মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:১৪ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহৎ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টে (এনওয়াইপিডি) বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের অভূতপূর্ব উত্থান ঘটেছে। কয়েক দশক পূর্বে এই বাহিনীতে বাংলাদেশিদের সংখ্যা ছিল হাতে গোনা, কিন্তু বর্তমানে দৃশ্যপট সম্পূর্ণ পাল্টে গেছে। এনওয়াইপিডি-র প্রায় ৩৩ হাজার ইউনিফর্মধারী সদস্যের মধ্যে এখন এক হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি-আমেরিকান কর্মকর্তা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।
এছাড়াও, পুলিশ বিভাগের বিভিন্ন বেসামরিক পদে কাজ করছেন আরও প্রায় দেড় হাজার বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কর্মী। নিউইয়র্কে বাংলাদেশি অভিবাসী সম্প্রদায়ের আকার বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ বিভাগেও তাদের এই সম্মানজনক বিস্তৃতি ঘটেছে।
বাংলাদেশি-আমেরিকান পুলিশ কর্মকর্তাদের সংগঠনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা শামসুল হক ২০০৪ সালে যখন এনওয়াইপিডিতে যোগ দেন, তখন সেখানে বাংলাদেশিদের সংখ্যা ছিল খুবই নগণ্য। তিনি জানান, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের মর্মান্তিক সন্ত্রাসী হামলার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশি ও মুসলিম তরুণদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়।
১৯৯১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানো শামসুল হকের সামনে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে পড়াশোনা শেষে বেসরকারি খাতে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ ছিল। কিন্তু ৯/১১-এর হামলার পর পরিবারের সংশয়কে পেছনে ফেলে তিনি পুলিশ একাডেমিতে ভর্তির সাহসী সিদ্ধান্ত নেন। তার একাগ্রতার ফলস্বরূপ, তিনি চলতি বছরের শুরুতে অবসরে যাওয়ার আগে নিউইয়র্ক পুলিশের ইতিহাসে প্রথম দক্ষিণ এশীয় এবং প্রথম মুসলিম লেফটেন্যান্ট কমান্ডার হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে ইতিহাস গড়েন।
নতুন অভিবাসী বাংলাদেশিদের জন্য নিউইয়র্ক পুলিশে প্রবেশের একটি কার্যকর পদক্ষেপ হলো বাহিনীর বেসামরিক পদগুলো। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব না থাকলেও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, স্কুল নিরাপত্তা কিংবা জরুরি সেবা নম্বরের অপারেটর হিসেবে কাজ করার সুযোগ পান অভিবাসীরা।
পরবর্তীতে নাগরিকত্ব পাওয়ার পর এই পূর্ব-অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তারা সহজেই পুলিশ একাডেমিতে আবেদন করে ইউনিফর্মধারী কর্মকর্তা হওয়ার সুযোগ পান। শামসুল হকের হিসাব অনুযায়ী, নিউইয়র্ক পুলিশের প্রায় ৬০ শতাংশ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ইউনিফর্মধারী কর্মকর্তা এই পথ অনুসরণ করেই মূল বাহিনীতে এসেছেন। এর মাধ্যমে তারা আগে থেকেই পুলিশের কর্মপরিবেশ ও দায়িত্বের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পান, যা তাদের পেশাগত জীবনে দারুণ সহায়ক হয়।
কেবল সংখ্যাতেই নয়, যোগ্যতার ভিত্তিতে নিউইয়র্ক পুলিশের নানা গুরুত্বপূর্ণ পদে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশিরা। বাংলাদেশি-আমেরিকান পুলিশ কর্মকর্তাদের সংগঠনের বর্তমান সভাপতি সার্জেন্ট এরশাদুর সিদ্দিকের দেওয়া তথ্যমতে, বর্তমানে নিউইয়র্ক পুলিশে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ১০ জন গোয়েন্দা (ডিটেকটিভ), ৮২ জন সার্জেন্ট, ২০ জন লেফটেন্যান্ট এবং চারজন ইন্সপেক্টর অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে কাজ করছেন।
কর্মরত এসব কর্মকর্তারা প্রতিনিয়ত নিজ কমিউনিটির তরুণ ও নতুন অভিবাসীদের এই সম্মানজনক পেশায় আসতে উৎসাহিত করছেন। উল্লেখ্য, বৈচিত্র্যময় নিউইয়র্ক পুলিশের বর্তমান ইউনিফর্মধারী সদস্যদের মধ্যে প্রায় ৩৮ শতাংশ শ্বেতাঙ্গ, ৩৩ শতাংশ হিস্পানিক, ১৭ শতাংশ কৃষ্ণাঙ্গ এবং ১২ শতাংশ এশীয়। একসময়ের সীমিত উপস্থিতি থেকে আজকের এই হাজার ছাড়ানো সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি অভিবাসী কমিউনিটির পেশাগত সফলতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নে অভিযান পরিচালনা করে ১ লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১৫। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পূর্ব ফারির বিল এলাকায় এই অভিযানটি পরিচালিত হয়।
এসআরবি-১৫-এর সূত্র অনুযায়ী, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে হোয়াইক্যং ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল জানতে পারে যে, পূর্ব ফারির বিল এলাকায় কিছু মাদক কারবারি ইয়াবা ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে মজুদ করেছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে সকাল আনুমানিক ১০টা ৪০ মিনিটে এসআরবি-১৫-এর একটি চৌকস দল উখিয়া থানাধীন পূর্ব ফারির বিলের দুদু মিয়ার বাড়ির এলাকায় অভিযান শুরু করে।
অভিযানিক দলের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারিরা কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পরে স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় দুদু মিয়ার বাড়ির গেটের সামনে একটি ড্রেনের ভেতর থেকে ১০টি কার্টনে রাখা বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। গণনা করে দেখা যায়, এসব কার্টনে মোট ১ লাখ পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে।
এসআরবি-১৫ জানায়, উদ্ধারকৃত ইয়াবা বিধি মোতাবেক জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় পলাতক মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদ্ধার করা ইয়াবা ও অন্যান্য আলামত উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এদিকে, মাদকের বিরুদ্ধে এসআরবি-১৫-এর অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে ফয়সাল নামের এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে স্থানীয় এক তরুণীর। অভিযোগ উঠেছে, তাকে ওই তরুণীর খাটের নিচ থেকে ধরে নিয়ে ‘চোর’ অপবাদ দিয়ে গণপিটুনি দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় ফয়সাল গুরুতর আহত হয়েছেন।
চরগাজী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নুরুল্লাহ সমাজ এলাকায় গত ২৭ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে এই ঘটনা ঘটে।
ফয়সালের বাবা গোলাম মাওলা মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রামগতি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন, যেখানে অভিযুক্তদের মধ্যে ওয়ারেছসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীর পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, গোলাম মাওলার ছেলে ফয়সালের সঙ্গে ওই তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ২৭ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে ফয়সাল তরুণীর সঙ্গে দেখা করতে তার বাড়িতে যান। এ সময় তরুণীর পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় কয়েকজন তাকে খাটের নিচ থেকে আটক করে। পরে তাকে বেঁধে রেখে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন তার স্বজনরা। এতে ফয়সালের শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম হয়।
ফয়সালের বাবা গোলাম মাওলা অভিযোগ করেন, ছেলেকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য তার কাছে এক লাখ টাকা দাবি করা হয়েছিল। পরে স্থানীয় লোকজনের চাপের মুখে অভিযুক্তরা ফয়সালকে ইউপি সদস্য ফরিদ মেম্বারের জিম্মায় দিয়ে দেন।
ইউপি সদস্য ফরিদ মেম্বার বলেন, ফয়সালকে আটকের খবর পেয়ে তাকে আমার কাছে আনা হয়। প্রথমে তাকে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছি। বিষয়টি সামাজিকভাবে বসে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্ত ওয়ারেছ জানান, ফয়সাল তার বোনের ঘরের খাটের নিচে লুকিয়ে ছিলেন। সেখান থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে স্থানীয় কয়েকজন যুবক মারধরের চেষ্টা করলে তিনি কয়েকজনের সহায়তায় ফয়সালকে উদ্ধার করে ইউপি সদস্যের জিম্মায় দেন।
রামগতি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লিটন দেওয়ান বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নিউইয়র্ক থেকে বাংলাদেশ বা যুক্তরাষ্ট্রের অন্য রাজ্যে যাওয়ার জন্য টিকিট খোঁজার সময় যদি শুধুমাত্র একটি বিমানবন্দর এবং নির্দিষ্ট তারিখে সীমাবদ্ধ থাকেন, তাহলে কম দামের ফ্লাইটগুলো আপনার দৃষ্টির বাইরে চলে যেতে পারে। জন এফ কেনেডি, লাগার্ডিয়া এবং নিউয়ার্ক বিমানবন্দরের ভাড়া এবং আশপাশের কয়েক দিনের যাত্রার তারিখ তুলনা করে সাশ্রয়ের সুযোগ পাওয়া সম্ভব। তবে, কোনো কৌশল অনুসরণ করলেও ৩০০ ডলার সাশ্রয়ের নিশ্চয়তা পাওয়া যায় না।
গুগল ফ্লাইটসে যাত্রার শহর দিয়ে খোঁজার পাশাপাশি আলাদাভাবে বিমানবন্দরগুলো দেখার সুযোগ রয়েছে। লাগার্ডিয়া থেকে দেশের অভ্যন্তরীণ যাত্রা এবং জেএফকে বা নিউয়ার্ক থেকে আন্তর্জাতিক যাত্রার ভাড়া তুলনা করা উচিত। ফেরার ফ্লাইট অন্য বিমানবন্দরে নামলে দাম কমছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। বিমানবন্দর পরিবর্তন করলে সেখানে যাওয়া-আসার খরচ ও সময় মোট হিসাবের সঙ্গে যোগ করতে হবে।
যাত্রার তারিখে কিছুটা ছাড় থাকলে ক্যালেন্ডারে কয়েক দিন আগে-পরে ভাড়া দেখার চেষ্টা করুন। গুগল ফ্লাইটস প্রতিদিনের সর্বনিম্ন প্রদর্শিত ভাড়া দেখায়। স্কাইস্ক্যানারের ‘হোল মান্থ’ সুবিধা ব্যবহার করে পুরো মাসের বিভিন্ন দিনের দাম তুলনা করা যেতে পারে। পছন্দের ফ্লাইটের দাম নজরে রাখতে গুগল ফ্লাইটসে প্রাইস ট্র্যাকিং চালু করলে পরিবর্তনের খবর ইমেইলে পাওয়া যাবে।
টিকিট কাটতে মঙ্গলবার বা বুধবার দুপুর ১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত অপেক্ষা করা আবশ্যক এমন কোনো নির্ভরযোগ্য নিয়ম নেই। গুগলের প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লাইট তথ্য অনুযায়ী, টিকিট কেনার দিনের কারণে গড় দামে পার্থক্য খুব সামান্য। একইভাবে, দেশের অভ্যন্তরীণ টিকিট ২১ থেকে ৪৫ দিন এবং আন্তর্জাতিক টিকিট দুই থেকে চার মাস আগে কাটলে সেরা দাম পাওয়া যাবে এমন নিশ্চয়তাও নেই। রুট, মৌসুম এবং যাত্রার তারিখ অনুযায়ী উপযুক্ত সময় পরিবর্তিত হয়।
সরাসরি ফ্লাইটের পাশাপাশি একবার যাত্রাবিরতির ফ্লাইটগুলোও তুলনা করা উচিত। কম ভাড়া দেখালেও যাত্রার মোট সময়, সংযোগকারী ফ্লাইট ধরার সুযোগ এবং লাগেজের নিয়ম দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি। কম দামের টিকিটে ব্যাগেজ ও আসন বাছাইয়ের আলাদা খরচ থাকলে শেষ পর্যন্ত মোট দাম বেড়ে যেতে পারে।
ক্রেডিট কার্ড পয়েন্ট বা এয়ারলাইন মাইলস থাকলে টিকিট কাটার আগে কত পয়েন্ট প্রয়োজন এবং সঙ্গে কত কর বা ফি দিতে হচ্ছে, তা মিলিয়ে নিন। পয়েন্ট ব্যবহার করলেই টিকিট পুরোপুরি বিনা খরচে পাওয়া যায় না। বুকিংয়ের আগে এয়ারলাইনের নিজস্ব সাইটে চূড়ান্ত দাম এবং টিকিট পরিবর্তন ও বাতিলের শর্তও দেখে নেওয়া উচিত। যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এয়ারলাইনের জন্য প্রযোজ্য ২৪ ঘণ্টার বুকিং সংক্রান্ত নিয়ম তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে কেনা টিকিটে সরাসরি প্রযোজ্য নয়।
বারবার একই ফ্লাইট খোঁজার ফলে কুকির কারণে দাম বাড়ে, তাই ইনকগনিটো মোডে টিকিট কাটার প্রয়োজন এমন দাবির কোনো ভিত্তি পাওয়া যায়নি। ভাড়া বদলাতে দেখলে যাত্রার তারিখ, ব্যাগেজসহ মোট দাম এবং বুকিংয়ের শর্ত আবার মিলিয়ে দেখা অধিক কার্যকর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগামী জানুয়ারি মাস থেকে শুরু হবে এবং ৬ জুনের মধ্যে সম্পন্ন হবে, এ কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এক আইনশৃঙ্খলা সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এই তথ্য প্রকাশ করেন।
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, আগামী জানুয়ারি থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে এবং তা ৬ জুন পর্যন্ত চলমান থাকবে। এজন্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটানো আবশ্যক।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান জনগণের সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনা রয়েছে আমাদের প্রতি- আগামী যে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন আসছে, সেটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ করার জন্য প্রশাসন ও সরকারের পক্ষ থেকে যা কিছু প্রয়োজন, আমরা তা করব।
তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপি সরকার নির্বাচনের জন্য কলঙ্কিত অধ্যায় নিয়ে থাকবে না। আমরা জনগণ এবং প্রার্থীদের এই নিশ্চয়তা দিতে চাই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ