প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মোঃ বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, উন্নয়নকাজের প্যাকেজ থেকে অবৈধ পার্সেন্টেজ গ্রহণ, অর্থ লেনদেন এবং নামে-বেনামে সম্পত্তি অর্জনসহ বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে সত্যতা যাচাই এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।এলজিইডির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, মোঃ বেলাল হোসেন বর্তমানে প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি তাঁকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়।এদিকে, বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড প্রেস সোসাইটির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রনি শিকদার এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে একটি লিখিত আবেদন করেছেন বলে জানা গেছে।লিখিত আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, এলজিইডির বিভিন্ন উন্নয়নকাজের প্যাকেজ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মাধ্যমে অবৈধভাবে পার্সেন্টেজ গ্রহণ করা হয়। বিভিন্ন উপজেলার নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালকদের কাছ থেকেও প্যাকেজ অনুযায়ী অর্থ নেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।অভিযোগে আরও বলা হয়, ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ উপজেলাসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রধান প্রকৌশলীর একাধিক সম্পত্তি রয়েছে। ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ফ্ল্যাট, বাড়ি ও অন্যান্য স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি থাকার অভিযোগও করা হয়েছে। এসব সম্পত্তির প্রকৃত মালিকানা, ক্রয়ের অর্থের উৎস এবং বৈধতা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করার দাবি জানিয়েছেন আবেদনকারী।লিখিত অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, এলজিইডির বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজকে কেন্দ্র করে অনিয়ম ও অর্থ লেনদেনের বিষয়ে অনেক ঠিকাদার তথ্য দিতে আগ্রহী। তবে বিভিন্ন কারণে তাঁদের কেউ কেউ পরিচয় প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক। অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত হলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে বলেও তাঁরা মনে করেন।আবেদনকারী মোঃ রনি শিকদার বলেন, কোনো ব্যক্তিকে তদন্তের আগে অভিযুক্ত বা দোষী হিসেবে চিহ্নিত করা উচিত নয়। তবে সরকারি অর্থের অপচয়, ক্ষমতার অপব্যবহার কিংবা দুর্নীতির মতো গুরুতর অভিযোগ উঠলে জনস্বার্থে সেগুলো নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।লিখিত আবেদনে অভিযোগগুলোর বিষয়ে দ্রুত নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন ও সরকারি বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মোঃ বেলাল হোসেনের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য জানার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।উল্লেখ্য, প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগগুলো আবেদনকারীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও যাচাই ছাড়া এসব অভিযোগকে প্রমাণিত ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতেই অভিযোগগুলোর সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারিত হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন