প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সচেতনতা বাড়াতে শহরের অলিগলিতে মাইকিং, নির্দেশ অমান্যে আইনানুগ ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি
দেশের চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে কিশোরগঞ্জের ভৈরবে শুরু হয়েছে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা। ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভৈরব পৌরসভার প্রশাসক কে এম মামুনুর রশীদের নির্দেশনায় শহরের বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে নির্ধারিত সময়সূচি মেনে চলার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
মাইকিংয়ের মাধ্যমে ভৈরব উপজেলা ও পৌর এলাকার বাজার, বাসস্ট্যান্ড, ফেরিঘাট, লঞ্চঘাট, রেলওয়ে স্টেশনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার দোকানপাট, মার্কেট ও শপিংমল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা সম্পর্কে অবহিত করা হচ্ছে।
প্রচারণায় জানানো হচ্ছে, দোকানপাট, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, মার্কেট ও শপিংমলসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। পাশাপাশি বিয়ে, জন্মদিনসহ বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রেও নির্ধারিত সময়ের পর কার্যক্রম সীমিত রাখার বিষয়ে সচেতন করা হচ্ছে।
তবে জরুরি ও প্রয়োজনীয় সেবাগুলো এ নির্দেশনার আওতামুক্ত থাকবে। রাত ৮টার পর হাসপাতাল, ফার্মেসি, খাবারের দোকান, কাঁচাবাজার এবং সরকারি ও অন্যান্য জরুরি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার সুযোগ থাকবে বলে মাইকিংয়ে জানানো হচ্ছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জ্বালানি সংকটের সময়ে অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহার কমাতে ব্যবসায়ীসহ সর্বস্তরের নাগরিকের সহযোগিতা প্রয়োজন। জাতীয় সংকট মোকাবিলায় প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এদিকে নির্ধারিত সময়সূচি ও সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কোনো প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে মাইকিংয়ে সতর্ক করা হচ্ছে।
সচেতন নাগরিকরা বলছেন, জ্বালানি সংকট জাতীয় সমস্যা। তাই সংকট মোকাবিলায় সাময়িকভাবে কিছু বিধিনিষেধ মেনে চলা সবার দায়িত্ব। তবে নির্দেশনা বাস্তবায়নের পাশাপাশি নিয়মিত সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো প্রয়োজন, যাতে সাধারণ মানুষের মধ্যে অযথা আতঙ্ক সৃষ্টি না হয় এবং জরুরি সেবাও ব্যাহত না হয়।
প্রশাসনের নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের পাশাপাশি জাতীয় সংকট মোকাবিলায় ভৈরবের নাগরিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন