প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নিউইয়র্ক থেকে বাংলাদেশ বা যুক্তরাষ্ট্রের অন্য রাজ্যে যাওয়ার জন্য টিকিট খোঁজার সময় যদি শুধুমাত্র একটি বিমানবন্দর এবং নির্দিষ্ট তারিখে সীমাবদ্ধ থাকেন, তাহলে কম দামের ফ্লাইটগুলো আপনার দৃষ্টির বাইরে চলে যেতে পারে। জন এফ কেনেডি, লাগার্ডিয়া এবং নিউয়ার্ক বিমানবন্দরের ভাড়া এবং আশপাশের কয়েক দিনের যাত্রার তারিখ তুলনা করে সাশ্রয়ের সুযোগ পাওয়া সম্ভব। তবে, কোনো কৌশল অনুসরণ করলেও ৩০০ ডলার সাশ্রয়ের নিশ্চয়তা পাওয়া যায় না।
গুগল ফ্লাইটসে যাত্রার শহর দিয়ে খোঁজার পাশাপাশি আলাদাভাবে বিমানবন্দরগুলো দেখার সুযোগ রয়েছে। লাগার্ডিয়া থেকে দেশের অভ্যন্তরীণ যাত্রা এবং জেএফকে বা নিউয়ার্ক থেকে আন্তর্জাতিক যাত্রার ভাড়া তুলনা করা উচিত। ফেরার ফ্লাইট অন্য বিমানবন্দরে নামলে দাম কমছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। বিমানবন্দর পরিবর্তন করলে সেখানে যাওয়া-আসার খরচ ও সময় মোট হিসাবের সঙ্গে যোগ করতে হবে।
যাত্রার তারিখে কিছুটা ছাড় থাকলে ক্যালেন্ডারে কয়েক দিন আগে-পরে ভাড়া দেখার চেষ্টা করুন। গুগল ফ্লাইটস প্রতিদিনের সর্বনিম্ন প্রদর্শিত ভাড়া দেখায়। স্কাইস্ক্যানারের ‘হোল মান্থ’ সুবিধা ব্যবহার করে পুরো মাসের বিভিন্ন দিনের দাম তুলনা করা যেতে পারে। পছন্দের ফ্লাইটের দাম নজরে রাখতে গুগল ফ্লাইটসে প্রাইস ট্র্যাকিং চালু করলে পরিবর্তনের খবর ইমেইলে পাওয়া যাবে।
টিকিট কাটতে মঙ্গলবার বা বুধবার দুপুর ১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত অপেক্ষা করা আবশ্যক এমন কোনো নির্ভরযোগ্য নিয়ম নেই। গুগলের প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লাইট তথ্য অনুযায়ী, টিকিট কেনার দিনের কারণে গড় দামে পার্থক্য খুব সামান্য। একইভাবে, দেশের অভ্যন্তরীণ টিকিট ২১ থেকে ৪৫ দিন এবং আন্তর্জাতিক টিকিট দুই থেকে চার মাস আগে কাটলে সেরা দাম পাওয়া যাবে এমন নিশ্চয়তাও নেই। রুট, মৌসুম এবং যাত্রার তারিখ অনুযায়ী উপযুক্ত সময় পরিবর্তিত হয়।
সরাসরি ফ্লাইটের পাশাপাশি একবার যাত্রাবিরতির ফ্লাইটগুলোও তুলনা করা উচিত। কম ভাড়া দেখালেও যাত্রার মোট সময়, সংযোগকারী ফ্লাইট ধরার সুযোগ এবং লাগেজের নিয়ম দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি। কম দামের টিকিটে ব্যাগেজ ও আসন বাছাইয়ের আলাদা খরচ থাকলে শেষ পর্যন্ত মোট দাম বেড়ে যেতে পারে।
ক্রেডিট কার্ড পয়েন্ট বা এয়ারলাইন মাইলস থাকলে টিকিট কাটার আগে কত পয়েন্ট প্রয়োজন এবং সঙ্গে কত কর বা ফি দিতে হচ্ছে, তা মিলিয়ে নিন। পয়েন্ট ব্যবহার করলেই টিকিট পুরোপুরি বিনা খরচে পাওয়া যায় না। বুকিংয়ের আগে এয়ারলাইনের নিজস্ব সাইটে চূড়ান্ত দাম এবং টিকিট পরিবর্তন ও বাতিলের শর্তও দেখে নেওয়া উচিত। যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এয়ারলাইনের জন্য প্রযোজ্য ২৪ ঘণ্টার বুকিং সংক্রান্ত নিয়ম তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে কেনা টিকিটে সরাসরি প্রযোজ্য নয়।
বারবার একই ফ্লাইট খোঁজার ফলে কুকির কারণে দাম বাড়ে, তাই ইনকগনিটো মোডে টিকিট কাটার প্রয়োজন এমন দাবির কোনো ভিত্তি পাওয়া যায়নি। ভাড়া বদলাতে দেখলে যাত্রার তারিখ, ব্যাগেজসহ মোট দাম এবং বুকিংয়ের শর্ত আবার মিলিয়ে দেখা অধিক কার্যকর।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন