মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:১১ পি.এম
বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল নেদারল্যান্ডস ভিত্তিক ‘ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ’-এর কর্মকর্তাদের সাথে মহানগরীতে নিরবচ্ছিন্ন বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের লক্ষ্যে বৈঠক করেছে। বৈঠকে বিভিন্ন কারিগরি দিক নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
নগর প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিনের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত সিইও রুম্পা সিকদার এবং প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও নির্বাহী প্রকৌশলী ওমর ফারুকও বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।
বৈঠকে ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার হ্রাস করে নগরীতে উন্নত পানি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন কারিগরি দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। উন্নত ও অত্যাধুনিক ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট স্থাপন, স্বল্পমূল্যে নগরবাসীকে পানি প্রদানের লক্ষ্যে ‘ওয়াটার এটিএম বুথ’ স্থাপন, বিতরণ ব্যবস্থা পুনর্বাসন এবং আধুনিকায়নের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
এছাড়াও, পরিবেশসহায়ক সোলার সিস্টেম নির্ভর পানি সরবরাহ ও বিতরণ ব্যবস্থাপনার বিষয়টিও গুরুত্বের সাথে আলোচনা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের ভ্রাম্যমাণ আদালত সাভারে দুইটি প্রতিষ্ঠানকে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ লঙ্ঘনের জন্য ৩ লাখ টাকা জরিমানা করেছে। অভিযানের সময় জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।
সাভার উপজেলায় আজ অনুষ্ঠিত দুটি পৃথক অভিযানের নেতৃত্ব দেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অনুপম দাস অনুপ।
সাভারের উলাইল, গেন্দা এলাকার ভরসা বেকার্সে অভিযান চলাকালে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি বিস্কুট, কেকসহ বিভিন্ন খাদ্যের মোড়কে বিভ্রান্তিকর তথ্যসংবলিত লেবেল ব্যবহার করছে। কারখানায় উৎপাদনের সময় অ্যামোনিয়া ব্যবহৃত হলেও বিস্কুটের মোড়কে সেই উপাদানের উল্লেখ ছিল না। এছাড়া, কারখানার উৎপাদন পরিবেশ অত্যন্ত নোংরা ও অপরিষ্কার ছিল এবং খাদ্যকর্মীরা গ্লাভস, মাস্ক, ক্যাপসহ প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সুরক্ষা উপকরণ ব্যবহার না করে কাজ করছিলেন। এসব অপরাধের জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।
অন্যদিকে, কর্ণপাড়ার বেকো লাইভ বেকারিতে অভিযানের সময় দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে কাজ করছে। একই রেফ্রিজারেটরে কাঁচা ও রান্না করা খাবার একসঙ্গে সংরক্ষণ করা হচ্ছিল। এছাড়া, বিভিন্ন খাদ্য ও খাদ্য উপাদান কোনো লেবেল ছাড়াই সংরক্ষণ ও ব্যবহার করা হচ্ছিল।
অভিযান চলাকালে প্রতিষ্ঠানটি ট্রেড লাইসেন্স, ফায়ার লাইসেন্স, প্রিমিসেস লাইসেন্স, কর্মীদের স্বাস্থ্য সনদ, পেস্ট কন্ট্রোলের প্রমাণক এবং পানি পরীক্ষার হালনাগাদ সনদ প্রদর্শনে ব্যর্থ হয়। এসব অনিয়মের কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।
জনস্বার্থে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের এ ধরনের তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাজধানীর মহাখালী অঞ্চলে পথচারীদের অবাধ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক মহাখালী জোন ফুটপাথের অবৈধ দোকানপাট ও হকারদের উচ্ছেদে একটি অভিযান পরিচালনা করেছে। আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত এই অভিযান অনুষ্ঠিত হয়।
ডিএমপির প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মহাখালী এলাকার নতুন ফুটওভার ব্রিজ থেকে টার্মিনাল ইনগেট পর্যন্ত ইনকামিং রাস্তার ফুটপাথ অবৈধভাবে দখল হয়ে যাওয়ার কারণে সাধারণ মানুষের চলাচলে চরম অসুবিধার সৃষ্টি হচ্ছিল। সাধারণ মানুষের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করার জন্য পুলিশ এই অভিযান পরিচালনা করে এবং ফুটপাথ থেকে ১৫টি অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করে রাস্তাটিকে চলাচলের উপযোগী করে তোলে।
পুলিশ জানিয়েছে, জনস্বার্থে এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সুশৃঙ্খল রাখতে এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাউজান পৌরসভার জনগুরুত্বপুর্ণ বেরুলীয়া সড়কটি বর্তমানে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। চট্টগ্রাম রাঙ্গামাটি সড়কের বেরুলীয়া নামক স্থান থেকে বাঁচা মিয়ার দোকান পর্যন্ত বিস্তৃত এই সড়কটি পাকিস্তান আমল থেকে অতিরিক্ত গুরুত্বপুর্ণ হিসাবে পরিচিত হয়ে আসছে।
সড়কটির কালিমন্দিরের পর থেকে দক্ষিণাংশে বড় বড় গর্ত এবং গর্ত দেখা যাচ্ছে। সড়কের দু-অংশে অল্প পরিমাণে সি.সি. ঢালাই রয়েছে। বাকী অংশের পিস ঢালাই উঠে গিয়ে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে, যা যেন মিনি পুকুরের মতো হয়ে গেছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কটিতে প্রতিদিন ছোট বড় গাড়ি চলাচল করছে। এলাকার যাত্রী সাধারণের অভিযোগ, ব্রিকফিল্ডের ইট বহনকারী ভারী ট্রাক চলাচলের কারণে এই সড়কটি একদম নষ্ট হয়ে গেছে। কিছুদিন আগে বেশ কয়েকটি সিএনজি অটোরিক্সা সড়কের গর্তে উল্টে গিয়ে মারাত্মক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিল।
সড়কের পাশে একটি উচ্চবিদ্যালয়, একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেশ কয়েকটি জুমা মসজিদ, একটি বড় মন্দির এবং নানাবিধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
সড়কের বাঁচামিয়ার দোকানের দক্ষিণাংশেও বেশ কয়েকটি গর্ত দেখা যায়। বর্তমানে এই সড়ক দিয়ে মাইক্রোবাস (হাইস), পিলডার, জিপ, বাস, ট্রাক চলাচল করতে পারছে না। তাও সিএনজি অটোরিক্সা ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।
কুয়েতে কর্মরত (রাউজানের বাসিন্দা) সিভিল ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম বলেন, "যে কোন মানুষের মূল দাবী টেকসই উন্নয়ন। আর এটি করতে হলে প্রকল্প তৈরির সময় সড়কের উচ্চতা দেখতে হবে। কারণ আমাদের দেশে ৬/৭ মাস বৃষ্টি হয়। সড়কের পাশে পানি জমে থাকে। সে পানির কারণে সড়কের দু-পাশ নরম হয়ে যায়। আর গাড়ি চলতে চলতে সড়কগুলা ভিতর থেকে ফাটল কিংবা ধ্বসে পড়ে। একসময় এসে সড়কে বড় বড় গর্ত জম্ম নেয়। তাই সড়ক টেকসই করার জন্য প্রথমে উচুঁ ভরাট। এরপর অন্যান্য পদক্ষেপ। তাহলে সড়ক সহজে ধেবে যাবেনা। টেকসই উন্নয়ন হবে।"
সড়কের বিষয়ে জানতে চাইলে রাউজান পৌরসভার প্রধান প্রকৌশলী শাহিন হোসাইন জানান, "আমরা সড়কটি সংস্কারের জন্য এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) অবকাঠামো উন্নয়ন থেকে প্রকল্প পাশ করেছি। আগামী সপ্তাহে পত্রিকার মাধ্যমে টেন্ডারে যাবে।" তিনি জানান, দ্রুত সময়ের মধ্য সড়কটির কাজ সম্পন্ন করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নিউইয়র্কে প্রচণ্ড গরম কেবল অস্বস্তির বিষয় নয়, বরং এটি জনস্বাস্থ্যের জন্যও একটি ঝুঁকি। সিটির স্বাস্থ্য বিভাগের ২০২৬ সালের প্রতিবেদন অনুসারে, গরমের কারণে বা গরমের ফলে বিদ্যমান অসুস্থতার কারণে প্রতি বছর আনুমানিক ৫০০ নিউইয়র্কবাসীর মৃত্যু ঘটে। এই প্রেক্ষাপটে, ২০২৬ অর্থবছরে শহরের বিভিন্ন স্থানে ১৮ হাজার ২৬১টি গাছ লাগানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে পার্কস বিভাগ, যা ২০১৬ সালের পর এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ গাছ লাগানোর সংখ্যা।
সিটি কর্তৃপক্ষের দাবি, নতুন গাছের অধিকাংশই লাগানো হয়েছে সেই সব এলাকায়, যেখানে প্রচণ্ড গরমের ঝুঁকি বেশি। এই তালিকায় রয়েছে ব্রাউনসভিল, মট হেভেন, ইস্ট হারলেম এবং সাউথ ওজোন পার্ক। বিশেষ করে ব্রাউনসভিল ও ইস্ট হারলেমে গরমের ঝুঁকিতে থাকা বাসিন্দাদের জন্য স্বাস্থ্য বিভাগ এ বছর নতুন শীতল আশ্রয়কেন্দ্রও চালু করেছে।
কেন এসব এলাকায় গাছ লাগানো জরুরি, তা সিটির কম্পট্রোলারের একটি প্রতিবেদনে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নিউইয়র্কের বিভিন্ন এলাকায় গাছের ছায়া সমানভাবে বিতরণ নেই। সাউথ ব্রঙ্কস ও সেন্ট্রাল ব্রুকলিনের কিছু অংশে গাছের আচ্ছাদন কম, ফলে সেখানে ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা এবং গরমজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি বেশি।
তবে গাছ লাগানোর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও তাৎক্ষণিকভাবে বেশি ছায়া পাওয়া যাবে না। কম্পট্রোলারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শহরে গাছের আচ্ছাদন বৃদ্ধিতে পূর্বে লাগানো গাছের বৃদ্ধি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নতুন গাছগুলোকে টিকিয়ে রাখতে প্রথম কয়েক বছর নিয়মিত পানি দেওয়া, মাটি ও গোড়ার পরিচর্যা অত্যাবশ্যক। পরিচর্যায় কর্মী ও অর্থের অভাবের বিষয়টিও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
নিউইয়র্কের লক্ষ্য হলো ২০৪০ সালের মধ্যে শহরের ৩০ শতাংশ জমিকে গাছের ছায়ার আওতায় নিয়ে আসা। তাই ১৮ হাজার গাছ লাগানোর পরবর্তী প্রশ্ন হলো - গাছগুলো কতটা টিকে থাকবে এবং যেসব পাড়ায় ছায়ার ঘাটতি সবচেয়ে বেশি, সেখানকার বাসিন্দারা কতটা সুফল পাবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ