প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নিউইয়র্কে প্রচণ্ড গরম কেবল অস্বস্তির বিষয় নয়, বরং এটি জনস্বাস্থ্যের জন্যও একটি ঝুঁকি। সিটির স্বাস্থ্য বিভাগের ২০২৬ সালের প্রতিবেদন অনুসারে, গরমের কারণে বা গরমের ফলে বিদ্যমান অসুস্থতার কারণে প্রতি বছর আনুমানিক ৫০০ নিউইয়র্কবাসীর মৃত্যু ঘটে। এই প্রেক্ষাপটে, ২০২৬ অর্থবছরে শহরের বিভিন্ন স্থানে ১৮ হাজার ২৬১টি গাছ লাগানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে পার্কস বিভাগ, যা ২০১৬ সালের পর এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ গাছ লাগানোর সংখ্যা।
সিটি কর্তৃপক্ষের দাবি, নতুন গাছের অধিকাংশই লাগানো হয়েছে সেই সব এলাকায়, যেখানে প্রচণ্ড গরমের ঝুঁকি বেশি। এই তালিকায় রয়েছে ব্রাউনসভিল, মট হেভেন, ইস্ট হারলেম এবং সাউথ ওজোন পার্ক। বিশেষ করে ব্রাউনসভিল ও ইস্ট হারলেমে গরমের ঝুঁকিতে থাকা বাসিন্দাদের জন্য স্বাস্থ্য বিভাগ এ বছর নতুন শীতল আশ্রয়কেন্দ্রও চালু করেছে।
কেন এসব এলাকায় গাছ লাগানো জরুরি, তা সিটির কম্পট্রোলারের একটি প্রতিবেদনে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নিউইয়র্কের বিভিন্ন এলাকায় গাছের ছায়া সমানভাবে বিতরণ নেই। সাউথ ব্রঙ্কস ও সেন্ট্রাল ব্রুকলিনের কিছু অংশে গাছের আচ্ছাদন কম, ফলে সেখানে ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা এবং গরমজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি বেশি।
তবে গাছ লাগানোর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও তাৎক্ষণিকভাবে বেশি ছায়া পাওয়া যাবে না। কম্পট্রোলারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শহরে গাছের আচ্ছাদন বৃদ্ধিতে পূর্বে লাগানো গাছের বৃদ্ধি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নতুন গাছগুলোকে টিকিয়ে রাখতে প্রথম কয়েক বছর নিয়মিত পানি দেওয়া, মাটি ও গোড়ার পরিচর্যা অত্যাবশ্যক। পরিচর্যায় কর্মী ও অর্থের অভাবের বিষয়টিও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
নিউইয়র্কের লক্ষ্য হলো ২০৪০ সালের মধ্যে শহরের ৩০ শতাংশ জমিকে গাছের ছায়ার আওতায় নিয়ে আসা। তাই ১৮ হাজার গাছ লাগানোর পরবর্তী প্রশ্ন হলো - গাছগুলো কতটা টিকে থাকবে এবং যেসব পাড়ায় ছায়ার ঘাটতি সবচেয়ে বেশি, সেখানকার বাসিন্দারা কতটা সুফল পাবেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন