ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হবিগঞ্জে ভূমি অধিগ্রহণে ২৪ জনকে ১০ কোটি ১৫ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণ


হবিগঞ্জে ভূমি অধিগ্রহণে ২৪ জনকে ১০ কোটি ১৫ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণ

হবিগঞ্জ, ৪ অক্টোবর, ২০২৬ : ঢাকা (কাঁচপুর)-সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ এবং উভয় পাশে পৃথক সার্ভিস লেন নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় হবিগঞ্জে ভূমি অধিগ্রহণের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ২৪ জন ভূমি মালিকের জন্য ১০ কোটি ১৫ লাখ টাকার চেক বিতরণ করা হয়েছে।

আজ রোববার বেলা ১১টায় বাহুবল উপজেলার মিরপুর বাজার সংলগ্ন মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ২৪ জন ভূমি মালিকের হাতে ২৪ টি চেক তুলে দেন জেলা প্রশাসক ড. জি. এম. সরফরাজ।

জেলা প্রশাসক ড. জি. এম. সরফরাজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত চেক প্রদান অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. মঈনুল হক ও বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জ্বল রায় বক্তব্য রাখেন।

আরও পড়ুন: আখাউড়ায় সিএনজি অটোরিকশায় মিলল ২০০ পিস ইয়াবা, গ্রেপ্তার ২

এছাড়াও, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ উল্লাহর সঞ্চালনায় ক্ষতিপূরণ গ্রহণকারী ভূমির মালিকরাও তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।

জেলা প্রশাসক জানান, প্রকল্পের আওতায় হবিগঞ্জ জেলায় এ পর্যন্ত মোট ১৪৯ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসেই ক্ষতিগ্রস্ত ভূমির মালিকদের প্রায় ১৮ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ড. জি. এম. সরফরাজ আরও বলেন, প্রকল্পের সুষ্ঠু বাস্তবায়নের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ কার্যক্রম আইনানুগভাবে সম্পন্ন করা হচ্ছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত ভূমির মালিকদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে এ কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, ঢাকা (কাঁচপুর)-সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ ও উভয় পাশে পৃথক সার্ভিস লেন নির্মাণ প্রকল্পটি দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, সড়কের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি এবং যাত্রী ও পণ্য পরিবহন আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

আরও পড়ুন: দাদু ভাই গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অগ্রভাগে ছিলেন: কেসিসি প্রশাসক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সার মজুত করায় পদ হারালেন জামায়াত নেতা মনিরুল ইসলাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১৭ পি.এম


সার মজুত করায় পদ হারালেন জামায়াত নেতা মনিরুল ইসলাম

কামারখন্দের সিরাজগঞ্জে নিয়মবহির্ভূতভাবে ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার মজুত করার ঘটনায় উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর-২ মো. মনিরুল ইসলামের রুকনিয়াত (সদস্য পদ) বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে তিনি সংগঠনটির নায়েবে আমীর-২ পদে আর দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।

রোববার (৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শহীদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী, রুকন বা পূর্ণাঙ্গ সদস্য সংগঠনের সর্বোচ্চ স্তরের সদস্যপদ। একজন কর্মী নির্ধারিত সাংগঠনিক ও নৈতিক শর্ত পূরণ করে রুকন হলে তিনি এই সদস্যপদ লাভ করেন।

জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শহীদুল ইসলাম জানান, মনিরুল ইসলামের রুকনিয়াত বাতিল করা হয়েছে। রুকনিয়াত বাতিল হওয়ার ফলে তিনি আর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর পদে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।

এর আগে, গত ১ অক্টোবর রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের ছোট ধোপাকান্দি গ্রামে মনিরুল ইসলামের সার গুদামে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে বিনির্দেশবহির্ভূতভাবে সার গুদামজাত করার অভিযোগে তাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে গুদামে মজুত করা ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার সরকারের অনুকূলে জব্দ করা হয়।

মনিরুল ইসলাম আব্দুর রশিদের ছেলে এবং তিনি কামারখন্দ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর-২ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিজয়ের স্ত্রী সঙ্গীতা সোরনালিঙ্গম ছেলে জেসনের সিনেমা দেখতে প্রেক্ষাগৃহে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১৮ পি.এম


বিজয়ের স্ত্রী সঙ্গীতা সোরনালিঙ্গম ছেলে জেসনের সিনেমা দেখতে প্রেক্ষাগৃহে

দীর্ঘদিন পর প্রকাশ্যে দেখা গেল তামিল অভিনেতা এবং তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়ের স্ত্রী সঙ্গীতা সোরনালিঙ্গমকে। ছেলে জেসন সঞ্জয়ের পরিচালনায় নির্মিত প্রথম সিনেমা ‘সিগমা’ দেখতে তিনি মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে প্রেক্ষাগৃহে হাজির হন। বিচ্ছেদের আবেদন প্রত্যাহারের পর এটি সঙ্গীতার প্রথম প্রকাশ্যে আসা ঘটনা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ২ অক্টোবর চেন্নাইয়ের কামালা সিনেমাসে ‘সিগমা’র প্রথম দিনের প্রদর্শনী দেখতে যান সঙ্গীতা এবং তার মেয়ে দিব্যা শাশা। তাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেসনও। প্রেক্ষাগৃহের বাইরে আলোকচিত্রীদের দেখে হাসিমুখে ভেতরে প্রবেশ করতে দেখা যায় সঙ্গীতাকে। তবে সিনেমাটি দেখতে সেখানে বিজয় উপস্থিত ছিলেন না।

এর আগে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সঙ্গীতা বিজয়ের বিরুদ্ধে পারিবারিক আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেছিলেন। আবেদনে বিজয়ের সঙ্গে এক অভিনেত্রীর কথিত বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক, মানসিক অবহেলা, অপমান এবং দাম্পত্য বিশ্বাস ভঙ্গের অভিযোগ তোলা হয়েছিল। তিনি স্থায়ী ভরণপোষণ ও বসবাসের অধিকারও দাবি করেছিলেন।

কিন্তু কয়েক মাস পর সঙ্গীতা সেই আবেদন প্রত্যাহার করে নেন। গত ৭ আগস্ট ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আদালতে উপস্থিত হয়ে বিচ্ছেদের মামলা তুলে নেওয়ার কথা জানান তিনি। এরপরই প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে দেখা গেল তাকে।

এদিকে, ছেলে জেসনের প্রথম সিনেমা ‘সিগমা’ নিয়ে শুরু থেকেই আলাদা আগ্রহ রয়েছে। সিনেমার প্রচারণায় বাবা বিজয়কে না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জেসন। তার মতে, প্রচারণার কেন্দ্রবিন্দু হওয়া উচিত সিনেমা এবং সংশ্লিষ্ট শিল্পীরা, তারকা বাবা নয়। বর্তমানে বিজয় মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকায় তার ব্যস্ততার বিষয়টিও উল্লেখ করেছেন জেসন।

১৯৯৯ সালে বিজয় এবং সঙ্গীতার বিয়ে হয়। তাদের দুই সন্তান—জেসন সঞ্জয় এবং দিব্যা শাশা। দীর্ঘ সময় পর ছেলের সিনেমাকে কেন্দ্র করে সঙ্গীতার প্রকাশ্যে আসার ঘটনাটি নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিক্ষোভে পুলিশের বিরুদ্ধে ৩ নারী সাংবাদিকের যৌন হয়রানির অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১৮ পি.এম


বিক্ষোভে পুলিশের বিরুদ্ধে ৩ নারী সাংবাদিকের যৌন হয়রানির অভিযোগ

ভারতের দিল্লির যন্তর মন্তরে শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ চলাকালে তিন নারী সাংবাদিক পুলিশের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ করেছেন। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগগুলো ‘নিরপেক্ষভাবে’ তদন্তের জন্য ক্রাইম ব্রাঞ্চে পাঠানো হয়েছে। খবর এনডিটিভির।

এক নারী সাংবাদিক অভিযোগ করেছেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভের সময় এক সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসিপি) তাকে যৌন হয়রানি করেন। তার অভিযোগ অনুযায়ী, পুলিশি কার্যক্রমের ভিডিও ধারণ করার সময় ওই কর্মকর্তা তাকে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে স্পর্শ করেন এবং পরে তাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেন।

ওই সাংবাদিক আরও জানান, পরে তিনি অন্য সাংবাদিকদের সঙ্গে থানায় গিয়ে মামলা করার চেষ্টা করেন। কিন্তু অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও তাৎক্ষণিকভাবে মামলা নথিভুক্ত করা হয়নি বলে তিনি দাবি করেছেন।

দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, তারা তিন সাংবাদিকের অভিযোগ গ্রহণ করেছে। ‘সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের’ জন্য অভিযোগগুলো ক্রাইম ব্রাঞ্চে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ভারতের প্রেস কাউন্সিল ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। সাংবাদিকদের সঙ্গে পুলিশের আচরণে তারা ‘হতবাক ও উদ্বিগ্ন’ বলে মন্তব্য করেছে।

এক বিবৃতিতে প্রেস কাউন্সিল বলেছে, ‘গণতন্ত্রে এ ধরনের আচরণকে স্বাভাবিক হিসেবে মেনে নেওয়া যায় না।’ তারা সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও নথিভুক্ত করার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

জাতীয় রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে সাংবাদিকদের কাজের সুযোগ না দেওয়ার ঘটনা ভারতের গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে বলেও মন্তব্য করেছে প্রেস কাউন্সিল।

সংস্থাটি আরও বলেছে, নারী সাংবাদিকের অভিযোগের বিষয়ে দিল্লি পুলিশকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে এবং সাংবাদিকরা যাতে হামলা বা হুমকির মুখে না পড়ে স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে।

এর আগে শনিবার কংগ্রেসের জ্যেষ্ঠ নেতা রাহুল গান্ধী বিক্ষোভে দিল্লি পুলিশের সদস্যদের বিরুদ্ধে নারীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছে জবাব দাবি করেন।

লোকসভায় বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে বলেন, দিল্লি পুলিশ যেহেতু স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে, তাই অমিত শাহকেই এ বিষয়ে জবাব দিতে হবে।

হিন্দিতে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেন, ‘এক নারী সাংবাদিক যন্তর মন্তরে এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ করেছেন। শত শত সাংবাদিক ঘণ্টার পর ঘণ্টা সেখানে বসে আছেন, তাদের একটাই দাবি—একটি এফআইআর নথিভুক্ত করা হোক। এটাই কি পুলিশের মৌলিক দায়িত্ব নয়? অথচ সেটিও করা হয়নি।’

রাহুল গান্ধী দাবি করেন, শুধু শনিবারই যন্তর মন্তর থেকে শত শত মানুষকে আটক করা হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, নারী বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে, ক্যামেরা কেড়ে নেওয়া হয়েছে এবং সাংবাদিকদের টেনে-হিঁচড়ে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর আগে নারী বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের ভিডিও প্রমাণ সামনে এসেছে বলে তিনি দাবি করেন।

রাহুল বলেন, নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে দিল্লির নারী ও শিক্ষার্থীরা ‘সত্যাগ্রহ’ করছেন। অথচ যাদের তাদের নিরাপত্তা দেওয়ার কথা, সেই পুলিশই তাদের ওপর হাত তুলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘একজন নারীর অভিযোগ নথিভুক্ত করতেও যে সরকার ভয় পায়, তারা আসলে কী রক্ষা করছে? দিল্লি পুলিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে। অমিত শাহজি, আপনি কোথায়? এর জবাব আপনাকেই দিতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘রোনালদোই পর্তুগালের সবচেয়ে বড় আইকন’ - ব্রুনো ফার্নান্দেজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১৯ পি.এম


‘রোনালদোই পর্তুগালের সবচেয়ে বড় আইকন’ - ব্রুনো ফার্নান্দেজ

ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোকে কেন্দ্র করে চলমান বিতর্কের মাঝে ব্রুনো ফার্নান্দেস তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন। পর্তুগালের এই মিডফিল্ডার মনে করেন, যাই ঘটুক না কেন, রোনালদোর অবস্থান দেশের ফুটবল ইতিহাসে কখনো পরিবর্তিত হবে না। তিনি সকলকে সম্মান দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে বিভক্তি না ছড়ায়।

ডেনমার্কের বিরুদ্ধে উয়েফা নেশনস লিগের ম্যাচে শুরুর একাদশে রোনালদো থাকবেন না—এ কথা জানার পর ৪১ বছর বয়সী রোনালদো পর্তুগাল দল ছেড়ে চলে যান। রোনালদো ছাড়া পর্তুগাল ডেনমার্ককে ৪-২ গোলে পরাজিত করে। তবে এই ঘটনার ফলে জাতীয় দলে রোনালদোর ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

শনিবারের সংবাদ সম্মেলনে রোনালদোর বিষয়ে ব্রুনো ফার্নান্দেস বলেন, ‘ক্রিস্তিয়ানোর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। আমি যা বলেছি, সেটিই এখানে পুনরায় বলছি—যা-ই ঘটুক না কেন, আমাদের জাতীয় দল, ফুটবল এবং দেশের সবচেয়ে বড় প্রতীক হিসেবে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর অবস্থান কখনো বদলাবে না। পর্তুগালে এবং সারা বিশ্বে তিনি যা করেছেন, তার জন্যই এই সম্মান।’

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই মিডফিল্ডার আরও উল্লেখ করেন, ‘সর্বকালের সেরাদের মধ্যে তো বটেই, সব পর্তুগিজের হৃদয়ে তাঁর জন্য বিশেষ জায়গা রয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমরা যেন বিভক্তি তৈরি না করি।’

জাতীয় দলের মধ্যে কোনো বিভক্তি নেই জানিয়ে ব্রুনো বলেন, ‘জাতীয় দল এক এবং একই থাকবে, বাইরে থেকে যত কথাই আসুক না কেন। আমরা এই বিতর্কের বাইরে থাকতে চাই। আমি চাই, দেশ যেন বিভক্ত না হয়, কাউকে বেছে নেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি না করে এবং সব পক্ষকে সম্মান জানায়। ক্রিস আমাদের জাতীয় দলের সবচেয়ে বড় আইকন, তিনি সবার সম্মান পাওয়ার যোগ্য—কে তাঁকে বেশি পছন্দ করে আর কে কম, সেটি বিবেচ্য নয়।’

পর্তুগালের হয়ে রোনালদো এখন পর্যন্ত ২৩৪ ম্যাচে ১৪৬ গোল করেছেন। জাতীয় দলের হয়ে ম্যাচ ও গোল—দুই রেকর্ডই তাঁর দখলে রয়েছে। তাঁর নেতৃত্বে ২০১৬ সালে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে পর্তুগাল। এছাড়া ২০১৯ ও ২০২৫ সালে নেশনস লিগের শিরোপাও জিতেছে দলটি। ২০২৫ সালের ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র করার পর টাইব্রেকারে জয়লাভ করে পর্তুগাল; ওই ম্যাচে রোনালদো একটি গোল করেছিলেন।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় দলে তাঁর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এবারের বিশ্বকাপে পর্তুগাল শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেয়। চ্যাম্পিয়ন স্পেনের কাছে তারা ১-০ গোলে পরাজিত হয়। ওই আসরে রোনালদো ভালো খেলেননি, কিন্তু তাঁকে খুব কমই বদলি করা হয়েছিল, যা তখনকার কোচ রবার্তো মার্তিনেসের সমালোচনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

নেশনস লিগের নতুন অভিযানে মার্তিনেসের জায়গায় দায়িত্ব গ্রহণ করেন কোচ হোর্হে জেসুস, যিনি সৌদি আরবের ক্লাব আল-নাসরে রোনালদোর কোচ ছিলেন। ওয়েলসের বিপক্ষে ১-০ গোলের জয়ে রোনালদো শুরুর একাদশে ছিলেন এবং ৬৭ মিনিট মাঠে ছিলেন। এরপর নরওয়ের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয়ে মাঠে নামার সুযোগ পাননি তিনি। ডেনমার্ক ম্যাচের আগেই দলের সঙ্গে তিনি চলে যান।

তিন ম্যাচে তিন জয় নিয়ে নেশনস লিগের ‘এ৪’ গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে পর্তুগাল। রোববার পোর্তোয় নরওয়ের মুখোমুখি হবে তারা। রোনালদোকে নিয়ে আলোচনা করার চেয়ে আপাতত ম্যাচে মনোযোগ দিতে চান কোচ জেসুস।

৭২ বছর বয়সী এই কোচ বলেন, ‘আমি দল এবং প্রতিপক্ষ নরওয়ের ওপর মনোযোগ দিতে চাই। তারা ইউরোপের সেরা পাঁচ দলের একটি। এই মুহূর্তে এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।’

রোববারের ম্যাচের পর রোনালদোকে নিয়ে কথা বলার সময় পাওয়া যাবে বলেও জানিয়েছেন জেসুস। আগামী মাসে ডেনমার্কের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ১৪ নভেম্বর এবং ওয়েলসের বিপক্ষে ১৭ নভেম্বর গ্রুপ পর্বের শেষ দুটি ম্যাচ খেলবে পর্তুগাল। গ্রুপের সেরা দুই দলের মধ্যে থাকতে পারলে মার্চে কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার সুযোগ পাবে তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%