প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
‘বংশের নাম থাকলেও সাফল্য ধরে রাখতে লড়াই’, জন্মদিনে ঋষি কাপুরের সেই কথাবলিউডের অন্যতম পরিচিত মুখ ঋষি কাপুর। প্রায় পাঁচ দশকের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে রোমান্টিক নায়ক থেকে শক্তিশালী চরিত্রাভিনেতা—বিভিন্ন ভূমিকায় দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।কাপুর পরিবারের মতো প্রভাবশালী পরিবারে জন্মগ্রহণ করলেও নিজের সাফল্য ধরে রাখতে তিনি পরিশ্রম ও সততার গুরুত্বের ওপর জোর দিতেন।শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ঋষি কাপুরের জন্মদিন উপলক্ষে,র এক প্রতিবেদনে ফিরে দেখা যায় তার সাফল্য ও পারিবারিক উত্তরাধিকার নিয়ে করা গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্যগুলো।এক সাক্ষাৎকারে ঋষি কাপুর বলেছিলেন, 'পারিবারিক পরিচয় হয়তো কাউকে সুযোগ এনে দিতে পারে।কিন্তু সেই সুযোগ ধরে রাখা সহজ নয়। নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করতে নিয়মিত পরিশ্রম করতে হয়। বংশের পরিচয় থাকলেও ঐতিহ্য ধরে রাখতে লড়াই করতে হয় এবং কাজের প্রতি আন্তরিক থাকতে হয়।'ঋষি কাপুরের বক্তব্যের মূল বার্তা ছিল—পারিবারিক নাম কাউকে শুরুতে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি সাফল্য সম্পূর্ণরূপে নির্ভর করে নিজের কাজ ও যোগ্যতার ওপর।১৯৭৩ সালে ‘ববি’ সিনেমার মাধ্যমে নায়ক হিসেবে বড় সাফল্য অর্জন করেন ঋষি কাপুর। এরপর দীর্ঘ সময় তিনি রোমান্টিক নায়ক হিসেবে বলিউডে জনপ্রিয়তা লাভ করেন।তবে ক্যারিয়ারের এক পর্যায়ে তিনি নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তোলেন। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চরিত্রাভিনেতা হিসেবে নানা ধরনের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় শুরু করেন।এই পরিবর্তন তার ক্যারিয়ারকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।নতুন প্রজন্মের অভিনেতা ও নির্মাতাদের সঙ্গেও কাজ করার সুযোগ পান তিনি।ঋষি কাপুরের এই বক্তব্য শুধু বলিউডের জন্যই নয়, জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রেও প্রাসঙ্গিক। পারিবারিক পরিচয়, সুযোগ বা সুবিধা কাউকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। কিন্তু দীর্ঘ সময় সাফল্য ধরে রাখতে প্রয়োজন পরিশ্রম, সততা এবং নিজেকে সময়ের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা।ঋষি কাপুরের নিজের ক্যারিয়ারও যেন তারই উদাহরণ। শুরুতে পারিবারিক পরিচয় ও সুযোগ থাকলেও পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে দর্শকের কাছে নিজের স্থান ধরে রেখেছিলেন তিনি কাজের মাধ্যমে।
১৯৫২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর মুম্বাইয়ে জন্মগ্রহণ করেন ঋষি কাপুর। কাপুর পরিবারের সন্তান হিসেবে ছোটবেলাতেই অভিনয়ে প্রবেশ করেন তিনি। ‘মেরা নাম জোকার’ সিনেমায় শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় করেন।
পরে ‘ববি’ সিনেমার মাধ্যমে নায়ক হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ একাধিক সম্মাননা।
২০২০ সালের ৩০ এপ্রিল ৬৭ বছর বয়সে মারা যান ঋষি কাপুর। তবে তাঁর অভিনয় এবং সাফল্য নিয়ে বলা কথাগুলো এখনো দর্শক ও ভক্তদের মধ্যে আলোচিত।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন