মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:২৮ এম
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এবং পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিকের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশনের (সিপিএ) ৬৯তম কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি কনফারেন্সের (সিপিসি) উদ্বোধনের প্রাক্কালে।
এসময় উভয় পক্ষ বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। তারা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে পার্লামেন্টারি ডিপ্লোমেসির গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি, দুই দেশের সংসদের মধ্যে নিয়মিত সংলাপ এবং প্রতিনিধিদল বিনিময়ের পাশাপাশি জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।
বৈঠকের শেষে, ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিককে বাংলাদেশ সফরের জন্য একটি আমন্ত্রণ জানান, যা তার জন্য সুবিধাজনক হবে। পাকিস্তানের স্পিকারও বাংলাদেশের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে পাকিস্তান সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানান, যা তাদের জন্য সুবিধাজনক হবে। বৈঠকটি অত্যন্ত আন্তরিক এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সচেতনতা বাড়াতে শহরের অলিগলিতে মাইকিং, নির্দেশ অমান্যে আইনানুগ ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি
দেশের চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে কিশোরগঞ্জের ভৈরবে শুরু হয়েছে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা। ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভৈরব পৌরসভার প্রশাসক কে এম মামুনুর রশীদের নির্দেশনায় শহরের বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে নির্ধারিত সময়সূচি মেনে চলার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
মাইকিংয়ের মাধ্যমে ভৈরব উপজেলা ও পৌর এলাকার বাজার, বাসস্ট্যান্ড, ফেরিঘাট, লঞ্চঘাট, রেলওয়ে স্টেশনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার দোকানপাট, মার্কেট ও শপিংমল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা সম্পর্কে অবহিত করা হচ্ছে।
প্রচারণায় জানানো হচ্ছে, দোকানপাট, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, মার্কেট ও শপিংমলসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। পাশাপাশি বিয়ে, জন্মদিনসহ বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রেও নির্ধারিত সময়ের পর কার্যক্রম সীমিত রাখার বিষয়ে সচেতন করা হচ্ছে।
তবে জরুরি ও প্রয়োজনীয় সেবাগুলো এ নির্দেশনার আওতামুক্ত থাকবে। রাত ৮টার পর হাসপাতাল, ফার্মেসি, খাবারের দোকান, কাঁচাবাজার এবং সরকারি ও অন্যান্য জরুরি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার সুযোগ থাকবে বলে মাইকিংয়ে জানানো হচ্ছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জ্বালানি সংকটের সময়ে অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহার কমাতে ব্যবসায়ীসহ সর্বস্তরের নাগরিকের সহযোগিতা প্রয়োজন। জাতীয় সংকট মোকাবিলায় প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এদিকে নির্ধারিত সময়সূচি ও সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কোনো প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে মাইকিংয়ে সতর্ক করা হচ্ছে।
সচেতন নাগরিকরা বলছেন, জ্বালানি সংকট জাতীয় সমস্যা। তাই সংকট মোকাবিলায় সাময়িকভাবে কিছু বিধিনিষেধ মেনে চলা সবার দায়িত্ব। তবে নির্দেশনা বাস্তবায়নের পাশাপাশি নিয়মিত সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো প্রয়োজন, যাতে সাধারণ মানুষের মধ্যে অযথা আতঙ্ক সৃষ্টি না হয় এবং জরুরি সেবাও ব্যাহত না হয়।
প্রশাসনের নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের পাশাপাশি জাতীয় সংকট মোকাবিলায় ভৈরবের নাগরিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার উথুরা ইউনিয়নে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও সাধারণ মানুষের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উথুরা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃক্ষরোপণ ও সাধারণ মানুষের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করেন ময়মনসিংহ বিভাগ এর শ্রমিক দলের সহ সভাপতি ও ভালুকা উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি সৌমিক হাসান সোহাগ।কর্মসূচিতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা,সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষকে বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শ্রমিক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাইয়্যেবুল বাড়ী আরিফ,দপ্তর সম্পাদক ডা.হাফিজুল ইসলাম,উথুরা ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাবেক সভাপতি আসাদুজ্জামান (আসাদ) মেম্বার,উপজেলা শ্রমিক নেতা হুমায়ুন কবির হিমন,বিরুনীয়া ইউনিয়ন শ্রমিক দলের আহ্বায়ক নাজমুল হোসেন সাকু,৬নং ভালুকা ইউনিয়ন শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মো.রাকিব মিয়া,২নং মেদুয়ারি ইউনিয়ন শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মাফুজ মন্ডল ও সদস্য সচিব মুনজুর ইসলাম।
এছাড়াও ১নং উথুরা ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাবেক আহ্বায়ক মো.কামাল হোসেন,সদস্য সচিব কামরুল ইসলাম,উপজেলা শ্রমিক নেতা মো.জুয়েল রানা,উপজেলা শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু হানিফ, উপজেলা শ্রমিক নেতা সুমন পাঠানসহ ১নং উথুরা ইউনিয়ন ও ২নং মেদুয়ারি ইউনিয়ন শ্রমিক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর আদাবরে ছাত্রদল নেতার মহানুভবতায় হারানো মোটরসাইকেল ফিরে পেয়েছেন প্রকৃত মালিক। রোববার রাতে আদাবর থানা এলাকার শ্যামলী রিং রোডে এ ঘটনা ঘটে। মোটরসাইকেলের মালিক মো. রাসেল মিরপুরের বাসিন্দা এবং পেশায় একজন পাঠাও চালক।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রোববার রাতে যাত্রী নিয়ে মোহাম্মদপুরে যান রাসেল। যাত্রী নামিয়ে তিনি বিজলী মহল্লার একটি চায়ের দোকানে যান। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন বখাটে সেখানে গিয়ে তাকে নানা অবান্তর প্রশ্ন করতে থাকে। একপর্যায়ে তাদেরই একজন রাসেলের মোটরসাইকেলটি নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।
তবে রাস্তায় যানজট থাকায় মোটরসাইকেলটি নিয়ে বেশি দূর যেতে পারেনি ওই ব্যক্তি। পরে বাধ্য হয়ে শ্যামলী রিং রোড এলাকায় ‘আবার খাবো’ ফুড কার্টের পাশে মোটরসাইকেলটি রেখে পালিয়ে যায় সে।
আদাবর থানার ৩০ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও ‘আবার খাবো’ ফুড কার্টের মালিক মো. রনি হোসেন জানান, দীর্ঘ সময় ধরে মোটরসাইকেলটি সেখানে পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। গভীর রাত পর্যন্ত কেউ মোটরসাইকেলটি নিতে না আসায় বিষয়টি নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন হন।
এ সময় সেখানে উপস্থিত হন রনির বন্ধু ও আদাবর থানা ছাত্রদল নেতা বোরহান রব্বানী। পরে তিনি মোটরসাইকেলটির ছবি তুলে নিজের ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করেন এবং উপযুক্ত প্রমাণ দেখিয়ে প্রকৃত মালিককে মোটরসাইকেলটি নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
ফেসবুকে দেওয়া ওই পোস্ট দেখে বোরহান রব্বানীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন মিরপুরের বাসিন্দা রাসেল। পরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও প্রমাণ যাচাই-বাছাই শেষে প্রকৃত মালিক রাসেলের কাছে মোটরসাইকেলটি বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
পরে এ বিষয়ে নিজের ফেসবুকে আরেকটি পোস্ট দেন ছাত্রদল নেতা বোরহান রব্বানী। সেখানে তিনি জানান, সবার সহযোগিতায় মোটরসাইকেলের প্রকৃত মালিককে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় প্রমাণ দেওয়ার পর রাসেলকে তার মোটরসাইকেল বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ঘটনাটিতে হারানো সম্পদ প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দিতে স্থানীয়দের এমন উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন অনেকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর গবেষণা ও উদ্ভাবনের বিস্তারের লক্ষ্যে ‘গবেষণা ও উদ্ভাবন ফান্ড’ গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই বিষয়টি তুলে ধরেন।
অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, "আপনারা চিন্তা করতে পারেন কীভাবে একটা ‘গবেষণা ও উদ্ভাবন ফান্ড’ গড়ে তোলা যায়। সেখানে কীভাবে বিভিন্ন ব্যক্তি, কোম্পানি ফান্ড দিতে পারে। যদি ব্যক্তিখাত রাজি থাকে নিঃসন্দেহে সরকার এই ক্ষেত্রে রাজস্ব ব্যবস্থায় কি ধরনের পরিবর্তন আনা যায় সেগুলো দেখবে।"
তিনি আরও বলেন, "পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে গবেষণা ও উদ্ভাবন ফান্ড রয়েছে। এটার মাধ্যমে আপনারা গবেষণা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে পারেন। প্রধানমন্ত্রী বারবার এটা উল্লেখ করছেন। ফান্ড থেকে টাকা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের কাউন্সিল থাকতে পারে। যাতে করে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ওই ফান্ডগুলো বিতরণ করা যেতে পারে।"
অর্থনীতির ভঙ্গুর অবস্থা থেকে সমৃদ্ধির পথে যেতে রূপরেখা তুলে ধরে উপদেষ্টা জানান, সরকার ‘থ্রি-আর’ কৌশল বাস্তবায়ন করছে। এই কৌশলের প্রধান তিনটি ধাপ হলোÑরিকভারি (অর্থনীতির প্রাথমিক পুনরুদ্ধার), রিস্টোরেশন (স্থিতিশীলতায় পুনঃপ্রতিষ্ঠা) এবং রিকনস্ট্রাকশন (দ্রুততার সঙ্গে অর্থনৈতিক পুনর্গঠন)।
তিনি উল্লেখ করেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলা, এলডিসি থেকে টেকসই উত্তরণ এবং পিছিয়ে পড়া টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন; এই তিনটি প্রধান লক্ষ্যকে একসঙ্গে সুসমন্বিত করে আমাদের সামনের দিকে এগোতে হবে।
বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে অন্যতম উৎপাদন কেন্দ্র বা ম্যানুফ্যাকচারিং হাব ও গেটওয়ে হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ওমান সরকার ইতোমধ্যে এ লক্ষ্যে যৌথ সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে। এ ছাড়া ইউরোপ, এশিয়া, লাতিন আমেরিকা ও পশ্চিম ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ভূ-অর্থনৈতিক সমন্বয় জোরদার করা হচ্ছে, যাতে বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইন বা সরবরাহ শৃঙ্খল অক্ষুণ্ন রাখা যায়।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট টেনে তিনি আরও বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময় প্রথম শিল্পমেলার মাধ্যমে দেশে প্রথম উদ্যোক্তা শ্রেণির বিকাশ ঘটেছিল এবং তৈরি পোশাক খাতের ভিত তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীতে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আমলে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ভিত মজবুত করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ দর্শনে উদ্বুদ্ধ হয়ে তরুণদের মেধাকে কাজে লাগানোর এখনই উপযুক্ত সময়।
গবেষণা ও প্রযুক্তির বিকাশকে কোনো ক্ষণিকের প্রদর্শনী বা ইভেন্টে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তরুণদের উদ্ভাবনী ভাবনাকে ‘গ্যারেজ থেকে গ্যালাক্সি’ পর্যন্ত বিস্তৃত করে একটি গণতান্ত্রিক, মানবিক ও সমৃদ্ধ কল্যাণ রাষ্ট্র গড়াই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব আনোয়ার হোসেন বলেন, "ছোট পরিসরে বা ছোট টেবিলে শুরু হওয়া উদ্ভাবন থেকেই বিশ্বজুড়ে বড় বড় শিল্প ও প্রযুক্তি বিপ্লব ঘটেছে। তাই কোনো উদ্ভাবক যেন তাদের ধারণাকে ছোট বা কম গুরুত্বপূর্ণ মনে না করেন। উপস্থাপিত ও অনুপস্থাপিত প্রতিটি ধারণাই অত্যন্ত সম্ভাবনাময়।"
তিনি জানান, মেলায় অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান আগ্রহ প্রকাশ করলেও ৫০টিকে চূড়ান্ত প্রদর্শনীর জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। জুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এর মধ্য থেকে সেরা ১০টি উদ্ভাবনকে পুরস্কৃত করা হবে। শীর্ষ ৫০টি উদ্ভাবনের প্রত্যেকে সনদপত্র এবং মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ১০ হাজার টাকা করে আর্থিক স্বীকৃতি পাবেন। পাশাপাশি চমৎকার পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশেষ স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ