মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:১৩ পি.এম
নিউইয়র্কে প্রচণ্ড গরম কেবল অস্বস্তির বিষয় নয়, বরং এটি জনস্বাস্থ্যের জন্যও একটি ঝুঁকি। সিটির স্বাস্থ্য বিভাগের ২০২৬ সালের প্রতিবেদন অনুসারে, গরমের কারণে বা গরমের ফলে বিদ্যমান অসুস্থতার কারণে প্রতি বছর আনুমানিক ৫০০ নিউইয়র্কবাসীর মৃত্যু ঘটে। এই প্রেক্ষাপটে, ২০২৬ অর্থবছরে শহরের বিভিন্ন স্থানে ১৮ হাজার ২৬১টি গাছ লাগানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে পার্কস বিভাগ, যা ২০১৬ সালের পর এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ গাছ লাগানোর সংখ্যা।
সিটি কর্তৃপক্ষের দাবি, নতুন গাছের অধিকাংশই লাগানো হয়েছে সেই সব এলাকায়, যেখানে প্রচণ্ড গরমের ঝুঁকি বেশি। এই তালিকায় রয়েছে ব্রাউনসভিল, মট হেভেন, ইস্ট হারলেম এবং সাউথ ওজোন পার্ক। বিশেষ করে ব্রাউনসভিল ও ইস্ট হারলেমে গরমের ঝুঁকিতে থাকা বাসিন্দাদের জন্য স্বাস্থ্য বিভাগ এ বছর নতুন শীতল আশ্রয়কেন্দ্রও চালু করেছে।
কেন এসব এলাকায় গাছ লাগানো জরুরি, তা সিটির কম্পট্রোলারের একটি প্রতিবেদনে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নিউইয়র্কের বিভিন্ন এলাকায় গাছের ছায়া সমানভাবে বিতরণ নেই। সাউথ ব্রঙ্কস ও সেন্ট্রাল ব্রুকলিনের কিছু অংশে গাছের আচ্ছাদন কম, ফলে সেখানে ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা এবং গরমজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি বেশি।
তবে গাছ লাগানোর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও তাৎক্ষণিকভাবে বেশি ছায়া পাওয়া যাবে না। কম্পট্রোলারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শহরে গাছের আচ্ছাদন বৃদ্ধিতে পূর্বে লাগানো গাছের বৃদ্ধি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নতুন গাছগুলোকে টিকিয়ে রাখতে প্রথম কয়েক বছর নিয়মিত পানি দেওয়া, মাটি ও গোড়ার পরিচর্যা অত্যাবশ্যক। পরিচর্যায় কর্মী ও অর্থের অভাবের বিষয়টিও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
নিউইয়র্কের লক্ষ্য হলো ২০৪০ সালের মধ্যে শহরের ৩০ শতাংশ জমিকে গাছের ছায়ার আওতায় নিয়ে আসা। তাই ১৮ হাজার গাছ লাগানোর পরবর্তী প্রশ্ন হলো - গাছগুলো কতটা টিকে থাকবে এবং যেসব পাড়ায় ছায়ার ঘাটতি সবচেয়ে বেশি, সেখানকার বাসিন্দারা কতটা সুফল পাবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ব হার্ট দিবস উপলক্ষে পিরোজপুরে একটি র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে পিরোজপুর হার্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে সকালে জেলা হাসপাতালের সামনে থেকে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। এরপর সেখানে হৃদ্রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভাটি পিরোজপুর হার্ট ফাউন্ডেশনের সভাপতি অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম দিপুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা সুফল চন্দ্র গোলদার।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর ডায়াবেটিস সমিতির সিনিয়র চিকিৎসক ডা. হাবিবুর রহমান, হার্ট ফাউন্ডেশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান নাসিম আলী, জেলা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) নিজাম উদ্দিন, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এস এম সাইদুল ইসলাম কিসমত, জেলা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হারুন অর রশিদ ও সাধারণ সম্পাদক আহসানুল কবির।
বক্তারা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত শরীরচর্চা, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান পরিহার, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে হৃদ্রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।
আলোচনা সভায় হার্ট ফাউন্ডেশনের সদস্য, চিকিৎসক, ব্যবসায়ী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষসহ সংশ্লিষ্টরা অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহৎ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টে (এনওয়াইপিডি) বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের অভূতপূর্ব উত্থান ঘটেছে। কয়েক দশক পূর্বে এই বাহিনীতে বাংলাদেশিদের সংখ্যা ছিল হাতে গোনা, কিন্তু বর্তমানে দৃশ্যপট সম্পূর্ণ পাল্টে গেছে। এনওয়াইপিডি-র প্রায় ৩৩ হাজার ইউনিফর্মধারী সদস্যের মধ্যে এখন এক হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি-আমেরিকান কর্মকর্তা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।
এছাড়াও, পুলিশ বিভাগের বিভিন্ন বেসামরিক পদে কাজ করছেন আরও প্রায় দেড় হাজার বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কর্মী। নিউইয়র্কে বাংলাদেশি অভিবাসী সম্প্রদায়ের আকার বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ বিভাগেও তাদের এই সম্মানজনক বিস্তৃতি ঘটেছে।
বাংলাদেশি-আমেরিকান পুলিশ কর্মকর্তাদের সংগঠনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা শামসুল হক ২০০৪ সালে যখন এনওয়াইপিডিতে যোগ দেন, তখন সেখানে বাংলাদেশিদের সংখ্যা ছিল খুবই নগণ্য। তিনি জানান, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের মর্মান্তিক সন্ত্রাসী হামলার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশি ও মুসলিম তরুণদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়।
১৯৯১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানো শামসুল হকের সামনে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে পড়াশোনা শেষে বেসরকারি খাতে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ ছিল। কিন্তু ৯/১১-এর হামলার পর পরিবারের সংশয়কে পেছনে ফেলে তিনি পুলিশ একাডেমিতে ভর্তির সাহসী সিদ্ধান্ত নেন। তার একাগ্রতার ফলস্বরূপ, তিনি চলতি বছরের শুরুতে অবসরে যাওয়ার আগে নিউইয়র্ক পুলিশের ইতিহাসে প্রথম দক্ষিণ এশীয় এবং প্রথম মুসলিম লেফটেন্যান্ট কমান্ডার হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে ইতিহাস গড়েন।
নতুন অভিবাসী বাংলাদেশিদের জন্য নিউইয়র্ক পুলিশে প্রবেশের একটি কার্যকর পদক্ষেপ হলো বাহিনীর বেসামরিক পদগুলো। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব না থাকলেও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, স্কুল নিরাপত্তা কিংবা জরুরি সেবা নম্বরের অপারেটর হিসেবে কাজ করার সুযোগ পান অভিবাসীরা।
পরবর্তীতে নাগরিকত্ব পাওয়ার পর এই পূর্ব-অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তারা সহজেই পুলিশ একাডেমিতে আবেদন করে ইউনিফর্মধারী কর্মকর্তা হওয়ার সুযোগ পান। শামসুল হকের হিসাব অনুযায়ী, নিউইয়র্ক পুলিশের প্রায় ৬০ শতাংশ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ইউনিফর্মধারী কর্মকর্তা এই পথ অনুসরণ করেই মূল বাহিনীতে এসেছেন। এর মাধ্যমে তারা আগে থেকেই পুলিশের কর্মপরিবেশ ও দায়িত্বের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পান, যা তাদের পেশাগত জীবনে দারুণ সহায়ক হয়।
কেবল সংখ্যাতেই নয়, যোগ্যতার ভিত্তিতে নিউইয়র্ক পুলিশের নানা গুরুত্বপূর্ণ পদে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশিরা। বাংলাদেশি-আমেরিকান পুলিশ কর্মকর্তাদের সংগঠনের বর্তমান সভাপতি সার্জেন্ট এরশাদুর সিদ্দিকের দেওয়া তথ্যমতে, বর্তমানে নিউইয়র্ক পুলিশে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ১০ জন গোয়েন্দা (ডিটেকটিভ), ৮২ জন সার্জেন্ট, ২০ জন লেফটেন্যান্ট এবং চারজন ইন্সপেক্টর অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে কাজ করছেন।
কর্মরত এসব কর্মকর্তারা প্রতিনিয়ত নিজ কমিউনিটির তরুণ ও নতুন অভিবাসীদের এই সম্মানজনক পেশায় আসতে উৎসাহিত করছেন। উল্লেখ্য, বৈচিত্র্যময় নিউইয়র্ক পুলিশের বর্তমান ইউনিফর্মধারী সদস্যদের মধ্যে প্রায় ৩৮ শতাংশ শ্বেতাঙ্গ, ৩৩ শতাংশ হিস্পানিক, ১৭ শতাংশ কৃষ্ণাঙ্গ এবং ১২ শতাংশ এশীয়। একসময়ের সীমিত উপস্থিতি থেকে আজকের এই হাজার ছাড়ানো সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি অভিবাসী কমিউনিটির পেশাগত সফলতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নে অভিযান পরিচালনা করে ১ লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১৫। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পূর্ব ফারির বিল এলাকায় এই অভিযানটি পরিচালিত হয়।
এসআরবি-১৫-এর সূত্র অনুযায়ী, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে হোয়াইক্যং ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল জানতে পারে যে, পূর্ব ফারির বিল এলাকায় কিছু মাদক কারবারি ইয়াবা ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে মজুদ করেছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে সকাল আনুমানিক ১০টা ৪০ মিনিটে এসআরবি-১৫-এর একটি চৌকস দল উখিয়া থানাধীন পূর্ব ফারির বিলের দুদু মিয়ার বাড়ির এলাকায় অভিযান শুরু করে।
অভিযানিক দলের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারিরা কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পরে স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় দুদু মিয়ার বাড়ির গেটের সামনে একটি ড্রেনের ভেতর থেকে ১০টি কার্টনে রাখা বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। গণনা করে দেখা যায়, এসব কার্টনে মোট ১ লাখ পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে।
এসআরবি-১৫ জানায়, উদ্ধারকৃত ইয়াবা বিধি মোতাবেক জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় পলাতক মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদ্ধার করা ইয়াবা ও অন্যান্য আলামত উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এদিকে, মাদকের বিরুদ্ধে এসআরবি-১৫-এর অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে ফয়সাল নামের এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে স্থানীয় এক তরুণীর। অভিযোগ উঠেছে, তাকে ওই তরুণীর খাটের নিচ থেকে ধরে নিয়ে ‘চোর’ অপবাদ দিয়ে গণপিটুনি দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় ফয়সাল গুরুতর আহত হয়েছেন।
চরগাজী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নুরুল্লাহ সমাজ এলাকায় গত ২৭ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে এই ঘটনা ঘটে।
ফয়সালের বাবা গোলাম মাওলা মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রামগতি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন, যেখানে অভিযুক্তদের মধ্যে ওয়ারেছসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীর পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, গোলাম মাওলার ছেলে ফয়সালের সঙ্গে ওই তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ২৭ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে ফয়সাল তরুণীর সঙ্গে দেখা করতে তার বাড়িতে যান। এ সময় তরুণীর পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় কয়েকজন তাকে খাটের নিচ থেকে আটক করে। পরে তাকে বেঁধে রেখে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন তার স্বজনরা। এতে ফয়সালের শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম হয়।
ফয়সালের বাবা গোলাম মাওলা অভিযোগ করেন, ছেলেকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য তার কাছে এক লাখ টাকা দাবি করা হয়েছিল। পরে স্থানীয় লোকজনের চাপের মুখে অভিযুক্তরা ফয়সালকে ইউপি সদস্য ফরিদ মেম্বারের জিম্মায় দিয়ে দেন।
ইউপি সদস্য ফরিদ মেম্বার বলেন, ফয়সালকে আটকের খবর পেয়ে তাকে আমার কাছে আনা হয়। প্রথমে তাকে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছি। বিষয়টি সামাজিকভাবে বসে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্ত ওয়ারেছ জানান, ফয়সাল তার বোনের ঘরের খাটের নিচে লুকিয়ে ছিলেন। সেখান থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে স্থানীয় কয়েকজন যুবক মারধরের চেষ্টা করলে তিনি কয়েকজনের সহায়তায় ফয়সালকে উদ্ধার করে ইউপি সদস্যের জিম্মায় দেন।
রামগতি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লিটন দেওয়ান বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ