শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৪৯ পি.এম
লেবাননের কাছে এই পাঁচজনকে মুক্তি দিয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে, যারা ইসরায়েলের কারা হেফাজতে ছিলেন। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির (আইসিআরসি) মাধ্যমে।আইসিআরসি জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর অনুরোধের ভিত্তিতে ইসরায়েলের হেফাজত থেকে মুক্তি পাওয়া এই পাঁচজনকে লেবাননে স্থানান্তরে তারা সহায়তা করেছে। তাদের মধ্যে একজনকে বৃহস্পতিবার এবং বাকি চারজনকে শুক্রবার হস্তান্তর করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় আইসিআরসি নিরপেক্ষ মানবিক মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছে।একটি প্রতিবেদনেউল্লেখ করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও লেবাননের চলমান শান্তি আলোচনার অংশ হিসেবে এই পাঁচজন বেসামরিক নাগরিককে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।এবং এর বিনিময়ে লেবানন ১৯৮০-এর দশকে অপহৃত ও নিহত লেবানিজ ইহুদি সম্প্রদায়ের সদস্যদের দেহাবশেষ খুঁজে বের করার প্রচেষ্টায় সহযোগিতা করেছে।ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছিল যে, মুক্তি পাওয়া পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং তাদের কোনো সন্ত্রাসী সংগঠনের সদস্য বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।এদিকে, ইসরায়েলের হেফাজতে থাকা অন্যান্য লেবানিজ বন্দিদের বিষয়ে দেশটির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে আইসিআরসি। সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর থেকে ইসরায়েলের আটককেন্দ্রে থাকা বন্দিদের সঙ্গে তাদের সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ধর্মকে পুঁজি করে বিভাজন বা সমাজে অশান্তি সৃষ্টির যে কোনো প্রচেষ্টা রাষ্ট্রীয় এবং সামাজিক স্তরে সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করা হবে, এই কথা জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
শুক্রবার দুপুরে যশোরের মুন্সী মেহেরুল্লাহ ময়দানে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে যশোর জেলা, সদর উপজেলা ও পৌর পূজা উদযাপন পরিষদ আয়োজিত র্যালিপূর্ব আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ধর্মীয় পরিচয় বা রাজনৈতিক দর্শনের ভিন্নতা নির্বিশেষে যারা সস্তা রাজনীতির স্বার্থে ধর্মকে ব্যবহার করবেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘ধর্ম মানুষের বিশ্বাস ও চেতনার বিষয়, অনৈতিক রাজনৈতিক সুবিধা অর্জনের হাতিয়ার হিসেবে এর ব্যবহার কাম্য নয়।’
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে বসবাসকারী প্রত্যেকের একটিই পরিচয়- বাংলাদেশি, যা ধর্ম বা রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে প্রযোজ্য। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অধিকার অন্যদের সমান বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম এবং যশোর পৌরসভার প্রশাসক রফিকুল হাসান। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু ও সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খান খোকন।
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দীপংকর দাস রতনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার ঘোষের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি গোলাম রেজা দুলু, পৌরসভার সাবেক মেয়র মারুফুল ইসলাম, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্ট যশোর জেলা শাখার আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট দেবাশীষ দাস, রামকৃষ্ণ আশ্রম ও মিশন যশোরের অধ্যক্ষ স্বামী জ্ঞানপ্রকাশানন্দজী মহারাজ, সদর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রবিন পাল ও সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার সরকার, পৌর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক উৎপল ঘোষ এবং জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রতন আচার্য্যসহ অন্যান্যরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘বংশের নাম থাকলেও সাফল্য ধরে রাখতে লড়াই’, জন্মদিনে ঋষি কাপুরের সেই কথাবলিউডের অন্যতম পরিচিত মুখ ঋষি কাপুর। প্রায় পাঁচ দশকের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে রোমান্টিক নায়ক থেকে শক্তিশালী চরিত্রাভিনেতা—বিভিন্ন ভূমিকায় দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।কাপুর পরিবারের মতো প্রভাবশালী পরিবারে জন্মগ্রহণ করলেও নিজের সাফল্য ধরে রাখতে তিনি পরিশ্রম ও সততার গুরুত্বের ওপর জোর দিতেন।শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ঋষি কাপুরের জন্মদিন উপলক্ষে,র এক প্রতিবেদনে ফিরে দেখা যায় তার সাফল্য ও পারিবারিক উত্তরাধিকার নিয়ে করা গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্যগুলো।এক সাক্ষাৎকারে ঋষি কাপুর বলেছিলেন, 'পারিবারিক পরিচয় হয়তো কাউকে সুযোগ এনে দিতে পারে।কিন্তু সেই সুযোগ ধরে রাখা সহজ নয়। নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করতে নিয়মিত পরিশ্রম করতে হয়। বংশের পরিচয় থাকলেও ঐতিহ্য ধরে রাখতে লড়াই করতে হয় এবং কাজের প্রতি আন্তরিক থাকতে হয়।'ঋষি কাপুরের বক্তব্যের মূল বার্তা ছিল—পারিবারিক নাম কাউকে শুরুতে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি সাফল্য সম্পূর্ণরূপে নির্ভর করে নিজের কাজ ও যোগ্যতার ওপর।১৯৭৩ সালে ‘ববি’ সিনেমার মাধ্যমে নায়ক হিসেবে বড় সাফল্য অর্জন করেন ঋষি কাপুর। এরপর দীর্ঘ সময় তিনি রোমান্টিক নায়ক হিসেবে বলিউডে জনপ্রিয়তা লাভ করেন।তবে ক্যারিয়ারের এক পর্যায়ে তিনি নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তোলেন। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চরিত্রাভিনেতা হিসেবে নানা ধরনের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় শুরু করেন।এই পরিবর্তন তার ক্যারিয়ারকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।নতুন প্রজন্মের অভিনেতা ও নির্মাতাদের সঙ্গেও কাজ করার সুযোগ পান তিনি।ঋষি কাপুরের এই বক্তব্য শুধু বলিউডের জন্যই নয়, জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রেও প্রাসঙ্গিক। পারিবারিক পরিচয়, সুযোগ বা সুবিধা কাউকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। কিন্তু দীর্ঘ সময় সাফল্য ধরে রাখতে প্রয়োজন পরিশ্রম, সততা এবং নিজেকে সময়ের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা।ঋষি কাপুরের নিজের ক্যারিয়ারও যেন তারই উদাহরণ। শুরুতে পারিবারিক পরিচয় ও সুযোগ থাকলেও পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে দর্শকের কাছে নিজের স্থান ধরে রেখেছিলেন তিনি কাজের মাধ্যমে।
১৯৫২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর মুম্বাইয়ে জন্মগ্রহণ করেন ঋষি কাপুর। কাপুর পরিবারের সন্তান হিসেবে ছোটবেলাতেই অভিনয়ে প্রবেশ করেন তিনি। ‘মেরা নাম জোকার’ সিনেমায় শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় করেন।
পরে ‘ববি’ সিনেমার মাধ্যমে নায়ক হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ একাধিক সম্মাননা।
২০২০ সালের ৩০ এপ্রিল ৬৭ বছর বয়সে মারা যান ঋষি কাপুর। তবে তাঁর অভিনয় এবং সাফল্য নিয়ে বলা কথাগুলো এখনো দর্শক ও ভক্তদের মধ্যে আলোচিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে পাল্টা আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বেইজিং, যা ইরানের সঙ্গে তেল বাণিজ্যে জড়িত পাঁচটি চীনা প্রতিষ্ঠানের ওপর প্রযোজ্য। চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় একটি ‘ব্লকিং অর্ডার’ জারি করে এ বিষয়ে ঘোষণা করেছে, যা নির্দেশ করে যে, এসব মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কোনো বৈধতা চীনে থাকবে না।
সিনহুয়া সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ওয়াশিংটনের নিষেধাজ্ঞা চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাভাবিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করছে, যা বেইজিংয়ের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের আইনের ‘বহির্দেশীয় প্রয়োগ’ হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো: হেংলি পেট্রোকেমিক্যাল, শানডং শৌগুয়াং লুকিং পেট্রোকেমিক্যাল, শানডং জিনচেং পেট্রোকেমিক্যাল গ্রুপ, হেবেই সিনহাই কেমিক্যাল গ্রুপ এবং শানডং শেংশিং কেমিক্যাল।
যুক্তরাষ্ট্র এই প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল, কারণ তারা ইরানের সঙ্গে তেল লেনদেনে জড়িত ছিল। এর ফলে তাদের সম্পদ জব্দ করা হয়েছে এবং মার্কিন সংশ্লিষ্ট লেনদেনে নিষেধাজ্ঞাসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক আইন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মৌলিক নীতির পরিপন্থী। চীনা কোম্পানি ও নাগরিকদের বৈধ অধিকার এবং দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন স্বার্থ রক্ষায় এই পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
চীনের স্বাধীন ‘টিপট’ শোধনাগারগুলো ইরানের তেলের অন্যতম বড় ক্রেতা। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ইরানের তেল বাণিজ্য নিয়ে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের বিরোধ আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
চীনের দাবি, নির্দিষ্ট মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে দেশটির ‘ব্লকিং অর্ডার’ ব্যবহারের ঘটনা এটিই প্রথম। ফলে ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-চীন দ্বন্দ্বে নতুন মাত্রা যোগ হলো।
সূত্র:
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ