মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:১২ পি.এম
ঢাকা, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাজধানীর মহাখালী অঞ্চলে পথচারীদের অবাধ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক মহাখালী জোন ফুটপাথের অবৈধ দোকানপাট ও হকারদের উচ্ছেদে একটি অভিযান পরিচালনা করেছে। আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত এই অভিযান অনুষ্ঠিত হয়।
ডিএমপির প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মহাখালী এলাকার নতুন ফুটওভার ব্রিজ থেকে টার্মিনাল ইনগেট পর্যন্ত ইনকামিং রাস্তার ফুটপাথ অবৈধভাবে দখল হয়ে যাওয়ার কারণে সাধারণ মানুষের চলাচলে চরম অসুবিধার সৃষ্টি হচ্ছিল। সাধারণ মানুষের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করার জন্য পুলিশ এই অভিযান পরিচালনা করে এবং ফুটপাথ থেকে ১৫টি অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করে রাস্তাটিকে চলাচলের উপযোগী করে তোলে।
পুলিশ জানিয়েছে, জনস্বার্থে এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সুশৃঙ্খল রাখতে এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাউজান পৌরসভার জনগুরুত্বপুর্ণ বেরুলীয়া সড়কটি বর্তমানে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। চট্টগ্রাম রাঙ্গামাটি সড়কের বেরুলীয়া নামক স্থান থেকে বাঁচা মিয়ার দোকান পর্যন্ত বিস্তৃত এই সড়কটি পাকিস্তান আমল থেকে অতিরিক্ত গুরুত্বপুর্ণ হিসাবে পরিচিত হয়ে আসছে।
সড়কটির কালিমন্দিরের পর থেকে দক্ষিণাংশে বড় বড় গর্ত এবং গর্ত দেখা যাচ্ছে। সড়কের দু-অংশে অল্প পরিমাণে সি.সি. ঢালাই রয়েছে। বাকী অংশের পিস ঢালাই উঠে গিয়ে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে, যা যেন মিনি পুকুরের মতো হয়ে গেছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কটিতে প্রতিদিন ছোট বড় গাড়ি চলাচল করছে। এলাকার যাত্রী সাধারণের অভিযোগ, ব্রিকফিল্ডের ইট বহনকারী ভারী ট্রাক চলাচলের কারণে এই সড়কটি একদম নষ্ট হয়ে গেছে। কিছুদিন আগে বেশ কয়েকটি সিএনজি অটোরিক্সা সড়কের গর্তে উল্টে গিয়ে মারাত্মক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিল।
সড়কের পাশে একটি উচ্চবিদ্যালয়, একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেশ কয়েকটি জুমা মসজিদ, একটি বড় মন্দির এবং নানাবিধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
সড়কের বাঁচামিয়ার দোকানের দক্ষিণাংশেও বেশ কয়েকটি গর্ত দেখা যায়। বর্তমানে এই সড়ক দিয়ে মাইক্রোবাস (হাইস), পিলডার, জিপ, বাস, ট্রাক চলাচল করতে পারছে না। তাও সিএনজি অটোরিক্সা ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।
কুয়েতে কর্মরত (রাউজানের বাসিন্দা) সিভিল ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম বলেন, "যে কোন মানুষের মূল দাবী টেকসই উন্নয়ন। আর এটি করতে হলে প্রকল্প তৈরির সময় সড়কের উচ্চতা দেখতে হবে। কারণ আমাদের দেশে ৬/৭ মাস বৃষ্টি হয়। সড়কের পাশে পানি জমে থাকে। সে পানির কারণে সড়কের দু-পাশ নরম হয়ে যায়। আর গাড়ি চলতে চলতে সড়কগুলা ভিতর থেকে ফাটল কিংবা ধ্বসে পড়ে। একসময় এসে সড়কে বড় বড় গর্ত জম্ম নেয়। তাই সড়ক টেকসই করার জন্য প্রথমে উচুঁ ভরাট। এরপর অন্যান্য পদক্ষেপ। তাহলে সড়ক সহজে ধেবে যাবেনা। টেকসই উন্নয়ন হবে।"
সড়কের বিষয়ে জানতে চাইলে রাউজান পৌরসভার প্রধান প্রকৌশলী শাহিন হোসাইন জানান, "আমরা সড়কটি সংস্কারের জন্য এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) অবকাঠামো উন্নয়ন থেকে প্রকল্প পাশ করেছি। আগামী সপ্তাহে পত্রিকার মাধ্যমে টেন্ডারে যাবে।" তিনি জানান, দ্রুত সময়ের মধ্য সড়কটির কাজ সম্পন্ন করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নিউইয়র্কে প্রচণ্ড গরম কেবল অস্বস্তির বিষয় নয়, বরং এটি জনস্বাস্থ্যের জন্যও একটি ঝুঁকি। সিটির স্বাস্থ্য বিভাগের ২০২৬ সালের প্রতিবেদন অনুসারে, গরমের কারণে বা গরমের ফলে বিদ্যমান অসুস্থতার কারণে প্রতি বছর আনুমানিক ৫০০ নিউইয়র্কবাসীর মৃত্যু ঘটে। এই প্রেক্ষাপটে, ২০২৬ অর্থবছরে শহরের বিভিন্ন স্থানে ১৮ হাজার ২৬১টি গাছ লাগানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে পার্কস বিভাগ, যা ২০১৬ সালের পর এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ গাছ লাগানোর সংখ্যা।
সিটি কর্তৃপক্ষের দাবি, নতুন গাছের অধিকাংশই লাগানো হয়েছে সেই সব এলাকায়, যেখানে প্রচণ্ড গরমের ঝুঁকি বেশি। এই তালিকায় রয়েছে ব্রাউনসভিল, মট হেভেন, ইস্ট হারলেম এবং সাউথ ওজোন পার্ক। বিশেষ করে ব্রাউনসভিল ও ইস্ট হারলেমে গরমের ঝুঁকিতে থাকা বাসিন্দাদের জন্য স্বাস্থ্য বিভাগ এ বছর নতুন শীতল আশ্রয়কেন্দ্রও চালু করেছে।
কেন এসব এলাকায় গাছ লাগানো জরুরি, তা সিটির কম্পট্রোলারের একটি প্রতিবেদনে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নিউইয়র্কের বিভিন্ন এলাকায় গাছের ছায়া সমানভাবে বিতরণ নেই। সাউথ ব্রঙ্কস ও সেন্ট্রাল ব্রুকলিনের কিছু অংশে গাছের আচ্ছাদন কম, ফলে সেখানে ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা এবং গরমজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি বেশি।
তবে গাছ লাগানোর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও তাৎক্ষণিকভাবে বেশি ছায়া পাওয়া যাবে না। কম্পট্রোলারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শহরে গাছের আচ্ছাদন বৃদ্ধিতে পূর্বে লাগানো গাছের বৃদ্ধি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নতুন গাছগুলোকে টিকিয়ে রাখতে প্রথম কয়েক বছর নিয়মিত পানি দেওয়া, মাটি ও গোড়ার পরিচর্যা অত্যাবশ্যক। পরিচর্যায় কর্মী ও অর্থের অভাবের বিষয়টিও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
নিউইয়র্কের লক্ষ্য হলো ২০৪০ সালের মধ্যে শহরের ৩০ শতাংশ জমিকে গাছের ছায়ার আওতায় নিয়ে আসা। তাই ১৮ হাজার গাছ লাগানোর পরবর্তী প্রশ্ন হলো - গাছগুলো কতটা টিকে থাকবে এবং যেসব পাড়ায় ছায়ার ঘাটতি সবচেয়ে বেশি, সেখানকার বাসিন্দারা কতটা সুফল পাবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ব হার্ট দিবস উপলক্ষে পিরোজপুরে একটি র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে পিরোজপুর হার্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে সকালে জেলা হাসপাতালের সামনে থেকে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। এরপর সেখানে হৃদ্রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভাটি পিরোজপুর হার্ট ফাউন্ডেশনের সভাপতি অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম দিপুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা সুফল চন্দ্র গোলদার।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর ডায়াবেটিস সমিতির সিনিয়র চিকিৎসক ডা. হাবিবুর রহমান, হার্ট ফাউন্ডেশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান নাসিম আলী, জেলা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) নিজাম উদ্দিন, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এস এম সাইদুল ইসলাম কিসমত, জেলা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হারুন অর রশিদ ও সাধারণ সম্পাদক আহসানুল কবির।
বক্তারা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত শরীরচর্চা, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান পরিহার, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে হৃদ্রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।
আলোচনা সভায় হার্ট ফাউন্ডেশনের সদস্য, চিকিৎসক, ব্যবসায়ী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষসহ সংশ্লিষ্টরা অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহৎ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টে (এনওয়াইপিডি) বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের অভূতপূর্ব উত্থান ঘটেছে। কয়েক দশক পূর্বে এই বাহিনীতে বাংলাদেশিদের সংখ্যা ছিল হাতে গোনা, কিন্তু বর্তমানে দৃশ্যপট সম্পূর্ণ পাল্টে গেছে। এনওয়াইপিডি-র প্রায় ৩৩ হাজার ইউনিফর্মধারী সদস্যের মধ্যে এখন এক হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি-আমেরিকান কর্মকর্তা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।
এছাড়াও, পুলিশ বিভাগের বিভিন্ন বেসামরিক পদে কাজ করছেন আরও প্রায় দেড় হাজার বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কর্মী। নিউইয়র্কে বাংলাদেশি অভিবাসী সম্প্রদায়ের আকার বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ বিভাগেও তাদের এই সম্মানজনক বিস্তৃতি ঘটেছে।
বাংলাদেশি-আমেরিকান পুলিশ কর্মকর্তাদের সংগঠনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা শামসুল হক ২০০৪ সালে যখন এনওয়াইপিডিতে যোগ দেন, তখন সেখানে বাংলাদেশিদের সংখ্যা ছিল খুবই নগণ্য। তিনি জানান, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের মর্মান্তিক সন্ত্রাসী হামলার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশি ও মুসলিম তরুণদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়।
১৯৯১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানো শামসুল হকের সামনে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে পড়াশোনা শেষে বেসরকারি খাতে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ ছিল। কিন্তু ৯/১১-এর হামলার পর পরিবারের সংশয়কে পেছনে ফেলে তিনি পুলিশ একাডেমিতে ভর্তির সাহসী সিদ্ধান্ত নেন। তার একাগ্রতার ফলস্বরূপ, তিনি চলতি বছরের শুরুতে অবসরে যাওয়ার আগে নিউইয়র্ক পুলিশের ইতিহাসে প্রথম দক্ষিণ এশীয় এবং প্রথম মুসলিম লেফটেন্যান্ট কমান্ডার হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে ইতিহাস গড়েন।
নতুন অভিবাসী বাংলাদেশিদের জন্য নিউইয়র্ক পুলিশে প্রবেশের একটি কার্যকর পদক্ষেপ হলো বাহিনীর বেসামরিক পদগুলো। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব না থাকলেও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, স্কুল নিরাপত্তা কিংবা জরুরি সেবা নম্বরের অপারেটর হিসেবে কাজ করার সুযোগ পান অভিবাসীরা।
পরবর্তীতে নাগরিকত্ব পাওয়ার পর এই পূর্ব-অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তারা সহজেই পুলিশ একাডেমিতে আবেদন করে ইউনিফর্মধারী কর্মকর্তা হওয়ার সুযোগ পান। শামসুল হকের হিসাব অনুযায়ী, নিউইয়র্ক পুলিশের প্রায় ৬০ শতাংশ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ইউনিফর্মধারী কর্মকর্তা এই পথ অনুসরণ করেই মূল বাহিনীতে এসেছেন। এর মাধ্যমে তারা আগে থেকেই পুলিশের কর্মপরিবেশ ও দায়িত্বের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পান, যা তাদের পেশাগত জীবনে দারুণ সহায়ক হয়।
কেবল সংখ্যাতেই নয়, যোগ্যতার ভিত্তিতে নিউইয়র্ক পুলিশের নানা গুরুত্বপূর্ণ পদে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশিরা। বাংলাদেশি-আমেরিকান পুলিশ কর্মকর্তাদের সংগঠনের বর্তমান সভাপতি সার্জেন্ট এরশাদুর সিদ্দিকের দেওয়া তথ্যমতে, বর্তমানে নিউইয়র্ক পুলিশে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ১০ জন গোয়েন্দা (ডিটেকটিভ), ৮২ জন সার্জেন্ট, ২০ জন লেফটেন্যান্ট এবং চারজন ইন্সপেক্টর অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে কাজ করছেন।
কর্মরত এসব কর্মকর্তারা প্রতিনিয়ত নিজ কমিউনিটির তরুণ ও নতুন অভিবাসীদের এই সম্মানজনক পেশায় আসতে উৎসাহিত করছেন। উল্লেখ্য, বৈচিত্র্যময় নিউইয়র্ক পুলিশের বর্তমান ইউনিফর্মধারী সদস্যদের মধ্যে প্রায় ৩৮ শতাংশ শ্বেতাঙ্গ, ৩৩ শতাংশ হিস্পানিক, ১৭ শতাংশ কৃষ্ণাঙ্গ এবং ১২ শতাংশ এশীয়। একসময়ের সীমিত উপস্থিতি থেকে আজকের এই হাজার ছাড়ানো সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি অভিবাসী কমিউনিটির পেশাগত সফলতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ