বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:৩২ পি.এম
গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলায় মামা ওবায়দুর রহমানকে চার দিনের রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের স্ত্রী এই ঘটনা ঘটে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিপন হোসেন তদন্ত কর্মকর্তার পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদনের প্রেক্ষিতে এই আদেশ প্রদান করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আসামিকে আদালতে হাজির করার পর রাষ্ট্রপক্ষে ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন। তিনি আদালতে বলেন, "মরিয়মকে কি আসলে আত্মহত্যা করেছেন নাকি তাকে হত্যা করা হয়েছে, এ জন্য তদন্তের স্বার্থে আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ দরকার।"
অন্যদিকে, আসামিপক্ষ রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের শুনানি করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন। এর আগে, গত বুধবার আসামি ওবায়দুরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার জন্য জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের (বীর বিক্রম) কাছে যান। এরপর তিনি স্পিকারের কাছে পদত্যাগ পত্রটি জমা দেন। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর ১টা ৪০ মিনিটের দিকে তিনি জাতীয় সংসদে উপস্থিত হন।
এর আগে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফেরদৌস আহমেদ মিষ্টিকে পদত্যাগের নির্দেশনা প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার (মা ও শিশুস্বাস্থ্য কেন্দ্র) গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনার পর মিষ্টির পদত্যাগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
ওইদিন মধ্যরাতে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় সরকারি দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে।
এছাড়া, মিষ্টির অতীত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়েও বিভিন্ন সময়ে বিতর্ক ও অভিযোগ ছিল। তিনি ওয়ার্ড কাউন্সিলর থাকাকালে তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, জমি দখলসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের কারণে তার রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রশ্নও উঠেছে।
দলীয় সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে সংসদ সদস্য পদ ছাড়ার পাশাপাশি তিনি বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদ থেকেও পদত্যাগ করতে পারেন বলে দলীয় সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামী জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন সম্পন্ন করার বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন যে, নির্বাচনী প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এসএসসি পরীক্ষা, রমজান এবং বিভিন্ন ধর্মীয় ও জাতীয় দিবসের মতো স্থানীয় সামাজিক বাস্তবতাগুলোকে সার্বিক বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচন কমিশন একটি সুসংহত ও বাস্তবসম্মত সমাধানে পৌঁছাবে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ইউএনডিপি’র সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান ইসি সচিব।
আখতার আহমেদ আরও জানান, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) ‘ব্যালট’ প্রকল্পের আওতায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা, পুলিশ বাহিনী এবং গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির প্রস্তাবনা নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে।
মূলত অপতথ্য, ভুল তথ্য ছড়ানো (ডিসইনফরমেশন) এবং বিদ্বেষমূলক বক্তব্য (হেইট স্পিচ) প্রতিরোধের কৌশল রপ্ত করার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।
এটি একক কোনো নির্বাচনের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত নয়, বরং একটি স্বাধীন ও ধারাবাহিক সক্ষমতা উন্নয়ন কর্মসূচির অংশ।
তিনি জানান, প্রস্তাবনাটি বর্তমানে অত্যন্ত প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং পরবর্তীতে বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে প্রশিক্ষণের কনটেন্ট ও অংশগ্রহণকারীদের তালিকা চূড়ান্ত করা হবে।
নির্বাচনকে অবাধ ও নিরপেক্ষ করার বিষয়ে ইসি সচিব বলেন, গত ১৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে সময়সূচিসহ বিভিন্ন প্রস্তাবনা উঠে এসেছে।
নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য করতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা কিংবা প্রয়োজন সাপেক্ষে সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে কমিশন এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি।
তবে গত ১২ ফেব্রুয়ারির সুষ্ঠু ও সফল নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশার যে উচ্চ মানদণ্ড তৈরি হয়েছে, কমিশন তা ধরে রাখা ও আরও উঁচুতে নিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর।
ভোটার তালিকা, ভোটকেন্দ্র ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি প্রস্তুত রাখার পাশাপাশি সামগ্রিক স্থানীয় পরিবেশ মূল্যায়ন করেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্গাপূজা শুরু হতে আর কিছু দিন বাকি। এর মধ্যেই একাধিক সিনেমা মুক্তি পেতে চলেছে প্রেক্ষাগৃহে। তবে দর্শকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ‘দেশু ৭’। দেব ও শুভশ্রী গাঙ্গুলিকে বড়পর্দায় দেখতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন দর্শকরা। ইতোমধ্যে সিনেমাটির প্রচার কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
সম্প্রতি দেব ও শুভশ্রী ত্রিপুরায় উপস্থিত ছিলেন। আগরতলা এয়ারপোর্টে দুই তারকাকে স্বাগত জানাতে ভিড় উপচে পড়েছিল। আগরতলার চিলড্রেনস পার্কে ‘দেশু ৭’ সিনেমাটির বিশেষ প্রমোশন ও লাইভ ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়।
সেই অনুষ্ঠানে শুভশ্রী গাঙ্গুলিকে ককবরক ভাষায় কথা বলতে দেখা যায়। তবে এদিনের মূল আকর্ষণ ছিল দেব ও শুভশ্রীর রসায়ন। এমনকি ‘দেশু ৭’ সিনেমার জনপ্রিয় গান ‘তোর শুধু তোর’-এও পারফর্ম করেন তারা। পারফরম্যান্সের সময় শুভশ্রীর কপালে দেবের চুমু খাওয়ার দৃশ্যও দেখা যায়। সেই ভিডিও এখন সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে।
এক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন— ‘হায় ভগবান! এরা ছবির জন্য আর কী কী করবে।’ অন্য একজন নেটিজেন লিখেছেন— ‘রাজ বেচারা এসব দেখলে দুঃখে মরেই যাবে।’ আরেক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন— ‘এরা জানে বাঙালি কী খায়। এরা সেটাই দিচ্ছে।’ দেব-শুভশ্রীর রসায়ন মানেই আগুন। উফফফ! কেন তারা বিয়ে করেনি?
এর আগে দেব দাবি করেছিলেন, ‘তাকে এবং শুভশ্রীকে নিয়ে যে ধরনের মন্তব্য হচ্ছে, তাতে আজকাল সাবেকের সঙ্গে কথা বলতেও ভয় পাচ্ছেন। দুজন সবকিছু স্বাভাবিক করার চেষ্টা করলেও, আশপাশের মানুষেরা তা হতে দিচ্ছেন না।’ অভিনেতা দুঃখ প্রকাশ করে বলেছিলেন, যেভাবে তাদের নিয়ে জলঘোলা হচ্ছে, তাতে প্রমোশন করতেও ভয় পাচ্ছেন।
উল্লেখ্য, ‘দেশু ৭’ সিনেমার ম্যাজিক ফিরিয়ে এনেছিল ২০২৫ সালে মুক্তি পাওয়া ধূমকেতু সিনেমা। সেই সময় টালিপাড়ায় দেব কিছুটা কোনঠাসা ছিলেন। এমনকি ২০২৬ সালের পূজায় তাকে ছবি আনতে দেওয়া হচ্ছে না— এমন অভিযোগও শোনা গেছে। সেই সময় দেব শুভশ্রী গাঙ্গুলির কাছে পৌঁছান। ডিসেম্বরেই ছবির ঘোষণা করেন। দেবের বিশ্বাস ছিল— তিনি এবং শুভশ্রী বড়পর্দায় এলে ম্যাজিক হবেই। শুভশ্রী যখন ‘দেশু ৭’-এর জন্য সম্মতি দেন, তখন সিনেমার গল্প ও নাম কিছুই ভাবা হয়নি। শুধুমাত্র তাদের জুটির সপ্তম সিনেমা হিসেবে এটিকে দেশু ৭ নামকরণ করা হয়। বর্তমানে এটাই সিনেমার নাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পরশুরাম (ফেনী), ১ অক্টোবর, ২০২৬ : ফেনীতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ সুবিধা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প পুনর্বাসন (১ম পর্যায়)’ প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ দুপুরে পরশুরাম উপজেলার উপকণ্ঠে এবং খোয়াইঘাট মুহুরী ব্রিজ এলাকায় প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পের ফলক উন্মোচন করেন। এরপর তিনি স্থানীয় জনগণের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী সেখানে বৃক্ষরোপণ করেন।
প্রকল্পটি গত ১৬ জুন জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা অনুমিত ব্যয়ে অনুমোদন লাভ করে। প্রকল্পের আওতায় ৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ, ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখনন, ২৭টি সেচ অবকাঠামো পুনর্বাসন এবং ৭৭টি ইনলেট নির্মাণ করা হবে।
পরবর্তী পর্যায়ে মুহুরী ও কহুয়া নদীতে নতুন বাঁধ নির্মাণের পাশাপাশি সিলোনিয়া নদীতেও বাঁধ নির্মাণ, নদী খনন ও সংস্কারের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পটির কাজ ২০৩০ সালের মধ্যে শেষ করার সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী এবং ফেনী-৩ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল আউয়াল মিন্টু, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু, ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদীন এবং সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু।
প্রধানমন্ত্রী সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে সড়কপথে ঢাকার গুলশানের বাসভবন থেকে পরশুরামের উদ্দেশে রওনা হন। দুপুর সোয়া একটার দিকে তিনি ফেনীতে পৌঁছান। ফেনীতে নির্ধারিত কর্মসূচি শেষ করে তিনি আজ সন্ধ্যায় ঢাকায় ফেরার পরিকল্পনা করেছেন।
মুহুরী-কহুয়া প্রকল্প উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজীতে বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এরপর তিনি ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলো পরিদর্শন করবেন। সেখানে তিনি ছাদ ভিত্তিক (রুফটপ) সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের উদ্বোধন করবেন।
ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া উপজেলার সরকারি ভবনগুলোতে মোট ৯৬২.৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে ছাগলনাইয়ায় ৪১৫ কিলোওয়াট, পরশুরামে ২৯৮ কিলোওয়াট এবং ফুলগাজীতে ২৪৯ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ ব্যবস্থা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বিকেলে ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন। সেখানে তিনি ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান করবেন।
ফুলগাজীতে মোট ৫১০ জন ফ্যামিলি কার্ড এবং পুরো জেলাজুড়ে ৭ হাজার ৬৪৩ জন কৃষক কার্ড পাবেন। এছাড়া ফুলগাজীর ২৩৮ জন ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও পুরোহিতকে সম্মানী প্রদান করা হবে। রাজধানী ঢাকায় ফেরার আগে ওই স্থানে আয়োজিত জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে।
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নানা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বাবা ইস্কান্দার মজুমদারের গ্রামের বাড়ি ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার শ্রীপুরে। ফুলগাজীসহ তিনটি উপজেলা নিয়ে গঠিত ফেনী-১ আসনের সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের স্মৃতি জড়িত। ১৯৯১ সাল থেকে এ আসনে পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়া।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ