মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:২৭ এম
ঢাকা, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : চীনের ইউনান প্রদেশের লিজিয়াং শহরে অনুষ্ঠিত ১৩তম গোল্ডেন ব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল ইউরোলজি কনফারেন্সে বাংলাদেশের ইউরোলজি চিকিৎসা ও গবেষণার অগ্রগতি তুলে ধরেছেন বিশিষ্ট ইউরোলজিস্ট ও বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ডা. মো. রফিকূল ইসলাম। তাঁর গবেষণাধর্মী উপস্থাপনা সম্মেলনে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশেষ গুরুত্ব লাভ করে।
এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনটি ১১ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর চীনের লিজিয়াং শহরের গার্ডেন ভিলা, গুয়ানফাং হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনের আয়োজন করে চীনের দ্য সেকেন্ড অ্যাফিলিয়েটেড হসপিটাল অব কুনমিং মেডিকেল ইউনিভার্সিটি। এতে বাংলাদেশ, চীন, যুক্তরাজ্য, ফিলিপাইন, নেপাল, ভারত, ইন্দোনেশিয়া সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের খ্যাতনামা ইউরোলজিস্ট ও বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করেন।
অধ্যাপক ডা. মো. রফিকূল ইসলামের ‘টোটাল টিউবলেস মিনি-পিসিএনএল’ শীর্ষক গবেষণাধর্মী প্রেজেন্টেশন সম্মেলনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল। কিডনির জটিল ও বড় আকারের পাথর অপসারণে ব্যবহৃত আধুনিক ও মিনিমালি ইনভেসিভ চিকিৎসাপদ্ধতির কার্যকারিতা, নিরাপত্তা, চিকিৎসা-ফলাফল এবং বাংলাদেশের মতো দেশে এর প্রয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে তিনি বিস্তারিত আলোচনা করেন। তাঁর উপস্থাপনায় আধুনিক ইউরোলজি চিকিৎসায় প্রযুক্তিনির্ভর ও রোগীবান্ধব পদ্ধতির গুরুত্ব বিশেষভাবে উঠে আসে।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সম্মেলনে আরও অংশ নেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির ইউরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইউরোলজিকাল সার্জনসের সভাপতি অধ্যাপক ডা. শফিকুর রহমান এবং ডা. খন্দকার মাহবুব হোসেন।
অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, অধ্যাপক ডা. সাইফুল ইসলাম, অধ্যাপক ডা. মো. শফিকুর রহমান ও অধ্যাপক ডা. মো. রফিকূল ইসলাম সম্মেলনের বিভিন্ন সায়েন্টিফিক সেশনে চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, পাশাপাশি তাঁরা নিজ নিজ গবেষণা ও প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
আন্তর্জাতিক এ সম্মেলনে বাংলাদেশের ইউরোলজি চিকিৎসার সাম্প্রতিক অগ্রগতি, আধুনিক সার্জিক্যাল টেকনোলজির ব্যবহার এবং চিকিৎসা ও গবেষণায় বাংলাদেশের সক্ষমতার প্রশংসা করেন আয়োজকরা। বিশেষ করে বাংলাদেশে ইউরোলজি চিকিৎসায় আধুনিক মিনিমালি ইনভেসিভ ও ল্যাপারোস্কোপিক বা রোবোটিক সার্জারির অগ্রগতি নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়।
সম্মেলনে অনকো-ইউরোলজি, ইউরোলিথিয়াসিস, ফিমেল ইউরোলজি এবং ল্যাপারোস্কোপিক বা রোবোটিক সার্জারিসহ ইউরোলজির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সায়েন্টিফিক আলোচনা, রিসার্চ প্রেজেন্টেশন ও লাইভ সার্জিক্যাল ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে সম্মেলনটি ইউরোলজি চিকিৎসার সর্বশেষ টেকনোলজি, রিসার্চ ও চিকিৎসাপদ্ধতি বিনিময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়।
এদিকে, কুনমিং মেডিকেল ইউনিভার্সিটির সেকেন্ড অ্যাফিলিয়েটেড হসপিটাল এবং বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির মধ্যে বিদ্যমান সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ভবিষ্যতে আরও কার্যকরভাবে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। এডুকেশন, রিসার্চ, ট্রেনিং, স্পেশালিস্ট এক্সচেঞ্জ এবং আধুনিক চিকিৎসা টেকনোলজির ক্ষেত্রে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এবং পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিকের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশনের (সিপিএ) ৬৯তম কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি কনফারেন্সের (সিপিসি) উদ্বোধনের প্রাক্কালে।
এসময় উভয় পক্ষ বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। তারা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে পার্লামেন্টারি ডিপ্লোমেসির গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি, দুই দেশের সংসদের মধ্যে নিয়মিত সংলাপ এবং প্রতিনিধিদল বিনিময়ের পাশাপাশি জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।
বৈঠকের শেষে, ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিককে বাংলাদেশ সফরের জন্য একটি আমন্ত্রণ জানান, যা তার জন্য সুবিধাজনক হবে। পাকিস্তানের স্পিকারও বাংলাদেশের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে পাকিস্তান সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানান, যা তাদের জন্য সুবিধাজনক হবে। বৈঠকটি অত্যন্ত আন্তরিক এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সচেতনতা বাড়াতে শহরের অলিগলিতে মাইকিং, নির্দেশ অমান্যে আইনানুগ ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি
দেশের চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে কিশোরগঞ্জের ভৈরবে শুরু হয়েছে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা। ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভৈরব পৌরসভার প্রশাসক কে এম মামুনুর রশীদের নির্দেশনায় শহরের বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে নির্ধারিত সময়সূচি মেনে চলার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
মাইকিংয়ের মাধ্যমে ভৈরব উপজেলা ও পৌর এলাকার বাজার, বাসস্ট্যান্ড, ফেরিঘাট, লঞ্চঘাট, রেলওয়ে স্টেশনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার দোকানপাট, মার্কেট ও শপিংমল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা সম্পর্কে অবহিত করা হচ্ছে।
প্রচারণায় জানানো হচ্ছে, দোকানপাট, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, মার্কেট ও শপিংমলসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। পাশাপাশি বিয়ে, জন্মদিনসহ বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রেও নির্ধারিত সময়ের পর কার্যক্রম সীমিত রাখার বিষয়ে সচেতন করা হচ্ছে।
তবে জরুরি ও প্রয়োজনীয় সেবাগুলো এ নির্দেশনার আওতামুক্ত থাকবে। রাত ৮টার পর হাসপাতাল, ফার্মেসি, খাবারের দোকান, কাঁচাবাজার এবং সরকারি ও অন্যান্য জরুরি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার সুযোগ থাকবে বলে মাইকিংয়ে জানানো হচ্ছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জ্বালানি সংকটের সময়ে অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহার কমাতে ব্যবসায়ীসহ সর্বস্তরের নাগরিকের সহযোগিতা প্রয়োজন। জাতীয় সংকট মোকাবিলায় প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এদিকে নির্ধারিত সময়সূচি ও সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কোনো প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে মাইকিংয়ে সতর্ক করা হচ্ছে।
সচেতন নাগরিকরা বলছেন, জ্বালানি সংকট জাতীয় সমস্যা। তাই সংকট মোকাবিলায় সাময়িকভাবে কিছু বিধিনিষেধ মেনে চলা সবার দায়িত্ব। তবে নির্দেশনা বাস্তবায়নের পাশাপাশি নিয়মিত সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো প্রয়োজন, যাতে সাধারণ মানুষের মধ্যে অযথা আতঙ্ক সৃষ্টি না হয় এবং জরুরি সেবাও ব্যাহত না হয়।
প্রশাসনের নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের পাশাপাশি জাতীয় সংকট মোকাবিলায় ভৈরবের নাগরিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার উথুরা ইউনিয়নে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও সাধারণ মানুষের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উথুরা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃক্ষরোপণ ও সাধারণ মানুষের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করেন ময়মনসিংহ বিভাগ এর শ্রমিক দলের সহ সভাপতি ও ভালুকা উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি সৌমিক হাসান সোহাগ।কর্মসূচিতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা,সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষকে বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শ্রমিক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাইয়্যেবুল বাড়ী আরিফ,দপ্তর সম্পাদক ডা.হাফিজুল ইসলাম,উথুরা ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাবেক সভাপতি আসাদুজ্জামান (আসাদ) মেম্বার,উপজেলা শ্রমিক নেতা হুমায়ুন কবির হিমন,বিরুনীয়া ইউনিয়ন শ্রমিক দলের আহ্বায়ক নাজমুল হোসেন সাকু,৬নং ভালুকা ইউনিয়ন শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মো.রাকিব মিয়া,২নং মেদুয়ারি ইউনিয়ন শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মাফুজ মন্ডল ও সদস্য সচিব মুনজুর ইসলাম।
এছাড়াও ১নং উথুরা ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাবেক আহ্বায়ক মো.কামাল হোসেন,সদস্য সচিব কামরুল ইসলাম,উপজেলা শ্রমিক নেতা মো.জুয়েল রানা,উপজেলা শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু হানিফ, উপজেলা শ্রমিক নেতা সুমন পাঠানসহ ১নং উথুরা ইউনিয়ন ও ২নং মেদুয়ারি ইউনিয়ন শ্রমিক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর আদাবরে ছাত্রদল নেতার মহানুভবতায় হারানো মোটরসাইকেল ফিরে পেয়েছেন প্রকৃত মালিক। রোববার রাতে আদাবর থানা এলাকার শ্যামলী রিং রোডে এ ঘটনা ঘটে। মোটরসাইকেলের মালিক মো. রাসেল মিরপুরের বাসিন্দা এবং পেশায় একজন পাঠাও চালক।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রোববার রাতে যাত্রী নিয়ে মোহাম্মদপুরে যান রাসেল। যাত্রী নামিয়ে তিনি বিজলী মহল্লার একটি চায়ের দোকানে যান। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন বখাটে সেখানে গিয়ে তাকে নানা অবান্তর প্রশ্ন করতে থাকে। একপর্যায়ে তাদেরই একজন রাসেলের মোটরসাইকেলটি নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।
তবে রাস্তায় যানজট থাকায় মোটরসাইকেলটি নিয়ে বেশি দূর যেতে পারেনি ওই ব্যক্তি। পরে বাধ্য হয়ে শ্যামলী রিং রোড এলাকায় ‘আবার খাবো’ ফুড কার্টের পাশে মোটরসাইকেলটি রেখে পালিয়ে যায় সে।
আদাবর থানার ৩০ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও ‘আবার খাবো’ ফুড কার্টের মালিক মো. রনি হোসেন জানান, দীর্ঘ সময় ধরে মোটরসাইকেলটি সেখানে পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। গভীর রাত পর্যন্ত কেউ মোটরসাইকেলটি নিতে না আসায় বিষয়টি নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন হন।
এ সময় সেখানে উপস্থিত হন রনির বন্ধু ও আদাবর থানা ছাত্রদল নেতা বোরহান রব্বানী। পরে তিনি মোটরসাইকেলটির ছবি তুলে নিজের ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করেন এবং উপযুক্ত প্রমাণ দেখিয়ে প্রকৃত মালিককে মোটরসাইকেলটি নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
ফেসবুকে দেওয়া ওই পোস্ট দেখে বোরহান রব্বানীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন মিরপুরের বাসিন্দা রাসেল। পরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও প্রমাণ যাচাই-বাছাই শেষে প্রকৃত মালিক রাসেলের কাছে মোটরসাইকেলটি বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
পরে এ বিষয়ে নিজের ফেসবুকে আরেকটি পোস্ট দেন ছাত্রদল নেতা বোরহান রব্বানী। সেখানে তিনি জানান, সবার সহযোগিতায় মোটরসাইকেলের প্রকৃত মালিককে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় প্রমাণ দেওয়ার পর রাসেলকে তার মোটরসাইকেল বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ঘটনাটিতে হারানো সম্পদ প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দিতে স্থানীয়দের এমন উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন অনেকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ