বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:৩৩ পি.এম
দুর্গাপূজা শুরু হতে আর কিছু দিন বাকি। এর মধ্যেই একাধিক সিনেমা মুক্তি পেতে চলেছে প্রেক্ষাগৃহে। তবে দর্শকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ‘দেশু ৭’। দেব ও শুভশ্রী গাঙ্গুলিকে বড়পর্দায় দেখতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন দর্শকরা। ইতোমধ্যে সিনেমাটির প্রচার কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
সম্প্রতি দেব ও শুভশ্রী ত্রিপুরায় উপস্থিত ছিলেন। আগরতলা এয়ারপোর্টে দুই তারকাকে স্বাগত জানাতে ভিড় উপচে পড়েছিল। আগরতলার চিলড্রেনস পার্কে ‘দেশু ৭’ সিনেমাটির বিশেষ প্রমোশন ও লাইভ ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়।
সেই অনুষ্ঠানে শুভশ্রী গাঙ্গুলিকে ককবরক ভাষায় কথা বলতে দেখা যায়। তবে এদিনের মূল আকর্ষণ ছিল দেব ও শুভশ্রীর রসায়ন। এমনকি ‘দেশু ৭’ সিনেমার জনপ্রিয় গান ‘তোর শুধু তোর’-এও পারফর্ম করেন তারা। পারফরম্যান্সের সময় শুভশ্রীর কপালে দেবের চুমু খাওয়ার দৃশ্যও দেখা যায়। সেই ভিডিও এখন সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে।
এক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন— ‘হায় ভগবান! এরা ছবির জন্য আর কী কী করবে।’ অন্য একজন নেটিজেন লিখেছেন— ‘রাজ বেচারা এসব দেখলে দুঃখে মরেই যাবে।’ আরেক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন— ‘এরা জানে বাঙালি কী খায়। এরা সেটাই দিচ্ছে।’ দেব-শুভশ্রীর রসায়ন মানেই আগুন। উফফফ! কেন তারা বিয়ে করেনি?
এর আগে দেব দাবি করেছিলেন, ‘তাকে এবং শুভশ্রীকে নিয়ে যে ধরনের মন্তব্য হচ্ছে, তাতে আজকাল সাবেকের সঙ্গে কথা বলতেও ভয় পাচ্ছেন। দুজন সবকিছু স্বাভাবিক করার চেষ্টা করলেও, আশপাশের মানুষেরা তা হতে দিচ্ছেন না।’ অভিনেতা দুঃখ প্রকাশ করে বলেছিলেন, যেভাবে তাদের নিয়ে জলঘোলা হচ্ছে, তাতে প্রমোশন করতেও ভয় পাচ্ছেন।
উল্লেখ্য, ‘দেশু ৭’ সিনেমার ম্যাজিক ফিরিয়ে এনেছিল ২০২৫ সালে মুক্তি পাওয়া ধূমকেতু সিনেমা। সেই সময় টালিপাড়ায় দেব কিছুটা কোনঠাসা ছিলেন। এমনকি ২০২৬ সালের পূজায় তাকে ছবি আনতে দেওয়া হচ্ছে না— এমন অভিযোগও শোনা গেছে। সেই সময় দেব শুভশ্রী গাঙ্গুলির কাছে পৌঁছান। ডিসেম্বরেই ছবির ঘোষণা করেন। দেবের বিশ্বাস ছিল— তিনি এবং শুভশ্রী বড়পর্দায় এলে ম্যাজিক হবেই। শুভশ্রী যখন ‘দেশু ৭’-এর জন্য সম্মতি দেন, তখন সিনেমার গল্প ও নাম কিছুই ভাবা হয়নি। শুধুমাত্র তাদের জুটির সপ্তম সিনেমা হিসেবে এটিকে দেশু ৭ নামকরণ করা হয়। বর্তমানে এটাই সিনেমার নাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পরশুরাম (ফেনী), ১ অক্টোবর, ২০২৬ : ফেনীতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ সুবিধা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প পুনর্বাসন (১ম পর্যায়)’ প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ দুপুরে পরশুরাম উপজেলার উপকণ্ঠে এবং খোয়াইঘাট মুহুরী ব্রিজ এলাকায় প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পের ফলক উন্মোচন করেন। এরপর তিনি স্থানীয় জনগণের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী সেখানে বৃক্ষরোপণ করেন।
প্রকল্পটি গত ১৬ জুন জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা অনুমিত ব্যয়ে অনুমোদন লাভ করে। প্রকল্পের আওতায় ৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ, ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখনন, ২৭টি সেচ অবকাঠামো পুনর্বাসন এবং ৭৭টি ইনলেট নির্মাণ করা হবে।
পরবর্তী পর্যায়ে মুহুরী ও কহুয়া নদীতে নতুন বাঁধ নির্মাণের পাশাপাশি সিলোনিয়া নদীতেও বাঁধ নির্মাণ, নদী খনন ও সংস্কারের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পটির কাজ ২০৩০ সালের মধ্যে শেষ করার সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী এবং ফেনী-৩ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল আউয়াল মিন্টু, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু, ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদীন এবং সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু।
প্রধানমন্ত্রী সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে সড়কপথে ঢাকার গুলশানের বাসভবন থেকে পরশুরামের উদ্দেশে রওনা হন। দুপুর সোয়া একটার দিকে তিনি ফেনীতে পৌঁছান। ফেনীতে নির্ধারিত কর্মসূচি শেষ করে তিনি আজ সন্ধ্যায় ঢাকায় ফেরার পরিকল্পনা করেছেন।
মুহুরী-কহুয়া প্রকল্প উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজীতে বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এরপর তিনি ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলো পরিদর্শন করবেন। সেখানে তিনি ছাদ ভিত্তিক (রুফটপ) সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের উদ্বোধন করবেন।
ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া উপজেলার সরকারি ভবনগুলোতে মোট ৯৬২.৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে ছাগলনাইয়ায় ৪১৫ কিলোওয়াট, পরশুরামে ২৯৮ কিলোওয়াট এবং ফুলগাজীতে ২৪৯ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ ব্যবস্থা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বিকেলে ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন। সেখানে তিনি ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান করবেন।
ফুলগাজীতে মোট ৫১০ জন ফ্যামিলি কার্ড এবং পুরো জেলাজুড়ে ৭ হাজার ৬৪৩ জন কৃষক কার্ড পাবেন। এছাড়া ফুলগাজীর ২৩৮ জন ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও পুরোহিতকে সম্মানী প্রদান করা হবে। রাজধানী ঢাকায় ফেরার আগে ওই স্থানে আয়োজিত জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে।
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নানা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বাবা ইস্কান্দার মজুমদারের গ্রামের বাড়ি ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার শ্রীপুরে। ফুলগাজীসহ তিনটি উপজেলা নিয়ে গঠিত ফেনী-১ আসনের সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের স্মৃতি জড়িত। ১৯৯১ সাল থেকে এ আসনে পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়া।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং তাইওয়ানের সঙ্গে পুনঃএকত্রীকরণের লক্ষ্য বাস্তবায়নে আরো জোরালোভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি তাইওয়ান প্রণালির দুই পাড়ের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে বুধবার চীনের জাতীয় দিবসের আগের দিন দেওয়া এক ভাষণে শি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কয়েকশ অতিথি, জানায় চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া। ভাষণে তিনি তাইওয়ানের স্বাধীনতার পক্ষে থাকা বিচ্ছিন্নতাবাদী তৎপরতার বিরোধিতা করেন। বাইরের শক্তির হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধেও তিনি অবস্থান জানান। শি বলেন, দুই পাড়ের সম্পর্কের শান্তিপূর্ণ উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে হবে এবং জাতীয় পুনঃএকত্রীকরণের লক্ষ্য সামনে রেখে প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। তাইওয়ানের স্বাধীনতাপন্থী শক্তির বিরুদ্ধে দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও তার বক্তব্যে উঠে আসে।
চীন দীর্ঘদিন ধরে তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে দাবি করে আসছে। অন্যদিকে, তাইওয়ান নিজস্ব সরকার ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় পরিচালিত হয়। বেইজিং পুনঃএকত্রীকরণের লক্ষ্য ঘোষণা করে আসছে এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের সম্ভাবনাও নাকচ করেনি। তাইওয়ান ইস্যুতে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনা হয়েছে। গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে শি ওয়াশিংটনকে তাইওয়ানের স্বাধীনতার বিরোধিতা করার আহ্বান জানান। তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে এ বিষয়ে ‘বিচক্ষণতা’ অবলম্বনের অনুরোধ করেন।
তাইওয়ানের নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং দ্বীপটি দেশটির কাছ থেকে সামরিক সরঞ্জাম ও অস্ত্র কিনে থাকে। তবে তাইওয়ানের জন্য বড় অঙ্কের একটি অস্ত্র চুক্তি ওয়াশিংটন স্থগিত রাখায় বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। ট্রাম্প চীনের সঙ্গে আলোচনায় অস্ত্র বিক্রির বিষয়টিকে দর-কষাকষির হাতিয়ার হিসেবেও উল্লেখ করেছিলেন। ১৯৪৯ সালের ১ অক্টোবর দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের অবসানের পর কমিউনিস্ট বাহিনীর বিজয়ের মধ্য দিয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠিত হয়। পরাজিত জাতীয়তাবাদী কুওমিনতাং বাহিনীর সদস্য ও সমর্থকদের একটি বড় অংশ পরে তাইওয়ানে আশ্রয় নেয়। এরপর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে রাজনৈতিক বিরোধ অব্যাহত রয়েছে।
জাতীয় দিবসের প্রাক্কালে দেওয়া বক্তব্যে চীনের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কথাও তুলে ধরেন শি। তিনি বলেন, দেশটি বর্তমানে জটিল অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় উন্নয়নের নতুন কাঠামো তৈরির কাজ আরো দ্রুত এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। চীনের পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নীতি বজায় রাখার কথাও জানান শি। পরিবর্তনশীল ও অস্থিতিশীল বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে চীনের আরো ইতিবাচক ভূমিকার ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফ্লাইদুবাইয়ের ভারতীয় পাইলট স্মিত মাচ্ছার গুরুতর জখম হয়ে প্রচুর রক্তক্ষরণের শিকার হন সহ-পাইলটের ছুরিকাঘাতে। তবে, গুরুতর আহত অবস্থাতেও মাচ্ছার সচেতন ছিলেন এবং কথাও বলছিলেন, এমনটি জানান ওই বিমানে উপস্থিত একমাত্র চিকিৎসক মুসায়েভ শোতা।
মাচ্ছার গুরুতর আহত অবস্থায় ককপিটের দরজা খুলে দেন। এই পরিস্থিতি বুঝতে পেরে, চিকিৎসক শোতা এবং অন্যান্য কয়েকজন দ্রুত ককপিটের দিকে ছুটে যান। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানাচ্ছে, সন্দেহভাজন হামলাকারীকে আটক করার পর, শোতা প্রথমে আহত পাইলটের চিকিৎসা শুরু করেন। শোতা বলেন, “আমি অপেক্ষা করিনি। বুঝতে পারলাম কিছু একটা ভুল হয়েছে এবং দৌড়ে যাই। সেখানে গিয়ে দেখলাম, মাচ্ছারের অবস্থা তখন খুবই খারাপ ছিল। তার মাথা ও হাত থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছিল।”
পরে, মাচ্ছারের রক্তপাত বন্ধ করার চেষ্টা করেন এই চিকিৎসক। তার ভাষায়, “পাইলটের মাথা ও হাতের ক্ষত এত গভীর ছিল যে সেগুলো প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার মতো দেখাচ্ছিল।”
শোতা আরও বলেন, “অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে মাচ্ছারের অবস্থা গুরুতর ছিল, তবে সংকটজনক পর্যায়ে ছিল না। বিমান অবতরণের কিছুক্ষণ আগে তার শারীরিক অবস্থার কিছুটা অবনতি হয়।”
আহত অবস্থায়, রক্তের মধ্যে বিমানের মেঝেতে পড়ে থাকলেও মাচ্ছার সচেতন ছিলেন। তিনি যাত্রীদের জানান, তার বয়স ৩৯ বছর এবং তার দুই সন্তান রয়েছে। শোতার ভাষ্য অনুযায়ী, হামলাকারী তাকে ছুরিকাঘাত করার পাশাপাশি গালাগালও করেছিল।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে শোতা জানান, আহত পাইলট পুরো সময় প্রার্থনা করছিলেন এবং তার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তাকে হারানোর আশঙ্কা হচ্ছিল বলেও জানান তিনি।
পরে বিমানটি সৌদি আরবের তাবুকে জরুরি অবতরণ করলে সৌদি চিকিৎসাকর্মীরা মাচ্ছারের চিকিৎসার দায়িত্ব নেন। তাদের কাছ থেকে শোতা জানতে পারেন, পাইলট বেঁচে গেছেন এবং বিপদমুক্ত হয়েছেন।
এদিকে, রিয়াদে ভারতের দূতাবাস ও জেদ্দায় ভারতীয় কনস্যুলেট জানিয়েছে, ক্যাপ্টেন মাচ্ছারের শারীরিক অবস্থার ওপর তারা নিবিড় নজর রাখছে। তিনি উত্তর-পশ্চিম সৌদি আরবের তাবুক শহরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রাথমিক তথ্যে তার অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছে ভারতীয় দূতাবাস।
দূতাবাস আরও জানিয়েছে, মাচ্ছারের পরিবারের সঙ্গে তারা যোগাযোগ রাখছে এবং সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে তার চিকিৎসা ও সুস্থতার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু জানিয়েছেন, কারিগরি সমীক্ষা সম্পন্ন হলে আগামী অর্থবছর থেকে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু হবে। তিনি উল্লেখ করেন, "তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে নদীর দুই পাড়ের প্রায় দুই কোটি মানুষের জীবনমানের পরিবর্তন ঘটবে।"
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলা প্রশাসনের নতুন ভবন উদ্বোধনকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, "১৭ বছর ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় রাষ্ট্রযন্ত্রকে পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে।" এর ফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনিয়ম ও দুর্নীতি এখনো বিদ্যমান রয়েছে। তিনি জানান, "আমরা এসব বিষয় নিয়ে কাজ করছি।"
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে জনগণের সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, "জনগণ ও প্রশাসন একসঙ্গে কাজ করলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে।"
কুড়িগ্রামের মানুষের কর্মসংস্থানের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, বিএনপি থেকে আসন না পাওয়া জেলার মানুষের কর্মসংস্থানের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, "এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।" পাশাপাশি সরকারের প্রতি মানুষের আস্থাও তৈরি হবে।
অনুষ্ঠানে কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, জেলা পরিষদ প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমানসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ