বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৪৬ পি.এম
ঢাকার মেট্রোরেলের স্টেশন এবং চলমান ট্রেনে মোবাইল নেটওয়ার্ক ও কলসেবা নিরবচ্ছিন্নভাবে নিশ্চিত করার জন্য ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কম্পানি লিমিটেডকে (ডিএমটিসিএল) একটি লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিইউবিটি লইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিইউএলএ) সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী এইচ এম রাশিদুল ইসলাম জনস্বার্থে ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর এই লিগ্যাল ডিমান্ড নোটিশটি পাঠান।
নোটিশে দেশের শীর্ষ তিন মোবাইল অপারেটর-গ্রামীণফোন, বাংলালিংক এবং রবি আজিয়াটাকে (এয়ারটেল) মেট্রো রেল এলাকায় প্রয়োজনীয় অবকাঠামো স্থাপনের অনুমতি ও সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার জন্য দাবি জানানো হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়েছে, বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় চার লাখ যাত্রী মেট্রো রেলে যাতায়াত করেন। কিন্তু ট্রেন চলাকালীন এবং স্টেশনগুলোতে দুর্বল নেটওয়ার্কের কারণে যাত্রীরা জরুরি প্রয়োজনে কথা বলতে পারেন না অথবা বারবার কল কেটে যায়। এর ফলে প্রতিদিন হাজারো যাত্রী ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
নোটিশ পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে তা লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে। যদি এ বিষয়ে পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তবে জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিট আবেদনসহ পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে নোটিশে সতর্ক করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে স্বাস্থ্যহানিকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য তৈরি এবং নানা অনিয়মের অভিযোগে দুটি বেকারিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন আস্পদ্দি এলাকায় পিরোজপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক দেবাশীষ রায়ের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযান সূত্রে জানা গেছে, আস্পদ্দি এলাকার বিসমিল্লাহ বেকারি ও নিপা বেকারিতে নোংরা পরিবেশ, খাদ্যে ক্ষতিকারক রাসায়নিক রং ব্যবহার এবং পণ্যের মোড়কে মেয়াদ না থাকাসহ নানা অনিয়ম পাওয়া যায়। এসব অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৩৭ ও ৪৩ ধারায় বিসমিল্লাহ বেকারিকে ৫ হাজার টাকা এবং একই ধারায় নিপা বেকারিকে ১০ হাজার টাকা প্রশাসনিক জরিমানা করা হয়।
অভিধানে কাউখালী উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মোঃ নুরুল আলম বখতিয়ার এবং কাউখালী থানা পুলিশের একটি টিম সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।
অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর পিরোজপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক দেবাশীষ রায় বলেন, আমরা নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবে কাউখালীর বেকারিগুলোতে অভিযান চালিয়েছি। বেকারির খাদ্যপণ্যে ক্ষতিকারক রং মেশানো হচ্ছে এবং প্যাকেটজাত পণ্যের মোড়কে উৎপাদন ও মেয়াদের কোনো তারিখ দেওয়া হচ্ছে না। এটি ভোক্তাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ০৯ সেপ্টেম্বর বুধবার বিকেলে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে উক্ত সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শরীফা হক এর সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন, সিভিল সার্জন ডাঃ ফরাজী মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম মঞ্জু,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সুমাইয়া মমিন,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো: সেলিম মিঞা, টাঙ্গাইল পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আনিসুর রহমানসহ সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাগণ।
সভায় বক্তাগণ ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে আলোচনা করেন এবং সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উপসাগরীয় অঞ্চল এবং আশপাশের যেসব নেতৃবৃন্দ ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা করছিলেন তাদের সেই চেষ্টা গুড়ে বালি। কেননা তারা আজ সকালে উঠেও হামলা ও পাল্টা হামলার মতো সেই একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছেন।
ফলে বলা যায় গত ২৪ ঘণ্টায় যা ঘটেছে তা নিশ্চিতভাবেই একটি বড় ধরনের সহিংস উত্তেজনার বহিঃপ্রকাশ।
ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, মার্কিন সামরিক হামলার জবাবে তারা জর্ডানের আল-আজরাক ঘাঁটিতে মার্কিন বাহিনীর ওপর একটি ‘বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা’ চালিয়েছে।
তাদের দাবি, এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এফ-৩৫, এফ-১৬ এবং এফ-১৫ ফাইটার জেটের রক্ষণাবেক্ষণ ও মোতায়েন কেন্দ্রে আঘাত হানা হয়েছে।
তবে আইআরজিসির দাবির সাথে জর্ডানের সামরিক বাহিনীর বক্তব্যের মধ্যে বড় ধরনের অমিল রয়েছে। জর্ডান সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা ২০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে, যার মধ্যে ১৮টি ধ্বংস করা হয়েছে এবং ২টি ফাঁকা জায়গায় গিয়ে পড়েছে। ফলে কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
পৃথকভাবে আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, তারা হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌবাহিনীর দু’টি ডেস্ট্রয়ার, আরও দু’টি মার্কিন জাহাজ এবং আটটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে।
ফলে এতদিন মধ্যপ্রাচ্যের যে সমস্ত আঞ্চলিক নেতৃবৃন্দ উভয় পক্ষকে সংঘাত থেকে দূরে রাখতে এবং টেবিলে আলোচনায় বসাতে দৌড়ঝাঁপ করছিলেন, তাদের শান্তি প্রচেষ্টা বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। দুই পক্ষ থেকে আসা পাল্টাপাল্টি দাবি ও সামরিক তৎপরতার ধরন ইঙ্গিত দিচ্ছে-আগামী দিন ও সপ্তাহগুলোতে এই সংঘাত প্রশমিত হওয়ার বদলে আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।
সূত্র: আল-জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আমার একটাই ছেলে। ছয় মাস আগে বিদেশে গেছে।
তার মৃত বাবার মুখটাও দেখতে পারেনি। আমারে যারা বিধবা করেছে তাদের ফাঁসি চাই।’ফরিদপুর আদালত চত্বরে দাঁড়িয়ে স্বামী হত্যার বিচার ও আসামিদের ফাঁসির দাবিতে কান্নায় ভেঙে পড়েন ডালিয়া বেগম। তার আহাজারিতে আদালত চত্বর ভারি হয়ে ওঠে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে কৃষক ইউসুফ আলী শেখ (৫৫) হত্যায় জড়িতদের ফাঁসি এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে ফরিদপুর জজকোর্ট চত্বরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী প্রায় দেড় শতাধিক মানুষ এতে অংশ নেন, হাতে ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে।
মানববন্ধনে গ্রেপ্তার আসামিদের জামিন না দেওয়া এবং দ্রুত বিচার শেষ করার দাবি জানানো হয়।
মৃত ইউসুফ আলী শেখ ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার গাজীরটেক ইউনিয়নের চরঅমরাপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
তিনি পেশায় একজন কৃষক ছিলেন।
স্বজনদের অভিযোগ, গত ১ আগস্ট সন্ধ্যায় ইউসুফ আলীকে ডেকে নিয়ে দুর্গম চর এলাকায় নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে তাকে বিষ খাওয়ানো হয়। পরে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ৩ আগস্ট ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।
ঘটনার প্রায় এক মাস আগে মামলার আসামি শামীমের মা আসমা বেগম নিখোঁজ হন।
এই ঘটনায় ইউসুফসহ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল পুলিশ। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে ইউসুফকে ডেকে নিয়ে নির্যাতন ও বিষ খাওয়ানো হয়।
মৃত্যুর আগে ইউসুফ একটি ভিডিও বক্তব্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িত কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে গেছেন বলে জানান স্বজনরা। পরে নিহতের স্ত্রী ডালিয়া বেগম সাতজনের নাম উল্লেখ করে চরভদ্রাসন থানায় হত্যা মামলা করেন।
মামলার পর রাতেই অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারা হলেন, শামীম হোসেন (২৫), তার বোন ইয়াছমিন আক্তার (৩৪), আক্কাস মোল্যা (৬০) ও তার ছেলে জুলহাস মোল্যা (৩৫)। তবে মামলার বাকি তিন আসামি এখনো গ্রেপ্তার না হওয়ায় স্বজন ও এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
মানববন্ধনে ডালিয়া বেগম বলেন, ‘আমার স্বামীকে ডেকে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ এখনো তিন আসামিকে ধরতে পারেনি। আমি প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার চাই। যারা আমার স্বামীকে তিলে তিলে মেরেছে, তাদের ফাঁসি চাই।
স্থানীয় বাসিন্দা শাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘আমাদের মূল দাবি, গ্রেপ্তার আসামিরা যেন জামিন না পায় এবং দ্রুত বিচার শেষে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে পলাতক তিন আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে।’
চরভদ্রাসন থানার উপপরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এনামুল হক বলেন, ‘মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বাকি তিন আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি আমরা।’
এদিকে মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলামের হাতে গ্রেপ্তার আসামিদের জামিন না দিয়ে বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য স্মারকলিপি প্রদান করেন নিহতের স্ত্রী ডালিয়া বেগম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ