ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তের দাবি


জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তের দাবি

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আবদুল আউয়াল এবং “সমগ্র দেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্প”-এর প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ হানিফের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও প্রকল্প অনুমোদনে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড প্রেস  সোসাইটির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রনি শিকদার।লিখিত আবেদনে বলা হয়েছে, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আবদুল আউয়ালের পূর্ববর্তী কর্মস্থলে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও পার্সেন্টেজ গ্রহণের অভিযোগে বিভিন্ন সময়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এসব অভিযোগের যথাযথ তদন্ত হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাঁর বর্তমান পদে অধিষ্ঠিত হওয়ার প্রক্রিয়াও তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।আবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়, প্রধান প্রকৌশলী বিভিন্ন স্থানে মন্ত্রণালয়ের সচিবের নাম ও পদমর্যাদা ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তার করেন। পাশাপাশি দেশের ৬৪ জেলার নির্বাহী প্রকৌশলীদের ওপর প্রভাব বিস্তার করে আর্থিক সুবিধা ছাড়া বিভিন্ন প্রকল্প অনুমোদন না দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।আবেদনকারী দাবি করেন, এসব বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং অভিযুক্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব ও পদমর্যাদা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।এদিকে, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতাধীন “সমগ্র দেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্প”-এর প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ হানিফের বিরুদ্ধেও অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছে।লিখিত অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম ব্যবহার করে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অনৈতিকভাবে সম্পদ অর্জনের সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন। এছাড়া প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ঢাকা প্রতিনিধি

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১২ পি.এম


এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তের দাবি

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মোঃ বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, উন্নয়নকাজের প্যাকেজ থেকে অবৈধ পার্সেন্টেজ গ্রহণ, অর্থ লেনদেন এবং নামে-বেনামে সম্পত্তি অর্জনসহ বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে সত্যতা যাচাই এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।এলজিইডির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, মোঃ বেলাল হোসেন বর্তমানে প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি তাঁকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়।এদিকে, বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড প্রেস সোসাইটির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রনি শিকদার এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে একটি লিখিত আবেদন করেছেন বলে জানা গেছে।লিখিত আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, এলজিইডির বিভিন্ন উন্নয়নকাজের প্যাকেজ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মাধ্যমে অবৈধভাবে পার্সেন্টেজ গ্রহণ করা হয়। বিভিন্ন উপজেলার নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালকদের কাছ থেকেও প্যাকেজ অনুযায়ী অর্থ নেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।অভিযোগে আরও বলা হয়, ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ উপজেলাসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রধান প্রকৌশলীর একাধিক সম্পত্তি রয়েছে। ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ফ্ল্যাট, বাড়ি ও অন্যান্য স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি থাকার অভিযোগও করা হয়েছে। এসব সম্পত্তির প্রকৃত মালিকানা, ক্রয়ের অর্থের উৎস এবং বৈধতা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করার দাবি জানিয়েছেন আবেদনকারী।লিখিত অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, এলজিইডির বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজকে কেন্দ্র করে অনিয়ম ও অর্থ লেনদেনের বিষয়ে অনেক ঠিকাদার তথ্য দিতে আগ্রহী। তবে বিভিন্ন কারণে তাঁদের কেউ কেউ পরিচয় প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক। অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত হলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে বলেও তাঁরা মনে করেন।আবেদনকারী মোঃ রনি শিকদার বলেন, কোনো ব্যক্তিকে তদন্তের আগে অভিযুক্ত বা দোষী হিসেবে চিহ্নিত করা উচিত নয়। তবে সরকারি অর্থের অপচয়, ক্ষমতার অপব্যবহার কিংবা দুর্নীতির মতো গুরুতর অভিযোগ উঠলে জনস্বার্থে সেগুলো নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।লিখিত আবেদনে অভিযোগগুলোর বিষয়ে দ্রুত নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন ও সরকারি বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মোঃ বেলাল হোসেনের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য জানার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।উল্লেখ্য, প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগগুলো আবেদনকারীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও যাচাই ছাড়া এসব অভিযোগকে প্রমাণিত ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতেই অভিযোগগুলোর সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাবুগঞ্জে স্কুলের ডিজিটাল ল্যাব থেকে ১৭ ল্যাপটপ চুরি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১৩ পি.এম


বাবুগঞ্জে স্কুলের ডিজিটাল ল্যাব থেকে ১৭ ল্যাপটপ চুরি

 

বরিশালের বাবুগঞ্জে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ডিজিটাল ল্যাব থেকে ১৭টি ল্যাপটপ চুরি যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে, যা ১০ দিন পরেও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় জনগণের মধ্যে এ বিষয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানায়, সিসিটিভি ফুটেজ এবং অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে চুরির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও থানায় দায়ের করা অভিযোগের সূত্রে জানা গেছে, বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের পূর্ব চাঁদপাশা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আইসিটি ল্যাব থেকে গত ২১ আগস্ট রাতে ১৭টি ল্যাপটপ চুরি হয়। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলাউদ্দিন এয়ারপোর্ট থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

বিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার রাতে বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী আব্দুর রহিম রাত ১১টার কিছু আগে শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে বিদ্যালয় ত্যাগ করেন। এরপর রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা ডিজিটাল ল্যাবের গ্রিল ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ১৭টি ল্যাপটপ নিয়ে যায়।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, খালি গায়ে প্যান্ট পরা একজন ব্যক্তি বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে ডিজিটাল ল্যাবে যায়। পরে টেবিলে রাখা ল্যাপটপগুলো একে একে নিয়ে বের হয়ে যেতে দেখা যায়। তবে ফুটেজে থাকা ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে পুলিশ এখনও সক্ষম হয়নি।

নৈশপ্রহরী আব্দুর রহিম বলেন, তিনি শারীরিক অসুস্থতার কারণে রাত ১১টার কিছু আগে বিদ্যালয় ত্যাগ করেন। পরে রাত ২টার দিকে বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের বাইরে এসে ভেতরে কয়েকজনের কথাবার্তার শব্দ শুনতে পান। দূর থেকে তাদের স্থানীয় তিন যুবক আরিফুর রহমান, নেসার উদ্দিন ও রাহাত হোসেন বলে পরিচয় দেওয়া হয়। বিষয়টি জানার পর তিনি আবার বাড়িতে চলে যান। ভোরে বিদ্যালয়ে এসে ল্যাপটপ চুরির বিষয়টি দেখতে পান এবং প্রধান শিক্ষককে জানান।

এদিকে নৈশপ্রহরীর দেওয়া বক্তব্যের ভিত্তিতে স্থানীয় আরিফুর রহমান, নেসার উদ্দিন ও রাহাত হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছিল। পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। তাদের পরিবারের দাবি, কোনো প্রমাণ ছাড়াই তাদের নাম জড়ানোয় তারা সামাজিকভাবে বিব্রত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

আরিফুর রহমানের বাবা আনোয়ার হোসেন হাওলাদার বলেন, চুরির ঘটনায় তার ছেলের নাম জড়ানোর কারণে তারা সামাজিকভাবে ক্ষতির মুখে পড়েছেন। তিনি প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে দায়ীদের শনাক্ত করার দাবি জানান।

নেছার উদ্দিন বলেন, তিনি একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। নৈশপ্রহরীর বক্তব্যের কারণে তিনি ও অন্যরা সামাজিকভাবে বিব্রত হয়েছেন। প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধী শনাক্তের দাবি জানান তিনি।

স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, নৈশপ্রহরীর দায়িত্ব পালনে গাফিলতির কারণে চোরেরা সুযোগ পেয়েছে। কেউ কেউ নৈশপ্রহরীর ভূমিকা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শাখাওয়াত হোসেন বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং স্থানীয় পর্যায়ে গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে চুরির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী আসমা উল হুসনা বলেন, বিদ্যালয়ের ল্যাপটপ চুরির বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

চুরি যাওয়া ১৭টি ল্যাপটপ এখনো উদ্ধার না হওয়ায় বিদ্যালয়ের ডিজিটাল শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা দ্রুত চুরি যাওয়া সরঞ্জাম উদ্ধার এবং ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চুরি করা বিমান নিয়ে নিষিদ্ধ আকাশসীমায় মদ্যপ যুবক, অতঃপর...

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১৫ পি.এম


চুরি করা বিমান নিয়ে নিষিদ্ধ আকাশসীমায় মদ্যপ যুবক, অতঃপর...

হাঙ্গেরিতে ২৪ বছর বয়সী এক যুবক মদ্যপ অবস্থায় একটি ছোট বিমান চুরি করে দেশটির একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে নিষিদ্ধ আকাশসীমায় ঢুকে পড়েন। পরে বিমানটি একটি সূর্যমুখী ক্ষেতে জরুরি অবতরণ করে। তবে এ ঘটনায় ওই যুবক আহত হননি।

ঘটনাটি ঘটে দক্ষিণ হাঙ্গেরির পাক্স পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে। সামরিক রাডারে বিমানটির অবস্থান শনাক্ত হওয়ার পর দ্রুত দুটি গ্রিপেন যুদ্ধবিমান পাঠানো হয়। যুদ্ধবিমান দুটি বিমানটিকে শনাক্ত করে ঘটনাস্থলের আশপাশে অবস্থান নেয়। একই সময়ে জরুরি উদ্ধারকারী দল দুর্ঘটনাস্থলের দিকে রওনা হয়।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বেসামরিক বিমানগুলো পাক্স পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রায় দুই মাইলের মধ্যে ২০ হাজার ফুটের নিচে উড়তে পারে না। কিন্তু চুরি করা সেসনা ১৭২ বিমানটি সেই নিষিদ্ধ এলাকায় ঢুকে পড়ে। কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিমানটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে প্রায় চার মাইল দূরে একটি সূর্যমুখী ক্ষেতে জরুরি অবতরণ করে। এতে বিমানটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

অবতরণের পর ওই যুবক ঘটনাস্থল থেকে হেঁটে চলে যান। পরে একটি গাড়িচালক কাছের সড়কে তাকে দেখতে পান। পুলিশ জানিয়েছে, তখন তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় ছিলেন। একপর্যায়ে তিনি ওই গাড়িচালকের কাছ থেকে গাড়িটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে গাড়ি নিয়ে পালানোর আগেই তাকে থামানো হয়।

পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যায়। প্রাথমিক পরীক্ষায় তার মদ্যপ থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তিনি অন্য কোনো মাদক বা মাদকজাতীয় পদার্থ গ্রহণ করেছিলেন কি না, তা জানতে আরও পরীক্ষা করা হচ্ছে।

তদন্তকারীদের ধারণা, কাছের কালোচা বিমানবন্দর থেকে অনুমতি ছাড়াই বিমানটি নিয়ে যান ওই যুবক। কীভাবে তিনি বিমানটির কাছে পৌঁছালেন এবং কেন সেটি নিয়ে উড়ে গেলেন, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। হাঙ্গেরির অন্যান্য বিমানবন্দরেও নিরাপত্তাব্যবস্থা পরীক্ষা করার পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের।

তবে ঘটনায় পাক্স পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কোনো ক্ষতি হয়নি। দেশটির বিদ্যুৎ সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা এই কেন্দ্র থেকে হাঙ্গেরির মোট বিদ্যুতের প্রায় অর্ধেক উৎপাদিত হয়। সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নির্বাচনের ৭ বছর পর রাশেদ খানকে ডাকসুর জিএস ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১৬ পি.এম


নির্বাচনের ৭ বছর পর রাশেদ খানকে ডাকসুর জিএস ঘোষণা

নির্বাচনের ৭ বছর পর রাশেদ খানকে ডাকসুর জিএস ঘোষণা

 

২০১৯ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ৭ বছর ৫ মাস পর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে রাশেদ খানকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পূর্বে ঘোষিত বিজয়ী সাধারণ সম্পাদক (জিএস) গোলাম রাব্বানীর ছাত্রত্ব বাতিল হওয়ায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

 

সোমবার (৩১ আগস্ট) রাশেদ খান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ বিষয়ে একটি পোস্ট করেন।

ফেসবুক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ। নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর এমফিলের ছাত্রত্ব বিশ্ববিদ্যালয় গঠিত তদন্ত কমিটি কর্তৃক অবৈধ প্রমাণিত হওয়ায় এবং সিন্ডিকেট কর্তৃক শোকজ নোটিশের উপযুক্ত জবাব দিতে না পারায় একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় গোলাম রাব্বানীর ছাত্রত্ব বাতিল হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ডাকসু পদ বাতিল করা হয়েছে এবং ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত মো. রাশেদ খানকে জিএস ঘোষণা করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট।’

২০১৯ সালের ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনের কমিশন ঘোষিত ফল অনুযায়ী, সহসভাপতি (ভিপি) পদে জয়ী হন নুরুল হক নুর।

 

তিনি ১১ হাজার ৬২ ভোট পেয়েছিলেন। সাবেক এই ছাত্রনেতা বর্তমানে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ছাত্রলীগের তখনকার কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন, যিনি ৯ হাজার ১২৯ ভোট পান।

 

জিএস পদে ১০ হাজার ৪৮৪ ভোট পেয়ে গোলাম রাব্বানী বিজয়ী ঘোষণা হন। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা রাশেদ খান ৬ হাজার ৬৩ ভোট পেয়েছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%