গাসাগর দীঘির সংস্কার ও ব্যবস্থাপনা, শিল্প ও বাণিজ্য মেলার অনুমোদন, প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং নিয়োগসংক্রান্ত বিষয়সহ মোট ১৯ দফা তথ্য ও নথি তলব করেছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের চিঠিতে বলা হয়েছে, সাবেক জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনের বিরুদ্ধে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের কাছে দাখিল করা অভিযোগ এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্যই এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তবে সরকারি নথিতে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে—এমন কথা বলা হয়নি। তদন্ত কমিটি মূলত অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কার্যক্রমে কোনো অনিয়ম বা বিধিবহির্ভূত কর্মকাণ্ড ঘটেছিল কি না, তা অনুসন্ধানে তথ্য ও নথি সংগ্রহ করছে।

আরও পড়ুন: ভাণ্ডারিয়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত

নির্বাচনী বরাদ্দ ও দুর্গম কেন্দ্রের অর্থ ব্যয়ের হিসাব তলব

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট তথ্য চেয়ে পাঠানো ১৯ দফার প্রথমেই রয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে বরিশাল জেলায় নির্বাচন কমিশনের বিভিন্ন খাতে দেওয়া বরাদ্দের তথ্য।

একই সঙ্গে নির্বাচন কাজে নিয়োজিত সব এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটকে দেওয়া অর্থের বিতরণ বিবরণী এবং নির্বাচন কমিশনের বরাদ্দ থেকে সম্মানি ছাড়া অন্যান্য খাতে ব্যয়ের বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে।

এছাড়া নির্বাচন কমিশনের অনুমোদিত ভোটকেন্দ্র, ভোটকক্ষ ও দুর্গম কেন্দ্রের তালিকা এবং হিজলা, মুলাদী ও মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের পাঠানো দুর্গম কেন্দ্রসংক্রান্ত মূল প্রস্তাবও তলব করেছে তদন্ত কমিটি।

আরও পড়ুন: ভাণ্ডারিয়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, র‌্যালি ও সমাবেশ

দুর্গম কেন্দ্রের প্রস্তাব সংশোধন করে পাঠানো হয়ে থাকলে তার কারণ, অনুমোদন এবং সংশ্লিষ্ট প্রমাণাদিও চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন থেকে দুর্গম কেন্দ্র বাবদ পাওয়া অতিরিক্ত ৬২ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দের কপি এবং সংশ্লিষ্ট উপজেলার ইউএনওদের দেওয়া অতিরিক্ত বরাদ্দের অর্থ ব্যয়ের বিস্তারিত বিবরণও চাওয়া হয়েছে।

তদন্তে দুর্গাসাগর দীঘির সংস্কার ও ব্যবস্থাপনাও

তদন্তের আওতায় এসেছে বরিশালের ঐতিহাসিক দুর্গাসাগর দীঘির সংস্কার, আধুনিকায়ন ও ব্যবস্থাপনাসংক্রান্ত বিষয়ও।

এ বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় বা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া কোনো প্রস্তাব, সুপারিশ কিংবা নির্দেশনা থাকলে তার কপি চাওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: নাটোরের বড়াইগ্রামে প্রাচীন রামাগাড়ী কাচারীঘরের জমি অবৈধ দখলের অভিযোগ, বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্য

এছাড়া দুর্গাসাগর দীঘি পরিচালনায় বর্তমানে কর্মরত ২২ জন কর্মচারীর নিয়োগপ্রক্রিয়া, বেতন কাঠামো এবং আউটসোর্সিং-সংক্রান্ত চুক্তিপত্রও তদন্ত কমিটি তলব করেছে। একই সঙ্গে দুর্গাসাগর দীঘি ব্যবস্থাপনার জন্য কোনো নীতিমালা থাকলে সেটিও চাওয়া হয়েছে।

শিল্প ও বাণিজ্য মেলার অনুমোদনও তদন্তে

বরিশাল কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত ‘বরিশাল শিল্প ও বাণিজ্য মেলা’র অনুমোদনসংক্রান্ত আবেদনপত্র ও অনুমোদনপত্রও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।

মেলা বন্ধে হাইকোর্ট বিভাগের কোনো আদেশ বা নিষেধাজ্ঞার কপি, মেলা আয়োজনের অনুমোদন বাতিলসংক্রান্ত আদেশ এবং মেলা বন্ধের লক্ষ্যে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসনের আয়োজিত সংশ্লিষ্ট সভার কার্যবিবরণীও চাওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: ‎ত্রিশালে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসে র‍্যালি ও দোয়া প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

প্রশাসনিক কার্যক্রম ও নিয়োগে বিলম্বের কারণ অনুসন্ধান

জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের পরিদর্শন প্রতিবেদনও চেয়েছে তদন্ত কমিটি।

এছাড়া ফ্রন্ট ডেস্ক স্থানান্তরের নির্দেশনা এবং তা বাস্তবায়নে গৃহীত কার্যক্রমের সংশ্লিষ্ট নথিপত্রও তলব করা হয়েছে।

তদন্তের আওতায় এসেছে জেলা প্রশাসনের অধীন শূন্যপদ ও নিয়োগসংক্রান্ত বিষয়ও। জেলা প্রশাসন, বরিশালের আওতাধীন শূন্যপদের তালিকা ও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির কপি চাওয়ার পাশাপাশি ৮৩টি পদে নিয়োগে বিলম্বের কারণও জানতে চেয়েছে তদন্ত কমিটি।

আরও পড়ুন: আলফাডাঙ্গায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত

জ্বালানি সংকটের সময় তেল বরাদ্দ নিয়ে বিতর্ক

আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ও ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ঘিরে সৃষ্ট যুদ্ধাবস্থার প্রভাবে দেশে জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দেওয়ার সময় বরিশালে বিপুল পরিমাণ অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল বরাদ্দ নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল।

অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনের দায়িত্ব পালনের সময় আওয়ামী লীগ নেতা আলাউদ্দিন আলোর লাইসেন্সের অনুকূলে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল বরাদ্দ দেওয়া হয়।

সে সময় বিষয়টি নিয়ে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল তালাশ বিডি একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে আলাউদ্দিন আলোকে বরিশালের একজন আলোচিত-সমালোচিত তেল ব্যবসায়ী, মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক এবং ট্যাংক লরি মালিক সমিতির কথিত সভাপতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

আরও পড়ুন: বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস ২০২৬ উপলক্ষে জামালপুর জিলা স্কুলে হাত ধোয়ার সঠিক নিয়ম প্রদর্শন

অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে তিনি বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র খোকন সেরনিয়াবাত এবং তার পূর্বসূরি সাদিক আবদুল্লাহ—উভয় মেয়রের সময়ই নিজের প্রভাব বজায় রেখেছিলেন।

তার বিরুদ্ধে সাবেক মেয়রের প্রভাব ব্যবহার করে বিভিন্ন তেল কেলেঙ্কারি, অবৈধ সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ এবং জেলা প্রশাসকের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজির মতো গুরুতর অভিযোগও বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় এসেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব বিষয় নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।

তেল সিন্ডিকেটের অভিযোগে গভীর তদন্তের দাবি

বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড প্রেস সোসাইটির বরিশাল বিভাগীয় সভাপতি রনি সিকদার অভিযোগ করে বলেন, দেশের জ্বালানি সংকটের সময় তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন ও আওয়ামী লীগ নেতা আলাউদ্দিন আলোর বিরুদ্ধে তেল সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার অনৈতিক বাণিজ্য এবং রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

তিনি এ বিষয়ে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গভীর তদন্তের দাবি জানান।

রনি সিকদার বলেন, অভিযোগের সত্যতা তদন্তে প্রমাণিত হলে খায়রুল আলম সুমন, আলাউদ্দিন আলোসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে দেশের কোনো সংকটময় পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে যেন কোনো ব্যক্তি বা সিন্ডিকেট সরকারি ব্যবস্থাপনাকে ব্যবহার করে জনগণের সম্পদ নিয়ে অনৈতিক সুবিধা নিতে না পারে, সে জন্য দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি।

আলাউদ্দিন আলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ কি তদন্তের বাইরে?

তবে তেল বরাদ্দসংক্রান্ত অভিযোগটি বর্তমান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তদন্তের ১৯ দফা বিষয়বস্তুর মধ্যে সরাসরি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে কি না, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।

এ কারণেই প্রশ্ন উঠেছে—সাবেক জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনের দায়িত্ব পালনকালীন প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়ে যখন একের পর এক অভিযোগ তদন্তের আওতায় এসেছে, তখন জ্বালানি সংকটের সময় আলোচিত তেল বরাদ্দ এবং কথিত তেল সিন্ডিকেটের অভিযোগে আলোচিত আওয়ামী লীগ নেতা আলাউদ্দিন আলোর ভূমিকা কি তদন্তের বাইরে থেকে যাবে?

একসঙ্গে ১৯ দফা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও নথি তলব এবং পরবর্তীতে তদন্ত কমিটির দুই সদস্যের বরিশালে এসে বর্তমান জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার ঘটনায় প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে।

বিশেষ করে নির্বাচন-সংক্রান্ত অর্থ ব্যয়, দুর্গম কেন্দ্রের অতিরিক্ত বরাদ্দ, দুর্গাসাগর দীঘির সংস্কার ও ব্যবস্থাপনা, শিল্প ও বাণিজ্য মেলার অনুমোদন, ফ্রন্ট ডেস্ক স্থানান্তর, প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং ৮৩টি পদে নিয়োগে বিলম্ব—এমন একাধিক পৃথক বিষয় একই তদন্তের আওতায় আসায় তদন্তের ব্যাপ্তি নিয়েও আলোচনা চলছে।

এখন তদন্ত কমিটির তলব করা নথি, বরিশালে সরেজমিনে নেওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাংবাদিকদের বক্তব্য, লিখিত, ভিডিও ও মৌখিক বয়ান এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের পর সাবেক জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বাস্তবতা কতটুকু এবং দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কোনো প্রশাসনিক অনিয়ম বা বিধিবহির্ভূত কর্মকাণ্ড ঘটেছিল কি না—তা তদন্ত প্রতিবেদনে কীভাবে উঠে আসে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

একই সঙ্গে জ্বালানি সংকটের সময় বরিশালে আলোচিত তেল বরাদ্দ এবং কথিত তেল সিন্ডিকেটের অভিযোগ তদন্তের আওতায় আসে কি না, সে প্রশ্নও এখন সামনে এসেছে।

এ বিষয়ে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি.

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যবসায়ীদের পাশে থাকার আশ্বাস জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দীপনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

‎মোঃ সোহেল রানা, রাঙামাটি জেলা প্রতিনিধি

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:০১ পি.এম


ব্যবসায়ীদের পাশে থাকার আশ্বাস জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দীপনের

‎

পার্বত্য জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার দীপু রাঙামাটির তবলছড়ি বাজারের প্রতিটি দোকান পরিদর্শন করে ব্যবসায়ীদের সমস্যা ও প্রত্যাশার বিষয়ে সরাসরি কথা বলেছেন। তিনি বাজারের সার্বিক পরিবেশ এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা ও আশীর্বাদ কামনা করেছেন।

‎

শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে তবলছড়ি বাজার পরিদর্শনকালে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় ব্যবসায়ীরা বাজারের বিভিন্ন সমস্যা, সুযোগ-সুবিধা এবং নিজেদের প্রত্যাশার বিষয়গুলো তার কাছে তুলে ধরেন। চেয়ারম্যান তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন।

‎

তবলছড়ি বাজার ব্যবসায়ী পরিচালনা কমিটির নেতৃত্বে বাজার পরিদর্শনকালে দীপন তালুকদার দীপু বলেন, "স্থানীয় ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা এবং বাজারের সার্বিক পরিবেশ উন্নয়নে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হবে।" তিনি বাজারের উন্নয়নে ব্যবসায়ী ও স্থানীয় জনগণের সহযোগিতাও কামনা করেন।

‎

এ সময় রাঙামাটি জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শাকিল, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল বাসেত অপু, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু সাদাৎ মোহাম্মদ সায়েম, জেলা পরিষদ সদস্য নন্দিতা দাশ, তবলছড়ি বাজার ব্যবসায়ী পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল করিম, সহসভাপতি হেলাল উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক মো. হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক আলমগীর, কোষাধ্যক্ষ বরুন চন্দ্র রায়, ৪ নম্বর ওয়ার্ড মহিলা দলের সভানেত্রী জরিনা বেগমসহ স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভূরুঙ্গামারীতে রিসিভ ছাড়া সার পরিবহন, কৃষক-ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর ৭ বস্তা সার জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ মাইদুল ইসলাম ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম)

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:০২ পি.এম


ভূরুঙ্গামারীতে রিসিভ ছাড়া সার পরিবহন, কৃষক-ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর ৭ বস্তা সার জব্দ

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে রিসিভ (ক্রয় রসিদ) ছাড়া সার পরিবহনের সময় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কর্তৃক এক কৃষক এবং ক্ষুদ্র সার ব্যবসায়ীর ৭ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত সারের মধ্যে ৫ বস্তা ইউরিয়া এবং ২ বস্তা পটাশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার বাগভান্ডার ক্যাম্পের (লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন-১৫ বিজিবি) সামনে সার পরিবহনের সময় এই ঘটনা ঘটে। তবে ঘটনাটি শনিবার (২৯ আগস্ট) জনসমক্ষে আসে।

স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, পাথরডুবি ইউনিয়নের মইদাম গ্রামের মৃত শাহেদ আলীর পুত্র মাইদুল একজন কৃষক। তিনি প্রায় ১৫ বিঘা জমিতে চাষাবাদ করেন এবং মইদাম বাজারে সার ও কীটনাশকের ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনা করেন। স্থানীয়দের মতে, জমিতে সার প্রয়োগের প্রয়োজন হলেও স্থানীয়ভাবে সার না পাওয়ায়, তিনি পাশের উপজেলা নাগেশ্বরীর এক আত্মীয়ের সারের দোকান থেকে ৫ বস্তা ইউরিয়া ও ২ বস্তা পটাশ সংগ্রহ করেন। পরে ভূরুঙ্গামারীর দিকে ফেরার পথে বাগভান্ডার বিজিবি ক্যাম্পের সামনে তাকে আটক করা হয়। এ সময় সার কেনার রিসিভ দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় বিজিবি সদস্যরা ৭ বস্তা সার জব্দ করেন বলে জানা গেছে।

ঘটনার বিষয়ে মাইদুলের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে তার এলাকার একাধিক বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মাইদুল কৃষি জমি চাষাবাদ করেন এবং মইদাম বাজারে তার সার ও কীটনাশকের ছোট দোকান রয়েছে।

ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আব্দুল মোতালেব বলেন, “ঘটনাটি সম্পর্কে আমি অবগত। মাইদুল প্রায় ১৫ বিঘা জমি আবাদ করেছে। পাশাপাশি সে কীটনাশকের দোকান এবং ছোট পরিসরে সার বিক্রির ব্যবসাও করে। সার আটকের পর সে জমির কাগজপত্র নিয়ে এসেছিল। কিন্তু তাকে সার ফেরত দেওয়া হয়নি। যেখান থেকে সার নিয়ে এসেছে, তার সঙ্গেও কথা বলেছি। তিনি জানিয়েছেন, মাইদুল তার আত্মীয়। জমিতে সার প্রয়োজন হওয়ায় স্থানীয়ভাবে সার না পেয়ে তার কাছ থেকে সার নিয়ে গেছে।”

লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন-১৫ বিজিবির বাগভান্ডার ক্যাম্পের সুবেদার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিয়মিত টহলরত অবস্থায় ক্যাম্পের সামনে রোডে সার পরিবহন পথে জিজ্ঞাসাবাদে ক্রয়ের রিসিভ না থাকায় জব্দ করে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

"সার (ব্যবস্থাপনা) আইন, ২০০৬ এবং সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী, অনুমোদিত এলাকা বা উপজেলার বাইরে রসিদ ও বৈধ চালান ছাড়া সার পরিবহন করা সম্পূর্ণ অবৈধ। রসিদবিহীন বা অবৈধভাবে পরিবাহিত সার 'কালোবাজারি' ও 'পাচারের মাল' হিসেবে গণ্য করে তা রাষ্ট্রীয় অনুকূলে সরাসরি বাজেয়াপ্ত (ক্রোক) এবং নিলাম করার স্পষ্ট বিধান রয়েছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাগমারায় আইন ও মাদক নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কর্মশালা ও বৃক্ষ রোপণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:০২ পি.এম


বাগমারায় আইন ও মাদক নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কর্মশালা ও বৃক্ষ রোপণ

 

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় মাদকবিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশ রক্ষার উদ্দেশ্যে আইন ও মাদক নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কর্মশালা এবং বৃক্ষ প্রদান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেল ৩টায় উপজেলার উত্তর জামালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। উত্তর জামালপুর যুব সমাজ ও স্থানীয় জনগণের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচির প্রধান লক্ষ্য হলো মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা তৈরি করা এবং পরিবেশ রক্ষায় গাছ লাগানোর জন্য মানুষকে উৎসাহিত করা।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কাজেম উদ্দিন এবং প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাগমারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তোহিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন হাট গাঙ্গোপাড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইন্সপেক্টর ইনচার্জ রবিউল ইসলাম। আয়োজকরা জানান, মাদক একটি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য মারাত্মক হুমকি। মাদকের বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান যথেষ্ট নয়, বরং সামাজিক সচেতনতা ও সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলাও জরুরি।

কর্মশালায় মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রচলিত আইন, মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব এবং মাদক প্রতিরোধে পরিবার ও সমাজের করণীয় বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়া, কর্মসূচির অংশ হিসেবে উপস্থিতদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের গাছের চারা প্রদান করা হয়। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজায়নের গুরুত্ব তুলে ধরে বেশি বেশি বৃক্ষরোপণের আহ্বান জানানো হয়। কর্মসূচিতে এলাকার বিভিন্ন স্তরের গণ্যমান্য ব্যক্তি, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা এবং স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাজ্যকে কড়া হুঁশিয়ারি দিল যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:০৩ পি.এম


যুক্তরাজ্যকে কড়া হুঁশিয়ারি দিল যুক্তরাষ্ট্র

আমেরিকা এবং যুক্তরাজ্যের দুই শতাব্দীর পুরনো ঐতিহাসিক মিত্রতায় এখন আক্ষরিক অর্থেই উত্তেজনার ঝড় বইছে। ওয়াশিংটন এবার সরাসরি ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্ব নিয়ে ব্রিটেনকে নজিরবিহীন হুমকি ছুড়ে দিয়েছে। দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফের এক বিস্ফোরক প্রতিবেদনে বেরিয়ে এসেছে যে, সামরিক খাতে বাজেট নাটকীয়ভাবে না বাড়ালে ফকল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিজেদের দীর্ঘদিনের নীতি বদলাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।

প্রতিরক্ষা কৌশল, ইরান যুদ্ধ এবং কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চাগোস দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে দুই দীর্ঘদিনের মিত্রের মধ্যে চলা তীব্র মতপার্থক্য এখন এমন এক মোড়ে এসে পৌঁছেছে, যা পশ্চিমা বিশ্বে বড় ধরনের রাজনৈতিক ভূমিকম্পের সৃষ্টি করেছে।

ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনার রক্তক্ষয়ী বিরোধের ইতিহাস প্রায় দুশো বছরের পুরনো। ১৯৮২ সালে আর্জেন্টিনার সামরিক জান্তার ফকল্যান্ড আগ্রাসনের পর মার্গারেট থ্যাচারের নির্দেশে ব্রিটিশ নৌবাহিনী রক্তক্ষয়ী লড়াই চালিয়ে দ্বীপগুলোর নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করেছিল। ওই সময় যুক্তরাষ্ট্র ব্রিটেনের পাশে দাঁড়ালেও ফকল্যান্ডের সার্বভৌমত্বের ওপর কখনোই সরাসরি কোনো পক্ষ নেয়নি, কেবল ব্রিটিশদের ডি ফ্যাক্টো প্রশাসনকে স্বীকৃতি দিয়ে গেছে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি পুরোপুরি পাল্টে গেছে। পেন্টাগনের নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ন্যাটো জোটের নতুন সামরিক ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হলে ব্রিটেনকে নিয়ে কঠোর অবস্থানে যেতে পারে ওয়াশিংটন। এমনকি লন্ডনের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে ফকল্যান্ডের সার্বভৌমত্বের দাবির ক্ষেত্রে ব্রিটেনের বিরোধিতাও করতে পারে আমেরিকা। 

পেন্টাগনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা দ্য টেলিগ্রাফকে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, মিত্র দেশগুলোর ওপর প্রতিরক্ষার বোঝা চাপানোর জন্য ওয়াশিংটন এখন কোনো কিছুই অসম্ভব বলে মনে করছে না এবং আলোচনাগুলো অত্যন্ত কড়া ভাষায় চলছে।

ন্যাটো জোটের নতুন চুক্তি অনুযায়ী, ২০৩৫ সালের মধ্যে সদস্য দেশগুলোকে নিরাপত্তার পেছনে তাদের মোট জিডিপির ৫ শতাংশ ব্যয় করতে হবে। ব্রিটিশ কর্মকর্তারা যদিও ২০৩০ সালের মধ্যে ৩ শতাংশে পৌঁছানোর কথা ভাবছেন, তবুও গত জুনে প্রকাশিত দেশটির নতুন প্রতিরক্ষা বিনিয়োগ পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৯-৩০ অর্থবছর পর্যন্ত মূল প্রতিরক্ষা ব্যয় জিডিপির মাত্র ২.৭ শতাংশে আটকে থাকছে। এর ওপর আবার বড় ধরনের অর্থনৈতিক চাপে থাকা ব্রিটিশ সরকারের পক্ষে বাজেটের জন্য অতিরিক্ত চার দশমিক সাত বিলিয়ন বা ছয় দশমিক তিন বিলিয়ন ডলার খুঁজে পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে ওয়াশিংটনের এই কড়া বার্তা ব্রিটিশ নীতিনির্ধারকদের কপালে গভীর চিন্তার ভাঁজ ফেলে দিয়েছে।

গত এপ্রিলে রয়টার্সের মাধ্যমে প্রথম এই ফকল্যান্ড ইস্যুটি প্রকাশ্যে আসে, যেখানে একটি ফাঁস হওয়া পেন্টাগনের ইমেইলের সূত্রে জানা গিয়েছিল যে, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযানে ইউরোপীয় মিত্রদের পর্যাপ্ত সমর্থন না পাওয়ার শাস্তি হিসেবে তাদের ‘সাম্রাজ্যবাদী উপনিবেশগুলোর’ ওপর কূটনৈতিক সমর্থন পুনর্বিবেচনা করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রশাসনের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ মিত্র ও আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই এই সম্ভাবনায় চরম উল্লাস প্রকাশ করে ঘোষণা দিয়েছেন যে, তাঁরা আগে কখনো এমন অভূতপূর্ব অগ্রগতির মুখ দেখেননি।

পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে ভারত মহাসাগরের কৌশলগত চাগোস দ্বীপপুঞ্জ এবং ইরান ইস্যুতে। ২০২৫ সালে ব্রিটেন মরিশাসের কাছে চাগোস দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্ব হস্তান্তরে রাজি হলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই চুক্তিকে একটি ‘বড় ভুল’ বলে অভিহিত করার পর গত এপ্রিলে সেই পরিকল্পনা স্থগিত করতে বাধ্য হয় লন্ডন। শুধু তাই নয়, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন বিমান হামলায় ব্রিটিশ ঘাঁটিগুলো ব্যবহারের অনুমতি প্রথমাবস্থায় আইনি জটিলতার অজুহাতে দেয়নি যুক্তরাজ্য, যা ওয়াশিংটনের ক্ষোভের আগুনে ঘি ঢেলে দেয়। 

সূত্র: আরটি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%