১১:২২ এম
আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় দেশের অঙ্গীকার আরও দৃঢ় হচ্ছে, এমনটাই জানিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেন, জাতিসংঘ-এর শান্তিরক্ষার নতুন উদ্যোগ হিসেবে হাইতিতে প্রতিষ্ঠিত ‘গ্যাং সাপ্রেশন ফোর্স’-এ বাংলাদেশের সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা অংশগ্রহণ করবেন।
তিনি বুধবার (১০ জুন) ঢাকা’র সেনাকুঞ্জে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এ কথা জানান।
জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এসময় বলেন, বর্তমানে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের নয়টি মিশনে বাংলাদেশ থেকে মোট ৪ হাজার ২১২ জন শান্তিরক্ষী নিয়োজিত আছেন। এর মধ্যে সেনাবাহিনী থেকে ৩ হাজার ৬০৮ জন, নৌবাহিনীর ৩০২ জন, বিমান বাহিনীর ২৬৭ জন এবং পুলিশের ৩৫ জন সদস্য রয়েছেন।
আরও পড়ুন: মাদক থেকে যুবসমাজকে দূরে রাখতে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী
তিনি আরও উল্লেখ করেন, পুরুষ সদস্যদের পাশাপাশি বাংলাদেশের নারী শান্তিরক্ষীরাও অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। সেনাপ্রধান বলেন, ‘অদ্যাবধি বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী এবং পুলিশের সর্বমোট ৩ হাজার ৯০৫ জন মহিলা শান্তিরক্ষী সফলভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে ২৯৪ জন মহিলা সদস্য শান্তি রক্ষার কাজে পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় নিয়োজিত আছেন।’
তিনি বলেন, ‘জাতিসংঘের আহ্বানে সাড়া দিয়ে ১৯৮৮ সাল থেকে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে চলেছে বাংলাদেশ। আজ বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ একটি স্বীকৃত এবং অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য নাম। তবে বর্তমান বিশ্বে শান্তিরক্ষা মিশনের প্রকৃত চ্যালেঞ্জ দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। আমাদের শান্তিরক্ষীরা নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উন্নত প্রশিক্ষণ, নৈতিক মূল্যবোধ, দক্ষতা ও নিরপেক্ষতার প্রমাণ রেখে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য সদা প্রস্তুত আছেন।’
গণনার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে সেনাপ্রধান বলেন, জাতিসংঘের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আধুনিক প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তির ব্যবহার, চিকিৎসা ও প্রকৌশল সহায়তা এবং নারী শান্তিরক্ষীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
আরও পড়ুন: সরকারের জরুরি নির্দেশ, ৭ নভেম্বর জাতীয় পতাকা উত্তোলন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন